Product gallery
MRP ১২০.০০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১১৪.০০/Piece
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

D-Rise একটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন (ভিটামিন ডি৩) সাপ্লিমেন্ট, যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার

  • শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক ও বয়স্কদের ভিটামিন ডি ঘাটতি ও অপর্যাপ্ততা প্রতিরোধ ও চিকিৎসা।
  • শিশুদের রিকেটস ও প্রাপ্তবয়স্কদের অস্টিওম্যালাসিয়া প্রতিরোধ ও চিকিৎসা।
  • ক্যালসিয়ামের সাথে সহায়ক হিসেবে অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনায়, বিশেষত মেনোপজ-পরবর্তী নারী ও ঝুঁকিপূর্ণ বয়স্কদের ক্ষেত্রে।

গাইডলাইন-সমর্থিত/সহায়ক ব্যবহার

  • হাইপোপ্যারাথাইরয়ডিজম ও কিছু ধরনের রেনাল অস্টিওডিস্ট্রফিতে বিশেষজ্ঞ তত্ত্বাবধানে সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে।
  • ম্যালঅ্যাবজর্পশন সিনড্রোমে (যেমন সিলিয়াক ডিজিজ, ইনফ্ল্যামেটরি বাওয়েল ডিজিজ, বেরিয়াট্রিক সার্জারি পরবর্তী) ভিটামিন ডি ঘাটতি সংশোধনে।

D-Rise কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয় এবং সংক্রমণের চিকিৎসায় এর কোনো ভূমিকা নেই।

থেরাপিউটিক ক্লাস

চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন; ভিটামিন ডি ও এর অ্যানালগ (D-Rise)

ফার্মাকোলজি

Colecalciferol [Vitamin D3] (কোলিক্যালসিফেরল) নিজে জৈবিকভাবে নিষ্ক্রিয়; এটি প্রথমে যকৃতে হাইড্রোক্সিলেশনের মাধ্যমে ২৫-হাইড্রক্সিভিটামিন ডি-তে এবং পরে কিডনিতে সক্রিয় হরমোন ক্যালসিট্রিওল (১,২৫-ডাইহাইড্রক্সিভিটামিন ডি)-এ রূপান্তরিত হয়।

  • অন্ত্র থেকে খাদ্যজাত ক্যালসিয়াম ও ফসফেট শোষণ বৃদ্ধি করে।
  • কিডনিতে ক্যালসিয়াম পুনঃশোষণ বাড়ায়।
  • স্বাভাবিক হাড় গঠন ও পুনর্গঠনে অস্টিওব্লাস্ট/অস্টিওক্লাস্ট কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
  • প্যারাথাইরয়েড হরমোন (PTH) নিঃসরণ দমন করে ক্যালসিয়াম হোমিওস্ট্যাসিস বজায় রাখতে সাহায্য করে।

Colecalciferol [Vitamin D3] ইমিউন কার্যক্রমেও ভূমিকা রাখে, তবে এটি হাড় ও ক্যালসিয়াম-ফসফেট বিপাকে এর মূল প্রতিষ্ঠিত ভূমিকার তুলনায় গৌণ।

মাত্রা ও সেবনবিধি

D-Rise-এর মাত্রা ইন্ডিকেশন, বয়স, মূল ভিটামিন ডি স্ট্যাটাস এবং প্রোডাক্টের শক্তির (কম মাত্রার দৈনিক ট্যাবলেট/ড্রপ থেকে শুরু করে উচ্চ মাত্রার সাপ্তাহিক/মাসিক ক্যাপসুল ও ইনজেকশন পর্যন্ত) উপর নির্ভর করে ভিন্ন হয়। সর্বদা নির্দিষ্ট প্রোডাক্টের লেবেল ও চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

ইন্ডিকেশনপ্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রাশিশুদের সাধারণ মাত্রা
ভিটামিন ডি ঘাটতি (চিকিৎসা)সপ্তাহে একবার ৪০,০০০-৫০,০০০ আইইউ, ৬-৮ সপ্তাহ ধরে, এরপর পুনর্মূল্যায়নবিশেষজ্ঞ তত্ত্বাবধানে বয়স/ওজনভিত্তিক মাত্রা, যেমন ১২-১৮ বছর বয়সীদের জন্য প্রতি ২ সপ্তাহে ২০,০০০ আইইউ
রক্ষণাবেক্ষণ/প্রতিরোধপ্রতিদিন ৪০০-২,০০০ আইইউ, অথবা প্রতি ৪-৬ সপ্তাহে ২০,০০০ আইইউশিশুদের প্রতিদিন ৪০০ আইইউ; বড় শিশুদের প্রতিদিন ৬০০ আইইউ
অস্টিওপোরোসিস (সহায়ক)প্রতিদিন ৮০০-২,০০০ আইইউ, অথবা নির্দেশিত উচ্চ-মাত্রার মাসিক ডোজপ্রযোজ্য নয়
রিকেটস/অস্টিওম্যালাসিয়া (চিকিৎসা)চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রায়ই মনিটরিংসহ উচ্চ-মাত্রার চিকিৎসাশিশুরোগ বিশেষজ্ঞের নির্দেশনা অনুযায়ী, ওজনভিত্তিক

D-Rise ট্যাবলেট/ক্যাপসুল খাবারের সাথে পানি দিয়ে সেবন করা উচিত, কারণ এটি চর্বিতে দ্রবণীয়। ওরাল সলিউশন/ড্রপ প্রদত্ত ড্রপার দিয়ে পরিমাপ করে সরাসরি বা খাবারের সাথে মিশিয়ে দেওয়া যায়। ইনজেকশন ফর্ম শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর্মী দ্বারা প্রয়োগ করা উচিত। উচ্চ-শক্তির সাপ্তাহিক/মাসিক প্রোডাক্টের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মাত্রার বেশি সেবন করবেন না।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

  • থায়াজাইড ডাইইউরেটিক: D-Rise-এর সাথে একযোগে ব্যবহারে হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে; ক্যালসিয়াম মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • ডিগোক্সিন: D-Rise-জনিত হাইপারক্যালসেমিয়া ডিগোক্সিনের বিষক্রিয়া ও কার্ডিয়াক অ্যারিদমিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • ফেনাইটোইন, ফেনোবারবিটাল ও অন্যান্য এনজাইম-প্রবর্তক অ্যান্টিকনভালসেন্ট: D-Rise-এর কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে, ফলে বেশি মাত্রার প্রয়োজন হতে পারে।
  • সিস্টেমিক কর্টিকোস্টেরয়েড: ক্যালসিয়াম শোষণ ও ভিটামিন ডি বিপাক ব্যাহত করে D-Rise-এর কার্যকারিতা কমাতে পারে।
  • কোলেস্টাইরামিন, অরলিস্ট্যাট, মিনারেল অয়েল: D-Rise-এর অন্ত্রীয় শোষণ কমিয়ে দেয়; প্রয়োজনে সেবনের সময় ব্যবধান রাখা উচিত।
  • কিটোকোনাজল ও অন্যান্য অ্যাজোল অ্যান্টিফাংগাল: ভিটামিন ডি সক্রিয়করণ ও বিপাক প্রক্রিয়া প্রভাবিত করতে পারে।
  • ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট বা ক্যালসিয়াম-যুক্ত অ্যান্টাসিড: D-Rise-এর সাথে একযোগে উচ্চ মাত্রায় ব্যবহারে হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

প্রতিনির্দেশনা

Colecalciferol [Vitamin D3] নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:

  • কোলিক্যালসিফেরল বা প্রোডাক্টের যেকোনো উপাদানের প্রতি জানা অতিসংবেদনশীলতা।
  • হাইপারক্যালসেমিয়া (রক্তে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম)।
  • ভিটামিন ডি বিষক্রিয়ার (হাইপারভিটামিনোসিস ডি) প্রমাণ থাকলে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

নির্ধারিত মাত্রায় D-Rise সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়। প্রতিবেদিত পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • পরিপাকতন্ত্রীয়: বমি বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা/খিঁচুনি, কোষ্ঠকাঠিন্য, ক্ষুধামন্দা।
  • সাধারণ: মাথাব্যথা, দুর্বলতা, বিরল ক্ষেত্রে মৃদু অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া (র‍্যাশ, চুলকানি)।

দীর্ঘমেয়াদী বা অতিরিক্ত উচ্চ-মাত্রায় সেবনে হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে (বিস্তারিত মাত্রাধিক্যতা ও সতর্কতা অংশে দেখুন) — এটি সাধারণ পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নয় বরং মাত্রা-সম্পর্কিত বিষক্রিয়া।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

প্রস্তাবিত দৈনিক গ্রহণযোগ্য মাত্রায় D-Rise গর্ভাবস্থায় সাধারণত নিরাপদ বলে বিবেচিত হয় এবং মায়ের পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি স্ট্যাটাস বজায় রাখতে প্রায়ই সুপারিশ করা হয়। প্রস্তাবিত মাত্রার চেয়ে বেশি মাত্রায় নিরাপত্তার তথ্য সীমিত, তাই এই ধরনের মাত্রা কেবল চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী এবং প্রকৃত প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।

ভিটামিন ডি ও এর মেটাবোলাইট মায়ের বুকের দুধে নির্গত হয়। স্বাভাবিক মাত্রায় D-Rise সেবনকারী স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে এটি সাধারণত স্তন্যদানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়; শিশুর আলাদা ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্টের প্রয়োজন আছে কিনা তা নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে এবং পর্যায়ক্রমিক সিরাম ক্যালসিয়াম পর্যবেক্ষণসহ D-Rise ব্যবহার করুন:

  • উচ্চ-মাত্রার বা দীর্ঘমেয়াদী সাপ্লিমেন্টেশন, যা সঞ্চিত হয়ে ভিটামিন ডি বিষক্রিয়া ও হাইপারক্যালসেমিয়া ঘটাতে পারে।
  • গ্র‍্যানুলোম্যাটাস রোগ (যেমন সারকয়ডোসিস, যক্ষ্মা) ও কিছু লিম্ফোমা, যেখানে সাধারণ মাত্রায়ও হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
  • কিডনি সমস্যা, যেখানে ভিটামিন ডি বিপাক পরিবর্তিত হয় এবং ক্যালসিয়াম/ফসফেট পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • যকৃতের সমস্যা, যা D-Rise-এর সক্রিয় মেটাবোলাইটে রূপান্তর কমাতে পারে।
  • ডিগোক্সিন বা থায়াজাইড ডাইইউরেটিকের সাথে একযোগে ব্যবহার (ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া দেখুন)।
  • দীর্ঘদিন শয্যাশায়ী রোগী বা পূর্ব-বিদ্যমান হাইপারক্যালসিউরিয়া থাকা রোগী, যাদের হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বেশি।

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া D-Rise-এর প্রস্তাবিত মাত্রা অতিক্রম করবেন না এবং মোট দৈনিক গ্রহণ যাচাই না করে একাধিক ভিটামিন ডি-যুক্ত প্রোডাক্ট একত্রে ব্যবহার করবেন না।

মাত্রাধিক্যতা

D-Rise-এর অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদী উচ্চ-মাত্রার সেবনে ভিটামিন ডি বিষক্রিয়া ও হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে। প্রাথমিক লক্ষণের মধ্যে থাকতে পারে দুর্বলতা, ক্লান্তি, মাথাব্যথা, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, ধাতব স্বাদ, বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পেশি বা হাড়ে ব্যথা। গুরুতর বা দীর্ঘস্থায়ী বিষক্রিয়ায় ঘন ঘন প্রস্রাব, অতিরিক্ত তৃষ্ণা, ডিহাইড্রেশন, বিভ্রান্তি, হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা এবং কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস দেখা দিতে পারে।

D-Rise-এর মাত্রাধিক্যতা সন্দেহ হলে সেবন বন্ধ করে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। বাড়িতে নিজে থেকে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

রুম তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু: ভিটামিন ডি ঘাটতি ও রিকেটস প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় D-Rise ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বুকের দুধ খাওয়ানো শিশুদের জন্মের প্রথম দিন থেকে দৈনিক ৪০০ আইইউ এবং বড় শিশুদের জন্য দৈনিক ৬০০ আইইউ সুপারিশ করা হয় যদি খাদ্য থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ না পাওয়া যায়। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তৈরি উচ্চ-শক্তির সাপ্তাহিক/মাসিক D-Rise ক্যাপসুল শিশুদের জন্য উপযুক্ত নয়; পরিবর্তে কম-শক্তির ড্রপ/ওরাল সলিউশন ব্যবহার করা উচিত, চিকিৎসকের নির্দেশনায়।

বয়স্ক: ভিটামিন ডি ঘাটতি প্রতিরোধ/চিকিৎসা ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সাধারণত ব্যবহৃত হয়। সাধারণত আলাদা মাত্রা হ্রাসের প্রয়োজন হয় না, তবে উচ্চ-মাত্রার চিকিৎসায়, বিশেষত থায়াজাইড বা ডিগোক্সিনের সাথে, ক্যালসিয়াম মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: D-Rise 200000 IU/ml IM Injection কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: D-Rise 200000 IU/ml IM Injection ভিটামিন ডি ঘাটতি ও অপর্যাপ্ততা প্রতিরোধ ও চিকিৎসায়, শিশুদের রিকেটস ও প্রাপ্তবয়স্কদের অস্টিওম্যালাসিয়া প্রতিরোধ ও চিকিৎসায়, এবং ক্যালসিয়ামের সাথে সহায়ক হিসেবে অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়।

Q: D-Rise 200000 IU/ml IM Injection কি প্রতিদিন সেবন করতে হয়, নাকি সপ্তাহে একবার?

A: এটি প্রোডাক্টের শক্তি ও চিকিৎসকের নির্দেশনার উপর নির্ভর করে। কিছু D-Rise 200000 IU/ml IM Injection প্রোডাক্ট কম-শক্তির ট্যাবলেট বা ড্রপ যা প্রতিদিন সেবন করতে হয়, আবার কিছু উচ্চ-শক্তির ক্যাপসুল যা ঘাটতির চিকিৎসায় সপ্তাহে বা মাসে একবার সেবন করতে হয়। সর্বদা আপনার প্রেসক্রিপশন বা প্রোডাক্ট লেবেলের নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুসরণ করুন।

Q: গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে D-Rise 200000 IU/ml IM Injection কি নিরাপদ?

A: প্রস্তাবিত দৈনিক গ্রহণযোগ্য মাত্রায় D-Rise 200000 IU/ml IM Injection গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে সাধারণত নিরাপদ বলে বিবেচিত হয় এবং প্রায়ই সুপারিশ করা হয়। প্রস্তাবিত মাত্রার চেয়ে বেশি মাত্রা কেবল স্পষ্ট প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের নির্দেশনায় ব্যবহার করা উচিত, কারণ উচ্চ মাত্রায় নিরাপত্তার তথ্য সীমিত।

Q: D-Rise 200000 IU/ml IM Injection বেশি সেবন করলে কী হতে পারে?

A: দীর্ঘমেয়াদী বা অতিরিক্ত মাত্রায় D-Rise 200000 IU/ml IM Injection সেবনে ভিটামিন ডি বিষক্রিয়া ও হাইপারক্যালসেমিয়া (রক্তে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম) হতে পারে, যার ফলে বমি বমি ভাব, বমি, দুর্বলতা, বিভ্রান্তি, অতিরিক্ত তৃষ্ণা/প্রস্রাব এবং কিডনি সমস্যা দেখা দিতে পারে। মাত্রাধিক্যতা সন্দেহ হলে সেবন বন্ধ করে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

Q: কাদের D-Rise 200000 IU/ml IM Injection সেবন করা উচিত নয়?

A: যাদের কোলিক্যালসিফেরলের প্রতি জানা অতিসংবেদনশীলতা, বিদ্যমান হাইপারক্যালসেমিয়া, বা ভিটামিন ডি বিষক্রিয়ার প্রমাণ আছে, তাদের D-Rise 200000 IU/ml IM Injection ব্যবহার করা উচিত নয়। গ্র‍্যানুলোম্যাটাস রোগ (যেমন সারকয়ডোসিস, যক্ষ্মা), কিছু লিম্ফোমা, বা কিডনি রোগে আক্রান্তদেরও সতর্কতা ও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত, কারণ হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বেশি।

Q: D-Rise 200000 IU/ml IM Injection কি অন্য ওষুধের সাথে মিথষ্ক্রিয়া করে?

A: হ্যাঁ। D-Rise 200000 IU/ml IM Injection থায়াজাইড ডাইইউরেটিক ও ডিগোক্সিনের সাথে (হাইপারক্যালসেমিয়া ও অ্যারিদমিয়ার ঝুঁকি), কিছু অ্যান্টিকনভালসেন্ট ও কর্টিকোস্টেরয়েডের সাথে (কার্যকারিতা হ্রাস), এবং কোলেস্টাইরামিন, অরলিস্ট্যাট বা মিনারেল অয়েলের সাথে (শোষণ হ্রাস) মিথষ্ক্রিয়া করতে পারে। D-Rise 200000 IU/ml IM Injection শুরু করার আগে আপনার সেবনকৃত সকল ওষুধের কথা চিকিৎসককে জানান।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor