
Seebri Breezhaler50 mcg
Novartis (Bangladesh) Ltd.

Glyriva একটি সিন্থেটিক অ্যান্টিকোলিনার্জিক (অ্যান্টিমাস্কারিনিক) ওষুধ, যা এর ফর্মুলেশন অনুযায়ী বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
Glyriva নিম্নলিখিত থেরাপিউটিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত:
Glycopyrronium Bromide মসৃণ পেশী, হৃৎপেশী ও এক্সোক্রাইন গ্রন্থিতে থাকা মাস্কারিনিক (M1–M3) রিসেপ্টরে অ্যাসিটাইলকোলিনের ক্রিয়া প্রতিযোগিতামূলকভাবে ও প্রত্যাবর্তনযোগ্যভাবে ব্লক করে।
শিরায় প্রয়োগের পর Glycopyrronium Bromide-এর প্রভাব ১ মিনিটের মধ্যেই শুরু হয়, আর ইনহেলড ফর্মটি ফুসফুসে স্থানীয়ভাবে কাজ করে ১২–২৪ ঘণ্টা স্থায়ী ব্রঙ্কোডাইলেশন প্রদান করে।
Glyriva-এর মাত্রা ফর্মুলেশন ও নির্দেশনা অনুযায়ী ভিন্ন হয়। সবসময় নির্দিষ্ট প্রোডাক্ট লেবেল এবং চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা | শিশুদের মাত্রা |
|---|---|---|
| প্রি-অপারেটিভ অ্যান্টিসায়ালোগগ | অ্যানেস্থেসিয়ার ৩০–৬০ মিনিট আগে ০.০০৪ মিগ্রা/কেজি IM | ওজন-ভিত্তিক মাত্রা, অ্যানেস্থেসিওলজিস্টের নির্দেশনা অনুযায়ী |
| ভেগাল রিফ্লেক্স প্রতিরোধ | ০.১ মিগ্রা IV, প্রয়োজনে ২–৩ মিনিট পরপর পুনরাবৃত্তি | ওজন-ভিত্তিক মাত্রা, চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী |
| নিউরোমাসকুলার ব্লকেড রিভার্সাল (নিওস্টিগমিনের সাথে) | প্রতি ১ মিগ্রা নিওস্টিগমিনের জন্য ০.২ মিগ্রা Glyriva IV | চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী |
দীর্ঘস্থায়ী লালা ঝরার ক্ষেত্রে (৩ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশু) কম মাত্রায় Glyriva দিনে তিনবার শুরু করে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে বাড়ানো হয়। প্রাপ্তবয়স্কদের ঐতিহাসিক পেপটিক আলসার ব্যবহারে সাধারণত দিনে ২–৩ বার ১–২ মিগ্রা দেওয়া হয়।
নির্দিষ্ট ড্রাই-পাউডার ইনহেলার ডিভাইসের মাধ্যমে দৈনিক একবার বা দুইবার একটি Glyriva ক্যাপসুল ব্যবহার করা হয়; ক্যাপসুল গিলে ফেলা যাবে না।
Glyriva মূলত কিডনি দিয়ে নিষ্কাশিত হয়; উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যায় মাত্রা কমানো বা ডোজের ব্যবধান বাড়ানো প্রয়োজন হতে পারে।
Glyriva-এর উল্লেখযোগ্য ওষুধ মিথষ্ক্রিয়াসমূহ:
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Glycopyrronium Bromide ব্যবহার করা যাবে না:
Glyriva-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মূলত এর অ্যান্টিকোলিনার্জিক ক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত এবং সাধারণত মাত্রা-নির্ভর।
গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে Glyriva-এর পর্যাপ্ত ও সুনিয়ন্ত্রিত গবেষণা সীমিত। তাই গর্ভাবস্থায় Glyriva কেবল স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত, এবং তা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শে করতে হবে।
Glyriva মায়ের বুকের দুধে নিঃসৃত হয় কিনা তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা নেই। অ্যান্টিকোলিনার্জিক ওষুধ দুধ উৎপাদন কমাতে পারে বলে স্তন্যদানকালে Glyriva ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
Glyriva নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে (পূর্ণ তালিকার জন্য দেখুন প্রতিনির্দেশনা বিভাগ):
Glyriva সেবনের পর ঝাপসা দৃষ্টি বা ঝিমুনি হতে পারে বলে গাড়ি চালানো বা মনোযোগ প্রয়োজন এমন কাজ এড়িয়ে চলা উচিত, যতক্ষণ না বোঝা যায় এটি আপনার উপর কেমন প্রভাব ফেলছে।
Glyriva-এর অতিরিক্ত মাত্রায় অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাব তীব্র আকারে দেখা দিতে পারে, যেমন তীব্র শুষ্ক মুখ, ঝাপসা দৃষ্টি, চোখের মণি বড় হয়ে যাওয়া, ত্বক গরম ও লালচে হয়ে যাওয়া, গিলতে সমস্যা, তীব্র হৃৎস্পন্দন, প্রস্রাব ধরে রাখা, অস্থিরতা, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট বা রক্তসঞ্চালন ব্যর্থতা।
Glyriva-এর অতিরিক্ত মাত্রা সন্দেহ হলে তা একটি জরুরি চিকিৎসা পরিস্থিতি। অবিলম্বে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। বাড়িতে নিজে থেকে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।
Glyriva ৩০°সে-এর নিচে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেলে ব্যবহার করবেন না।
শিশু: ওরাল Glyriva স্নায়বিক সমস্যাযুক্ত ৩ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের দীর্ঘস্থায়ী লালা ঝরার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়; মাত্রা ওজন অনুযায়ী নির্ধারণ ও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সমন্বয় করতে হয়। ইনজেকশন ফর্ম অ্যানেস্থেসিওলজিস্টের তত্ত্বাবধানে শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়; নবজাতকদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়।
বয়স্ক: বয়স্ক রোগীরা Glyriva-এর অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাবের প্রতি বেশি সংবেদনশীল (বিভ্রান্তি, কোষ্ঠকাঠিন্য, প্রস্রাব ধরে রাখা); সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা দিয়ে শুরু করা উচিত।
কিডনি সমস্যা: Glyriva মূলত কিডনি দিয়ে নিষ্কাশিত হওয়ায় মাঝারি থেকে গুরুতর কিডনি সমস্যায় মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে।
Q: Glyriva 50 mcg Inhalation Capsule কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Glyriva 50 mcg Inhalation Capsule এর ফর্ম অনুযায়ী বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয় — অ্যানেস্থেসিয়ার সময় ক্ষরণ কমাতে ও হৃৎস্পন্দন কমে যাওয়া প্রতিরোধে (ইনজেকশন), শিশুদের দীর্ঘস্থায়ী লালা ঝরা নিয়ন্ত্রণে (ওরাল), এবং COPD-এর দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় (ইনহেলেশন)।
Q: Glyriva 50 mcg Inhalation Capsule কি হঠাৎ শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমা অ্যাটাকে ব্যবহার করা যায়?
A: না। ইনহেলড Glyriva 50 mcg Inhalation Capsule একটি দীর্ঘমেয়াদী রক্ষণাবেক্ষণ ওষুধ, এটি হঠাৎ শ্বাসকষ্টের তাৎক্ষণিক উপশমের জন্য নয়। জরুরি ক্ষেত্রে চিকিৎসকের নির্ধারিত দ্রুত-কার্যকর ইনহেলার ব্যবহার করতে হবে।
Q: কাদের Glyriva 50 mcg Inhalation Capsule ব্যবহার করা উচিত নয়?
A: ন্যারো-অ্যাঙ্গেল গ্লুকোমা, মূত্রনালীর বাধা, নির্দিষ্ট পরিপাকতন্ত্রের বাধাজনিত রোগ, প্যারালাইটিক ইলিয়াস, টক্সিক মেগাকোলন বা Glyriva 50 mcg Inhalation Capsule-এর প্রতি অতিসংবেদনশীলতা থাকলে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়। ব্যবহারের আগে সম্পূর্ণ মেডিকেল ইতিহাস চিকিৎসককে জানান।
Q: Glyriva 50 mcg Inhalation Capsule-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?
A: Glyriva 50 mcg Inhalation Capsule-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে শুষ্ক মুখ, কোষ্ঠকাঠিন্য, ঝাপসা দৃষ্টি, প্রস্রাবে সমস্যা, ঘাম কমে যাওয়া এবং হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া। ঘাম কমে যাওয়ার কারণে গরম আবহাওয়ায় সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
Q: গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানকালে Glyriva 50 mcg Inhalation Capsule কি নিরাপদ?
A: গর্ভাবস্থায় Glyriva 50 mcg Inhalation Capsule সংক্রান্ত তথ্য সীমিত, তাই কেবল স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত। স্তন্যদানকালেও Glyriva 50 mcg Inhalation Capsule ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
Q: Glyriva 50 mcg Inhalation Capsule-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবন করলে কী করব?
A: Glyriva 50 mcg Inhalation Capsule-এর অতিরিক্ত মাত্রা তীব্র শুষ্ক মুখ, ত্বক গরম হয়ে যাওয়া, তীব্র হৃৎস্পন্দন, অস্থিরতা বা শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করতে পারে। এটি একটি জরুরি চিকিৎসা পরিস্থিতি — দেরি না করে জরুরি চিকিৎসা সেবা বা নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।