Product gallery
MRP ৳ ৯০.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৮১.০০/40 mg vial
১
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Emep একটি প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর যা পাকস্থলীর অ্যাসিড ক্ষরণ কমাতে ব্যবহৃত হয়। প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী এর নির্দেশনাগুলো নিচে শ্রেণীবদ্ধ করা হলো।

প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার

  • গ্যাস্ট্রো-ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD): বুক জ্বালাপোড়া ও অন্যান্য উপসর্গ নিরাময়, ইরোসিভ ইসোফেজাইটিস আরোগ্য এবং পুনরাবৃত্তি প্রতিরোধে রক্ষণাবেক্ষণ থেরাপি।
  • ডিওডেনাল ও গ্যাস্ট্রিক আলসার: চিকিৎসা এবং যেসব রোগীর দীর্ঘমেয়াদী NSAID ব্যবহার প্রয়োজন তাদের ক্ষেত্রে আলসারের ঝুঁকি হ্রাস।
  • জলিংগার-এলিসন সিনড্রোম: প্যাথলজিক্যাল হাইপারসিক্রেটরি অবস্থার দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থাপনা।

সংযুক্ত থেরাপি প্রয়োজন এমন ব্যবহার

  • Helicobacter pylori নির্মূল: অ্যামোক্সিসিলিন ও ক্লারিথ্রোমাইসিনের সাথে ট্রিপল থেরাপি হিসেবে Emep ব্যবহার করা হয়। এককভাবে ব্যবহারে এটি কার্যকর নয়।

গাইডলাইন-সমর্থিত/সহায়ক ব্যবহার

  • যেসব রোগীর আলসারের ইতিহাস আছে এবং যাদের দীর্ঘমেয়াদী NSAID প্রয়োজন, তাদের ক্ষেত্রে আলসার প্রতিরোধ।
  • জটিল রোগীদের স্ট্রেস আলসার প্রতিরোধে সহায়ক ব্যবহার (প্রাতিষ্ঠানিক প্রোটোকল অনুযায়ী)।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Emep একটি প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (PPI) শ্রেণীর ঔষধ, যা গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড নিঃসরণ দমনকারী হিসেবে কাজ করে।

ফার্মাকোলজি

Esomeprazole Magnesium Trihydrate একটি সাবস্টিটিউটেড বেনজিমিডাজল যা গ্যাস্ট্রিক প্যারাইটাল কোষের অম্লীয় পরিবেশে সক্রিয় সালফেনামাইড আকারে রূপান্তরিত হয়। এই সক্রিয় রূপ H+/K+-ATPase (প্রোটন পাম্প) এনজাইমের সিস্টিন অবশিষ্টাংশের সাথে সমযোজী বন্ধন তৈরি করে, যা হিস্টামিন, অ্যাসিটাইলকোলিন বা গ্যাস্ট্রিন যেকোনো উদ্দীপকের কারণে সৃষ্ট অ্যাসিড ক্ষরণের চূড়ান্ত ধাপকে অপরিবর্তনীয়ভাবে বন্ধ করে দেয়।

যেহেতু এই বাধা অপরিবর্তনীয়, তাই স্বল্প প্লাজমা অর্ধ-জীবন (প্রায় ১-১.৫ ঘণ্টা) থাকা সত্ত্বেও দিনে একবার সেবনই যথেষ্ট। ধারাবাহিক সেবনের ৩-৫ দিন পর সর্বোচ্চ অ্যাসিড-দমন প্রভাব দেখা যায়। Esomeprazole Magnesium Trihydrate প্রধানত হেপাটিক CYP2C19 এবং কিছুটা CYP3A4 এনজাইম দ্বারা বিপাকিত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Emep-এর মাত্রা নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।

নির্দেশনাপ্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রাস্থিতিকাল
উপসর্গযুক্ত GERDদিনে একবার ২০ মি.গ্রা.৪ সপ্তাহ
ইরোসিভ ইসোফেজাইটিস (আরোগ্য)দিনে একবার ২০-৪০ মি.গ্রা.৪-৮ সপ্তাহ
রক্ষণাবেক্ষণ থেরাপিদিনে একবার ২০ মি.গ্রা.প্রয়োজন অনুযায়ী, পর্যায়ক্রমে মূল্যায়ন
H. pylori নির্মূল (ট্রিপল থেরাপি)দিনে একবার ৪০ মি.গ্রা., সাথে অ্যামোক্সিসিলিন ও ক্লারিথ্রোমাইসিন১০ দিন
NSAID-জনিত আলসার ঝুঁকি হ্রাসদিনে একবার ২০-৪০ মি.গ্রা.৬ মাস পর্যন্ত
জলিংগার-এলিসন সিনড্রোমদিনে দুইবার ৪০ মি.গ্রা. (ব্যক্তিভেদে সমন্বয়যোগ্য)দীর্ঘমেয়াদী

১-১৭ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ওজন-ভিত্তিক কম মাত্রা প্রযোজ্য (দেখুন শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার); ১ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Emep গ্যাস্ট্রিক অম্লতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমায় এবং CYP2C19 দ্বারা বিপাকিত হয়, ফলে গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ মিথষ্ক্রিয়ার সম্ভাবনা থাকে।

  • ক্লোপিডোগ্রেল: সহ-ব্যবহারে CYP2C19 বাধার কারণে ক্লোপিডোগ্রেলের সক্রিয় মেটাবোলাইট তৈরি কমে যায়, যা এর অ্যান্টিপ্লেটলেট প্রভাব হ্রাস করে এবং কার্ডিওভাসকুলার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। যথাসম্ভব একসাথে ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত।
  • রিলপিভাইরিন-যুক্ত ঔষধ: সহ-ব্যবহারে রিলপিভাইরিনের রক্তমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়, যা চিকিৎসা ব্যর্থতা ও প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির ঝুঁকি বাড়ায়; তাই একসাথে ব্যবহার প্রতিনির্দেশিত (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।
  • উচ্চ মাত্রার মেথোট্রেক্সেট: PPI মেথোট্রেক্সেট ও এর মেটাবোলাইটের মাত্রা বাড়িয়ে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে; প্রয়োজনে সাময়িকভাবে Emep বন্ধ রাখার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে।
  • ওয়ারফারিন: INR ও প্রোথ্রম্বিন সময় বাড়াতে পারে; জমাট বাঁধার মাত্রা নিরীক্ষণ করা উচিত।
  • পাকস্থলীর pH-নির্ভর শোষণযুক্ত ঔষধ (যেমন কিটোকোনাজল, ইট্রাকোনাজল, অ্যাটাজানাভির, আয়রন লবণ): গ্যাস্ট্রিক pH বৃদ্ধির কারণে এদের শোষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে।
  • CYP2C19 সাবস্ট্রেট (যেমন ডায়াজেপাম, সিটালোপ্রাম): এসব ঔষধের রক্তমাত্রা বাড়াতে পারে; মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে।
  • শক্তিশালী এনজাইম প্রবর্তক (রিফাম্পিন, সেন্ট জনস ওয়ার্ট): Emep-এর রক্তমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

Esomeprazole Magnesium Trihydrate নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত:

  • এসোমিপ্রাজল, অন্য কোনো প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (বেনজিমিডাজল ডেরিভেটিভ), অথবা প্রস্তুতির যেকোনো উপাদানের প্রতি জানা অতিসংবেদনশীলতা।
  • রিলপিভাইরিন-যুক্ত অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ঔষধের সাথে একযোগে ব্যবহার (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া)।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Emep-এর সাথে সম্পর্কিত অধিকাংশ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মৃদু ও সাময়িক।

সাধারণ (≥১%)

  • মাথাব্যথা
  • ডায়রিয়া
  • বমি বমি ভাব
  • পেট ফাঁপা
  • পেটে ব্যথা
  • কোষ্ঠকাঠিন্য
  • মুখ শুকিয়ে যাওয়া

কম সাধারণ/গুরুতর

  • দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে হাইপোম্যাগনেসেমিয়া, ভিটামিন বি১২ ঘাটতি এবং হাড় ভাঙার ঝুঁকি বৃদ্ধি (দেখুন সতর্কতা)
  • Clostridioides difficile সংক্রমণজনিত ডায়রিয়া
  • অতিসংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া - র‍্যাশ, আর্টিকেরিয়া, অ্যাঞ্জিওএডিমা, বিরল ক্ষেত্রে অ্যানাফাইল্যাক্সিস বা মারাত্মক ত্বকীয় প্রতিক্রিয়া
  • একিউট ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস
  • বিরল ক্ষেত্রে ত্বকীয় ও সিস্টেমিক লুপাস এরিথেমাটোসাস

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে Emep ব্যবহারের তথ্য সীমিত। প্রাণী গবেষণায় সুস্পষ্ট ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে পর্যাপ্ত ও সুনিয়ন্ত্রিত মানব গবেষণার অভাব রয়েছে। শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন থাকলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই Emep ব্যবহার করা উচিত; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তন্যদান: এসোমিপ্রাজল মায়ের বুকের দুধে নিঃসৃত হয়। শিশুর ওপর সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাবের কারণে, মায়ের জন্য চিকিৎসার গুরুত্ব বিবেচনা করে স্তন্যদান বন্ধ রাখা বা Emep বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

Emep ব্যবহারের ক্ষেত্রে, বিশেষত দীর্ঘমেয়াদী (সাধারণত ১ বছরের বেশি) বা উচ্চ মাত্রার ব্যবহারে, নিম্নলিখিত সতর্কতা প্রযোজ্য:

  • হাড় ভাঙার ঝুঁকি: দীর্ঘমেয়াদী, দিনে একাধিকবার PPI থেরাপি নিতম্ব, কব্জি ও মেরুদণ্ডের অস্টিওপোরোসিস-জনিত ফ্র্যাকচারের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • হাইপোম্যাগনেসেমিয়া: দীর্ঘমেয়াদী (সাধারণত ≥৩ মাস) ব্যবহারে রক্তে ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা কমে যেতে পারে, যা টিটানি, অ্যারিদমিয়া বা খিঁচুনি হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে; ডিগোক্সিন বা ডায়ুরেটিকসের সাথে ব্যবহারে পর্যায়ক্রমিক ম্যাগনেসিয়াম পরীক্ষা বিবেচনা করুন।
  • ভিটামিন বি১২ ঘাটতি: দীর্ঘমেয়াদী (৩ বছরের বেশি) ব্যবহারে অ্যাসিড কমে যাওয়ার কারণে ভিটামিন বি১২ শোষণ ব্যাহত হতে পারে।
  • Clostridioides difficile সংক্রমণজনিত ডায়রিয়া: অ্যাসিড দমনের ফলে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে; দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়ায় এই সম্ভাবনা বিবেচনা করুন।
  • গ্যাস্ট্রিক ম্যালিগন্যান্সি আড়াল হওয়া: উপসর্গের উপশম গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সারের সম্ভাবনা বাদ দেয় না; সতর্কতামূলক উপসর্গ থাকলে বা পর্যাপ্ত সাড়া না পেলে আরও মূল্যায়ন বিবেচনা করুন।
  • রিবাউন্ড অ্যাসিড হাইপারসিক্রেশন: থেরাপি বন্ধ করার পর, বিশেষত দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের পরে, দেখা দিতে পারে; হঠাৎ বন্ধ না করে ধীরে ধীরে কমানো বিবেচনা করুন।
  • ফান্ডিক গ্ল্যান্ড পলিপ: এক বছরের বেশি দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে ঝুঁকি বাড়ে; সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় সর্বনিম্ন সময়ের জন্য ব্যবহার করুন।
  • ক্লোপিডোগ্রেলের সাথে সহ-ব্যবহার: অ্যান্টিপ্লেটলেট প্রভাব কমে যাওয়ার কারণে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া)।

মাত্রাধিক্যতা

Emep-এর অতিরিক্ত মাত্রা সম্পর্কে সীমিত তথ্য পাওয়া যায়। সুপারিশকৃত মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি মাত্রা সাধারণত গুরুতর উপসর্গ ছাড়াই সহ্য করা হয়েছে, তবে বিভ্রান্তি, ঝাপসা দৃষ্টি, দ্রুত হৃদস্পন্দন, বমি বমি ভাব, ঘাম, ত্বক লালচে হওয়া, মাথাব্যথা ও মুখ শুকিয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ রিপোর্ট করা হয়েছে। এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (অ্যান্টিডোট) নেই।

অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন অথবা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা সহায়ক ও উপসর্গ-ভিত্তিক; Emep উচ্চমাত্রায় প্রোটিনের সাথে আবদ্ধ থাকে বলে ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে কার্যকরভাবে অপসারণ করা যায় না।

সংরক্ষণ

৩০°সেলসিয়াসের নিচে স্বাভাবিক তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। শিরায় প্রয়োগের জন্য প্রস্তুত করা Emep দ্রবণ লেবেলে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে ব্যবহার করতে হবে।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু: ১ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে স্বল্পমেয়াদী GERD চিকিৎসায় Emep-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে; মাত্রা ওজন-ভিত্তিক এবং প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় কম। ১ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এবং GERD ছাড়া অন্য নির্দেশনায় নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

বয়স্করা: শুধুমাত্র বয়সের ভিত্তিতে মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই, তবে দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে হাড় ভাঙা ও পুষ্টিগত ঝুঁকি বিবেচনা করা উচিত (দেখুন সতর্কতা)।

বৃক্ক/যকৃতের সমস্যা: হালকা থেকে মাঝারি ক্ষতিগ্রস্ত যকৃত বা বৃক্কের জন্য মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই; তীব্র যকৃতের সমস্যায় সর্বোচ্চ মাত্রা দিনে ২০ মি.গ্রা.।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Emep 40 mg/vial IV Injection কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Emep 40 mg/vial IV Injection গ্যাস্ট্রো-ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD) চিকিৎসা, ইরোসিভ ইসোফেজাইটিস নিরাময়, H. pylori সংক্রমণ নির্মূল (অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে), NSAID-জনিত আলসারের ঝুঁকি হ্রাস, এবং জলিংগার-এলিসন সিনড্রোম ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়।

Q: Emep 40 mg/vial IV Injection কীভাবে সেবন করতে হয়?

A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী Emep 40 mg/vial IV Injection সেবন করুন, সাধারণত দিনে একবার, খাবারের অন্তত এক ঘণ্টা আগে। ট্যাবলেট/ক্যাপসুল না চিবিয়ে সম্পূর্ণ গিলে ফেলুন, কারণ চিবালে এর প্রতিরক্ষামূলক আবরণ নষ্ট হয়ে যায়।

Q: গর্ভাবস্থায় কি Emep 40 mg/vial IV Injection সেবন করা যাবে?

A: গর্ভাবস্থায় Emep 40 mg/vial IV Injection শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন থাকলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত। ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: Emep 40 mg/vial IV Injection-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মাথাব্যথা, ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, পেট ফাঁপা, পেটে ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং মুখ শুকিয়ে যাওয়া। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এগুলো মৃদু এবং চালিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে কমে যায়; গুরুতর বা দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

Q: Emep 40 mg/vial IV Injection কি দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার করা যায়?

A: দীর্ঘমেয়াদী (সাধারণত এক বছরের বেশি) Emep 40 mg/vial IV Injection ব্যবহারে হাড় ভাঙা, রক্তে ম্যাগনেসিয়াম কমে যাওয়া, ভিটামিন বি১২ ঘাটতি এবং অন্ত্রের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।

Q: ডোজ মিস হলে বা অতিরিক্ত সেবন করলে কী করব?

A: ডোজ মিস হলে মনে পড়ার সাথে সাথে সেবন করুন, তবে পরবর্তী ডোজের সময় কাছাকাছি হলে মিসড ডোজ বাদ দিন - দ্বিগুণ মাত্রা নেবেন না। Emep 40 mg/vial IV Injection-এর অতিরিক্ত সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor