
Foli Kidz100 ml
ACME Laboratories Ltd.

Folic acid (ভিটামিন বি৯) নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে নির্দেশিত:
পার্নিসিয়াস অ্যানিমিয়া বা ভিটামিন বি১২ ঘাটতিজনিত অ্যানিমিয়ার একমাত্র চিকিৎসা হিসেবে Folic acid নির্দেশিত নয় (প্রতিনির্দেশনা দেখুন)।
Folic acid ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত; নির্দিষ্টভাবে এটি একটি হেমাটিনিক এজেন্ট / পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন (ভিটামিন বি৯) হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ, যা ফোলেট-ঘাটতিজনিত অ্যানিমিয়া ব্যবস্থাপনা ও পুষ্টি সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Folic acid নিজে ফার্মাকোলজিকভাবে নিষ্ক্রিয় এবং শরীরে ডাইহাইড্রোফোলেট রিডাক্টেজ এনজাইমের মাধ্যমে টেট্রাহাইড্রোফোলেটে রূপান্তরিত হয়, যা এর সক্রিয় বিপাকীয় রূপ। টেট্রাহাইড্রোফোলেট ও এর ডেরিভেটিভগুলো নিম্নলিখিত প্রক্রিয়ায় কোএনজাইম হিসেবে কাজ করে:
ফোলেট ঘাটতি দ্রুত বিভাজনশীল কোষে, বিশেষত অস্থিমজ্জার এরিথ্রয়েড কোষে, DNA সংশ্লেষণ ব্যাহত করে, যার ফলে মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়া হয়। গর্ভধারণের সময় পর্যাপ্ত ফোলেট মাত্রা ভ্রূণের নিউরাল টিউব বন্ধ হওয়ার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ, যে কারণে গর্ভধারণের পূর্বে ও প্রথমদিকে Folic acid গ্রহণ নিউরাল টিউব ত্রুটির ঝুঁকি হ্রাস করে।
শোষণ: ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রক্সিমাল অংশ (জেজুনাম) থেকে সহজেই শোষিত হয়। বিতরণ: মূলত যকৃতে সঞ্চিত থাকে; রক্তরস ও সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইডেও উপস্থিত। বিপাক: যকৃত ও অন্ত্রের মিউকোসায় টেট্রাহাইড্রোফোলেটে রূপান্তরিত হয়। নিঃসরণ: অতিরিক্ত পরিমাণ প্রধানত অপরিবর্তিত অবস্থায় মূত্রে নিঃসৃত হয়।
| নির্দেশনা | সাধারণ মাত্রা |
|---|---|
| ফোলেট-ঘাটতি অ্যানিমিয়া (চিকিৎসা) | দৈনিক ১ মিগ্রা মুখে সেবন (গুরুতর ঘাটতি বা ম্যালঅ্যাবজর্পশনে দৈনিক সর্বোচ্চ ৫ মিগ্রা পর্যন্ত), হেমাটোলজিক উন্নতি ও মূল কারণ সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত |
| ফোলেট-ঘাটতি রক্ষণাবেক্ষণ / সাধারণ পরিপূরক | দৈনিক ৪০০ মাইক্রোগ্রাম (০.৪ মিগ্রা) মুখে সেবন |
| গর্ভধারণ-পূর্ব / গর্ভাবস্থা (সাধারণ ঝুঁকি) | দৈনিক ৪০০–৮০০ মাইক্রোগ্রাম মুখে সেবন, গর্ভধারণের অন্তত ১ মাস আগে শুরু করে প্রথম ত্রৈমাসিক পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হবে |
| গর্ভধারণ-পূর্ব (উচ্চ ঝুঁকি, যেমন পূর্বে নিউরাল টিউব ত্রুটিযুক্ত গর্ভধারণ) | চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দৈনিক ৪–৫ মিগ্রা, গর্ভধারণের অন্তত ১ মাস আগে শুরু করে |
| স্বল্প-মাত্রার মেথোট্রেক্সেটের সহযোগী | চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী দৈনিক বা সাপ্তাহিক (মেথোট্রেক্সেট গ্রহণের দিন ব্যতীত) ১–৫ মিগ্রা মুখে সেবন |
| বয়স | সাধারণ মাত্রা |
|---|---|
| শিশু (infant) | দৈনিক ০.১ মিগ্রা (১০০ মাইক্রোগ্রাম) মুখে সেবন |
| ১–৩ বছর | দৈনিক ০.৩ মিগ্রা (৩০০ মাইক্রোগ্রাম) মুখে সেবন |
| ৪ বছর ও তদূর্ধ্ব | দৈনিক ০.৪ মিগ্রা (৪০০ মাইক্রোগ্রাম) মুখে সেবন; নিশ্চিত ফোলেট-ঘাটতি অ্যানিমিয়ায় চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে দৈনিক ১ মিগ্রা পর্যন্ত ব্যবহার করা যেতে পারে |
Folic acid ট্যাবলেট খাবারের সাথে বা ছাড়া, সাধারণত প্রতিদিন একই সময়ে সেবন করা যায়। চিবানো বা দ্রবণীয় হিসেবে লেবেল করা না থাকলে ট্যাবলেটটি পুরো গিলে ফেলুন এক গ্লাস পানির সাথে।
বৃক্ক বা যকৃতের অসুস্থতায় সুনির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের প্রতিষ্ঠিত প্রয়োজন নেই; হেমোডায়ালাইসিসে থাকা রোগীদের ডায়ালাইসিস-জনিত ক্ষয়ের কারণে অতিরিক্ত ফোলেট প্রয়োজন হতে পারে — চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারণ করুন।
Folic acid-এর নিম্নলিখিত সুপ্রতিষ্ঠিত ও ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:
Folic acid নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত (contraindicated):
প্রস্তাবিত মাত্রায় Folic acid সাধারণত খুব ভালোভাবে সহনীয়। রিপোর্ট করা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বিরল এবং এর মধ্যে রয়েছে:
অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ (র্যাশ, ফোলাভাব, শ্বাসকষ্ট) দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গর্ভাবস্থায় Folic acid সুপ্রতিষ্ঠিতভাবে উপকারী এবং নিয়মিত সুপারিশ করা হয়। গর্ভধারণের আগে ও গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে পর্যাপ্ত Folic acid গ্রহণ (সাধারণত দৈনিক ৪০০–৮০০ মাইক্রোগ্রাম, উচ্চ-ঝুঁকিসম্পন্ন নারীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শে বেশি) শিশুর নিউরাল টিউব ত্রুটির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে এবং এটি প্রমিত প্রসবপূর্ব সেবার অংশ হিসেবে বিবেচিত। স্তন্যদানকালেও প্রস্তাবিত পুষ্টি মাত্রায় Folic acid নিরাপদ বলে বিবেচিত এবং মায়ের ফোলেট মজুদ ও দুধে ফোলেট পরিমাণ বজায় রাখতে প্রসবোত্তর পরিপূরকে সাধারণত অন্তর্ভুক্ত থাকে। তবুও গর্ভবতী, স্তন্যদানকারী বা গর্ভধারণের পরিকল্পনাকারী নারীদের নিজের ঝুঁকি অনুযায়ী সঠিক মাত্রা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Folic acid শুরু করার আগে রোগীর অন্তর্নিহিত ভিটামিন বি১২ ঘাটতি মূল্যায়ন করা উচিত, কারণ Folic acid বি১২ ঘাটতির হেমাটোলজিক লক্ষণ আড়াল করতে পারে যখন স্নায়বিক ক্ষতি অগ্রসর হতে থাকে (প্রতিনির্দেশনা দেখুন)। ফেনাইটোইন বা অন্যান্য অ্যান্টিএপিলেপ্টিক ওষুধ সেবনকারী রোগীদের ক্ষেত্রে খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ কমে যাওয়ার সম্ভাবনার কারণে Folic acid শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত (মিথষ্ক্রিয়া দেখুন)। হেমোডায়ালাইসিসে থাকা বা ম্যালঅ্যাবজর্পশন সিন্ড্রোমযুক্ত রোগীদের ফোলেট প্রয়োজনীয়তা বেশি হতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া উচ্চ-মাত্রার Folic acid পরিপূরক সুপারিশ করা হয় না, কারণ এটি বি১২ ঘাটতি নির্ণয়কে জটিল করতে পারে এবং অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত মাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত উপকারিতার প্রমাণ নেই।
Folic acid পানিতে দ্রবণীয় হওয়ায় এর বিষাক্ততা কম এবং অতিরিক্ত পরিমাণ প্রস্রাবে নিঃসৃত হয়ে যায়; মুখে সেবনে উল্লেখযোগ্য বিষক্রিয়া বিরল। তবে যদি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে অতিরিক্ত মাত্রা সেবন করা হয়, বা কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন। ঘরোয়া উপায়ে সন্দেহজনক অতিরিক্ত মাত্রা ব্যবস্থাপনার চেষ্টা করবেন না; চিকিৎসা নেওয়ার সময় পণ্যের প্যাকেজিং সাথে নিয়ে যান।
ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
নিউরাল টিউব ত্রুটি প্রতিরোধে গর্ভাবস্থায় Folic acid সুপারিশকৃত ও উপকারী বলে বিবেচিত (গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে দেখুন)।
স্তন্যদানকালে প্রস্তাবিত পুষ্টি মাত্রায় Folic acid নিরাপদ বলে বিবেচিত (গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে দেখুন)।
বয়স্ক রোগীদের জন্য নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই; তবে ভিটামিন বি১২ ঘাটতি বাতিল না করে শুধুমাত্র Folic acid দিয়ে ফোলেট ঘাটতির চিকিৎসা করা উচিত নয়, কারণ এই বয়সে বি১২ ঘাটতি বেশি দেখা যায়।
হেমোডায়ালাইসিসে থাকা রোগীদের ডায়ালাইসিস-জনিত ক্ষয়ের কারণে ফোলেট প্রয়োজনীয়তা বেশি হতে পারে; চিকিৎসকের পরামর্শে মাত্রা নির্ধারণ করতে হবে।
সুনির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের প্রতিষ্ঠিত প্রয়োজন নেই; চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবহার করুন।
Q: Folic acid কীসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
A: Folic acid ফোলেট-ঘাটতি অ্যানিমিয়ার চিকিৎসা ও প্রতিরোধে, গর্ভধারণের আগে ও গর্ভাবস্থার প্রথমদিকে সেবনে শিশুর সুস্থ নিউরাল টিউব বিকাশে সহায়তায়, এবং রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের মতো অবস্থায় স্বল্প-মাত্রার মেথোট্রেক্সেটের সাথে সহযোগী হিসেবে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমাতে ব্যবহৃত হয়।
Q: গর্ভাবস্থায় কি Folic acid সেবন করা যায়?
A: হ্যাঁ। গর্ভাবস্থায় Folic acid সুপ্রতিষ্ঠিতভাবে উপকারী এবং নিয়মিত সুপারিশ করা হয়, সাধারণত গর্ভধারণের আগে থেকে শুরু করে প্রথম ত্রৈমাসিক পর্যন্ত দৈনিক ৪০০–৮০০ মাইক্রোগ্রাম, যা নিউরাল টিউব ত্রুটির ঝুঁকি কমায়। উচ্চ-ঝুঁকিসম্পন্ন নারীদের বেশি মাত্রা প্রয়োজন হতে পারে; সঠিক মাত্রার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: শুধু Folic acid দিয়ে কি ভিটামিন বি১২ ঘাটতিজনিত অ্যানিমিয়ার চিকিৎসা করা যায়?
A: না। শুধুমাত্র Folic acid দিয়ে ভিটামিন বি১২ ঘাটতি বা পার্নিসিয়াস অ্যানিমিয়ার চিকিৎসা করা উচিত নয়, কারণ এটি রক্তের অস্বাভাবিকতা সংশোধন করতে পারে অথচ বি১২ ঘাটতিজনিত স্নায়বিক ক্ষতি অলক্ষ্যে অগ্রসর হতে থাকে। Folic acid শুরুর আগে বা সাথে বি১২ মাত্রা পরীক্ষা ও যথাযথ চিকিৎসা করা উচিত।
Q: Folic acid-এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী কী?
A: Folic acid সাধারণত খুব ভালোভাবে সহনীয়। বিরলভাবে মৃদু বমি বমি ভাব, পেট ফাঁপা, স্বাদের পরিবর্তন, বা র্যাশ ও চুলকানির মতো অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে। ফোলাভাব বা শ্বাসকষ্টের মতো গুরুতর অ্যালার্জিক লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: Folic acid কি অন্য ওষুধের সাথে মিথষ্ক্রিয়া করে?
A: হ্যাঁ। Folic acid ফেনাইটোইনের (খিঁচুনির ওষুধ) রক্তমাত্রা কমাতে পারে, যা খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত করতে পারে, এবং ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত মেথোট্রেক্সেটের কার্যকারিতা কমাতে পারে (যদিও অন্য অবস্থায় স্বল্প-মাত্রার মেথোট্রেক্সেটের সাথে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ইচ্ছাকৃতভাবে একসাথে ব্যবহৃত হয়)। সালফাসালাজিনও ফোলেট শোষণ কমাতে পারে। Folic acid শুরুর আগে আপনি যেসব ওষুধ সেবন করছেন তা চিকিৎসককে জানান।
Q: মাত্রা মিস হলে বা অতিরিক্ত সেবন করলে কী করব?
A: মাত্রা মিস হলে মনে পড়ার সাথে সাথে তা সেবন করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে দ্বিগুণ মাত্রা সেবন করবেন না। Folic acid-এর বিষাক্ততা কম, তবে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে অতিরিক্ত সেবন করলে বা অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।