Product gallery
MRP ৳ ১৩০.০০৮% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১১৯.৬০/10's Strip
১
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

I-Gold একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট কম্বিনেশন (AREDS2-ধরনের ফর্মুলেশন) যা প্রধানত চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় নিউট্রিশনাল সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর প্রধান প্রমাণ-ভিত্তিক ব্যবহারসমূহ:

  • বয়সজনিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশন (AMD) অগ্রগতির ঝুঁকি হ্রাস: AREDS2 গবেষণার উপর ভিত্তি করে, ইন্টারমিডিয়েট AMD (বা একটি চোখে অ্যাডভান্সড AMD) রোগীদের ক্ষেত্রে অ্যাডভান্সড AMD এবং সংশ্লিষ্ট দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের ঝুঁকি কমাতে I-Gold গাইডলাইন-সমর্থিত।
  • সাধারণ চোখের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট/পুষ্টি সহায়তা: I-Gold চোখে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে পুষ্টি সহায়তা প্রদানকারী উন্নত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সাপ্লিমেন্ট হিসেবেও ব্যবহৃত হয়, তবে এই সাধারণ ব্যবহারের প্রমাণ AMD-নির্দিষ্ট ব্যবহারের তুলনায় দুর্বল।

I-Gold একটি সহায়ক/প্রতিরোধমূলক সাপ্লিমেন্ট, ছানি, গ্লুকোমা বা তীব্র চোখের রোগের চিকিৎসা নয়, এবং ইতিমধ্যে হারিয়ে যাওয়া দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনে না।

থেরাপিউটিক ক্লাস

চক্ষু সংক্রান্ত নিউট্রিশনাল সাপ্লিমেন্ট / অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন-মিনারেল কম্বিনেশন — I-Gold মাল্টিভিটামিন ও মিনারেল সাপ্লিমেন্ট শ্রেণীর অন্তর্গত, যা চোখের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সহায়তার জন্য ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

Vitamin C, Vitamin E, Lutein, Copper and Zinc এর উপাদানগুলোর সম্মিলিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ভূমিকার মাধ্যমে কাজ করে:

  • ভিটামিন সি: একটি পানিতে দ্রবণীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা লেন্সে ফ্রি র‍্যাডিক্যাল প্রতিরোধ করে ছানি ও AMD অগ্রগতি সংশ্লিষ্ট অক্সিডেটিভ ক্ষতি কমায়।
  • ভিটামিন ই: একটি চর্বিতে দ্রবণীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রেটিনার কোষ ঝিল্লিকে লিপিড পারঅক্সিডেশন থেকে রক্ষা করে।
  • লুটেইন: একটি ক্যারোটিনয়েড যা ম্যাকুলায় জমা হয়ে উচ্চ-শক্তির নীল আলো ফিল্টার করে এবং রিঅ্যাক্টিভ অক্সিজেন প্রজাতি নিষ্ক্রিয় করে ফটোরিসেপ্টর রক্ষা করে।
  • জিংক: রেটিনার একাধিক এনজাইম সিস্টেমের কোফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে রেটিনার বিপাকীয় কার্যক্রমে সহায়তা করে।
  • কপার: দীর্ঘমেয়াদী উচ্চ-মাত্রার জিংক গ্রহণের ফলে সৃষ্ট কপার ঘাটতি প্রতিরোধে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

এই উপাদানগুলো একসাথে রেটিনা ও ম্যাকুলায় অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে, যা বয়সজনিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশনের প্যাথোজেনেসিসের সাথে সম্পর্কিত।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

নির্দেশনামাত্রা
AMD অগ্রগতির ঝুঁকি হ্রাস (ইন্টারমিডিয়েট বা একচোখে অ্যাডভান্সড AMD)দৈনিক একবার বা দুইবার একটি ক্যাপসুল/ট্যাবলেট, অথবা চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী
সাধারণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট/পুষ্টি সহায়তাদৈনিক একবার একটি ক্যাপসুল, অথবা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী

সেবনবিধি

I-Gold মুখে খাবারের সাথে গ্রহণ করাই ভালো, এতে শোষণ বৃদ্ধি পায় এবং পাকস্থলীর অস্বস্তি কমে। ক্যাপসুল/ট্যাবলেট পুরোটা পানি দিয়ে গিলে নিতে হবে; চিবানো বা ভাঙা উচিত নয়, যদি না পণ্যটি বিশেষভাবে চিবিয়ে খাওয়ার জন্য তৈরি হয়ে থাকে।

শিশুদের মাত্রা

শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের কোনো নির্দেশনা নেই, কারণ বয়সজনিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশন প্রধানত বয়স্কদের রোগ (দেখুন শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার)।

কিডনি/লিভার সংক্রান্ত সমন্বয়

কিডনি বা লিভারের সমস্যায় কোনো সুনির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত নেই; তবে উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন, কারণ অতিরিক্ত জিংক ও ভিটামিন সি বিপাক নির্গমনে সমস্যা হতে পারে — ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

  • রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধী ঔষধ (যেমন ওয়ারফারিন, হেপারিন, অ্যাসপিরিন): I-Gold এর ভিটামিন ই উপাদান, বিশেষত উচ্চ মাত্রায়, ভিটামিন কে-নির্ভর ক্লটিং ফ্যাক্টরকে প্রতিহত করে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে; এই ঔষধ সেবনকারী রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তক্ষরণের লক্ষণ ও প্রয়োজনে INR নিরীক্ষণ করুন।
  • অন্যান্য ভিটামিন ই বা জিংকযুক্ত সাপ্লিমেন্ট/মাল্টিভিটামিন: I-Gold এর সাথে অতিরিক্ত উচ্চ-মাত্রার ভিটামিন ই বা জিংক সমৃদ্ধ পণ্য একসাথে গ্রহণ পরিহার করা উচিত, যাতে সঞ্চিত বিষক্রিয়া না ঘটে।
  • টেট্রাসাইক্লিন ও কুইনোলোন গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক: I-Gold এর জিংক উপাদান এসব অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে একত্রে গ্রহণ করলে শোষণ কমাতে পারে; কমপক্ষে ২ ঘণ্টার ব্যবধানে সেবন করুন।
  • পেনিসিলামিন: জিংক পেনিসিলামিনের কার্যকারিতা কমাতে পারে; সম্ভব হলে একসাথে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

প্রতিনির্দেশনা

Vitamin C, Vitamin E, Lutein, Copper and Zinc এর যেকোনো উপাদান — ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, লুটেইন, কপার বা জিংক — এর প্রতি জানা অ্যালার্জি বা অতি সংবেদনশীলতা থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে এটি প্রতিনির্দেশিত।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

I-Gold সাধারণত সহনীয়। রিপোর্ট করা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • পাকস্থলীর অস্বস্তি — বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, পেটে খিঁচুনি (মূলত উচ্চ-মাত্রার ভিটামিন সি সংশ্লিষ্ট)
  • হালকা ক্লান্তি বা দুর্বলতা (উচ্চ-মাত্রার ভিটামিন ই সংশ্লিষ্ট)
  • প্রস্রাবের রঙ পরিবর্তন (নিরীহ)
  • অপ্রীতিকর স্বাদ বা হালকা বমি বমি ভাব (জিংক সংশ্লিষ্ট), বিশেষত খালি পেটে সেবন করলে

এই প্রতিক্রিয়াগুলো সাধারণত মৃদু ও নিজে থেকেই কমে যায়, এবং খাবারের সাথে সেবন করলে কমানো যায়।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে I-Gold শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শের পরে ব্যবহার করা উচিত, কারণ প্রসবপূর্ব ভিটামিন ও খাদ্য থেকে প্রাপ্ত মোট ভিটামিন/মিনারেল গ্রহণের সাথে এটি যাচাই করে নিরাপদ ঊর্ধ্বসীমা (বিশেষত ভিটামিন ই ও জিংকের ক্ষেত্রে) অতিক্রম না করা নিশ্চিত করতে হবে। গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী নারীদের ক্ষেত্রে AMD ঝুঁকি হ্রাসের কোনো প্রতিষ্ঠিত নির্দেশনা নেই, কারণ AMD সাধারণত বয়স্কদের রোগ।

সতর্কতা

  • জিংক/কপার ভারসাম্য: I-Gold-এ ইতিমধ্যে জিংক-জনিত কপার ঘাটতি প্রতিরোধে কপার রয়েছে; রোগীদের আলাদাভাবে অতিরিক্ত উচ্চ-মাত্রার জিংক সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত নয়, কারণ এটি দীর্ঘমেয়াদে কপার ঘাটতি, রক্তশূন্যতা এবং স্নায়বিক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
  • রক্তক্ষরণের ঝুঁকি: রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধী বা অ্যান্টিপ্লেটলেট ঔষধ সেবনকারী রোগীদের ক্ষেত্রে ভিটামিন ই উপাদানের কারণে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া)।
  • দ্বৈত সাপ্লিমেন্টেশন এড়িয়ে চলুন: I-Gold এর পাশাপাশি উচ্চ-মাত্রার ভিটামিন ই বা জিংকযুক্ত অন্য মাল্টিভিটামিন বা চোখের সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ এড়িয়ে চলুন, যাতে সঞ্চিত মাত্রাধিক্যতা না ঘটে।
  • অক্সালেট কিডনি স্টোনের ইতিহাস: অক্সালেট কিডনি স্টোনের ইতিহাসযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে I-Gold এর মতো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ পণ্য সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন, কারণ উচ্চ-মাত্রার ভিটামিন সি প্রস্রাবে অক্সালেট নির্গমন বাড়াতে পারে।
  • ধূমপায়ীদের জন্য: কিছু পূর্ববর্তী AREDS-ধরনের ফর্মুলা যাতে বিটা-ক্যারোটিন ছিল, তা ধূমপায়ীদের ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ানোর সাথে সম্পর্কিত ছিল; I-Gold বিটা-ক্যারোটিনের পরিবর্তে লুটেইন ব্যবহার করে এবং এই নির্দিষ্ট সতর্কতা বহন করে না, তবে ধূমপায়ীদের চিকিৎসক/ফার্মাসিস্টের সাথে ফর্মুলেশন নিশ্চিত করা উচিত।

মাত্রাধিক্যতা

I-Gold এর মাত্রাধিক্যতায় তীব্র পাকস্থলীর অস্বস্তি (বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া) দেখা দিতে পারে, এবং দীর্ঘমেয়াদী অতিরিক্ত গ্রহণে জিংক বিষক্রিয়ার লক্ষণ (কপার ঘাটতি, রক্তশূন্যতা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস) বা ভিটামিন বিষক্রিয়া দেখা দিতে পারে। মাত্রাধিক্যতা সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসা সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; পেশাদার নির্দেশনা ছাড়া বাড়িতে নিজে থেকে ব্যবস্থাপনার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°C এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বয়স্কদের ক্ষেত্রে: I-Gold নির্দিষ্টভাবে AMD দ্বারা সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত বয়সগোষ্ঠীর (সাধারণত ৫০ বছর বা তার বেশি) জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে এবং এই গোষ্ঠীতে সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়; আদর্শ মাত্রার বাইরে কোনো নির্দিষ্ট সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত নেই।

কিডনি সমস্যায়: সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন; জিংক ও ভিটামিন সি বিপাক নির্গমনে সমস্যা হতে পারে। ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

লিভার সমস্যায়: কোনো নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত নেই; সাধারণ সতর্কতা ও চিকিৎসকের নির্দেশনার সাথে ব্যবহার করুন।

শিশুদের ক্ষেত্রে: I-Gold শিশুদের জন্য নির্দেশিত নয়, কারণ বয়সজনিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশন বয়স্কদের রোগ। শিশুদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: I-Gold Eye Capsule কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: I-Gold Eye Capsule একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন-মিনারেল সাপ্লিমেন্ট, যা প্রধানত ইন্টারমিডিয়েট বয়সজনিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশন (AMD) এর অ্যাডভান্সড, দৃষ্টিহানিকর পর্যায়ে অগ্রগতির ঝুঁকি কমাতে ব্যবহৃত হয়। এটি চোখের সাধারণ পুষ্টি সহায়তা হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।

Q: I-Gold Eye Capsule কি আমার ম্যাকুলার ডিজেনারেশন সারিয়ে তুলবে বা হারানো দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেবে?

A: না। I-Gold Eye Capsule AMD সারিয়ে তোলে না বা ইতিমধ্যে হারিয়ে যাওয়া দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনে না। এটি একটি সহায়ক সাপ্লিমেন্ট, যা উপযুক্ত ইন্টারমিডিয়েট AMD রোগীদের ক্ষেত্রে রোগের অগ্রগতির ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে বলে প্রমাণিত; এটি বিদ্যমান দৃষ্টিহানির চিকিৎসা নয়।

Q: রক্ত পাতলাকারী ঔষধ (যেমন ওয়ারফারিন) এর সাথে I-Gold Eye Capsule সেবন কি নিরাপদ?

A: সতর্কতা প্রয়োজন। I-Gold Eye Capsule এর ভিটামিন ই উপাদান রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধী বা অ্যান্টিপ্লেটলেট ঔষধ সেবনকারী রোগীদের রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এই ধরনের চিকিৎসা চলাকালীন I-Gold Eye Capsule শুরু করার আগে আপনার চিকিৎসককে জানান, কারণ পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হতে পারে।

Q: আমি কি I-Gold Eye Capsule এর সাথে অন্য মাল্টিভিটামিন একসাথে খেতে পারি?

A: I-Gold Eye Capsule এর সাথে অতিরিক্ত উচ্চ-মাত্রার ভিটামিন ই বা জিংকযুক্ত সাপ্লিমেন্ট একসাথে গ্রহণ এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এতে সঞ্চিত বিষক্রিয়া হতে পারে, যার মধ্যে অতিরিক্ত জিংক থেকে কপার ঘাটতিও রয়েছে। আপনার সব সাপ্লিমেন্ট ফার্মাসিস্ট বা চিকিৎসকের সাথে পর্যালোচনা করুন।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে I-Gold Eye Capsule কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে I-Gold Eye Capsule শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শের পরে ব্যবহার করা উচিত, কারণ এটি এই বয়সগোষ্ঠীর জন্য নির্দিষ্টভাবে নির্দেশিত নয় এবং সব উৎস থেকে মোট ভিটামিন/মিনারেল গ্রহণ পর্যালোচনা করে নিরাপদ সীমা অতিক্রম এড়ানো উচিত।

Q: I-Gold Eye Capsule বেশি মাত্রায় সেবন করে ফেললে কী করব?

A: I-Gold Eye Capsule এর মাত্রাধিক্যতা সন্দেহ হলে বাড়িতে নিজে চিকিৎসা করার চেষ্টা না করে অবিলম্বে চিকিৎসা সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন, বিশেষত দীর্ঘমেয়াদী অতিরিক্ত গ্রহণে জিংক-সম্পর্কিত বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বিবেচনা করে।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor