
Fenazine25 mg/ml
Incepta Pharmaceuticals Ltd.

Flupagen হলো প্রথম প্রজন্মের (টিপিক্যাল) অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ ফ্লুফেনাজিনের একটি দীর্ঘ-কার্যকরী (ডিপো) ইনজেকশনযোগ্য রূপ, যা ডিকানোয়িক অ্যাসিডের সাথে এস্টারিফাই করে তৈরি করা হয়, যাতে পেশিতে বা ত্বকের নিচে ইনজেকশনের পর তা ধীরে ধীরে নিঃসৃত হয়।
Flupagen-এর প্রভাব শুরু হতে সাধারণত ২৪–৭২ ঘণ্টা সময় লাগে এবং এর কার্যকারিতা দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাই তীব্র মানসিক উত্তেজনার তাৎক্ষণিক চিকিৎসায় এটি ব্যবহার করা হয় না — রোগীকে সাধারণত আগে স্বল্পমেয়াদী ফর্মে স্থিতিশীল করার পর এই ডিপো ইনজেকশনে স্থানান্তর করা হয়।
Flupagen ফেনোথায়াজিন গোত্রের প্রথম প্রজন্মের (টিপিক্যাল) অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ, নির্দিষ্টভাবে পিপারাজিন উপগোত্রের অন্তর্গত। এটি একটি দীর্ঘ-কার্যকরী (ডিপো) ইনজেকশনযোগ্য অ্যান্টিসাইকোটিক হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ।
Fluphenazine Decanoate কীভাবে সঠিকভাবে অ্যান্টিসাইকোটিক প্রভাব তৈরি করে তা পুরোপুরি জানা যায়নি, তবে এর প্রধান কার্যপ্রণালী হলো কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের মেসোলিম্বিক ও মেসোকর্টিক্যাল পথে ডোপামিন D2 রিসেপ্টরের বাধাদান (অ্যান্টাগোনিজম), যা মানসিক রোগের ইতিবাচক লক্ষণ (হ্যালুসিনেশন, বিভ্রম) কমাতে সাহায্য করে বলে মনে করা হয়।
এটি আলফা-অ্যাড্রেনার্জিক, হিস্টামিন (H1), এবং কিছুটা মাসকারিনিক কোলিনার্জিক রিসেপ্টরেও বাধা দেয়, যা কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার (যেমন সিডেশন, রক্তচাপ কমে যাওয়া) কারণ হতে পারে। নাইগ্রোস্ট্রায়াটাল পথে ডোপামিন বাধা এক্সট্রাপিরামিডাল লক্ষণের এবং টিউবারোইনফান্ডিবুলার পথে বাধা প্রোল্যাকটিন বৃদ্ধির কারণ হয়।
Flupagen শুধুমাত্র গভীর ইন্ট্রামাসকুলার (পেশিতে) বা সাবকিউটেনিয়াস (ত্বকের নিচে) ইনজেকশন হিসেবে দেওয়া হয়। এটি কখনোই শিরায় (ইন্ট্রাভেনাস) দেওয়া যাবে না। শুকনো সিরিঞ্জ ও সূচ (কমপক্ষে ২১ গেজ) ব্যবহার করতে হবে, কারণ আর্দ্রতার কারণে দ্রবণ ঘোলা হয়ে যেতে পারে।
| পর্যায় | সাধারণ মাত্রা | মন্তব্য |
|---|---|---|
| প্রাথমিক মাত্রা | ১২.৫ মিগ্রা থেকে ২৫ মিগ্রা (০.৫–১ মিলি) IM বা SC | প্রভাব শুরু হতে সাধারণত ২৪–৭২ ঘণ্টা সময় লাগে। |
| রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা | প্রতি ২–৪ সপ্তাহে ১২.৫–২৫ মিগ্রা (রোগীভেদে পরিবর্তনশীল) | ক্লিনিক্যাল প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে মাত্রা ও ব্যবধান ঠিক করা হয়; কিছু রোগীর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ মিগ্রা পর্যন্ত প্রয়োজন হতে পারে। |
| মাত্রা বৃদ্ধি | প্রায় ১২.৫ মিগ্রা ধাপে | ৫০ মিগ্রার বেশি মাত্রা সতর্কতার সাথে বাড়াতে হবে। |
কোনো নির্দিষ্ট রূপান্তর সূত্র নেই। সাধারণত প্রতিদিন ১০ মিগ্রা মুখে খাওয়া ফ্লুফেনাজিন হাইড্রোক্লোরাইড প্রায় প্রতি ৩ সপ্তাহে ১২.৫ মিগ্রা Flupagen-এর সমতুল্য বলে ধরা হয়, তবে চিকিৎসক রোগীভেদে প্রকৃত মাত্রা নির্ধারণ করেন। যেসব রোগী আগে কখনো ফ্লুফেনাজিন গ্রহণ করেননি, তাদের আগে স্বল্পমেয়াদী মুখে খাওয়া বা ইনজেকশনযোগ্য ফর্ম দিয়ে সহনশীলতা যাচাই করা উচিত।
১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য Flupagen সুপারিশ করা হয় না; এই বয়সে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয় (দেখুন শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার)।
কিডনি বা যকৃতের সমস্যায় নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠিত মাত্রা সমন্বয়ের নিয়ম নেই; তীব্র যকৃত রোগে Flupagen প্রতিনির্দেশিত (দেখুন প্রতিনির্দেশনা), এবং যেকোনো মাত্রার যকৃত সমস্যায় সতর্কতার সাথে ও ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করতে হবে।
Flupagen-এর সাথে নিম্নলিখিত মিথষ্ক্রিয়াগুলো ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ ও সুপ্রতিষ্ঠিত:
Fluphenazine Decanoate নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত (contraindicated):
বয়স্ক ডিমেনশিয়া-জনিত মানসিক রোগের চিকিৎসায় Fluphenazine Decanoate ব্যবহার করা উচিত নয় (দেখুন সতর্কতা অংশে বক্সড ওয়ার্নিং), এবং ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এটি সুপারিশ করা হয় না।
Flupagen-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাধারণত মুখে খাওয়া ফ্লুফেনাজিনের মতোই, তবে যেহেতু এটি দীর্ঘ-কার্যকরী ডিপো ইনজেকশন, তাই যেকোনো প্রতিক্রিয়া — অতিসংবেদনশীলতা বা এক্সট্রাপিরামিডাল প্রতিক্রিয়া সহ — সমাধান হতে অনেক বেশি সময় লাগতে পারে, কারণ ওষুধটি শরীর থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সরানো যায় না।
গর্ভাবস্থা: গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে Flupagen-এর পর্যাপ্ত ও সুনিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই। গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধের সংস্পর্শে আসা নবজাতকদের প্রসবের পর এক্সট্রাপিরামিডাল বা প্রত্যাহার লক্ষণের ঝুঁকি থাকে, যেমন অস্থিরতা, পেশির অস্বাভাবিক টান বা শিথিলতা, কাঁপুনি, ঝিমুনি, শ্বাসকষ্ট ও খাওয়াতে অসুবিধা; কিছু ক্ষেত্রে এগুলো নিজে থেকেই সেরে যায়, আবার কিছু ক্ষেত্রে নিবিড় পরিচর্যা প্রয়োজন হয়। মায়ের জন্য সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে স্পষ্টভাবে বেশি হলেই এবং চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে থাকলেই কেবল Flupagen ব্যবহার করা উচিত।
স্তন্যদানকাল: ফ্লুফেনাজিন বুকের দুধে নির্গত হয়। শিশুতে সিডেশন ও অন্যান্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা থাকায়, এবং এটি দীর্ঘ-কার্যকরী ডিপো ফর্মুলেশন হওয়ায় শিশুর সংস্পর্শ দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে, Flupagen গ্রহণকালে স্তন্যদানের বিষয়ে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করে উপকারিতা ও ঝুঁকি বিবেচনা করা উচিত।
বয়স্ক ডিমেনশিয়া রোগীদের মৃত্যুঝুঁকি বৃদ্ধি: ডিমেনশিয়া-জনিত মানসিক রোগে আক্রান্ত বয়স্ক রোগীরা যারা Flupagen-সহ অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ গ্রহণ করেন, তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি প্লাসিবোর তুলনায় বেশি, প্রধানত হৃদরোগ বা সংক্রমণ (যেমন নিউমোনিয়া) জনিত কারণে। ডিমেনশিয়া-জনিত মানসিক রোগের চিকিৎসায় Flupagen অনুমোদিত নয়।
Flupagen একটি দীর্ঘ-কার্যকরী ইনজেকশন হওয়ায়, এক্সট্রাপিরামিডাল লক্ষণ, অ্যালার্জিক/অতিসংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া বা নিউরোলেপ্টিক ম্যালিগন্যান্ট সিনড্রোমসহ যেকোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সমাধান হতে মুখে খাওয়া ফ্লুফেনাজিনের চেয়ে অনেক বেশি সময় লাগতে পারে, কারণ ইনজেকশন দেওয়ার পর তা দ্রুত শরীর থেকে সরানো যায় না। প্রথম ইনজেকশনের আগেই রোগী ও পরিচর্যাকারীকে এ বিষয়ে অবহিত করা উচিত।
দীর্ঘমেয়াদী Flupagen ব্যবহারে টারডিভ ডিসকাইনেসিয়া হতে পারে, যা সম্ভাব্য অপরিবর্তনীয় অনিচ্ছাকৃত পেশি নড়াচড়ার একটি সিনড্রোম। চিকিৎসার সময়কাল ও মোট ক্রমসঞ্চিত মাত্রার সাথে ঝুঁকি বাড়ে বলে মনে হয়, এবং বয়স্ক রোগীদের, বিশেষ করে নারীদের মধ্যে ঝুঁকি সর্বোচ্চ, যদিও স্বল্পমেয়াদী চিকিৎসার পরও (বিরল ক্ষেত্রে) এটি হতে পারে। প্রতিষ্ঠিত টারডিভ ডিসকাইনেসিয়ার কোনো নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা নেই; ক্লিনিক্যালি সম্ভব হলে প্রথম লক্ষণেই ওষুধ বন্ধ করা উচিত।
Flupagen-সহ যেকোনো অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধে হতে পারে এমন একটি বিরল কিন্তু প্রাণঘাতী প্রতিক্রিয়া। লক্ষণের মধ্যে রয়েছে তীব্র জ্বর, তীব্র পেশি শক্তভাব, চেতনার পরিবর্তন এবং স্বায়ত্তশাসিত অস্থিরতা (অনিয়মিত নাড়ি বা রক্তচাপ, দ্রুত হৃদস্পন্দন, ঘাম, হৃদস্পন্দনের অনিয়ম)। তাৎক্ষণিক ওষুধ বন্ধ ও নিবিড় সহায়ক চিকিৎসা প্রয়োজন। ডিপো ফর্মুলেশনের কারণে, Flupagen-জনিত NMS থেকে সেরে উঠতে মুখে খাওয়া অ্যান্টিসাইকোটিকের চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে।
Flupagen-এর মাত্রাধিক্য একটি চিকিৎসাগত জরুরি অবস্থা। এটি দীর্ঘ-কার্যকরী ডিপো ইনজেকশন হওয়ায়, মুখে খাওয়া ওষুধের মাত্রাধিক্যের তুলনায় বিষাক্ত প্রভাব দীর্ঘ সময় ধরে বিকশিত ও অব্যাহত থাকতে পারে, এবং ওষুধ দ্রুত শরীর থেকে অপসারণ করে তা বন্ধ করা যায় না।
মাত্রাধিক্যের লক্ষণের মধ্যে থাকতে পারে তীব্র এক্সট্রাপিরামিডাল প্রতিক্রিয়া, গভীর ঝিমুনি বা কোমা, রক্তচাপ কমে যাওয়া, অস্থিরতা, খিঁচুনি, শরীরের তাপমাত্রার অস্বাভাবিকতা (বেশি বা কম) এবং হৃদস্পন্দনের অনিয়ম (QT দীর্ঘায়নসহ)।
মাত্রাধিক্যের সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা মূলত সহায়ক ও লক্ষণভিত্তিক, সাধারণত হাসপাতালে ভর্তি করে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ, ইসিজি এবং শ্বাসপ্রশ্বাসের অবস্থা ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ করা হয়; এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (অ্যান্টিডোট) নেই। ডিপো প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় সাধারণত দীর্ঘ সময় ধরে পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন হয়।
নিয়ন্ত্রিত কক্ষ তাপমাত্রায়, ২০°সে থেকে ২৫°সে (৬৮°ফা থেকে ৭৭°ফা) তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন; ১৫°সে থেকে ৩০°সে-এর মধ্যে সাময়িক তারতম্য গ্রহণযোগ্য। আলো থেকে রক্ষা করুন — ব্যবহারের আগ পর্যন্ত ভায়ালটি এর বাইরের বাক্সে রাখুন। জমাট বাঁধাবেন না। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Flupagen সুপারিশ করা হয় না। শিশুদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
বয়স্ক রোগীদের, বিশেষত নারীদের, টারডিভ ডিসকাইনেসিয়ার ঝুঁকি বেশি এবং তারা সাধারণত হাইপোটেনশন, ঝিমুনি ও অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাবের প্রতি বেশি সংবেদনশীল। ডিমেনশিয়া-জনিত মানসিক রোগে আক্রান্ত বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে মৃত্যুঝুঁকি বৃদ্ধির কারণে Flupagen-এর বক্সড ওয়ার্নিং রয়েছে এবং এই ব্যবহারের জন্য এটি অনুমোদিত নয়। এই বয়সে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা ব্যবহার করুন।
তীব্র যকৃত রোগে Flupagen প্রতিনির্দেশিত; যেকোনো মাত্রার যকৃত সমস্যায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করে যকৃতের কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
নির্দিষ্ট কোনো মাত্রা সমন্বয়ের নিয়ম প্রতিষ্ঠিত নেই; সতর্কতার সাথে ব্যবহার করে ক্লিনিক্যাল প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন।
Q: Flupagen 25 mg/ml IM/SC Injection কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Flupagen 25 mg/ml IM/SC Injection একটি দীর্ঘ-কার্যকরী ইনজেকশনযোগ্য অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ, যা সিজোফ্রেনিয়ার দীর্ঘমেয়াদী রক্ষণাবেক্ষণ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, বিশেষত যেসব রোগীর প্রতিদিন মুখে খাওয়া অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ সেবনে সমস্যা হয়। একটি মাত্র ইনজেকশন ৪ সপ্তাহ বা তার বেশি সময় পর্যন্ত লক্ষণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
Q: Flupagen 25 mg/ml IM/SC Injection কত ঘন ঘন দিতে হয়?
A: প্রাথমিক মাত্রার পর, Flupagen 25 mg/ml IM/SC Injection সাধারণত প্রতি ২ থেকে ৪ সপ্তাহে গভীর ইন্ট্রামাসকুলার বা সাবকিউটেনিয়াস ইনজেকশন হিসেবে দেওয়া হয়, চিকিৎসক রোগীর প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে সঠিক মাত্রা ও ব্যবধান নির্ধারণ করেন।
Q: Flupagen 25 mg/ml IM/SC Injection-এর প্রধান পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো কী কী?
A: Flupagen 25 mg/ml IM/SC Injection-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ঝিমুনি, শুষ্ক মুখ, কোষ্ঠকাঠিন্য, ঝাপসা দৃষ্টি এবং এক্সট্রাপিরামিডাল লক্ষণ যেমন কাঁপুনি, পেশি শক্তভাব ও অস্থিরতা। কম সাধারণ কিন্তু গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে টারডিভ ডিসকাইনেসিয়া (সম্ভাব্য অপরিবর্তনীয় অনিচ্ছাকৃত নড়াচড়া) এবং নিউরোলেপ্টিক ম্যালিগন্যান্ট সিনড্রোম (তীব্র জ্বর, পেশি শক্তভাব ও বিভ্রান্তিসহ বিরল কিন্তু প্রাণঘাতী প্রতিক্রিয়া), যার জন্য তাৎক্ষণিক চিকিৎসা প্রয়োজন।
Q: গর্ভাবস্থায় Flupagen 25 mg/ml IM/SC Injection নিরাপদ কি?
A: মায়ের জন্য সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে স্পষ্টভাবে বেশি হলেই কেবল গর্ভাবস্থায় Flupagen 25 mg/ml IM/SC Injection ব্যবহার করা উচিত। তৃতীয় ত্রৈমাসিকে সংস্পর্শে আসা শিশুরা জন্মের পর প্রত্যাহার বা এক্সট্রাপিরামিডাল লক্ষণ যেমন অস্থিরতা, কাঁপুনি বা খাওয়াতে অসুবিধা দেখাতে পারে। ব্যবহারের আগে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে কি Flupagen 25 mg/ml IM/SC Injection তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা যায়?
A: না। Flupagen 25 mg/ml IM/SC Injection একটি দীর্ঘ-কার্যকরী ডিপো ইনজেকশন হওয়ায়, একবার দেওয়ার পর তা শরীর থেকে সরানো যায় না, তাই অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া বা এক্সট্রাপিরামিডাল লক্ষণসহ যেকোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সমাধান হতে অনেক বেশি সময় লাগতে পারে। উদ্বেগজনক লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন; পরবর্তী নির্ধারিত মাত্রার জন্য অপেক্ষা করবেন না।
Q: বয়স্কদের ক্ষেত্রে Flupagen 25 mg/ml IM/SC Injection-এর বক্সড ওয়ার্নিং কেন রয়েছে?
A: ডিমেনশিয়া-জনিত মানসিক রোগে আক্রান্ত বয়স্ক রোগীরা যারা Flupagen 25 mg/ml IM/SC Injection-সহ অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ গ্রহণ করেন, তাদের মৃত্যুঝুঁকি বেশি, প্রধানত হৃদরোগ বা সংক্রমণজনিত কারণে। এই কারণে, বয়স্ক রোগীদের ডিমেনশিয়া-জনিত মানসিক রোগের চিকিৎসায় Flupagen 25 mg/ml IM/SC Injection অনুমোদিত নয়।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।