Product gallery

Ebasten10 mg

Tablet

Ebastine

MRP ৳ ৯০.০০৮% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৮২.৮০/10's Strip
১
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Ebasten একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের (নন-সিডেটিভ) H1-অ্যান্টিহিস্টামিন, যা নিচের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় (প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী):

  • প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার:
    • ঋতুভিত্তিক অ্যালার্জিক রাইনাইটিস (হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক চুলকানো/বন্ধ হয়ে যাওয়া, চোখ চুলকানো/পানি পড়া) উপশমে।
    • সারাবছর স্থায়ী (পেরেনিয়াল) অ্যালার্জিক রাইনাইটিস উপশমে।
    • ক্রনিক ইডিওপ্যাথিক আর্টিকারিয়া (দীর্ঘস্থায়ী চুলকানি ও চাকা-চাকা র‍্যাশ) নিয়ন্ত্রণে।
  • নির্দেশিকা-সমর্থিত ব্যবহার: অ্যালার্জি চিকিৎসার ধাপে ধাপে পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সাধারণত একক ওষুধ হিসেবে Ebasten ব্যবহার করা হয়; পর্যাপ্ত সাড়া না পেলে নাকের কর্টিকোস্টেরয়েড স্প্রের সাথে সংযুক্ত করা যেতে পারে।

Ebasten শুধুমাত্র উপসর্গ উপশম করে, অ্যালার্জির মূল কারণ নিরাময় করে না।

থেরাপিউটিক ক্লাস

দ্বিতীয় প্রজন্মের (নন-সিডেটিভ) সিলেক্টিভ H1-রিসেপ্টর অ্যান্টাগনিস্ট (অ্যান্টিহিস্টামিন)। Ebasten এই শ্রেণির অন্তর্গত।

ফার্মাকোলজি

Ebastine পেরিফেরাল হিস্টামিন H1-রিসেপ্টরকে সিলেক্টিভ ও প্রতিযোগিতামূলকভাবে ব্লক করে, ফলে হিস্টামিন-জনিত ভাসোডাইলেশন, কৈশিক নালীর প্রবেশযোগ্যতা বৃদ্ধি এবং সংবেদী স্নায়ু উদ্দীপনা রোধ হয়, যা হাঁচি, চুলকানি, নাক দিয়ে পানি পড়া এবং চাকা-চাকা র‍্যাশের মতো অ্যালার্জিক উপসর্গ সৃষ্টি করে।

মুখে সেবনের পর Ebastine দ্রুত শোষিত হয় এবং প্রথম-পাস যকৃত বিপাকের (মূলত CYP3A4 এনজাইমের মাধ্যমে) মাধ্যমে প্রায় সম্পূর্ণভাবে সক্রিয় বিপাকজ পদার্থ কারেবাস্টিনে রূপান্তরিত হয়, যার অর্ধায়ু প্রায় ১০-১৯ ঘণ্টা—এ কারণে দিনে একবার সেবন যথেষ্ট। প্রভাব সাধারণত ১-৩ ঘণ্টার মধ্যে শুরু হয় এবং ২৪ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় স্থায়ী থাকে। প্রস্তাবিত মাত্রায় Ebastine মস্তিষ্কে খুব কম প্রবেশ করে, তাই এর ঘুমঘুম ভাব-জনিত প্রভাব প্রথম প্রজন্মের অ্যান্টিহিস্টামিনের তুলনায় কম।

মাত্রা ও সেবনবিধি

অ্যালার্জিক রাইনাইটিস (ঋতুভিত্তিক ও পেরেনিয়াল)

বয়সের গ্রুপপ্রস্তাবিত মাত্রা
প্রাপ্তবয়স্ক ও ≥১২ বছরের শিশুদিনে একবার ১০ মি.গ্রা.; তীব্র উপসর্গে চিকিৎসকের পরামর্শে দিনে একবার ২০ মি.গ্রা. পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে
৬-১১ বছর বয়সী শিশুদিনে একবার ৫ মি.গ্রা. (ট্যাবলেট), অথবা বয়স/ওজন অনুযায়ী সিরাপ মাত্রা
২-৫ বছর বয়সী শিশুদিনে একবার ২.৫ মি.লি. সিরাপ (২.৫ মি.গ্রা.), তীব্র উপসর্গে চিকিৎসকের পরামর্শে সর্বোচ্চ ৫ মি.লি. পর্যন্ত

ক্রনিক ইডিওপ্যাথিক আর্টিকারিয়া

বয়সের গ্রুপপ্রস্তাবিত মাত্রা
প্রাপ্তবয়স্ক (সাধারণত ≥১৮ বছর)দিনে একবার ১০ মি.গ্রা.

সেবনবিধি

Ebasten ট্যাবলেট খাবারের সাথে বা ছাড়া পানি দিয়ে গিলে খাওয়া যায়। ওরোডিসপার্সিবল ট্যাবলেট জিভের উপর রেখে গলিয়ে খেতে হয়, পানি দিয়ে বা ছাড়াই। সিরাপ নির্ধারিত মাপার যন্ত্র দিয়ে সঠিকভাবে মেপে খেতে হবে। প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে সেবন করুন।

কিডনি/যকৃত সমস্যায় মাত্রা সমন্বয়

হালকা থেকে মাঝারি কিডনি বা যকৃতের সমস্যায় সাধারণত মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। তীব্র যকৃত সমস্যায় Ebasten-এর মাত্রা দিনে একবার ১০ মি.গ্রা.-এর বেশি হওয়া উচিত নয় (দেখুন: শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার)।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Ebasten-এর সাথে নিচের মিথষ্ক্রিয়াগুলো ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ:

  • শক্তিশালী CYP3A4 ইনহিবিটর (কিটোকোনাজল, ইট্রাকোনাজল, এরিথ্রোমাইসিন প্রভৃতি): এসবের সাথে একত্রে সেবন করলে Ebasten ও এর সক্রিয় বিপাকজ পদার্থ কারেবাস্টিনের রক্তমাত্রা বেড়ে যায় এবং হৃদস্পন্দনের QT ব্যবধান আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে। এ ধরনের ওষুধের সাথে Ebasten এড়িয়ে চলা উচিত অথবা প্রয়োজনে সতর্কতা ও ইসিজি পর্যবেক্ষণসহ ব্যবহার করা উচিত।
  • CYP3A4 ইনডিউসার (যেমন রিফাম্পিসিন): Ebasten/কারেবাস্টিনের রক্তমাত্রা ও কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে।
  • QT দীর্ঘায়িত করে এমন অন্যান্য ওষুধ: এসবের সাথে অথবা হাইপোক্যালেমিয়া/হাইপোম্যাগনেসেমিয়া থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে Ebasten সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।
  • অ্যালকোহল/সিডেটিভ ওষুধ: Ebasten-এর নিজস্ব ঘুমঘুম ভাব-জনিত প্রভাব কম হলেও অ্যালকোহল বা অন্যান্য সিডেটিভের সাথে সামান্য অতিরিক্ত ঘুমঘুম ভাব হতে পারে।

থিওফাইলিন, ওয়ারফারিন, সিমেটিডিন বা ডায়াজিপামের সাথে Ebasten-এর ক্লিনিক্যালি উল্লেখযোগ্য কোনো মিথষ্ক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

প্রতিনির্দেশনা

Ebastine বা এর ফর্মুলেশনের যেকোনো উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা থাকলে Ebastine ব্যবহার নিষিদ্ধ।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

বেশিরভাগ রোগী Ebasten ভালোভাবে সহ্য করেন। সম্ভাব্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো হলো:

  • অতি সাধারণ/সাধারণ: মুখ শুকিয়ে যাওয়া, মাথাব্যথা, ঝিমুনি (তন্দ্রাচ্ছন্নতা)।
  • কম সাধারণ: মাথা ঘোরা, স্বাদের পরিবর্তন, পেটে ব্যথা, বদহজম, বমি বমি ভাব, অনিদ্রা।
  • বিরল: অতি সংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া (অ্যাঞ্জিওএডিমা, র‍্যাশসহ), বুক ধড়ফড়ানি, এবং কদাচিৎ যকৃতের এনজাইমের অস্বাভাবিকতা/হেপাটাইটিস।

Ebasten সেবনের সময় মুখ/গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, বা বুক ধড়ফড়ানি/অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের মতো তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে Ebasten-এর ব্যবহার সম্পর্কিত তথ্য সীমিত। প্রাণীদের উপর গবেষণায় স্পষ্ট ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে মানুষের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়। তাই সতর্কতা হিসেবে, স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই কেবল Ebasten ব্যবহার করা উচিত; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তন্যদান: Ebasten বা এর সক্রিয় বিপাকজ পদার্থ মায়ের দুধে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে যায় কিনা তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা নেই। তাই সতর্কতা হিসেবে, চিকিৎসক প্রয়োজনীয় মনে না করলে স্তন্যদানকালে Ebasten ব্যবহার এড়িয়ে চলাই উত্তম।

সতর্কতা

  • QT দীর্ঘায়ন: QT ব্যবধান দীর্ঘায়িত হওয়ার ইতিহাস, ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা (বিশেষত হাইপোক্যালেমিয়া বা হাইপোম্যাগনেসেমিয়া), গুরুতর হৃদরোগ, বা অন্যান্য QT-দীর্ঘায়নকারী ওষুধ/শক্তিশালী CYP3A4 ইনহিবিটরের সাথে একত্রে ব্যবহারের ক্ষেত্রে Ebasten সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত (দেখুন: ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া)। উচ্চ মাত্রায় ঝুঁকি তাত্ত্বিকভাবে বেশি।
  • যকৃত সমস্যা: তীব্র যকৃত সমস্যায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন; এ ক্ষেত্রে Ebasten-এর মাত্রা দিনে একবার ১০ মি.গ্রা.-এর বেশি হওয়া উচিত নয়।
  • উপাদান সংক্রান্ত সতর্কতা: কিছু ফর্মুলেশনে (যেমন ওরোডিসপার্সিবল ট্যাবলেট) অ্যাসপার্টেম বা ল্যাকটোজ থাকতে পারে—ফিনাইলকিটোনুরিয়া, গ্যালাক্টোজ অসহনশীলতা বা ল্যাকটেজ ঘাটতিতে সতর্ক থাকুন।
  • গাড়ি চালানো/যন্ত্র চালনা: Ebasten-এর ঘুমঘুম ভাব-জনিত প্রভাব কম হলেও ব্যক্তিভেদে ভিন্নতা থাকতে পারে; গাড়ি বা যন্ত্র চালানোর আগে নিজের প্রতিক্রিয়া যাচাই করে নিন।

মাত্রাধিক্যতা

Ebasten-এর অতিরিক্ত মাত্রা সম্পর্কে ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা সীমিত; ১০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত মাত্রায় সাধারণত সামান্য, উপসর্গহীন QT দীর্ঘায়ন ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। অতিরিক্ত মাত্রার সম্ভাব্য লক্ষণের মধ্যে রয়েছে ঝিমুনি, মাথাব্যথা এবং অ্যান্টিমাসকারিনিক-জাতীয় উপসর্গ (মুখ শুকিয়ে যাওয়া, দ্রুত হৃদস্পন্দন)।

Ebasten-এর নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই। অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা মূলত সহায়ক—প্রয়োজনে গ্যাস্ট্রিক ল্যাভেজ, হৃদস্পন্দন (ইসিজি) পর্যবেক্ষণ এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসা।

সংরক্ষণ

কক্ষ তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), মূল প্যাকেটে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

  • শিশু: ২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে বয়স-উপযোগী সিরাপ বা ট্যাবলেট মাত্রায় Ebasten-এর ব্যবহার প্রতিষ্ঠিত; শিশুদের ক্ষেত্রে ২০ মি.গ্রা. মাত্রার নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয় (দেখুন: মাত্রা ও সেবনবিধি এবং শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার)।
  • বয়স্ক: শুধু বয়সের কারণে সাধারণত মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই, তবে বয়স্ক রোগীদের অন্যান্য QT-দীর্ঘায়নকারী ওষুধ বা হৃদরোগ থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকায় Ebasten সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।
  • কিডনি সমস্যা: সাধারণত মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।
  • যকৃত সমস্যা: হালকা-মাঝারি সমস্যায় সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই; তীব্র সমস্যায় Ebasten-এর মাত্রা দিনে সর্বোচ্চ ১০ মি.গ্রা. রাখুন।
  • গর্ভাবস্থা/স্তন্যদান: গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে অংশ দেখুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Ebasten 10 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Ebasten 10 mg Tablet ঋতুভিত্তিক ও সারাবছর স্থায়ী অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের উপসর্গ (যেমন হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া/বন্ধ হয়ে যাওয়া, চোখ চুলকানো/পানি পড়া) উপশমে এবং ক্রনিক ইডিওপ্যাথিক আর্টিকারিয়া (দীর্ঘস্থায়ী চুলকানি ও চাকা-চাকা র‍্যাশ) নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।

Q: Ebasten 10 mg Tablet সেবনে কি ঘুম পায়?

A: Ebasten 10 mg Tablet একটি নন-সিডেটিভ, দ্বিতীয় প্রজন্মের অ্যান্টিহিস্টামিন, তাই পুরনো অ্যান্টিহিস্টামিনের তুলনায় ঘুমঘুম ভাবের ঝুঁকি কম; তবে কিছু ব্যক্তির ক্ষেত্রে, বিশেষত উচ্চ মাত্রায়, সামান্য ঝিমুনি হতে পারে।

Q: Ebasten 10 mg Tablet-এর সাথে অন্য ওষুধ খাওয়া যাবে কি?

A: কিটোকোনাজল বা এরিথ্রোমাইসিনের মতো শক্তিশালী CYP3A4 ইনহিবিটরের সাথে Ebasten 10 mg Tablet একত্রে খেলে রক্তমাত্রা বেড়ে যেতে পারে এবং হৃদস্পন্দনের QT ব্যবধান দীর্ঘায়িত হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে; এই সমন্বয় সাধারণত এড়িয়ে চলা উচিত অথবা চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত। Ebasten 10 mg Tablet শুরু করার আগে আপনার সেবন করা সব ওষুধের কথা চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।

Q: গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানকালে Ebasten 10 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে Ebasten 10 mg Tablet-এর তথ্য সীমিত, তাই স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই কেবল এটি ব্যবহার করা উচিত; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: Ebasten 10 mg Tablet-এর মাত্রা মিস হলে বা বেশি খেয়ে ফেললে কী করব?

A: একটি মাত্রা মিস হলে মনে পড়ামাত্র Ebasten 10 mg Tablet সেবন করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে দ্বিগুণ মাত্রা খাবেন না। Ebasten 10 mg Tablet অতিরিক্ত মাত্রায় সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন, কারণ হৃদস্পন্দনসহ পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হতে পারে।

Q: শিশুরা কি Ebasten 10 mg Tablet সেবন করতে পারে?

A: হ্যাঁ, ২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুরা অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের জন্য বয়স-উপযোগী সিরাপ বা ট্যাবলেট মাত্রায় Ebasten 10 mg Tablet সেবন করতে পারে; উচ্চ মাত্রা বা কম বয়সী শিশুদের আর্টিকারিয়ায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor