Product gallery
MRP ৳ ২০.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১৮.০০/5 gm tube
স্টকে নেই
১
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

G-Miconazole একটি ইমিডাজল গোত্রের অ্যান্টিফাঙ্গাল (ছত্রাকনাশক) ঔষধ, যা বিভিন্ন ধরনের ছত্রাক সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী নির্দেশনা ভিন্ন হয়।

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশন (candidiasis): G-Miconazole এর ভ্যাজাইনাল ক্রিম/সাপোজিটরি ফর্মুলেশন ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশন ও এর সাথে যুক্ত বাহ্যিক চুলকানি-জ্বালাপোড়া নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়।
  • ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণ: G-Miconazole এর টপিকাল (ত্বকে প্রয়োগযোগ্য) ফর্মুলেশন টিনিয়া পেডিস (অ্যাথলেট'স ফুট), টিনিয়া ক্রুরিস, টিনিয়া করপোরিস (দাদ), টিনিয়া ভার্সিকলার এবং ক্যান্ডিডাল ত্বক সংক্রমণে (ডায়াপার ডার্মাটাইটিস সহ) ব্যবহৃত হয়।
  • মুখের থ্রাশ (oropharyngeal candidiasis): G-Miconazole এর ওরাল জেল শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের মুখ ও গলার থ্রাশের স্থানীয় চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

সংযুক্ত (কম্বিনেশন) ব্যবহার

কিছু পণ্যে G-Miconazole স্টেরয়েড (যেমন হাইড্রোকর্টিসোন) বা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদানের (যেমন মেট্রোনিডাজল) সাথে সংমিশ্রণে পাওয়া যায় — এসব ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কম্বিনেশন পণ্যটি ব্যবহার করতে হবে, শুধু G-Miconazole নয়।

আপনার সংক্রমণ নিশ্চিত করে সঠিক ফর্মুলেশন ও ব্যবহারের মেয়াদ নির্ধারণে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

থেরাপিউটিক ক্লাস

G-Miconazole একটি ইমিডাজল গোত্রের অ্যান্টিফাঙ্গাল (ছত্রাকনাশক) ঔষধ, যা ত্বকে, ভ্যাজাইনায় বা মুখে স্থানীয়ভাবে ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

কার্যপ্রণালী

Miconazole Nitrate ছত্রাকের 14-আলফা-ডিমিথাইলেজ নামক এনজাইমকে বাধা দেয়, যা lanosterol কে ergosterol এ রূপান্তরিত করার জন্য প্রয়োজনীয়। ergosterol ছত্রাক কোষপ্রাচীরের মূল উপাদান। এর ফলে কোষপ্রাচীরের গঠন ও কার্যকারিতা ব্যাহত হয়ে ছত্রাক কোষের মৃত্যু ঘটে (কম মাত্রায় fungistatic, বেশি মাত্রায় fungicidal)।

কার্যক্ষমতার পরিসর

Miconazole Nitrate ডার্মাটোফাইট (Trichophyton, Microsporum, Epidermophyton), ইস্ট (বিশেষত Candida albicans) এবং টিনিয়া ভার্সিকলারের জন্য দায়ী Malassezia furfur এর বিরুদ্ধে কার্যকর। এছাড়া কিছু গ্রাম-পজিটিভ ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধেও এর কার্যকারিতা রয়েছে।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স

টপিকাল, ভ্যাজাইনাল ও ওরাল জেল আকারে Miconazole Nitrate স্থানীয়ভাবে কাজ করার জন্য তৈরি এবং সাধারণত সিস্টেমিক শোষণ কম হয়। তবে সামান্য পরিমাণ শোষণ হয়ে থাকে, যা লিভারের CYP3A4 ও CYP2C9 এনজাইম বাধাগ্রস্ত করার জন্য যথেষ্ট, এবং এটিই কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ মিথষ্ক্রিয়ার কারণ।

মাত্রা ও সেবনবিধি

G-Miconazole এর মাত্রা ও ব্যবহারবিধি ফর্মুলেশন ও সংক্রমণের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হয়। সর্বদা পণ্যের লেবেল ও চিকিৎসক/ফার্মাসিস্টের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

নির্দেশনা / ফর্মুলেশনপ্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রামেয়াদ
ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশন (ভ্যাজাইনাল ক্রিম ২%)প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে একবার এক অ্যাপ্লিকেটর পরিমাণ ভ্যাজাইনায় প্রবেশ করাতে হবেটানা ৭ রাত
ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশন (সাপোজিটরি/পেসারি)ঘুমানোর আগে একটি সাপোজিটরি ভ্যাজাইনায় প্রবেশ করাতে হবেপণ্যের মাত্রা অনুযায়ী ৩–৭ রাত
বাহ্যিক ভালভার চুলকানি/জ্বালাপোড়া (ক্রিম)দিনে দুইবার সামান্য পরিমাণে বাহ্যিক ত্বকে প্রয়োগপ্রয়োজন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৭ দিন
ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণ (ক্রিম ২%)দিনে দুইবার (সকাল ও সন্ধ্যা) আক্রান্ত স্থানে পাতলা স্তরে প্রয়োগ২–৪ সপ্তাহ; উপসর্গ চলে যাওয়ার পরও অন্তত ১ সপ্তাহ চালিয়ে যেতে হবে
টিনিয়া ভার্সিকলার (ক্রিম ২%)দিনে একবার পাতলা স্তরে প্রয়োগ২ সপ্তাহ
মুখের থ্রাশ (ওরাল জেল ২%)খাবারের পর দিনে ৪ বার মুখের ভেতরে প্রয়োগ, যতক্ষণ সম্ভব মুখে রেখে ধীরে গেলাউপসর্গ সেরে যাওয়ার পরও অন্তত ১ সপ্তাহ, সাধারণত ১–২ সপ্তাহ

টপিকাল ও ভ্যাজাইনাল প্রয়োগের আগে ও পরে হাত ধুয়ে শুকিয়ে নিন। ওরাল জেলের ক্ষেত্রে খুব ছোট শিশুদের গলার ভেতরে জেল না পৌঁছানোর ব্যাপারে সতর্ক থাকুন (দমবন্ধ হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে)।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

যদিও G-Miconazole স্থানীয়ভাবে (ত্বকে, ভ্যাজাইনায় বা মুখে) প্রয়োগ করা হয়, তবু সামান্য পরিমাণ শোষিত হয়ে লিভারের CYP3A4 ও CYP2C9 এনজাইমকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে, যার ফলে নিম্নোক্ত গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়া ঘটতে পারে:

  • ওয়ারফারিন ও অন্যান্য মুখে সেবনযোগ্য অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট: G-Miconazole এর সাথে ব্যবহারে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে (টপিকাল বা ভ্যাজাইনাল ব্যবহারেও এই মিথষ্ক্রিয়া রিপোর্ট হয়েছে)। ওয়ারফারিন সেবনকারী রোগীদের G-Miconazole ব্যবহারের সময় INR নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।
  • ফেনিটোইন: একসাথে ব্যবহারে ফেনিটোইনের মাত্রা বেড়ে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।
  • সাইক্লোস্পোরিন ও ট্যাক্রোলিমাস: G-Miconazole এসব ইমিউনোসাপ্রেসেন্টের রক্তমাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।
  • টারফেনাডিন, অ্যাস্টেমিজল, সিসাপ্রাইড (মূলত ঐতিহাসিক/প্রত্যাহারকৃত ঔষধ): G-Miconazole এর সাথে এসবের একত্রে ব্যবহার নিষিদ্ধ, কারণ এতে গুরুতর হৃদস্পন্দনজনিত জটিলতার ঝুঁকি রয়েছে।
  • ল্যাটেক্স পণ্য: G-Miconazole এর ভ্যাজাইনাল ফর্মুলেশন ল্যাটেক্স কনডম ও ডায়াফ্রামকে দুর্বল করে দিতে পারে, যা ব্যবহারের পর কয়েকদিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

G-Miconazole ব্যবহারের আগে আপনি যেসব ঔষধ সেবন করছেন, বিশেষত মুখে সেবনযোগ্য অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট, তা চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।

প্রতিনির্দেশনা

Miconazole Nitrate নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:

  • মাইকোনাজোল, অন্যান্য ইমিডাজল অ্যান্টিফাঙ্গাল, বা নির্দিষ্ট ফর্মুলেশনের যেকোনো উপাদানের প্রতি জানা অতি সংবেদনশীলতা (hypersensitivity) থাকলে।

টারফেনাডিন, অ্যাস্টেমিজল বা সিসাপ্রাইডের সাথে Miconazole Nitrate এর একত্রে ব্যবহার সংক্রান্ত অতিরিক্ত সতর্কতা প্রযোজ্য — বিস্তারিত জানতে দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

G-Miconazole এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া প্রয়োগের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হয় এবং সাধারণত মৃদু ও স্থানীয় হয়ে থাকে।

সাধারণ

  • প্রয়োগস্থলে জ্বালাপোড়া, চুলকানি বা ঝাঁঝালো অনুভূতি (ত্বক, ভ্যাজাইনা বা মুখের ভেতরে)
  • ভ্যাজাইনাল ফর্মুলেশনে: স্রাব বৃদ্ধি, হালকা তলপেটে ব্যথা
  • ওরাল জেলে: স্বাদের পরিবর্তন, হালকা বমি বমি ভাব

কম সাধারণ

  • বমি বমি ভাব, বমি, বা ডায়রিয়া (দীর্ঘমেয়াদী ওরাল জেল ব্যবহারে বেশি দেখা যায়)
  • ত্বকে র‍্যাশ বা কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস

বিরল কিন্তু গুরুতর

  • অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া — যেমন আমবাত, মুখ/ঠোঁট/জিহ্বা ফুলে যাওয়া, এবং বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া যার জন্য দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন

তীব্র জ্বালাপোড়া, র‍্যাশ বা অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় G-Miconazole ব্যবহারের নিরাপত্তা সম্পর্কে সীমিত তথ্য পাওয়া যায়, বিশেষত ওরাল ও ব্যাপক ভ্যাজাইনাল/টপিকাল ব্যবহারের ক্ষেত্রে। G-Miconazole শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত। গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তন্যদান: টপিকাল বা ভ্যাজাইনালভাবে প্রয়োগকৃত G-Miconazole মায়ের বুকের দুধে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে নিঃসৃত হয় কিনা তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা নেই। সতর্কতা হিসেবে, স্তন্যদানকারী মায়েদের ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত এবং স্তন/স্তনবৃন্তে সরাসরি G-Miconazole প্রয়োগ এড়িয়ে চলা উচিত।

সতর্কতা

  • শুধুমাত্র বাহ্যিক, ভ্যাজাইনাল বা মুখের ভেতরে ব্যবহারের জন্য — চোখে যেন না লাগে; ভুলবশত চোখে লাগলে প্রচুর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • প্রথমবার ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশনের লক্ষণ মনে হলে নিজে থেকে G-Miconazole ব্যবহার না করে আগে চিকিৎসকের কাছ থেকে রোগ নির্ণয় করিয়ে নিন, কারণ একই ধরনের লক্ষণ অন্য কারণেও হতে পারে।
  • জ্বর, দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব, বা তলপেট/পিঠ/কাঁধে ব্যথার সাথে ভ্যাজাইনাল উপসর্গ থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কারণ এটি অধিকতর গুরুতর সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।
  • ওয়ারফারিন বা অন্যান্য অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট সেবনকারী রোগীদের ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন — দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া।
  • G-Miconazole এর ভ্যাজাইনাল ফর্মুলেশন ল্যাটেক্স কনডম ও ডায়াফ্রাম নষ্ট করতে পারে।
  • জ্বালাপোড়া, সংবেদনশীলতা বা অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • উপসর্গ আগে ভালো হয়ে গেলেও নির্ধারিত পূর্ণ মেয়াদ পর্যন্ত G-Miconazole ব্যবহার চালিয়ে যান।
  • G-Miconazole ব্যবহারের পরও বারবার সংক্রমণ হলে ডায়াবেটিস বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার (HIV সহ) মতো অন্তর্নিহিত কারণ পরীক্ষা করা উচিত।

মাত্রাধিক্যতা

G-Miconazole এর টপিকাল, ভ্যাজাইনাল বা ওরাল জেল প্রয়োগে সিস্টেমিক শোষণ কম থাকায় গুরুতর মাত্রাধিক্যজনিত বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা কম, তবে দুর্ঘটনাবশত বেশি পরিমাণে (বিশেষত শিশুদের দ্বারা) মুখে সেবন হয়ে যেতে পারে।

দুর্ঘটনাবশত অতিরিক্ত পরিমাণে G-Miconazole সেবন হয়ে গেলে, অথবা বমি বমি ভাব, বমি বা অস্বাভাবিক তন্দ্রাচ্ছন্নতার মতো লক্ষণ দেখা দিলে, অবিলম্বে চিকিৎসকের জরুরি সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন। নিজে থেকে বাড়িতে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না; চিকিৎসা নেওয়ার সময় পণ্যের প্যাকেজিং সাথে নিয়ে যান।

সংরক্ষণ

ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°C এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। হিমায়িত করবেন না। পাত্রের মুখ ভালোভাবে বন্ধ রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে

G-Miconazole শিশুদের ক্ষেত্রে বয়স-উপযোগী ফর্মুলেশন ও মাত্রা অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত:

  • ওরাল জেল (মুখের থ্রাশ): শিশুদের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যায়; সাধারণত শিশুদের ১.২৫ মিলি দিনে ৪ বার এবং ২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের ২.৫ মিলি দিনে ৪ বার খাবারের পর দেওয়া হয়। খুব ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে দমবন্ধ হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে সামান্য পরিমাণে সাবধানে গালের ভেতরে প্রয়োগ করা উচিত।
  • টপিকাল ক্রিম (ত্বকের সংক্রমণ, ডায়াপার ডার্মাটাইটিসসহ): চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী শিশুদের ক্ষেত্রে অল্প পরিমাণে ব্যবহার করা যায়।
  • বয়ঃসন্ধিপূর্ব শিশুদের ক্ষেত্রে G-Miconazole এর ভ্যাজাইনাল ফর্মুলেশনের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়, এবং এসব ফর্মুলেশন শিশুদের ভ্যাজাইনাল ব্যবহারের জন্য নয়।
  • নবজাতক ও খুব ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে G-Miconazole সরাসরি চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে

বয়স্ক রোগীদের জন্য G-Miconazole এর মাত্রায় বিশেষ পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই; নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করুন, তবে ওয়ারফারিনের মতো ঔষধের সাথে মিথষ্ক্রিয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন, যা এই বয়সের রোগীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: G-Miconazole 2% Cream কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: G-Miconazole 2% Cream একটি অ্যান্টিফাঙ্গাল ঔষধ যা ফর্মুলেশন অনুযায়ী (ক্রিম, ভ্যাজাইনাল ক্রিম/সাপোজিটরি, বা ওরাল জেল) ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণ (যেমন অ্যাথলেট'স ফুট, দাদ), ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশন, এবং মুখের থ্রাশের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

Q: আমি কি ওয়ারফারিন (রক্ত পাতলাকারী ঔষধ) সেবনকালে G-Miconazole 2% Cream ব্যবহার করতে পারি?

A: শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা যেতে পারে। টপিকাল বা ভ্যাজাইনালভাবে প্রয়োগ করলেও G-Miconazole 2% Cream ওয়ারফারিন ও অন্যান্য অ্যান্টিকোয়াগুলেন্টের প্রভাব বাড়িয়ে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। G-Miconazole 2% Cream ব্যবহারের আগে অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট থেরাপির কথা চিকিৎসককে জানান এবং অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ বা কালশিটে পড়ার দিকে লক্ষ্য রাখুন।

Q: গর্ভাবস্থায় G-Miconazole 2% Cream ব্যবহার করা কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থায় G-Miconazole 2% Cream শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে এবং চিকিৎসক সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে করলে ব্যবহার করা উচিত। গর্ভবতী বা গর্ভবতী হতে পারেন এমন সন্দেহ থাকলে G-Miconazole 2% Cream ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: G-Miconazole 2% Cream ভ্যাজাইনাল ক্রিম কি আমার কনডম বা ডায়াফ্রামের ক্ষতি করবে?

A: হ্যাঁ। G-Miconazole 2% Cream এর ভ্যাজাইনাল ফর্মুলেশন ল্যাটেক্স কনডম ও ডায়াফ্রামকে দুর্বল করে দিতে পারে, যার ফলে ব্যবহারের পর কয়েকদিন পর্যন্ত গর্ভধারণ বা যৌনবাহিত সংক্রমণ প্রতিরোধে এগুলো কম কার্যকর হতে পারে। চিকিৎসাকালীন ও ঠিক পরে বিকল্প বা অতিরিক্ত জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করুন।

Q: ভ্যাজাইনাল ইস্ট ইনফেকশনের জন্য G-Miconazole 2% Cream কতদিন ব্যবহার করতে হবে?

A: এটি নির্দিষ্ট পণ্যের মাত্রার উপর নির্ভর করে, সাধারণত টানা ৩ থেকে ৭ রাত। উপসর্গ আগে ভালো হয়ে গেলেও নির্দেশিত পূর্ণ মেয়াদ শেষ করুন, এবং এটি প্রথমবার সন্দেহজনক ইস্ট ইনফেকশন হলে বা উপসর্গ না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: ভুলবশত বেশি পরিমাণে G-Miconazole 2% Cream ওরাল জেল খেয়ে ফেললে কী করব?

A: বিশেষত ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে, অবিলম্বে চিকিৎসকের জরুরি সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন। নিজে থেকে বাড়িতে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না; চিকিৎসা নেওয়ার সময় পণ্যের প্যাকেজিং সাথে নিয়ে যান।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor