Product gallery
MRP ৪০.০০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৩৬.৮০/10's Strip
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

D-Toin একটি হাইড্যান্টোয়িন-জাতীয় অ্যান্টিএপিলেপটিক (খিঁচুনিরোধী) ওষুধ, যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

  • প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার:
    • জেনারেলাইজড টনিক-ক্লোনিক (গ্র্যান্ড মাল) খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ
    • কমপ্লেক্স পারশিয়াল (সাইকোমোটর/টেম্পোরাল লোব) খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ
    • নিউরোসার্জারির সময় বা পরবর্তী খিঁচুনি প্রতিরোধ ও চিকিৎসা
    • স্ট্যাটাস এপিলেপটিকাস (ইনজেকশন আকারে ব্যবহৃত)
  • অকার্যকর ব্যবহার: অ্যাবসেন্স (পেটিট মাল) খিঁচুনিতে D-Toin কার্যকর নয়, বরং একক ওষুধ হিসেবে ব্যবহারে এটি খারাপ হতে পারে।

D-Toin একক চিকিৎসা হিসেবে অথবা প্রয়োজনে অন্য অ্যান্টিএপিলেপটিক ওষুধের সাথে সহায়ক থেরাপি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

D-Toin হাইড্যান্টোয়িন শ্রেণীর অ্যান্টিএপিলেপটিক (খিঁচুনিরোধী) ওষুধ।

ফার্মাকোলজি

Phenytoin Sodium নিউরনের ভোল্টেজ-নির্ভর সোডিয়াম চ্যানেল বন্ধ করে কাজ করে। এটি এই চ্যানেলগুলোকে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় দীর্ঘ সময় রাখে, ফলে নিউরনের অতিরিক্ত পুনরাবৃত্তিমূলক উত্তেজনা কমে যায় এবং মস্তিষ্কের একটি নির্দিষ্ট অংশ থেকে খিঁচুনির বিস্তার সীমিত হয়।

Phenytoin Sodium মূলত যকৃতে (CYP2C9 ও CYP2C19 এনজাইমের মাধ্যমে) বিপাক হয়, যা একটি সীমিত ক্ষমতাসম্পন্ন পথ। থেরাপিউটিক মাত্রার কাছাকাছি বা তার বেশি মাত্রায় সামান্য পরিবর্তনেও রক্তে এর মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে, তাই Phenytoin Sodium এর মাত্রা সমন্বয় সতর্কতার সাথে করতে হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

D-Toin এর মাত্রা রোগীর সাড়া এবং সম্ভব হলে রক্তে ফেনিটোয়িনের মাত্রা (আনুমানিক ১০–২০ mcg/mL) অনুযায়ী পৃথকভাবে নির্ধারণ করতে হয়।

ইঙ্গিতজনগোষ্ঠীসাধারণ মাত্রা
জেনারেলাইজড/পারশিয়াল খিঁচুনিপ্রাপ্তবয়স্কশুরুতে দিনে ২–৩ বার ১০০ মি.গ্রা.; সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা প্রতিদিন ৩০০–৪০০ মি.গ্রা., বিভক্ত মাত্রায়
জেনারেলাইজড/পারশিয়াল খিঁচুনিশিশুশুরুতে প্রায় ৫ মি.গ্রা./কেজি/দিন, বিভক্ত মাত্রায়; সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা ৪–৮ মি.গ্রা./কেজি/দিন, সাধারণত দৈনিক ৩০০ মি.গ্রা.-এর বেশি নয়
স্ট্যাটাস এপিলেপটিকাসপ্রাপ্তবয়স্ক ও শিশু (শুধু ইনজেকশন)শিরাপথে ১৫–২০ মি.গ্রা./কেজি লোডিং ডোজ, নিয়ন্ত্রিত ধীর গতিতে (প্রাপ্তবয়স্কে মিনিটে ৫০ মি.গ্রা.-এর বেশি নয়)

D-Toin এর সংকীর্ণ থেরাপিউটিক সীমার কারণে মাত্রা পরিবর্তন করতে হয় ধাপে ধাপে এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে, এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের D-Toin পরিবর্তন করা উচিত নয়।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

D-Toin যকৃতের সাইটোক্রোম P450 এনজাইমের সাবস্ট্রেট ও শক্তিশালী প্রবর্তক উভয়ই, ফলে এর সাথে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মিথস্ক্রিয়া ঘটে:

  • ডেলাভির্ডিন: একসাথে ব্যবহার নিষিদ্ধ — D-Toin ডেলাভির্ডিনের মাত্রা কমিয়ে এইচআইভি প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • ওয়ারফারিন: D-Toin ওয়ারফারিনের প্রভাব বাড়াতে বা কমাতে পারে; একসাথে ব্যবহারে INR নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
  • মুখে খাওয়ার জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি: D-Toin এর কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে; বিকল্প গর্ভনিরোধ পদ্ধতি বিবেচনা করা উচিত।
  • অন্যান্য অ্যান্টিএপিলেপটিক ওষুধ (কার্বামাজেপিন, ভালপ্রোয়েট, ফেনোবারবিটাল): জটিল দ্বিমুখী মিথস্ক্রিয়া ঘটাতে পারে, তাই নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • CYP2C9/2C19 প্রতিরোধক ওষুধ (ফ্লুকোনাজোল, অ্যামিওডারোন, সিমেটিডিন): D-Toin এর রক্তমাত্রা ও বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • ফলিক অ্যাসিড ও অ্যান্টাসিড: D-Toin এর শোষণ কমাতে পারে; আলাদা সময়ে সেবন করা ভালো।

D-Toin সেবনের সময় ব্যবহৃত সকল ওষুধ, সাপ্লিমেন্ট ও ভেষজ পণ্যের কথা চিকিৎসককে জানান।

প্রতিনির্দেশনা

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Phenytoin Sodium ব্যবহার করা উচিত নয়:

  • ফেনিটোয়িন, অন্যান্য হাইড্যান্টোয়িন জাতীয় ওষুধ বা এর যেকোনো উপাদানে জানা অতি সংবেদনশীলতা
  • ডেলাভির্ডিনের সাথে একযোগে ব্যবহার
  • সাইনাস ব্র্যাডিকার্ডিয়া, সাইনো-এট্রিয়াল ব্লক, দ্বিতীয় বা তৃতীয় ডিগ্রি এভি ব্লক, অথবা অ্যাডামস-স্টোকস সিনড্রোম (ইনজেকশন আকারে ব্যবহারের ক্ষেত্রে, হৃদযন্ত্রের ওপর প্রভাবের কারণে)

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

D-Toin এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া প্রায়ই মাত্রা-নির্ভর।

সাধারণ

  • নিস্ট্যাগমাস (চোখের অনিয়ন্ত্রিত নড়াচড়া), ভারসাম্যহীনতা, কথা জড়িয়ে যাওয়া, কম্পন
  • ঝিমুনি, মাথা ঘোরা, মানসিক বিভ্রান্তি (উচ্চ মাত্রায়)
  • বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য
  • দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে মাড়ি ফুলে যাওয়া (জিঞ্জিভাল হাইপারপ্লাসিয়া) ও অতিরিক্ত লোম গজানো

কম দেখা যায় তবে গুরুতর

  • স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম ও টক্সিক এপিডার্মাল নেক্রোলাইসিসসহ গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া
  • ড্রেস (DRESS) সিনড্রোম/অতি সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া
  • রক্তকণিকার সংখ্যায় অস্বাভাবিকতা (বিরল)
  • যকৃতের ক্ষতি (বিরল)
  • দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি ও হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া
  • শিরাপথে দ্রুত প্রয়োগে রক্তচাপ কমে যাওয়া ও হৃদস্পন্দনের অনিয়ম

D-Toin সেবনকালে র‍্যাশ, জ্বর, গ্রন্থি ফুলে যাওয়া, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ বা জন্ডিস দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: D-Toin প্লাসেন্টা অতিক্রম করতে পারে এবং ফিটাল হাইড্যান্টোয়িন সিনড্রোমের সাথে সম্পর্কিত। স্পষ্ট প্রয়োজন না হলে গর্ভাবস্থায় D-Toin ব্যবহার করা উচিত নয়; খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণের উপকারিতা বনাম ভ্রূণের ঝুঁকি বিবেচনা করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। হঠাৎ বন্ধ করা উচিত নয়, কারণ অনিয়ন্ত্রিত খিঁচুনি মা ও ভ্রূণ উভয়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। ফলিক অ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়।

স্তন্যদান: D-Toin স্তন্যদুগ্ধে সামান্য পরিমাণে প্রবেশ করে। স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং শিশুর ঝিমুনি বা দুধ পানে অসুবিধা হচ্ছে কিনা লক্ষ্য রাখুন।

সতর্কতা

D-Toin শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করুন:

  • সংকীর্ণ থেরাপিউটিক সীমা: সামান্য মাত্রা পরিবর্তনেও রক্তে D-Toin এর মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে পারে; নিয়মিত রক্তমাত্রা পরীক্ষা করা উচিত।
  • যকৃতের সমস্যা: মাত্রা সমন্বয় ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • শিরাপথে ব্যবহারে হৃদযন্ত্রের ঝুঁকি: দ্রুত শিরাপথে প্রয়োগে গুরুতর রক্তচাপ হ্রাস ও হৃদস্পন্দনের অনিয়ম হতে পারে; ক্রমাগত হৃদযন্ত্র পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • ত্বকের গুরুতর প্রতিক্রিয়া: র‍্যাশ বা অতি সংবেদনশীলতার লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে D-Toin বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • হঠাৎ বন্ধ করবেন না: হঠাৎ বন্ধ করলে স্ট্যাটাস এপিলেপটিকাস হতে পারে; বন্ধ করতে হলে চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ধীরে ধীরে করুন।
  • অতিরিক্ত তথ্যের জন্য প্রতিনির্দেশনা ও ঔষধের মিথস্ক্রিয়া অংশ দেখুন।

মাত্রাধিক্যতা

D-Toin অতিরিক্ত সেবনে নিস্ট্যাগমাস, ভারসাম্যহীনতা, কথা জড়িয়ে যাওয়া, কম্পন, ঝিমুনি, বিভ্রান্তি এমনকি কোমা পর্যন্ত হতে পারে; অতিরিক্ত মাত্রায় শিরাপথে প্রয়োগে গুরুতর রক্তচাপ হ্রাস ও হৃদস্পন্দনের অনিয়মও হতে পারে। D-Toin অতিরিক্ত সেবনের নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই। অতিরিক্ত সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা অথবা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

সংরক্ষণ

D-Toin ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। ইনজেকশন আকারের D-Toin রেফ্রিজারেটরে রাখবেন না, কারণ এতে অবক্ষেপ তৈরি হতে পারে। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু: খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে D-Toin শিশুদের ওজন অনুযায়ী মাত্রায় (প্রায় ৫ মি.গ্রা./কেজি/দিন শুরুতে, রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা ৪–৮ মি.গ্রা./কেজি/দিন) ব্যবহৃত হয়; নবজাতক ও শিশুদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

বয়স্ক: বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে D-Toin এর মাত্রা কম রাখা ও ধীরে ধীরে বাড়ানো প্রয়োজন হতে পারে, কারণ তাদের ওষুধ বাঁধন পরিবর্তিত হতে পারে এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার প্রতি সংবেদনশীলতা বেশি থাকে।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: D-Toin 100 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: D-Toin 100 mg Tablet একটি খিঁচুনিরোধী ওষুধ, যা জেনারেলাইজড টনিক-ক্লোনিক ও কমপ্লেক্স পারশিয়াল খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে, নিউরোসার্জারির পর খিঁচুনি প্রতিরোধে এবং স্ট্যাটাস এপিলেপটিকাসের চিকিৎসায় (ইনজেকশন আকারে) ব্যবহৃত হয়।

Q: D-Toin 100 mg Tablet কীভাবে সেবন করব?

A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে D-Toin 100 mg Tablet সেবন করুন। সিরাপ আকারে হলে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন, চিবানো ট্যাবলেট চিবিয়ে খেতে হবে, গিলে ফেলা যাবে না। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা বা ব্র্যান্ড পরিবর্তন করবেন না।

Q: D-Toin 100 mg Tablet সেবনকালে কী এড়িয়ে চলা উচিত?

A: D-Toin 100 mg Tablet হঠাৎ বন্ধ করা এড়িয়ে চলুন, কারণ এতে খিঁচুনি বা স্ট্যাটাস এপিলেপটিকাস হতে পারে। ডেলাভির্ডিনের সাথে D-Toin 100 mg Tablet ব্যবহার করবেন না। আপনার অন্য সকল ওষুধের কথা চিকিৎসককে জানান, কারণ D-Toin 100 mg Tablet ওয়ারফারিন ও জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির সাথে মিথস্ক্রিয়া করতে পারে।

Q: গর্ভাবস্থায় D-Toin 100 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: স্পষ্ট প্রয়োজন না থাকলে গর্ভাবস্থায় D-Toin 100 mg Tablet ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ এটি ফিটাল হাইড্যান্টোয়িন সিনড্রোমের সাথে সম্পর্কিত। খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণের উপকারিতা বনাম ভ্রূণের ঝুঁকি বিবেচনা করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি এবং প্রায়ই ফলিক অ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট দেওয়া হয়।

Q: D-Toin 100 mg Tablet এর সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী কী?

A: D-Toin 100 mg Tablet এর সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ভারসাম্যহীনতা, চোখের অনিয়ন্ত্রিত নড়াচড়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া, ঝিমুনি, বমি বমি ভাব, মাড়ি ফুলে যাওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদে অতিরিক্ত লোম গজানো। গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া বিরল হলেও দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

Q: D-Toin 100 mg Tablet এর মাত্রা মিস হলে বা বেশি হয়ে গেলে কী করব?

A: D-Toin 100 mg Tablet এর কোনো মাত্রা মিস হলে মনে পড়ার সাথে সাথে তা সেবন করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে দ্বিগুণ মাত্রা নেবেন না। অতিরিক্ত সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা অথবা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor