Product gallery
MRP ৳ ২৫.০০৮% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ২৩.০০/piece
১
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

F-Zol একটি ট্রায়াজোল গোত্রের অ্যান্টিফাঙ্গাল (ছত্রাকনাশক) ওষুধ, যা বিভিন্ন ধরনের ক্যান্ডিডা ও ক্রিপ্টোকক্কাস ছত্রাক সংক্রমণ প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

প্রতিষ্ঠিত / অনুমোদিত ব্যবহার

  • ভ্যাজাইনাল ক্যান্ডিডিয়াসিস (যোনিপথের ছত্রাক সংক্রমণ)
  • মুখগহ্বর ও খাদ্যনালীর ক্যান্ডিডিয়াসিস (ওরোফ্যারিঞ্জিয়াল/ইসোফেজিয়াল)
  • সিস্টেমিক (সারা শরীরে ছড়ানো) ক্যান্ডিডা সংক্রমণ
  • ক্রিপ্টোকক্কাল মেনিনজাইটিস
  • বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট রোগীদের ছত্রাক সংক্রমণ প্রতিরোধে

নির্দেশিকা-সমর্থিত ব্যবহার

  • টিনিয়া কর্পোরিস, টিনিয়া ক্রুরিস, টিনিয়া পেডিস-এর মতো ডার্মাটোফাইট সংক্রমণ
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এমন রোগীদের (যেমন HIV/AIDS, অঙ্গ প্রতিস্থাপন রোগী) পুনরাবৃত্ত ছত্রাক সংক্রমণ প্রতিরোধ

অফ-লেবেল ব্যবহার

  • বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে নির্দিষ্ট কিছু ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ছত্রাক সংক্রমণে

F-Zol সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।

থেরাপিউটিক ক্লাস

F-Zol একটি ট্রায়াজোল অ্যান্টিফাঙ্গাল শ্রেণীর ওষুধ।

ফার্মাকোলজি

Fluconazole ছত্রাকের কোষপ্রাচীর গঠনে প্রয়োজনীয় সাইটোক্রোম P450-নির্ভর এনজাইম ১৪-আলফা-ডিমিথাইলেজকে বাধা দিয়ে কাজ করে, যা ল্যানোস্টেরল থেকে এরগোস্টেরল তৈরিতে প্রয়োজন। এরগোস্টেরলের অভাবে ছত্রাক কোষপ্রাচীরের গঠন ও কার্যক্ষমতা ব্যাহত হয়, ফলে ছত্রাকের বৃদ্ধি ও বংশবিস্তার বাধাগ্রস্ত হয়।

মুখে খাওয়ার পর Fluconazole দ্রুত ও প্রায় সম্পূর্ণভাবে শোষিত হয় এবং এর অর্ধায়ু প্রায় ৩০ ঘণ্টা, যা দিনে একবার সেবনের সুযোগ দেয়। এটি মূলত অপরিবর্তিত অবস্থায় কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

F-Zol মুখে (ক্যাপসুল/ট্যাবলেট বা সাসপেনশন) অথবা শিরাপথে (IV) প্রয়োগ করা যায়। খাবারের সাথে বা ছাড়া উভয়ভাবেই সেবন করা যায়।

নির্দেশনাপ্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা
ভ্যাজাইনাল ক্যান্ডিডিয়াসিসএকবার মাত্র ১৫০ মি.গ্রা.
ওরোফ্যারিঞ্জিয়াল ক্যান্ডিডিয়াসিসপ্রথম দিন ২০০ মি.গ্রা., এরপর প্রতিদিন ১০০ মি.গ্রা., কমপক্ষে ২ সপ্তাহ
ইসোফেজিয়াল ক্যান্ডিডিয়াসিসপ্রথম দিন ২০০ মি.গ্রা., এরপর প্রতিদিন ১০০-৪০০ মি.গ্রা., কমপক্ষে ৩ সপ্তাহ
সিস্টেমিক ক্যান্ডিডিয়াসিসপ্রথম দিন ৪০০ মি.গ্রা., এরপর প্রতিদিন ২০০-৪০০ মি.গ্রা.
ক্রিপ্টোকক্কাল মেনিনজাইটিস (চিকিৎসা)প্রথম দিন ৪০০ মি.গ্রা., এরপর প্রতিদিন ২০০-৪০০ মি.গ্রা., CSF কালচার নেগেটিভ হওয়ার পর ১০-১২ সপ্তাহ
বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট প্রতিরোধপ্রতিদিন ৪০০ মি.গ্রা.
ডার্মাটোফাইট সংক্রমণসপ্তাহে একবার ১৫০ মি.গ্রা., ২-৬ সপ্তাহ

কিডনির কার্যক্ষমতা কম থাকলে মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে।

সতর্কতা: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী F-Zol ঠিক নির্ধারিত মাত্রায় সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না, মাত্রা বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, বা অন্য কাউকে এই ওষুধ দেবেন না।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

F-Zol লিভারের CYP2C9 ও CYP3A4 এনজাইমকে বাধা দেয়, যার ফলে কিছু ওষুধের রক্তের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • ওয়ারফারিন: রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে; INR পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • সালফোনাইলইউরিয়া জাতীয় ডায়াবেটিসের ওষুধ (যেমন গ্লিপিজাইড, গ্লিবেনক্লামাইড): রক্তে শর্করা মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে (হাইপোগ্লাইসেমিয়া)।
  • ফেনিটয়েন: এর মাত্রা বেড়ে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
  • সাইক্লোস্পোরিন ও ট্যাক্রোলিমাস: এসব ইমিউনোসাপ্রেসেন্টের মাত্রা বেড়ে কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • রিফাম্পিন: F-Zol-এর কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে।
  • QT-প্রলম্বনকারী ওষুধ (যেমন সিসাপ্রাইড, অ্যাস্টেমিজল, পিমোজাইড, কুইনিডিন): একসাথে ব্যবহার প্রতিনির্দেশিত, কারণ এতে মারাত্মক হৃদস্পন্দনজনিত সমস্যার ঝুঁকি থাকে (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।

F-Zol শুরু করার আগে চিকিৎসককে আপনার ব্যবহৃত সকল ওষুধ সম্পর্কে জানান।

প্রতিনির্দেশনা

Fluconazole নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত (contraindicated):

  • Fluconazole বা অন্য কোনো ট্রায়াজোল/অ্যাজোল অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধের প্রতি অতি-সংবেদনশীলতা থাকলে।
  • QT-প্রলম্বনকারী এবং CYP3A4-নির্ভর বিপাক হওয়া ওষুধ (যেমন সিসাপ্রাইড, অ্যাস্টেমিজল, পিমোজাইড, কুইনিডিন) একই সাথে ব্যবহার করলে, কারণ এতে মারাত্মক হৃদস্পন্দনজনিত জটিলতার ঝুঁকি থাকে।
  • প্রতিদিন ৪০০ মি.গ্রা. বা তার বেশি মাত্রায় Fluconazole সেবনের সাথে টারফেনাডিন একসাথে ব্যবহার করলে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

F-Zol সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়। সম্ভাব্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো হলো:

সাধারণ

  • মাথাব্যথা
  • বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া, বমি
  • মাথা ঘোরা
  • ত্বকে র‍্যাশ
  • স্বাদের পরিবর্তন

বিরল কিন্তু গুরুতর (দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন)

  • লিভারের ক্ষতির লক্ষণ: চোখ/ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া, প্রস্রাবের রং গাঢ় হওয়া, অস্বাভাবিক ক্লান্তি (দেখুন সতর্কতা)
  • মারাত্মক ত্বকের প্রতিক্রিয়া (স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম)
  • এলার্জিক প্রতিক্রিয়া, অ্যানাফিল্যাক্সিস
  • অনিয়মিত হৃদস্পন্দন

F-Zol সেবনকালে গুরুতর কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: ভ্যাজাইনাল ক্যান্ডিডিয়াসিসের জন্য একবার মাত্র ১৫০ মি.গ্রা. মাত্রার F-Zol ব্যবহারে জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি স্পষ্টভাবে বাড়েনি বলে প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে প্রথম ত্রৈমাসিকে উচ্চমাত্রায় (৪০০-৮০০ মি.গ্রা./দিন) বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে বিরল কিছু জন্মগত ত্রুটির (যেমন তালু ফাটা, হাড়ের গঠনগত সমস্যা) সাথে সম্পর্ক পাওয়া গেছে। তাই F-Zol গর্ভাবস্থায় কেবল স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই ব্যবহার করা উচিত, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।

স্তন্যদান: F-Zol মায়ের দুধে প্রবেশ করে, তাই স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত, বিশেষত উচ্চমাত্রা বা বারবার সেবনের ক্ষেত্রে।

সতর্কতা

লিভারের ক্ষতি: বিরল ক্ষেত্রে F-Zol মারাত্মক লিভারের ক্ষতি ঘটাতে পারে, বিশেষত আগে থেকে গুরুতর অসুস্থতা থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে। দীর্ঘমেয়াদী বা উচ্চমাত্রার চিকিৎসায় লিভার ফাংশন পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

QT প্রলম্বন: F-Zol হৃদস্পন্দনের QT ব্যবধান বাড়িয়ে দিতে পারে; হৃদরোগ বা ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া: ওয়ারফারিন, সালফোনাইলইউরিয়া, ফেনিটয়েন, সাইক্লোস্পোরিন সহ অন্যান্য ওষুধের সাথে F-Zol-এর উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়া হতে পারে (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া)।

ত্বকের প্রতিক্রিয়া: মারাত্মক ত্বকের প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে F-Zol বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা (স্টুয়ার্ডশিপ): চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী F-Zol ঠিক নির্ধারিত মাত্রায় সেবন করুন; নিজে থেকে বন্ধ করবেন না, মাত্রা পরিবর্তন করবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, বা অন্য কাউকে এই ওষুধ দেবেন না।

মাত্রাধিক্যতা

F-Zol-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনে হ্যালুসিনেশন ও অস্বাভাবিক আচরণ দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসকের সাহায্য নিন বা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা মূলত উপসর্গ-ভিত্তিক ও সহায়ক; প্রয়োজনে হেমোডায়ালাইসিস বিবেচনা করা যেতে পারে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে। বাড়িতে নিজে থেকে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু: F-Zol নবজাতক সহ শিশুদের ক্যান্ডিডিয়াসিস ও ক্রিপ্টোকক্কাল মেনিনজাইটিসের চিকিৎসায় শরীরের ওজন অনুযায়ী (সাধারণত ৩-১২ মি.গ্রা./কেজি/দিন) ব্যবহৃত হয়, তবে অবশ্যই শিশু বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে। যেসব ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট গবেষণা নেই, সেখানে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়।

বয়স্ক রোগী: কিডনির কার্যক্ষমতা স্বাভাবিক থাকলে সাধারণ প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রায় F-Zol ব্যবহার করা যায়; কিডনির কার্যক্ষমতা কমে থাকলে মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: F-Zol 200 mg Capsule কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: F-Zol 200 mg Capsule একটি ট্রায়াজোল অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ, যা ভ্যাজাইনাল ক্যান্ডিডিয়াসিস, মুখ ও খাদ্যনালীর ছত্রাক সংক্রমণ, সিস্টেমিক ক্যান্ডিডা সংক্রমণ এবং ক্রিপ্টোকক্কাল মেনিনজাইটিসের চিকিৎসায় এবং কিছু ক্ষেত্রে প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।

Q: F-Zol 200 mg Capsule কীভাবে সেবন করব?

A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী F-Zol 200 mg Capsule ঠিক নির্ধারিত মাত্রায় সেবন করুন, খাবারের সাথে বা ছাড়া। রোগের ধরন অনুযায়ী এটি একবার মাত্র অথবা কয়েক দিন/সপ্তাহ ধরে সেবন করতে হতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না বা অন্য কাউকে দেবেন না।

Q: গর্ভাবস্থায় কি F-Zol 200 mg Capsule সেবন করা যাবে?

A: গর্ভাবস্থায় F-Zol 200 mg Capsule কেবল স্পষ্ট প্রয়োজন হলেই ব্যবহার করা উচিত, কারণ উচ্চমাত্রা বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে প্রথম ত্রৈমাসিকে বিরল জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি থাকতে পারে, যদিও একবার মাত্র নিম্নমাত্রার ব্যবহারে ঝুঁকি কম বলে মনে করা হয়। গর্ভবতী বা গর্ভধারণের চেষ্টারত অবস্থায় F-Zol 200 mg Capsule সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: F-Zol 200 mg Capsule-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: F-Zol 200 mg Capsule-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া এবং ত্বকে র‍্যাশ। বেশিরভাগ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মৃদু হলেও চোখ/ত্বক হলুদ হয়ে গেলে বা মারাত্মক র‍্যাশ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: F-Zol 200 mg Capsule কি অন্য ওষুধের সাথে মিথষ্ক্রিয়া করে?

A: হ্যাঁ। F-Zol 200 mg Capsule ওয়ারফারিন, সালফোনাইলইউরিয়া জাতীয় ডায়াবেটিসের ওষুধ, ফেনিটয়েন, সাইক্লোস্পোরিন, ট্যাক্রোলিমাস এবং কিছু হৃদস্পন্দন-সংক্রান্ত ওষুধের সাথে উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়া করতে পারে। F-Zol 200 mg Capsule শুরু করার আগে আপনার ব্যবহৃত সকল ওষুধ সম্পর্কে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।

Q: F-Zol 200 mg Capsule-এর মাত্রা বাদ পড়লে বা অতিরিক্ত সেবন হলে কী করব?

A: একাধিক দিনের কোর্সে F-Zol 200 mg Capsule-এর কোনো মাত্রা বাদ পড়লে মনে পড়ার সাথে সাথেই সেবন করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে বাদ দেওয়া মাত্রাটি এড়িয়ে যান। নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি F-Zol 200 mg Capsule সেবন করা হলে দ্রুত চিকিৎসকের সাহায্য নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor