Product gallery
MRP ২১০.০০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১৯৩.২০/10's Strip
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Duoblock হলো ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার (অ্যামলোডিপিন) এবং অ্যাঞ্জিওটেনসিন II রিসেপ্টর ব্লকার (ওলমেসারটান মেডোক্সোমিল) এর একটি স্থির-মাত্রার সংমিশ্রণ, যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

  • প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার: উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) নিয়ন্ত্রণে, যা স্ট্রোক এবং হৃদরোগজনিত জটিলতার ঝুঁকি কমায়।
  • Duoblock সাধারণত তাদের জন্য ব্যবহৃত হয় যাদের একক ওষুধে রক্তচাপ পর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রণে আসে না, অথবা যাদের শুরু থেকেই একাধিক ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে বলে চিকিৎসক মনে করেন।

জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত রক্তচাপ কমানোর জন্য Duoblock প্রথম সারির চিকিৎসা নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Duoblock একটি অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ কম্বিনেশন ওষুধ, যা ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার (ডাইহাইড্রোপাইরিডিন) এবং অ্যাঞ্জিওটেনসিন II রিসেপ্টর ব্লকার (ARB) এর সমন্বয়ে গঠিত।

ফার্মাকোলজি

Amlodipine + Olmesartan Medoxomil দুটি ভিন্ন প্রক্রিয়ায় কাজ করে:

  • অ্যামলোডিপিন রক্তনালীর মসৃণ পেশিতে ক্যালসিয়াম আয়নের প্রবেশ প্রতিরোধ করে, যার ফলে রক্তনালী প্রসারিত হয় এবং রক্তচাপ কমে।
  • ওলমেসারটান মেডোক্সোমিল শরীরে শোষণের পর ওলমেসারটানে রূপান্তরিত হয়, যা AT1 রিসেপ্টরকে ব্লক করে অ্যাঞ্জিওটেনসিন II-এর সংকোচনকারী প্রভাব প্রতিরোধ করে।

এই দ্বৈত প্রক্রিয়ার কারণে Amlodipine + Olmesartan Medoxomil একক ওষুধের তুলনায় অধিক কার্যকরভাবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

সাধারণ নিয়ম

Duoblock দিনে একবার, খাবারের সাথে অথবা খাবার ছাড়া, পূর্ণ গ্লাস পানির সাথে সম্পূর্ণভাবে গিলে খেতে হয়।

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

অবস্থাপ্রস্তাবিত মাত্রা
প্রাথমিক থেরাপি (যাদের একক ওষুধে নিয়ন্ত্রণ হয় না)দিনে একবার ৫ মি.গ্রা./২০ মি.গ্রা.
মাত্রা বৃদ্ধি (১-২ সপ্তাহ পরও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না এলে)সর্বোচ্চ দিনে একবার ১০ মি.গ্রা./৪০ মি.গ্রা. পর্যন্ত, কমপক্ষে ২ সপ্তাহ ব্যবধানে

বয়স্ক রোগী (৭৫ বছর বা তার বেশি)

এই বয়সীদের অ্যামলোডিপিনের প্রতি সংবেদনশীলতা বেশি থাকায় সাধারণত Duoblock সরাসরি শুরু করা হয় না; চিকিৎসকের পরামর্শে পৃথক উপাদান দিয়ে ধীরে ধীরে মাত্রা সমন্বয় করা উচিত।

কিডনি সমস্যায়

মাঝারি থেকে উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যায় Duoblock-এর প্রাথমিক মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই, তবে নিয়মিত কিডনি ফাংশন ও পটাশিয়াম পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

লিভার সমস্যায়

লিভারের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে Duoblock সাধারণত প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে সুপারিশ করা হয় না; ব্যবহার করলে সতর্কতার সাথে ধীরে মাত্রা বাড়াতে হবে ও নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে।

শিশুদের মাত্রা

শিশুদের ক্ষেত্রে Duoblock-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি; তাই শিশুদের ব্যবহারের জন্য এটি সুপারিশ করা হয় না।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Duoblock-এর সাথে গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ মিথষ্ক্রিয়া:

  • অ্যালিসকিরেন বা অন্যান্য রেনিন-অ্যাঞ্জিওটেনসিন সিস্টেম ব্লকার (যেমন ACE ইনহিবিটর): ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে Duoblock-এর সাথে অ্যালিসকিরেনের একত্রে ব্যবহার নিষিদ্ধ; এতে হাইপোটেনশন, হাইপারক্যালেমিয়া ও কিডনি সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে।
  • NSAID (ব্যথানাশক, যেমন আইবুপ্রোফেন): Duoblock-এর রক্তচাপ কমানোর কার্যকারিতা কমাতে পারে এবং বয়স্ক, পানিশূন্য বা কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • পটাশিয়াম-স্পেয়ারিং ডাইইউরেটিক বা পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট: Duoblock-এর সাথে একত্রে ব্যবহারে হাইপারক্যালেমিয়ার (রক্তে পটাশিয়াম বৃদ্ধি) ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • লিথিয়াম: Duoblock লিথিয়ামের রক্তমাত্রা বাড়িয়ে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে; লিথিয়ামের মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • শক্তিশালী CYP3A4 ইনহিবিটর (যেমন কিটোকোনাজল, রিটোনাভির): Duoblock-এর অ্যামলোডিপিন অংশের রক্তমাত্রা বাড়িয়ে হাইপোটেনশন ও শোথের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • সিমভাস্ট্যাটিন: Duoblock সিমভাস্ট্যাটিনের রক্তমাত্রা বাড়িয়ে দেয়; Duoblock সেবনকারীদের সিমভাস্ট্যাটিনের মাত্রা দৈনিক ২০ মি.গ্রা.-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।
  • সাইক্লোস্পোরিন বা টাক্রোলিমাস: Duoblock এসব ওষুধের রক্তমাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে; মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • কোলেসেভেলাম: Duoblock-এর ওলমেসারটান অংশের শোষণ কমিয়ে দেয়; Duoblock কোলেসেভেলামের কমপক্ষে ৪ ঘণ্টা আগে সেবন করতে হবে।

প্রতিনির্দেশনা

Amlodipine + Olmesartan Medoxomil নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:

  • যাদের অ্যামলোডিপিন, ওলমেসারটান মেডোক্সোমিল অথবা Amlodipine + Olmesartan Medoxomil-এর যেকোনো উপাদানে অতিসংবেদনশীলতা (অ্যালার্জি) রয়েছে।
  • ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে Amlodipine + Olmesartan Medoxomil-এর সাথে অ্যালিসকিরেনের একত্রে ব্যবহার।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Duoblock সেবনে সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো:

  • শোথ (edema) — পা, গোড়ালি ফুলে যাওয়া, নারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।
  • মাথাব্যথা
  • মাথা ঘোরা
  • মুখ লালচে হয়ে যাওয়া (flushing)
  • ক্লান্তি
  • শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের লক্ষণ

কম সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া:

  • হাইপারক্যালেমিয়া ও কিডনি ফাংশনের পরিবর্তন — বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন।
  • স্প্রু-সদৃশ এন্টেরোপ্যাথি: দীর্ঘস্থায়ী গুরুতর ডায়রিয়া ও ওজন হ্রাস, যা Duoblock সেবনের কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পরেও দেখা দিতে পারে; সাধারণত Duoblock বন্ধ করলে সেরে যায়।
  • অ্যাঞ্জিওএডিমা (মুখ, ঠোঁট, জিহ্বা, গলা ফুলে যাওয়া) — বিরল কিন্তু গুরুতর; এমন হলে সাথে সাথে Duoblock বন্ধ করে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।
  • লিভার এনজাইম বৃদ্ধি এবং বিরল ক্ষেত্রে র‍্যাবডোমায়োলাইসিস রিপোর্ট করা হয়েছে।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: Duoblock গর্ভাবস্থায় সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। রেনিন-অ্যাঞ্জিওটেনসিন সিস্টেমে কাজ করা ওষুধ, যেমন Duoblock-এর ওলমেসারটান অংশ, গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ব্যবহার করলে ভ্রূণের কিডনি বিকল হওয়া, অ্যামনিওটিক ফ্লুইড কমে যাওয়া, ফুসফুসের অপরিণত বৃদ্ধি এবং অন্যান্য গুরুতর জন্মগত ত্রুটির কারণ হতে পারে। গর্ভাবস্থা নিশ্চিত হলে যত দ্রুত সম্ভব Duoblock বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শে নিরাপদ বিকল্প ওষুধে পরিবর্তন করা উচিত।

স্তন্যদান: Duoblock-এর উপাদানগুলো মায়ের বুকের দুধে নিঃসৃত হয় কিনা তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা নেই। নবজাতকের সম্ভাব্য ক্ষতির আশঙ্কায় Duoblock সেবনকালে স্তন্যদান না করার পরামর্শ দেওয়া হয়; চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে স্তন্যদান বন্ধ রাখা অথবা Duoblock বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

  • ভ্রূণের ক্ষতি: Duoblock গর্ভাবস্থায় নিষিদ্ধ — বিস্তারিত জানতে গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান অংশ দেখুন।
  • হাইপোটেনশন (রক্তচাপ কমে যাওয়া): যাদের শরীরে পানি বা লবণের ঘাটতি রয়েছে (যেমন ডাই ইউরেটিক সেবন, খাদ্যে লবণ সীমাবদ্ধতা, বমি বা ডায়রিয়ার কারণে), তাদের ক্ষেত্রে Duoblock শুরু করার পর বা মাত্রা বাড়ানোর পর উপসর্গযুক্ত হাইপোটেনশন দেখা দিতে পারে। Duoblock শুরুর আগে পানিশূন্যতা সংশোধন করা উচিত।
  • হৃদপেশির ইস্কিমিয়া: গুরুতর করোনারি ধমনী রোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে Duoblock শুরু করার সময় বা মাত্রা বাড়ানোর সময় এনজাইনা বা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি সামান্য বাড়তে পারে।
  • কিডনি ফাংশনের পরিবর্তন: রেনাল আর্টারি স্টেনোসিস, গুরুতর হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা বা পানিশূন্য রোগীদের ক্ষেত্রে Duoblock সেবনে তীব্র কিডনি বিকল হতে পারে; নিয়মিত কিডনি ফাংশন পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • হাইপারক্যালেমিয়া: বিশেষত কিডনি সমস্যা, ডায়াবেটিস বা পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট/পটাশিয়াম-স্পেয়ারিং ডাই ইউরেটিক গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে Duoblock সেবনকালে নিয়মিত সিরাম পটাশিয়াম পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • স্প্রু-সদৃশ এন্টেরোপ্যাথি: Duoblock সেবনকালে গুরুতর দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া ও উল্লেখযোগ্য ওজন হ্রাস দেখা দিলে এবং অন্য কোনো কারণ পাওয়া না গেলে Duoblock বন্ধ করে বিকল্প চিকিৎসা বিবেচনা করা উচিত।
  • লিভার সমস্যাযুক্ত রোগী: Duoblock সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ এক্ষেত্রে অ্যামলোডিপিনের নিঃসরণ কমে যায়।

মাত্রাধিক্যতা

Duoblock-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনে অতিরিক্ত রক্তনালী প্রসারণ ও তীব্র হাইপোটেনশন (রক্তচাপ অত্যধিক কমে যাওয়া) হতে পারে, সাথে হৃদস্পন্দন বৃদ্ধিও দেখা দিতে পারে।

Duoblock-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন অথবা জরুরি সেবা / বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা সহায়ক পদ্ধতিতে করা হয় — হৃদযন্ত্র ও শ্বাসতন্ত্র পর্যবেক্ষণ, পা উঁচু করে রাখা, তরল ও কিডনি ফাংশন সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ। প্রয়োজনে শিরাপথে ক্যালসিয়াম গ্লুকোনেট দেওয়া হতে পারে। বাড়িতে নিজে থেকে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

  • শিশু: শিশুদের ক্ষেত্রে Duoblock-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি; তাই শিশুদের ব্যবহারের জন্য সুপারিশ করা হয় না।
  • বয়স্ক রোগী (৭৫ বছর বা তার বেশি): অ্যামলোডিপিনের প্রতি সংবেদনশীলতা বেশি থাকতে পারে; সাধারণত Duoblock সরাসরি শুরুর ওষুধ হিসেবে সুপারিশ করা হয় না — পৃথক উপাদান দিয়ে ধীরে মাত্রা সমন্বয় করা ভালো।
  • কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগী: মাঝারি থেকে উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যায় প্রাথমিক মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই, তবে Duoblock সেবনকালে কিডনি ফাংশন ও পটাশিয়াম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
  • লিভার সমস্যাযুক্ত রোগী: Duoblock সতর্কতার সাথে ও ধীরে মাত্রা বাড়িয়ে ব্যবহার করতে হবে।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Duoblock 5 mg+40 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Duoblock 5 mg+40 mg Tablet উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়, বিশেষত যাদের একক ওষুধে রক্তচাপ পর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রণে আসে না অথবা যাদের শুরু থেকেই একাধিক ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে।

Q: গর্ভাবস্থায় কি Duoblock 5 mg+40 mg Tablet সেবন করা যাবে?

A: না। Duoblock 5 mg+40 mg Tablet গর্ভাবস্থায় সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এটি বিশেষত দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ব্যবহার করলে ভ্রূণের কিডনি বিকল হওয়া, অ্যামনিওটিক ফ্লুইড কমে যাওয়া ও অন্যান্য জন্মগত ত্রুটির কারণ হতে পারে। গর্ভাবস্থা নিশ্চিত হলে বা সন্দেহ হলে সাথে সাথে Duoblock 5 mg+40 mg Tablet বন্ধ করে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

Q: Duoblock 5 mg+40 mg Tablet-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী?

A: সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো পা, গোড়ালি বা পায়ের পাতা ফুলে যাওয়া (শোথ)। এছাড়া মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, মুখ লালচে হয়ে যাওয়া এবং ক্লান্তিও দেখা দিতে পারে। এগুলো সাধারণত মৃদু হয়, তবে সমস্যা হলে চিকিৎসককে জানান।

Q: Duoblock 5 mg+40 mg Tablet-এর সাথে কি আইবুপ্রোফেন বা অন্য ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া যাবে?

A: নিয়মিত NSAID (যেমন আইবুপ্রোফেন) ব্যবহার Duoblock 5 mg+40 mg Tablet-এর রক্তচাপ কমানোর কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে এবং বয়স্ক, পানিশূন্য বা কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে কিডনি ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। নিয়মিত NSAID ব্যবহারের বিষয়ে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন।

Q: একটি মাত্রা মিস হলে বা বেশি খেয়ে ফেললে কী করব?

A: একটি মাত্রা মিস হলে মনে পড়ার সাথে সাথে খেয়ে নিন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে সেটি বাদ দিয়ে স্বাভাবিক সময়সূচি অনুসরণ করুন — একসাথে দুই মাত্রা খাবেন না। কেউ নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি Duoblock 5 mg+40 mg Tablet সেবন করে ফেললে তা মারাত্মকভাবে রক্তচাপ কমিয়ে দিতে পারে; বাড়িতে চিকিৎসার চেষ্টা না করে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন।

Q: Duoblock 5 mg+40 mg Tablet কি কিডনির সমস্যা করতে পারে?

A: যাদের আগে থেকেই কিডনি রোগ, কিডনির ধমনী সরু হওয়া, হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা বা পানিশূন্যতা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে Duoblock 5 mg+40 mg Tablet কিডনি ফাংশনে প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণে চিকিৎসক সাধারণত Duoblock 5 mg+40 mg Tablet সেবনকালে নিয়মিত কিডনি ফাংশন ও রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা পরীক্ষা করেন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor