
Sergel20 mg
Healthcare Pharmaceuticals Ltd.

Esomium একটি প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর যা পাকস্থলীর অ্যাসিড ক্ষরণ কমাতে ব্যবহৃত হয়। প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী এর নির্দেশনাগুলো নিচে শ্রেণীবদ্ধ করা হলো।
Esomium একটি প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (PPI) শ্রেণীর ঔষধ, যা গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড নিঃসরণ দমনকারী হিসেবে কাজ করে।
Esomeprazole Magnesium Trihydrate একটি সাবস্টিটিউটেড বেনজিমিডাজল যা গ্যাস্ট্রিক প্যারাইটাল কোষের অম্লীয় পরিবেশে সক্রিয় সালফেনামাইড আকারে রূপান্তরিত হয়। এই সক্রিয় রূপ H+/K+-ATPase (প্রোটন পাম্প) এনজাইমের সিস্টিন অবশিষ্টাংশের সাথে সমযোজী বন্ধন তৈরি করে, যা হিস্টামিন, অ্যাসিটাইলকোলিন বা গ্যাস্ট্রিন যেকোনো উদ্দীপকের কারণে সৃষ্ট অ্যাসিড ক্ষরণের চূড়ান্ত ধাপকে অপরিবর্তনীয়ভাবে বন্ধ করে দেয়।
যেহেতু এই বাধা অপরিবর্তনীয়, তাই স্বল্প প্লাজমা অর্ধ-জীবন (প্রায় ১-১.৫ ঘণ্টা) থাকা সত্ত্বেও দিনে একবার সেবনই যথেষ্ট। ধারাবাহিক সেবনের ৩-৫ দিন পর সর্বোচ্চ অ্যাসিড-দমন প্রভাব দেখা যায়। Esomeprazole Magnesium Trihydrate প্রধানত হেপাটিক CYP2C19 এবং কিছুটা CYP3A4 এনজাইম দ্বারা বিপাকিত হয়।
Esomium-এর মাত্রা নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা | স্থিতিকাল |
|---|---|---|
| উপসর্গযুক্ত GERD | দিনে একবার ২০ মি.গ্রা. | ৪ সপ্তাহ |
| ইরোসিভ ইসোফেজাইটিস (আরোগ্য) | দিনে একবার ২০-৪০ মি.গ্রা. | ৪-৮ সপ্তাহ |
| রক্ষণাবেক্ষণ থেরাপি | দিনে একবার ২০ মি.গ্রা. | প্রয়োজন অনুযায়ী, পর্যায়ক্রমে মূল্যায়ন |
| H. pylori নির্মূল (ট্রিপল থেরাপি) | দিনে একবার ৪০ মি.গ্রা., সাথে অ্যামোক্সিসিলিন ও ক্লারিথ্রোমাইসিন | ১০ দিন |
| NSAID-জনিত আলসার ঝুঁকি হ্রাস | দিনে একবার ২০-৪০ মি.গ্রা. | ৬ মাস পর্যন্ত |
| জলিংগার-এলিসন সিনড্রোম | দিনে দুইবার ৪০ মি.গ্রা. (ব্যক্তিভেদে সমন্বয়যোগ্য) | দীর্ঘমেয়াদী |
১-১৭ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ওজন-ভিত্তিক কম মাত্রা প্রযোজ্য (দেখুন শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার); ১ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
Esomium গ্যাস্ট্রিক অম্লতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমায় এবং CYP2C19 দ্বারা বিপাকিত হয়, ফলে গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ মিথষ্ক্রিয়ার সম্ভাবনা থাকে।
Esomeprazole Magnesium Trihydrate নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত:
Esomium-এর সাথে সম্পর্কিত অধিকাংশ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মৃদু ও সাময়িক।
গর্ভাবস্থা: গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে Esomium ব্যবহারের তথ্য সীমিত। প্রাণী গবেষণায় সুস্পষ্ট ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে পর্যাপ্ত ও সুনিয়ন্ত্রিত মানব গবেষণার অভাব রয়েছে। শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন থাকলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই Esomium ব্যবহার করা উচিত; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
স্তন্যদান: এসোমিপ্রাজল মায়ের বুকের দুধে নিঃসৃত হয়। শিশুর ওপর সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাবের কারণে, মায়ের জন্য চিকিৎসার গুরুত্ব বিবেচনা করে স্তন্যদান বন্ধ রাখা বা Esomium বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Esomium ব্যবহারের ক্ষেত্রে, বিশেষত দীর্ঘমেয়াদী (সাধারণত ১ বছরের বেশি) বা উচ্চ মাত্রার ব্যবহারে, নিম্নলিখিত সতর্কতা প্রযোজ্য:
Esomium-এর অতিরিক্ত মাত্রা সম্পর্কে সীমিত তথ্য পাওয়া যায়। সুপারিশকৃত মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি মাত্রা সাধারণত গুরুতর উপসর্গ ছাড়াই সহ্য করা হয়েছে, তবে বিভ্রান্তি, ঝাপসা দৃষ্টি, দ্রুত হৃদস্পন্দন, বমি বমি ভাব, ঘাম, ত্বক লালচে হওয়া, মাথাব্যথা ও মুখ শুকিয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ রিপোর্ট করা হয়েছে। এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (অ্যান্টিডোট) নেই।
অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন অথবা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা সহায়ক ও উপসর্গ-ভিত্তিক; Esomium উচ্চমাত্রায় প্রোটিনের সাথে আবদ্ধ থাকে বলে ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে কার্যকরভাবে অপসারণ করা যায় না।
৩০°সেলসিয়াসের নিচে স্বাভাবিক তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। শিরায় প্রয়োগের জন্য প্রস্তুত করা Esomium দ্রবণ লেবেলে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে ব্যবহার করতে হবে।
শিশু: ১ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে স্বল্পমেয়াদী GERD চিকিৎসায় Esomium-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে; মাত্রা ওজন-ভিত্তিক এবং প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় কম। ১ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এবং GERD ছাড়া অন্য নির্দেশনায় নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
বয়স্করা: শুধুমাত্র বয়সের ভিত্তিতে মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই, তবে দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে হাড় ভাঙা ও পুষ্টিগত ঝুঁকি বিবেচনা করা উচিত (দেখুন সতর্কতা)।
বৃক্ক/যকৃতের সমস্যা: হালকা থেকে মাঝারি ক্ষতিগ্রস্ত যকৃত বা বৃক্কের জন্য মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই; তীব্র যকৃতের সমস্যায় সর্বোচ্চ মাত্রা দিনে ২০ মি.গ্রা.।
Q: Esomium 20 mg Capsule কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Esomium 20 mg Capsule গ্যাস্ট্রো-ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD) চিকিৎসা, ইরোসিভ ইসোফেজাইটিস নিরাময়, H. pylori সংক্রমণ নির্মূল (অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে), NSAID-জনিত আলসারের ঝুঁকি হ্রাস, এবং জলিংগার-এলিসন সিনড্রোম ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়।
Q: Esomium 20 mg Capsule কীভাবে সেবন করতে হয়?
A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী Esomium 20 mg Capsule সেবন করুন, সাধারণত দিনে একবার, খাবারের অন্তত এক ঘণ্টা আগে। ট্যাবলেট/ক্যাপসুল না চিবিয়ে সম্পূর্ণ গিলে ফেলুন, কারণ চিবালে এর প্রতিরক্ষামূলক আবরণ নষ্ট হয়ে যায়।
Q: গর্ভাবস্থায় কি Esomium 20 mg Capsule সেবন করা যাবে?
A: গর্ভাবস্থায় Esomium 20 mg Capsule শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন থাকলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত। ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?
A: Esomium 20 mg Capsule-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মাথাব্যথা, ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, পেট ফাঁপা, পেটে ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং মুখ শুকিয়ে যাওয়া। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এগুলো মৃদু এবং চালিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে কমে যায়; গুরুতর বা দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।
Q: Esomium 20 mg Capsule কি দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার করা যায়?
A: দীর্ঘমেয়াদী (সাধারণত এক বছরের বেশি) Esomium 20 mg Capsule ব্যবহারে হাড় ভাঙা, রক্তে ম্যাগনেসিয়াম কমে যাওয়া, ভিটামিন বি১২ ঘাটতি এবং অন্ত্রের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।
Q: ডোজ মিস হলে বা অতিরিক্ত সেবন করলে কী করব?
A: ডোজ মিস হলে মনে পড়ার সাথে সাথে সেবন করুন, তবে পরবর্তী ডোজের সময় কাছাকাছি হলে মিসড ডোজ বাদ দিন - দ্বিগুণ মাত্রা নেবেন না। Esomium 20 mg Capsule-এর অতিরিক্ত সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।