
Germicord7.1%
Square Pharmaceuticals PLC.

Hexicord জেল সাধারণত নবজাতকের নাড়ির (নাভির) কাটা অংশ পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখতে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন গবেষণা ও কক্রেন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, Hexicord ব্যবহারে নাভির সংক্রমণ (ওমফালাইটিস) এবং নবজাতকের মৃত্যুঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়, বিশেষত বাড়িতে প্রসব হওয়া ও সীমিত স্বাস্থ্যসেবা সুবিধাযুক্ত এলাকায়।
নির্দিষ্ট অনুমোদিত পণ্যভেদে Hexicord ত্বকের প্রাক-অস্ত্রোপচার বা প্রক্রিয়াগত জীবাণুনাশক হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে; এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পণ্যের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
দ্রষ্টব্য: Hexicord শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য; চোখ, কান, মুখগহ্বর বা অন্যান্য মিউকাস মেমব্রেন এবং গভীর ক্ষতে ব্যবহারের জন্য নয়।
টপিক্যাল অ্যান্টিসেপটিক/জীবাণুনাশক (বাইগুয়ানাইড শ্রেণির অ্যান্টিসেপটিক); এই মাত্রায় Hexicord বিশেষভাবে নাভির অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ।
Chlorhexidine Gluconate [7.1%] একটি ক্যাটায়নিক বাইগুয়ানাইড অ্যান্টিসেপটিক। এর ধনাত্মক আধানযুক্ত অণু ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরের ঋণাত্মক আধানযুক্ত ফসফোলিপিডের সাথে যুক্ত হয়ে কোষপ্রাচীরের গঠন ভেঙে দেয়। কম ঘনত্বে এর প্রভাব ব্যাকটেরিয়ানাশক-স্থিতিশীলকারী (bacteriostatic) হলেও, Chlorhexidine Gluconate [7.1%]-এর উচ্চ ঘনত্বে এটি ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী (bactericidal) হিসেবে কাজ করে।
Chlorhexidine Gluconate [7.1%] গ্রাম-পজিটিভ ও গ্রাম-নেগেটিভ উভয় প্রকার ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে বিস্তৃত পরিসরে কার্যকর এবং ত্বকে প্রয়োগের পর দীর্ঘস্থায়ী জীবাণুনাশক প্রভাব বজায় রাখে।
| জনগোষ্ঠী | নির্দেশনা |
|---|---|
| পূর্ণকালীন ও নিকট-পূর্ণকালীন নবজাতক | জন্মের পর যত দ্রুত সম্ভব (২৪ ঘণ্টার মধ্যে) একবার, অথবা জন্মের পর প্রথম ৭ দিন প্রতিদিন একবার, চিকিৎসক বা ধাত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী Hexicord জেলের সামান্য পরিমাণ নাভির কাটা অংশ ও তার চারপাশে প্রলেপ দিতে হবে। |
| হাসপাতালে জন্ম নেওয়া স্বল্প-ঝুঁকিসম্পন্ন নবজাতক (রুটিন শুষ্ক নাভি পরিচর্যা) | শুধুমাত্র সেসব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় যেখানে অ্যান্টিসেপটিক নাভি পরিচর্যা নির্দিষ্টভাবে নির্দেশিত; স্থানীয় হাসপাতাল বা চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুসরণ করুন। |
চিকিৎসক, ধাত্রী বা পণ্যের লেবেলে নির্দেশিত নির্দিষ্ট সময়সূচি (একবার প্রয়োগ বা ৭ দিন প্রতিদিন প্রয়োগ) সর্বদা অনুসরণ করুন, কারণ Hexicord ব্যবহারের প্রোটোকল কর্মসূচি ও পণ্যভেদে ভিন্ন হতে পারে।
Hexicord সরাসরি নাভির উপর প্রয়োগ করা হয় এবং এর সিস্টেমিক শোষণ খুবই কম, তাই উল্লেখযোগ্য কোনো সিস্টেমিক ঔষধ মিথষ্ক্রিয়ার আশঙ্কা নেই। তবে Hexicord সাবান বা অন্যান্য অ্যানায়নিক (সাবানজাতীয়) উপাদানের সাথে রাসায়নিকভাবে বেমানান, যা এর জীবাণুনাশক কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে; তাই প্রয়োগের ঠিক আগে বা পরে ওই স্থান সাবান দিয়ে ধোয়া উচিত নয়। ত্বকে রক্ত বা মিউকাসের মতো জৈব পদার্থ থাকলেও এর কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।
Chlorhexidine Gluconate [7.1%]-এর প্রতি পরিচিত অতিসংবেদনশীলতা (hypersensitivity) থাকলে অথবা এর কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।
Hexicord সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়, তবে নিচের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে:
জ্বালা, ফোসকা বা অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Hexicord মূলত নবজাতকের নাভিতে বাহ্যিকভাবে প্রয়োগের জন্য তৈরি, তাই এটি প্রচলিত অর্থে গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানকালীন মায়ের ব্যবহারের ওষুধ নয়। অক্ষত নবজাতকের ত্বক দিয়ে এর সিস্টেমিক শোষণ খুবই সীমিত। তবুও Hexicord শুধুমাত্র চিকিৎসক বা ধাত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত, এবং গর্ভাবস্থায় মায়ের ত্বকে কোনো অ্যান্টিসেপটিক ব্যবহারের প্রয়োজন হলে তা চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করে নেওয়া উচিত।
Hexicord বাহ্যিকভাবে প্রয়োগের ফলে সিস্টেমিক বিষক্রিয়ার আশঙ্কা খুবই কম, কারণ অক্ষত ত্বক দিয়ে এর শোষণ সীমিত। তবে অতিরিক্ত বা অনুপযুক্তভাবে ব্যবহার (যেমন দীর্ঘসময় আবদ্ধ সংস্পর্শ) ত্বকের জ্বালা বা রাসায়নিক পোড়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। দুর্ঘটনাক্রমে Hexicord জেল গিলে ফেললে বা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে চোখ বা মিউকাস মেমব্রেনে লাগলে, আক্রান্ত স্থান প্রচুর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
কক্ষ তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
নবজাতক: এই ঘনত্বের Hexicord-এর মূল ব্যবহারক্ষেত্র নবজাতকের নাভির যত্ন, যা নির্দিষ্ট প্রসব-প্রোটোকল অনুযায়ী প্রয়োগ করতে হয়।
অত্যন্ত অপরিণত/কম ওজনের নবজাতক: এদের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় রাসায়নিক পোড়া ও অধিক সিস্টেমিক শোষণের ঝুঁকি বেশি থাকে বলে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন; নিওনাটোলজিস্ট বা শিশু বিশেষজ্ঞের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।
বৃক্ক/যকৃতের কার্যক্ষমতা হ্রাস: যেহেতু Hexicord এই ঘনত্বে নবজাতকের ত্বকে সীমিত সিস্টেমিক শোষণসহ বাহ্যিকভাবে প্রয়োগ করা হয়, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
Q: Hexicord 7.1% Topical Solution কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Hexicord 7.1% Topical Solution একটি অ্যান্টিসেপটিক জেল যা মূলত নবজাতকের নাভির কাটা অংশ পরিষ্কার ও সুরক্ষিত রাখতে ব্যবহৃত হয়, যা নাভির সংক্রমণ (ওমফালাইটিস) এবং গুরুতর নবজাতক সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
Q: নবজাতকের নাভিতে Hexicord 7.1% Topical Solution কীভাবে প্রয়োগ করতে হয়?
A: চিকিৎসক বা ধাত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী, জন্মের পর একবার অথবা প্রথম ৭ দিন প্রতিদিন একবার সামান্য পরিমাণ Hexicord 7.1% Topical Solution জেল নাভির কাটা অংশ ও তার গোড়ায় প্রলেপ দিতে হয়।
Q: অপরিণত (প্রিম্যাচিউর) নবজাতকের জন্য Hexicord 7.1% Topical Solution কি নিরাপদ?
A: অত্যন্ত অপরিণত বা কম ওজনের নবজাতকদের ত্বক বেশি সংবেদনশীল হওয়ায় Hexicord 7.1% Topical Solution ব্যবহারে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন, কারণ ত্বকে জ্বালা বা রাসায়নিক পোড়ার ঝুঁকি বেশি। এসব শিশুর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র চিকিৎসক বা নিওনাটোলজিস্টের নির্দেশে ব্যবহার করা উচিত।
Q: Hexicord 7.1% Topical Solution কি চোখ বা মুখের কাছে ব্যবহার করা যাবে?
A: না। Hexicord 7.1% Topical Solution শুধুমাত্র নাভির অংশে বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য এবং চোখ, কান, মুখ ও অন্যান্য মিউকাস মেমব্রেন থেকে দূরে রাখতে হবে। দুর্ঘটনাক্রমে সংস্পর্শ হলে প্রচুর পানি দিয়ে ধুয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: Hexicord 7.1% Topical Solution ব্যবহারে কী কী পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া হতে পারে?
A: অধিকাংশ নবজাতক Hexicord 7.1% Topical Solution ভালোভাবে সহ্য করে, তবে প্রয়োগস্থলে সামান্য জ্বালা, লালচেভাব বা শুষ্কতা হতে পারে। বিরল ক্ষেত্রে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া বা, বিশেষত অত্যন্ত অপরিণত শিশুদের ক্ষেত্রে, রাসায়নিক পোড়ার প্রতিবেদন রয়েছে। জ্বালা, ফোসকা বা র্যাশ দেখা দিলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।
Q: Hexicord 7.1% Topical Solution বেশি প্রয়োগ হলে বা গিলে ফেললে কী করা উচিত?
A: বাহ্যিক প্রয়োগে সাধারণত গুরুতর ক্ষতির আশঙ্কা কম, তবে Hexicord 7.1% Topical Solution দুর্ঘটনাক্রমে গিলে ফেললে বা চোখে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে লাগলে, আক্রান্ত স্থান পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।