Product gallery

G-Flucloxacillin500 mg/vial

IM/IV Injection

Flucloxacillin Sodium

MRP ২৫.০০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ২৩.৭৫/500 mg vial
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

G-Flucloxacillin একটি সংকীর্ণ-বর্ণালী পেনিসিলিনেজ-প্রতিরোধী পেনিসিলিন জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক, যা পেনিসিলিনেজ-উৎপাদনকারী Staphylococcus aureus সহ সংবেদনশীল গ্রাম-পজিটিভ ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়।

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • ত্বক ও নরম কোষ-কলার সংক্রমণ (সেলুলাইটিস, ফোঁড়া, ফোড়া, সংক্রমিত ক্ষত)
  • হাড় ও সন্ধির সংক্রমণ (অস্টিওমায়েলাইটিস, সেপটিক আর্থ্রাইটিস)
  • শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ (যেমন নিউমোনিয়া)
  • ওটাইটিস এক্সটার্না ও স্থানীয় স্ট্যাফাইলোকক্কাল ত্বকের সংক্রমণ

সহযোগী (কম্বিনেশন) থেরাপি হিসেবে ব্যবহার

  • ইনফেক্টিভ এন্ডোকার্ডাইটিস — সাধারণত জেন্টামাইসিনের মতো অ্যামিনোগ্লাইকোসাইডের সাথে সংমিশ্রণে
  • কার্ডিওথোরাসিক বা অর্থোপেডিক অস্ত্রোপচারে সংক্রমণ প্রতিরোধে

G-Flucloxacillin মেথিসিলিন-প্রতিরোধী Staphylococcus aureus (MRSA)-এর বিরুদ্ধে কার্যকর নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

পেনিসিলিনেজ-প্রতিরোধী পেনিসিলিন (সংকীর্ণ-বর্ণালী বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিক)। G-Flucloxacillin একটি আইসোক্সাজোলিল পেনিসিলিন গ্রুপের ওষুধ।

ফার্মাকোলজি

Flucloxacillin Sodium ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরে থাকা পেনিসিলিন-বাইন্ডিং প্রোটিন (PBP)-এর সাথে যুক্ত হয়ে পেপটিডোগ্লাইকান সংশ্লেষণের শেষ ধাপ (ট্রান্সপেপ্টিডেশন) বাধাগ্রস্ত করে, ফলে কোষ প্রাচীর দুর্বল হয়ে ব্যাকটেরিয়া মারা যায়।

এর আইসোক্সাজোলিল সাইড চেইনের কারণে Flucloxacillin Sodium স্ট্যাফাইলোকক্কাল পেনিসিলিনেজ (বিটা-ল্যাকটামেজ) দ্বারা ভেঙে যায় না, তাই এটি পেনিসিলিনেজ-উৎপাদনকারী, মেথিসিলিন-সংবেদনশীল স্ট্যাফাইলোকক্কাসের বিরুদ্ধে কার্যকর থাকে।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স: Flucloxacillin Sodium মুখে খাওয়ার পর শোষিত হয়, তবে খাবারের সাথে খেলে শোষণ কমে যায়, তাই খালি পেটে সেবন করা উচিত। এটি প্রায় ৯৫% প্রোটিনের সাথে আবদ্ধ হয় এবং প্রধানত কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়; এর অর্ধ-জীবন প্রায় ১ ঘণ্টা, তাই বারবার সেবনের প্রয়োজন হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

G-Flucloxacillin-এর মাত্রা সংক্রমণের ধরন ও তীব্রতা, রোগীর বয়স এবং কিডনি/লিভারের কার্যক্ষমতার উপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়। চিকিৎসকের নির্দেশনা সর্বদা অনুসরণ করতে হবে।

নির্দেশনাপ্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রাশিশুদের মাত্রা
মৃদু থেকে মাঝারি ত্বক/শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ (মুখে সেবন)দিনে ৪ বার ২৫০-৫০০ মি.গ্রা.২-১০ বছর: প্রাপ্তবয়স্কদের অর্ধেক মাত্রা; ২ বছরের কম: এক-চতুর্থাংশ মাত্রা, দিনে ৪ বার
মাঝারি থেকে গুরুতর সংক্রমণ (ইনজেকশন)দিনে ৪ বার ২৫০ মি.গ্রা.-১ গ্রামবিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ওজন-ভিত্তিক মাত্রা
অস্টিওমায়েলাইটিস, এন্ডোকার্ডাইটিস বা গুরুতর সংক্রমণবিভক্ত মাত্রায় দৈনিক সর্বোচ্চ ৮ গ্রাম পর্যন্ত (শিরাপথে)বিশেষজ্ঞ-নির্দেশিত উচ্চ মাত্রা

কিডনি সমস্যায়: গুরুতর রেনাল বৈকল্যে (ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ১০ মিলি/মিনিটের কম) মাত্রা কমানো বা সেবনের ব্যবধান বাড়ানো বিবেচনা করতে হবে।

গুরুত্বপূর্ণ: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিকভাবে G-Flucloxacillin সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোর্স বন্ধ করবেন না, বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, বা অন্য কাউকে দেবেন না — উপসর্গ ভালো হয়ে গেলেও নয়।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

প্রোবেনেসিড: এটি কিডনি থেকে G-Flucloxacillin-এর নিঃসরণ কমিয়ে দিয়ে রক্তে এর মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

মেথোট্রেক্সেট: G-Flucloxacillin মেথোট্রেক্সেটের কিডনি থেকে নিঃসরণ কমিয়ে দিতে পারে, যার ফলে মেথোট্রেক্সেট বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে; একসাথে ব্যবহারে পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

ওয়ারফারিন ও অন্যান্য মুখে খাওয়ার রক্ত-জমাট-প্রতিরোধী ওষুধ: G-Flucloxacillin-এর সাথে ব্যবহারে অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট প্রভাব বাড়তে বা কমতে পারে, তাই INR নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি: G-Flucloxacillin-সহ অ্যান্টিবায়োটিক তাত্ত্বিকভাবে কম্বাইন্ড ওরাল কন্ট্রাসেপটিভের কার্যকারিতা কমাতে পারে; চিকিৎসার সময় অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া উচিত।

প্যারাসিটামল (উচ্চ মাত্রায় বা দীর্ঘমেয়াদী): G-Flucloxacillin-এর সাথে একত্রে সেবনে বিরল কিন্তু গুরুতর হাই অ্যানায়ন গ্যাপ মেটাবলিক অ্যাসিডোসিসের ঝুঁকি থাকে, বিশেষত কিডনি সমস্যা বা অপুষ্টিতে ভুগছেন এমন রোগীদের ক্ষেত্রে; বিস্তারিত জানতে সতর্কতা অংশ দেখুন।

প্রতিনির্দেশনা

Flucloxacillin Sodium নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়:

  • যাদের ফ্লুক্লক্সাসিলিন, অন্যান্য পেনিসিলিন, বা অন্য কোনো বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিকের (যেমন সেফালোস্পোরিন) প্রতি অতি-সংবেদনশীলতা (অ্যালার্জি) রয়েছে।
  • যাদের পূর্বে Flucloxacillin Sodium সেবনজনিত কোলেস্ট্যাটিক জন্ডিস বা লিভারের কার্যক্ষমতার সমস্যার ইতিহাস রয়েছে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

G-Flucloxacillin-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে:

  • পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা: বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, বদহজম
  • ত্বকের প্রতিক্রিয়া: র‍্যাশ, আর্টিকারিয়া

কম দেখা গেলেও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে অতি-সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া, কোলেস্ট্যাটিক জন্ডিস ও হেপাটাইটিস (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন), ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস, এবং অ্যান্টিবায়োটিক-সম্পর্কিত (Clostridioides difficile) কোলাইটিস। কদাচিৎ রক্তের উপাদানে পরিবর্তন (ইওসিনোফিলিয়া, লিউকোপেনিয়া, থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া) দেখা যেতে পারে।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: G-Flucloxacillin সাধারণত প্রেগন্যান্সি ক্যাটাগরি বি হিসেবে বিবেচিত, তবে পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রিত মানব গবেষণার তথ্য সীমিত। স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে হলে, চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।

স্তন্যদান: G-Flucloxacillin অল্প পরিমাণে বুকের দুধে নির্গত হয়। স্তন্যদানকারী মায়ের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত, কারণ এটি শিশুর মধ্যে ডায়রিয়া বা মুখের ছত্রাক সংক্রমণ (থ্রাশ) ঘটাতে পারে। ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

কোলেস্ট্যাটিক জন্ডিস ও হেপাটাইটিস: G-Flucloxacillin-এর একটি স্বীকৃত নির্দিষ্ট ঝুঁকি হলো কোলেস্ট্যাটিক জন্ডিস ও হেপাটাইটিস, যা চিকিৎসা বন্ধ করার কয়েক সপ্তাহ পরেও দেখা দিতে পারে। বয়স্ক রোগী (বিশেষত ৫৫ বছরের বেশি), পুরুষ, এবং দীর্ঘমেয়াদী (২ সপ্তাহের বেশি) কোর্সে ঝুঁকি বেশি। বিরল ক্ষেত্রে মৃত্যুও রিপোর্ট হয়েছে। জন্ডিস, গাঢ় প্রস্রাব, ফ্যাকাশে পায়খানা, বা অস্বাভাবিক চুলকানি দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, এমনকি ওষুধ বন্ধ করার পরেও।

অতি-সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া: G-Flucloxacillin-এর সাথে গুরুতর এবং কদাচিৎ প্রাণঘাতী অ্যানাফাইল্যাক্টিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে। পেনিসিলিন বা সেফালোস্পোরিনে অ্যালার্জির ইতিহাস থাকলে ঝুঁকি বেশি।

Clostridioides difficile সম্পর্কিত ডায়রিয়া: অন্যান্য অ্যান্টিবায়োটিকের মতো, G-Flucloxacillin সেবনে C. difficile-জনিত ডায়রিয়া বা কোলাইটিস হতে পারে।

হাইপোক্যালেমিয়া: উচ্চ মাত্রায়, বিশেষত ইনজেকশন আকারে, G-Flucloxacillin রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে, যা সম্ভাব্য প্রাণঘাতী হতে পারে।

লিভার ও কিডনির সমস্যা: লিভারের কার্যক্ষমতা কম থাকলে সতর্কতার সাথে G-Flucloxacillin ব্যবহার করুন; গুরুতর রেনাল বৈকল্যে মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে।

অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিকভাবে G-Flucloxacillin সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোর্স বন্ধ করবেন না, বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, বা অন্য কাউকে দেবেন না।

মাত্রাধিক্যতা

G-Flucloxacillin-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনে সাধারণত বমি বমি ভাব, বমি ও ডায়রিয়ার মতো পরিপাকতন্ত্রের উপসর্গ দেখা দেয়। খুব উচ্চ মাত্রায়, বিশেষত কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে, স্নায়বিক উত্তেজনা বা খিঁচুনি হতে পারে। হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে G-Flucloxacillin কার্যকরভাবে দেহ থেকে অপসারণ করা যায় না।

অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন বা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করুন।

সংরক্ষণ

৩০°সে-এর নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে শুষ্ক স্থানে G-Flucloxacillin সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ হলে ব্যবহার করবেন না।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে: G-Flucloxacillin শিশুদের সংবেদনশীল স্ট্যাফাইলোকক্কাল ও স্ট্রেপ্টোকক্কাল সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়; মাত্রা বয়স ও ওজন অনুযায়ী নির্ধারিত হয় — ২-১০ বছর বয়সে প্রাপ্তবয়স্কদের অর্ধেক মাত্রা এবং ২ বছরের কম বয়সে এক-চতুর্থাংশ মাত্রা, বিভক্ত ডোজে। নবজাতক ও খুব ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সম্পূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠিত নয়, তাই শিশু বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে: বয়স্ক রোগীদের (বিশেষত ৫৫ বছরের বেশি) মধ্যে G-Flucloxacillin-সম্পর্কিত কোলেস্ট্যাটিক জন্ডিসের ঝুঁকি বেশি, তাই সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা ও সময়কাল ব্যবহার করা উচিত। কিডনি বা লিভারের কার্যক্ষমতা কম থাকলে মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে।

চিকিৎসার মেয়াদ: সাধারণত ত্বকের সংক্রমণে ৫-৭ দিন, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে ১০-১৪ দিন, এবং অস্টিওমায়েলাইটিস বা এন্ডোকার্ডাইটিসে ৪-৬ সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে G-Flucloxacillin সেবন করতে হতে পারে, চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করা জরুরি।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: G-Flucloxacillin 500 mg/vial IM/IV Injection কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: G-Flucloxacillin 500 mg/vial IM/IV Injection একটি অ্যান্টিবায়োটিক যা সংবেদনশীল স্ট্যাফাইলোকক্কাল ও স্ট্রেপ্টোকক্কাল ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ, যেমন ত্বক, হাড়-সন্ধি এবং কিছু শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়। এটি MRSA-এর বিরুদ্ধে কার্যকর নয়।

Q: ভালো বোধ করলে কি G-Flucloxacillin 500 mg/vial IM/IV Injection সেবন বন্ধ করে দেওয়া যায়?

A: না। চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণ কোর্স শেষ না করা পর্যন্ত G-Flucloxacillin 500 mg/vial IM/IV Injection সেবন চালিয়ে যেতে হবে; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ করা, বাড়ানো, ডোজ বাদ দেওয়া, বা অন্য কাউকে দেওয়া উচিত নয়।

Q: গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে G-Flucloxacillin 500 mg/vial IM/IV Injection কি নিরাপদ?

A: G-Flucloxacillin 500 mg/vial IM/IV Injection শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে হলে চিকিৎসকের পরামর্শে গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করা উচিত; এটি অল্প পরিমাণে বুকের দুধে যায়, তাই স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

Q: G-Flucloxacillin 500 mg/vial IM/IV Injection সেবনকালে কোন লক্ষণে সতর্ক থাকা উচিত?

A: জন্ডিস, গাঢ় প্রস্রাব, ফ্যাকাশে পায়খানা, বা অস্বাভাবিক চুলকানি দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কারণ G-Flucloxacillin 500 mg/vial IM/IV Injection-এর একটি নির্দিষ্ট ঝুঁকি হলো কোলেস্ট্যাটিক জন্ডিস/হেপাটাইটিস, যা ওষুধ বন্ধ করার পরেও দেখা দিতে পারে। শ্বাসকষ্ট, ফোলাভাব বা ব্যাপক র‍্যাশের মতো গুরুতর অ্যালার্জির লক্ষণেও দ্রুত চিকিৎসা নিন।

Q: G-Flucloxacillin 500 mg/vial IM/IV Injection কি খাবারের সাথে খাওয়া যায়?

A: না, G-Flucloxacillin 500 mg/vial IM/IV Injection ক্যাপসুল বা সিরাপ খাবারের অন্তত ১ ঘণ্টা আগে বা ২ ঘণ্টা পরে, খালি পেটে সেবন করা ভালো, কারণ খাবার এর শোষণ কমিয়ে দিতে পারে।

Q: ডোজ বাদ পড়লে বা অতিরিক্ত সেবন হয়ে গেলে কী করবেন?

A: ডোজ বাদ পড়লে মনে পড়ামাত্র তা সেবন করুন, তবে পরবর্তী ডোজের সময় কাছাকাছি হলে বাদ দেওয়া ডোজটি এড়িয়ে যান — দ্বিগুণ মাত্রা নেবেন না। G-Flucloxacillin 500 mg/vial IM/IV Injection-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor