
EmpaMet5 mg+850 m
NIPRO JMI Pharma Ltd.

Empadus M প্রাপ্তবয়স্ক টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলাইটাস রোগীদের ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের সহায়ক হিসেবে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়, বিশেষত যাদের ক্ষেত্রে-
হৃদরোগ ও কিডনি সুরক্ষা সংক্রান্ত কিছু প্রমাণ মূলত এম্পাগ্লিফ্লোজিন উপাদানের নিজস্ব গবেষণায় পাওয়া গেছে; এই ফিক্সড-ডোজ কম্বিনেশন Empadus M-এর নিজস্ব ফলাফলভিত্তিক গবেষণা আলাদাভাবে হয়নি, তাই এ বিষয়ে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করা উচিত। Empadus M টাইপ ১ ডায়াবেটিস বা ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিসের চিকিৎসায় নির্দেশিত নয়।
Empadus M একটি মৌখিক অ্যান্টি-ডায়াবেটিক কম্বিনেশন: SGLT2 (সোডিয়াম-গ্লুকোজ কো-ট্রান্সপোর্টার-২) ইনহিবিটর এবং বাইগুয়ানাইড।
Empagliflozin + Metformin Hydrochloride-এ দুটি ভিন্ন ও পরিপূরক প্রক্রিয়ায় কাজ করা উপাদান রয়েছে:
দুটি উপাদানের শোষণ, বিপাক ও নিষ্কাশন মূলত পৃথকভাবে ঘটে; মেটফরমিন অপরিবর্তিত অবস্থায় কিডনির মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়, তাই কিডনির কার্যক্ষমতা উভয় উপাদানের নিরাপত্তা ও মাত্রা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।
Empadus M-এর মাত্রা রোগীর বর্তমান চিকিৎসা, গ্লাইসেমিক প্রতিক্রিয়া, কিডনির কার্যক্ষমতা ও সহনশীলতা অনুযায়ী পৃথকভাবে নির্ধারণ করতে হবে।
কিডনি কার্যক্ষমতা অনুযায়ী মাত্রা:
ট্যাবলেট চিবানো বা ভাঙা ছাড়া পুরোটা পানির সাথে গিলে খেতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা পরিবর্তন করা যাবে না। কোনো মাত্রা বাদ পড়লে দ্বিগুণ মাত্রা নেওয়া যাবে না।
Empadus M-এর গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়াসমূহ:
Empadus M শুরু করার আগে ব্যবহৃত সকল ওষুধ, সাপ্লিমেন্ট ও ভেষজ পণ্যের কথা চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।
Empagliflozin + Metformin Hydrochloride নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার নিষিদ্ধ:
Empadus M-এর সম্ভাব্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াসমূহ:
বিস্তারিত সতর্কতার জন্য সতর্কতা অংশ দেখুন। কোনো গুরুতর বা দীর্ঘস্থায়ী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায়, বিশেষত দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে, টাইপ ২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে Empadus M ব্যবহার সাধারণত সুপারিশ করা হয় না। এসময় ইনসুলিনকে সাধারণত অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস মা ও শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, তাই যেকোনো পরিবর্তন শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে করতে হবে।
স্তন্যদান: স্তন্যদানকালে Empadus M ব্যবহার সাধারণত সুপারিশ করা হয় না, কারণ শিশুর ওপর এর প্রভাব সম্পূর্ণরূপে জানা নেই। ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ল্যাকটিক অ্যাসিডোসিস: মেটফরমিন উপাদানের কারণে বিরল কিন্তু গুরুতর ও প্রাণঘাতী হতে পারে এমন ল্যাকটিক অ্যাসিডোসিসের ঝুঁকি থাকে, বিশেষত কিডনি বা লিভারের সমস্যা, অতিরিক্ত মদ্যপান, পানিশূন্যতা বা অক্সিজেন স্বল্পতাজনিত অবস্থায়। দুর্বলতা, পেশিতে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অস্বাভাবিক ঘুম ঘুম ভাব বা পেটে ব্যথা হলে সাথে সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
কনট্রাস্ট পরীক্ষা: আয়োডিনযুক্ত কনট্রাস্ট ব্যবহার করে এক্স-রে/সিটি স্ক্যানের আগে বা সময় Empadus M সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে এবং কিডনি কার্যক্ষমতা স্থিতিশীল নিশ্চিত হওয়ার পরই পুনরায় শুরু করতে হবে।
ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস (স্বাভাবিক রক্তে গ্লুকোজ থাকা সত্ত্বেও): এম্পাগ্লিফ্লোজিন উপাদান রক্তে গ্লুকোজ স্বাভাবিক বা সামান্য বেশি থাকা সত্ত্বেও কিটোঅ্যাসিডোসিস ঘটাতে পারে। বমি বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা বা অস্বাভাবিক ক্লান্তি দেখা দিলে সাথে সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
শরীরে পানিশূন্যতা ও নিম্ন রক্তচাপ: বয়স্ক রোগী, কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগী এবং মূত্রবর্ধক ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি।
যৌনাঙ্গে সংক্রমণ ও প্রস্রাবে সংক্রমণ: লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং ভালো স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখুন।
ফোর্নিয়ার'স গ্যাংগ্রিন: যৌনাঙ্গ বা পেরিনিয়াম অঞ্চলে তীব্র ব্যথা, লালচেভাব, ফোলা বা জ্বরসহ অসুস্থতা দেখা দিলে জরুরি চিকিৎসা নিন - এটি একটি বিরল কিন্তু গুরুতর সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে।
পায়ের আঙুল/অঙ্গ কর্তনের ঝুঁকি: কিছু গবেষণায় SGLT2 ইনহিবিটরের সাথে পায়ের আঙুল কর্তনের ঝুঁকি বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে, বিশেষত রক্তনালীর সমস্যা থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে। পায়ের নিয়মিত যত্ন নিন এবং কোনো ঘা বা সংক্রমণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
খাবারের সাথে সেবন করলে পাকস্থলীর অস্বস্তি কম হয়। অতিরিক্ত মদ্যপান পরিহার করুন।
Empadus M-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনে হাইপোগ্লাইসেমিয়া (বিশেষত ইনসুলিন বা সালফোনাইলইউরিয়ার সাথে ব্যবহারে) এবং আরও গুরুতরভাবে ল্যাকটিক অ্যাসিডোসিসের ঝুঁকি থাকে, যা একটি জরুরি চিকিৎসা অবস্থা। লক্ষণের মধ্যে থাকতে পারে তীব্র দুর্বলতা, পেশিতে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট ও নিম্ন রক্তচাপ। অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে সাথে সাথে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন।
৩০°সে তাপমাত্রার নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
শিশু: সীমিত গবেষণা তথ্য অনুযায়ী, Empadus M-এর সাধারণ (ইমিডিয়েট-রিলিজ) ফর্মুলেশন কিছু ক্ষেত্রে ১০ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে শিশুদের ক্ষেত্রে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় বেশি দেখা গেছে। ১০ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Empadus M ব্যবহারের সুপারিশ করা হয় না।
বয়স্ক রোগী: বয়স্কদের ক্ষেত্রে কিডনি সমস্যা, পানিশূন্যতা ও ল্যাকটিক অ্যাসিডোসিসের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি থাকে, তাই কিডনি কার্যক্ষমতা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা এবং মাত্রা সতর্কতার সাথে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
Q: Empadus M 5 mg+850 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: এটি খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের সাথে টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
Q: Empadus M 5 mg+850 mg Tablet কীভাবে সেবন করতে হয়?
A: সাধারণত দিনে দুইবার, খাবারের সাথে সেবন করতে হয় যাতে পেটের অস্বস্তি কম হয়। চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সেবন করুন এবং নিজে থেকে মাত্রা পরিবর্তন করবেন না।
Q: কিডনি সমস্যা থাকলে কি Empadus M 5 mg+850 mg Tablet খাওয়া যাবে?
A: তীব্র কিডনি সমস্যায় Empadus M 5 mg+850 mg Tablet সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। মাঝারি সমস্যায় সতর্কতার সাথে ও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা যেতে পারে। চিকিৎসক আপনার eGFR পরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেবেন।
Q: এক্স-রে বা সিটি স্ক্যানের আগে কী করণীয়?
A: চিকিৎসককে জানান যে আপনি Empadus M 5 mg+850 mg Tablet সেবন করছেন। কনট্রাস্ট ডাই ব্যবহারের আগে ও পরে সাময়িকভাবে ওষুধ বন্ধ রাখতে হতে পারে।
Q: কোন উপসর্গগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত?
A: অস্বাভাবিক দুর্বলতা, পেশিতে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা পেটে ব্যথা (ল্যাকটিক অ্যাসিডোসিসের লক্ষণ); বমি বমি ভাব বা পেটে ব্যথা (কিটোঅ্যাসিডোসিসের লক্ষণ); অথবা যৌনাঙ্গ অঞ্চলে তীব্র ব্যথা বা ফোলাভাব সহ জ্বর হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি Empadus M 5 mg+850 mg Tablet নিরাপদ?
A: সাধারণত গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে Empadus M 5 mg+850 mg Tablet সুপারিশ করা হয় না। এই সময়ে বিকল্প চিকিৎসার জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।