
Flacol15 ml
Square Pharmaceuticals PLC.

Gasnil পরিপাকতন্ত্রের কোনো অন্তর্নিহিত রোগ নিরাময় করে না; গ্যাসজনিত উপসর্গ অন্য কোনো রোগের কারণে হলে তা পৃথকভাবে চিকিৎসকের মাধ্যমে মূল্যায়ন ও ব্যবস্থাপনা করতে হবে।
Gasnil অ্যান্টিফ্ল্যাটুলেন্ট (অ্যান্টি-গ্যাস/ডিফোমিং এজেন্ট) থেরাপিউটিক শ্রেণির অন্তর্গত, যা গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল (জিআই) ওষুধের একটি উপশ্রেণি।
Simethicone একটি সারফেস-অ্যাক্টিভ এজেন্ট (সারফ্যাক্ট্যান্ট) যা পরিপাকতন্ত্রের মিউকাস ও উপাদানের মধ্যে আটকে থাকা গ্যাস বুদবুদের সারফেস টেনশন কমিয়ে দেয়। এর ফলে ছোট ছোট বিক্ষিপ্ত গ্যাস বুদবুদ একত্রিত হয়ে বড় বুদবুদে পরিণত হয়, যা ঢেঁকুর বা বায়ু নির্গমনের মাধ্যমে সহজে বের হয়ে যেতে পারে বা স্বাভাবিক পরিপাক প্রক্রিয়ায় অন্ত্রের প্রাচীর দিয়ে শোষিত হতে পারে।
Simethicone রাসায়নিক ও শারীরবৃত্তীয়ভাবে নিষ্ক্রিয়। এটি পরিপাকতন্ত্র থেকে শোষিত হয় না, বিপাক হয় না এবং মূলত অপরিবর্তিত অবস্থায় মলের মাধ্যমে নির্গত হয়। এই সিস্টেমিক শোষণের অভাবই এর চমৎকার সহনশীলতা ও ন্যূনতম মিথষ্ক্রিয়া ঝুঁকির মূল কারণ।
Gasnil ৪০-১২৫ মিগ্রা (কিছু প্রোডাক্টে সর্বোচ্চ ২৫০ মিগ্রা পর্যন্ত) খাবারের পর ও ঘুমানোর আগে প্রয়োজন অনুযায়ী সেবন করতে হয়; চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া দৈনিক ৫০০ মিগ্রার বেশি সেবন করা যাবে না।
Gasnil ৪০ মিগ্রা করে দিনে সর্বোচ্চ চারবার, খাবারের পর ও ঘুমানোর আগে প্রয়োজন অনুযায়ী দেওয়া যেতে পারে; দৈনিক সর্বোচ্চ মাত্রা ২৪০ মিগ্রা।
Gasnil ড্রপ ২০ মিগ্রা (০.৩ মিলি) করে দিনে সর্বোচ্চ চারবার প্রয়োজন অনুযায়ী দেওয়া যেতে পারে, দৈনিক সর্বোচ্চ মাত্রা ২৪০ মিগ্রা; শুধুমাত্র চিকিৎসক বা অভিভাবকের নির্দেশনায় ব্যবহার করতে হবে।
Gasnil সিস্টেমিকভাবে শোষিত হয় না এবং শুধুমাত্র অন্ত্রে স্থানীয় শারীরিক প্রক্রিয়ায় কাজ করে বলে ওষুধের মিথষ্ক্রিয়ার ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা প্রোফাইল চমৎকার। Gasnil-এর কোনো ক্লিনিক্যালি উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়া সুপ্রতিষ্ঠিত নয়।
সতর্কতা হিসেবে, অন্য মুখে সেবনযোগ্য ওষুধের সাথে Gasnil সেবন করলে সম্ভব হলে কিছুটা সময়ের ব্যবধানে সেবন করা যেতে পারে, এবং একাধিক ওষুধ সেবনকারী রোগীদের চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে ব্যবহৃত সকল ওষুধ (ওভার-দ্য-কাউন্টার অ্যান্টিফ্ল্যাটুলেন্টসহ) সম্পর্কে জানানো উচিত।
Simethicone শুধুমাত্র Simethicone বা নির্দিষ্ট প্রোডাক্টের কোনো উপাদানে জানা অতি সংবেদনশীলতা (হাইপারসেনসিটিভিটি) থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত।
Gasnil সামগ্রিকভাবে অত্যন্ত ভালোভাবে সহনীয়, যা এর অ-শোষিত, নিছক শারীরিক কার্যপ্রণালীর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। রিপোর্ট করা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বিরল এবং সাধারণত মৃদু।
কোনো গুরুতর সিস্টেমিক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার তথ্য নেই, কারণ Gasnil রক্তে শোষিত হয় না।
Gasnil পরিপাকতন্ত্র থেকে শোষিত হয় না, তাই গর্ভস্থ শিশু বা স্তন্যপানরত শিশুর মধ্যে সিস্টেমিক প্রকাশের আশঙ্কা নেই। এই কার্যপ্রণালীর ভিত্তিতে Gasnil সাধারণত গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ব্যবহারের জন্য উপযোগী বলে বিবেচিত হয়; তবে অন্যান্য যেকোনো ওষুধের মতোই, শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে Gasnil ব্যবহার করা উচিত এবং নিয়মিত বা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Gasnil সিস্টেমিকভাবে শোষিত না হওয়ায় এর বিষাক্ততা অত্যন্ত কম; শুধুমাত্র Gasnil-এর মাত্রাধিক্যতায় গুরুতর ক্ষতির সম্ভাবনা কম। তবে খুব বেশি পরিমাণে সেবন করা হলে, বিশেষত অন্য সক্রিয় উপাদানসহ কম্বিনেশন প্রোডাক্টের ক্ষেত্রে, অথবা কোনো অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। পেশাদার পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে বিশেষ কোনো ঘরোয়া চিকিৎসা করবেন না।
ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই; অ-শোষিত কার্যপ্রণালীর কারণে Gasnil এই জনগোষ্ঠীতে ভালোভাবে সহনীয়।
কিডনি বা লিভারের সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রেও মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই, কারণ Gasnil শোষিত বা বিপাক হয় না।
বিশেষভাবে তৈরি Gasnil ড্রপ অভিভাবক বা চিকিৎসকের নির্দেশনায় ইনফ্যান্টদের গ্যাসজনিত অস্বস্তিতে ব্যবহৃত হয়; শিশু কোলিকের ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা সুপ্রতিষ্ঠিত নয়, যদিও নিরাপত্তা প্রোফাইল অনুকূল।
Q: Gasnil 15 ml Pediatric Drops কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Gasnil 15 ml Pediatric Drops পেট ও অন্ত্রে অতিরিক্ত গ্যাস, পেট ফাঁপা ও ভরাভাবের অস্বস্তি দূর করতে ব্যবহৃত হয়। এটি পেটের আলট্রাসাউন্ড বা এন্ডোস্কোপির আগে গ্যাসের প্রভাব কমাতেও ব্যবহৃত হয়, এবং শিশুদের গ্যাসজনিত অস্থিরতায় অফ-লেবেল হিসেবে প্রচলিতভাবে ব্যবহৃত হয়।
Q: Gasnil 15 ml Pediatric Drops প্রতিদিন খাওয়া কি নিরাপদ?
A: Gasnil 15 ml Pediatric Drops রক্তে শোষিত হয় না এবং শুধুমাত্র অন্ত্রে শারীরিক প্রক্রিয়ায় কাজ করে বলে এটি সাধারণত অত্যন্ত ভালোভাবে সহনীয়। খাবারের পর ও ঘুমানোর আগে প্রয়োজন অনুযায়ী সেবন করা যায়, তবে ২ সপ্তাহের বেশি প্রতিদিন প্রয়োজন হলে অন্তর্নিহিত কারণ যাচাইয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: Gasnil 15 ml Pediatric Drops কি শিশু বা ইনফ্যান্টদের দেওয়া যায়?
A: হ্যাঁ, বয়স অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারণ করে বিশেষভাবে তৈরি Gasnil 15 ml Pediatric Drops ড্রপ শিশু ও ইনফ্যান্টদের জন্য পাওয়া যায়। তবে Gasnil 15 ml Pediatric Drops সিস্টেমিকভাবে শোষিত হয় না এবং শিশু কোলিকের ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা সুনিশ্চিত নয়; অভিভাবক বা চিকিৎসকের নির্দেশনায় ব্যবহার করুন এবং কান্না তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Gasnil 15 ml Pediatric Drops কি নিরাপদ?
A: Gasnil 15 ml Pediatric Drops পরিপাকতন্ত্র থেকে শোষিত হয় না বলে এটি সাধারণত গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানের জন্য উপযোগী বলে বিবেচিত হয়। তবুও শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে এটি ব্যবহার করা উচিত এবং নিয়মিত ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Q: Gasnil 15 ml Pediatric Drops কি অন্য ওষুধের সাথে মিথষ্ক্রিয়া করে?
A: Gasnil 15 ml Pediatric Drops রক্তে শোষিত না হওয়ায় এবং শুধুমাত্র স্থানীয়ভাবে পরিপাকতন্ত্রে কাজ করায় এর মিথষ্ক্রিয়ার ঝুঁকি ন্যূনতম। কোনো ক্লিনিক্যালি উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়া সুপ্রতিষ্ঠিত নয়, তবুও আপনার সেবিত সকল ওষুধ সম্পর্কে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানানো উচিত।
Q: বেশি পরিমাণে Gasnil 15 ml Pediatric Drops সেবন করে ফেললে কী করব?
A: Gasnil 15 ml Pediatric Drops সিস্টেমিকভাবে শোষিত না হওয়ায় এর বিষাক্ততা অত্যন্ত কম, তাই শুধুমাত্র Gasnil 15 ml Pediatric Drops-এর মাত্রাধিক্যতায় গুরুতর ক্ষতির সম্ভাবনা কম। তবে অনেক বেশি পরিমাণে সেবন করা হলে, বিশেষত কম্বিনেশন প্রোডাক্টের ক্ষেত্রে, অথবা কোনো অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।