Product gallery
MRP ১১০.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৯৯.০০/200 ml bottle
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Digecid একটি অ্যান্টাসিড ও অ্যান্টিফ্ল্যাটুলেন্ট সমন্বিত ওষুধ, যা পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড ও গ্যাসজনিত অস্বস্তি দ্রুত উপশমে ব্যবহৃত হয়।

প্রধান ব্যবহারসমূহ

  • বদহজম (ডিসপেপসিয়া), বুক জ্বালাপোড়া, টক ঢেকুর ও অ্যাসিডিটির উপসর্গ উপশমে
  • পেপটিক আলসার, গ্যাস্ট্রাইটিস ও ইসোফ্যাজাইটিস জনিত অতিরিক্ত অ্যাসিডিটিতে
  • গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স (GERD) ও হায়াটাল হার্নিয়াজনিত উপসর্গ উপশমে (শুধু লক্ষণ উপশম, রোগের মূল কারণ নিরাময় নয়)
  • পেট ফাঁপা, গ্যাস ও অতিরিক্ত বায়ুজনিত অস্বস্তিতে
  • প্রাপ্তবয়স্কদের উইন্ডি কোলিকে

Digecid শুধুমাত্র লক্ষণ উপশম করে; দীর্ঘস্থায়ী বা তীব্র উপসর্গের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Digecid অ্যান্টাসিড ও অ্যান্টিফ্ল্যাটুলেন্ট সমন্বিত জিআই (গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল) ওষুধ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।

ফার্মাকোলজি

Magaldrate + Simethicone-এর দুটি সম্পূরক কার্যপ্রণালী রয়েছে:

  • ম্যাগালড্রেট একটি ম্যাগনেসিয়াম-অ্যালুমিনিয়াম কমপ্লেক্স, যা পাকস্থলীতে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড নিষ্ক্রিয় করে অতিরিক্ত মাত্রায় ক্ষারীয় না করেই pH বাড়ায়, ফলে পেপসিনের কার্যকলাপ কমে এবং অ্যাসিডজনিত অস্বস্তি লাঘব হয়।
  • সিমেথিকন একটি সারফেস-অ্যাক্টিভ উপাদান, যা অন্ত্রনালীতে গ্যাসের ক্ষুদ্র বুদবুদগুলোর পৃষ্ঠটান কমিয়ে বড় বুদবুদে পরিণত করে, যা সহজে ঢেকুর বা বায়ুনিঃসরণের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। এটি শরীরে শোষিত হয় না।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য

  • চিবানো ট্যাবলেট: ১-২টি ট্যাবলেট ভালোভাবে চিবিয়ে খাবার পর ২০-৬০ মিনিটে এবং ঘুমানোর আগে, অথবা উপসর্গ অনুযায়ী
  • মুখে খাওয়ার সাসপেনশন: ১-২ চা চামচ (৫-১০ মিলি) খাবার পর ২০-৬০ মিনিটে এবং ঘুমানোর আগে, অথবা উপসর্গ অনুযায়ী

প্রোডাক্ট লেবেলে উল্লেখিত সর্বোচ্চ মাত্রা (সাধারণত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪ ট্যাবলেট বা ৪ চা চামচ) অতিক্রম করা উচিত নয়, যদি না চিকিৎসক ভিন্ন পরামর্শ দেন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ২ সপ্তাহের বেশি একটানা ব্যবহার করা উচিত নয়।

শিশুদের জন্য

শিশুদের ক্ষেত্রে Digecid-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়; ব্যবহারের প্রয়োজন হলে তা অবশ্যই চিকিৎসকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে হতে হবে।

বৃক্কীয় (কিডনি) সমস্যা

কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করতে হবে; বিস্তারিত জানতে সতর্কতা অংশ দেখুন।

সেবনবিধি

ট্যাবলেট ভালোভাবে চিবিয়ে খেতে হবে। সাসপেনশন ব্যবহারের আগে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে। অন্যান্য মুখে খাওয়ার ওষুধ থেকে অন্তত ২ ঘণ্টা ব্যবধান রেখে Digecid সেবন করতে হবে (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া)।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Digecid একই সময়ে গ্রহণ করা হলে অনেক মুখে খাওয়ার ওষুধের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে, যার ফলে সেসব ওষুধের কার্যকারিতা হ্রাস পায়। উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন গোত্রের অ্যান্টিবায়োটিক (যেমন টেট্রাসাইক্লিন, ডক্সিসাইক্লিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন): ম্যাগনেসিয়াম ও অ্যালুমিনিয়াম আয়ন এসব অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে অদ্রবণীয় যৌগ তৈরি করে শোষণ ও কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়।
  • ডিগক্সিন: শোষণ কমে যেতে পারে, ফলে ডিগক্সিনের কার্যকারিতা হ্রাস পেতে পারে।
  • লেভোথাইরক্সিন: শোষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে, যা হাইপোথাইরয়েডিজমের চিকিৎসায় ঘাটতি সৃষ্টি করতে পারে।
  • মুখে খাওয়ার আয়রন সল্ট: আয়রনের শোষণ কমে যেতে পারে।
  • অন্যান্য ওষুধ যেমন প্রোপ্রানোলল, আইসোনিয়াজিড, প্রেডনিসোলোন ও ন্যাপ্রক্সেনের জৈব-উপলভ্যতা কমে যেতে পারে।

এসব মিথষ্ক্রিয়া এড়াতে Digecid অন্যান্য মুখে খাওয়ার ওষুধ থেকে অন্তত ২ ঘণ্টা (টেট্রাসাইক্লিন/ফ্লুরোকুইনোলোনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে আরও বেশি) ব্যবধান রেখে সেবন করুন, অথবা চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

প্রতিনির্দেশনা

ম্যাগালড্রেট, সিমেথিকন বা এই প্রস্তুতির যেকোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অতি-সংবেদনশীলতা (অ্যালার্জি) থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে Magaldrate + Simethicone প্রতিনির্দেশিত।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করলে Digecid সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়। সবচেয়ে বেশি রিপোর্ট হওয়া পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো সাধারণত ম্যাগনেসিয়াম/অ্যালুমিনিয়ামের ভারসাম্যের সাথে সম্পর্কিত:

  • ডায়রিয়া (ম্যাগনেসিয়ামের প্রভাব বেশি হলে)
  • কোষ্ঠকাঠিন্য (অ্যালুমিনিয়ামের প্রভাব বেশি হলে)
  • মৃদু বমি বমি ভাব, পেটে অস্বস্তি বা রিগার্জিটেশন, বিশেষত অতিরিক্ত মাত্রায় সেবনে

দীর্ঘমেয়াদী উচ্চমাত্রায় ব্যবহারে বা কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে খুব কম ক্ষেত্রে ম্যাগনেসিয়াম বা অ্যালুমিনিয়াম জমার লক্ষণ (যেমন হাইপারম্যাগনেসেমিয়া) দেখা দিতে পারে; দেখুন সতর্কতা অংশ।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থায় Digecid শুধুমাত্র স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই ব্যবহার করা উচিত; অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদী মাত্রা এড়িয়ে চলুন। ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

এর উপাদানের সামান্য অংশ বুকের দুধে যেতে পারে; মাঝেমধ্যে ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য সমস্যার তথ্য নেই, তবে নিয়মিত বা উচ্চমাত্রায় ব্যবহারের আগে স্তন্যদানকালে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Digecid সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে:

  • কিডনি সমস্যা: কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে ম্যাগনেসিয়াম ও অ্যালুমিনিয়াম জমা হওয়ার ঝুঁকি থাকে, যা হাইপারম্যাগনেসেমিয়া, অ্যালুমিনিয়াম বিষক্রিয়া, বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে এনসেফালোপ্যাথি সৃষ্টি করতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করুন।
  • হাইপোফসফেটেমিয়া: অ্যালুমিনিয়ামযুক্ত অ্যান্টাসিডের দীর্ঘমেয়াদী বা উচ্চমাত্রার ব্যবহার খাদ্যের ফসফেট আবদ্ধ করে ফসফেট ঘাটতি সৃষ্টি করতে পারে, বিশেষত অপুষ্টিতে ভোগা রোগীদের ক্ষেত্রে।
  • বয়স্ক ও দুর্বল রোগী: ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য/ডায়রিয়ার প্রতি বেশি সংবেদনশীল হতে পারেন; নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • ওষুধ সেবনে ব্যবধান: অনেক মুখে খাওয়ার ওষুধের শোষণ কমাতে পারে বলে অন্যান্য ওষুধ থেকে সময়ের ব্যবধান রাখুন (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া)।
  • দীর্ঘমেয়াদী স্ব-চিকিৎসার জন্য নয়: ২ সপ্তাহের বেশি উপসর্গ থাকলে, খারাপ হলে, বা কালো/রক্তমিশ্রিত মল, অব্যাখ্যাত ওজন হ্রাস, গিলতে কষ্ট বা ক্রমাগত বমির মতো সতর্কীকরণ লক্ষণ থাকলে স্ব-চিকিৎসা চালিয়ে না গিয়ে চিকিৎসকের মূল্যায়ন নিন।

মাত্রাধিক্যতা

স্বাভাবিক ব্যবহারে Digecid-এর মাত্রাধিক্যতা বিরল, তবে অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদী সেবনে, বিশেষত কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে, ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা (হাইপারম্যাগনেসেমিয়া), ডায়রিয়া, বা অ্যালুমিনিয়াম জমা হতে পারে। লক্ষণের মধ্যে থাকতে পারে তীব্র ডায়রিয়া, পেশি দুর্বলতা, রক্তচাপ কমে যাওয়া, বা বিভ্রান্তি।

মাত্রাধিক্যতার আশঙ্কা থাকলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে কোনো নির্দিষ্ট ঘরোয়া চিকিৎসা করবেন না।

সংরক্ষণ

ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু: শিশুদের ক্ষেত্রে Digecid-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সুনির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রিত গবেষণার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। প্রয়োজন মনে হলে শুধুমাত্র চিকিৎসকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে ও উপযুক্ত মাত্রায় ব্যবহার করা উচিত।

বয়স্করা: ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা ও পরিবর্তিত মলত্যাগের প্রতি বেশি সংবেদনশীল হতে পারেন; সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা ব্যবহার করা উচিত। কিডনি কার্যক্ষমতা কমে গেলে Digecid সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Digecid 200 ml Syrup কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Digecid 200 ml Syrup বদহজম, বুক জ্বালাপোড়া, টক ঢেকুর এবং গ্যাস বা পেট ফাঁপাজনিত অস্বস্তি উপশমে ব্যবহৃত হয়। এটি দ্রুত লক্ষণ উপশম করে, তবে অ্যাসিডজনিত রোগের মূল কারণ নিরাময় করে না।

Q: Digecid 200 ml Syrup কীভাবে সেবন করব?

A: Digecid 200 ml Syrup চিবানো ট্যাবলেট (ভালোভাবে চিবিয়ে) অথবা সাসপেনশন (ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে) আকারে সাধারণত খাবার পর ২০-৬০ মিনিটে এবং ঘুমানোর আগে অথবা উপসর্গ অনুযায়ী সেবন করুন, তবে প্রোডাক্ট লেবেলে উল্লেখিত সর্বোচ্চ মাত্রা অতিক্রম করবেন না।

Q: Digecid 200 ml Syrup কি অন্য ওষুধের সাথে নেওয়া যায়?

A: Digecid 200 ml Syrup টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন গোত্রের অ্যান্টিবায়োটিক, ডিগক্সিন, লেভোথাইরক্সিন ও আয়রন সাপ্লিমেন্টসহ অনেক মুখে খাওয়ার ওষুধের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে। Digecid 200 ml Syrup অন্যান্য মুখে খাওয়ার ওষুধ থেকে অন্তত ২ ঘণ্টা ব্যবধান রেখে সেবন করুন এবং নিয়মিত ওষুধ সেবন করলে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Digecid 200 ml Syrup কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থায় Digecid 200 ml Syrup শুধুমাত্র স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলে, অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদী মাত্রা এড়িয়ে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরই ব্যবহার করা উচিত। এর সামান্য অংশ বুকের দুধে যেতে পারে বিধায় স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: কাদের Digecid 200 ml Syrup সেবন করা উচিত নয়?

A: ম্যাগালড্রেট, সিমেথিকন বা এই প্রস্তুতির কোনো উপাদানে পরিচিত অ্যালার্জি থাকলে Digecid 200 ml Syrup সেবন করা উচিত নয়। কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে ম্যাগনেসিয়াম ও অ্যালুমিনিয়াম জমা হওয়ার ঝুঁকির কারণে শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সেবন করা উচিত।

Q: Digecid 200 ml Syrup-এর মাত্রা মিস হলে বা বেশি খেয়ে ফেললে কী করব?

A: Digecid 200 ml Syrup সাধারণত প্রয়োজন অনুযায়ী সেবন করা হয়, তাই একটি মাত্রা মিস হলে সাধারণত সমস্যা নেই; পরবর্তী প্রয়োজনে স্বাভাবিক মাত্রা নিন। যদি অতিরিক্ত সেবনের আশঙ্কা থাকে, বিশেষত কিডনি সমস্যা থাকলে, অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor