Product gallery
MRP ১০.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৯.০০/10's Strip
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Lasix একটি লুপ ডাইইউরেটিক (প্রস্রাব বৃদ্ধিকারী ওষুধ), যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলিউর, লিভার সিরোসিস এবং কিডনি রোগ (নেফ্রোটিক সিনড্রোমসহ)-জনিত edema (শরীরে পানি জমা)।
  • তীব্র পালমোনারি edema (ফুসফুসে পানি জমা)-এর দ্রুত উপশমের জন্য শিরায় (IV) Lasix ব্যবহৃত হয়।
  • উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension) — সাধারণত অন্যান্য রক্তচাপ নিয়ন্ত্রক ওষুধের সাথে সমন্বয়ে ব্যবহৃত হয়, বিশেষত যাদের পাশাপাশি edema বা কিডনি কার্যক্ষমতা কমে গেছে।

সহায়ক ব্যবহার

  • হাইপারটেনসিভ ইমার্জেন্সি ব্যবস্থাপনায় অন্যান্য ওষুধের সাথে সহায়ক হিসেবে।
  • পর্যাপ্ত তরল প্রতিস্থাপনের পর তীব্র হাইপারক্যালসেমিয়া ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হিসেবে, সাধারণত হাসপাতালে তত্ত্বাবধানে।

নির্দিষ্ট মাত্রা ও ফর্ম (ট্যাবলেট, সিরাপ বা ইনজেকশন) রোগের ধরন ও তীব্রতার উপর নির্ভর করে — বিস্তারিত জানতে মাত্রা ও সেবনবিধি দেখুন।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Lasix একটি লুপ ডাইইউরেটিক (হাই-সিলিং ডাইইউরেটিক) শ্রেণির ওষুধ, যা সালফোনামাইড-ডেরিভেটিভ গ্রুপের অন্তর্গত এবং থায়াজাইড ও পটাশিয়াম-স্পেয়ারিং ডাইইউরেটিক থেকে আলাদা।

ফার্মাকোলজি

কার্যপ্রণালী

Furosemide মূলত কিডনির লুপ অব হেনলির থিক অ্যাসেন্ডিং লিম্বে কাজ করে, যেখানে এটি Na+/K+/2Cl- কো-ট্রান্সপোর্টারকে বাধা দেয়। এর ফলে সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও ক্লোরাইডের পুনঃশোষণ বন্ধ হয়ে যায় এবং পানিসহ এসব ইলেক্ট্রোলাইট প্রস্রাবের মাধ্যমে বেশি পরিমাণে নির্গত হয়। Furosemide ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের নিঃসরণও বাড়ায়।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স

  • কার্যকারিতা শুরু: মুখে সেবনে প্রায় ৩০–৬০ মিনিট; শিরায় প্রয়োগে প্রায় ৫ মিনিট।
  • স্থায়িত্ব: মুখে সেবনে প্রায় ৬–৮ ঘণ্টা; শিরায় প্রয়োগে প্রায় ২ ঘণ্টা।
  • প্রোটিন বন্ধন: উচ্চমাত্রায় প্রোটিনের সাথে (>৯৫%) আবদ্ধ হয়, মূলত অ্যালবুমিনের সাথে।
  • বিপাক/নিঃসরণ: প্রধানত অপরিবর্তিত অবস্থায় কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়; সামান্য অংশ লিভারে বিপাকিত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Lasix-এর মাত্রা রোগের ধরন, তীব্রতা এবং রোগীর প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী পৃথকভাবে নির্ধারণ করা হয়, সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় শুরু করে।

  • Lasix মুখে (ট্যাবলেট/সিরাপ) অথবা শিরা/মাংসপেশিতে ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া যেতে পারে, যেখানে দ্রুত কার্যকারিতা প্রয়োজন (যেমন তীব্র পালমোনারি edema) অথবা মুখে সেবন সম্ভব নয়।
  • প্রয়োজনে প্রতি ৬–৮ ঘণ্টা অন্তর মাত্রা বাড়ানো হয়, কাঙ্ক্ষিত প্রতিক্রিয়া না পাওয়া পর্যন্ত।
  • মুখে ও শিরাপথে সেবনের মধ্যে পরিবর্তনের সময় মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে, কারণ মুখে সেবনে জৈব উপলভ্যতা পরিবর্তনশীল (প্রায় ৫০–৭০%)।
  • কিডনি বা লিভারের কার্যক্ষমতা কমে গেলে সাধারণত কম মাত্রায় শুরু করে সতর্কভাবে ইলেক্ট্রোলাইট ও কিডনি কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করে মাত্রা সমন্বয় করা হয়; তীব্র কিডনি সমস্যায় পর্যাপ্ত ডাইইউরেসিসের জন্য চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে বেশি মাত্রার প্রয়োজন হতে পারে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Lasix-এর সাথে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:

  • অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক (যেমন জেন্টামাইসিন): Lasix-এর সাথে একত্রে ব্যবহারে শ্রবণশক্তি ক্ষতি (ototoxicity) ও কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ে; জীবন-হুমকিস্বরূপ পরিস্থিতি ছাড়া একসাথে ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত।
  • ডিগক্সিন: Lasix-জনিত হাইপোক্যালেমিয়া (পটাশিয়াম কমে যাওয়া) ডিগক্সিন বিষক্রিয়া ও হৃদস্পন্দন অনিয়মের ঝুঁকি বাড়ায়; ইলেক্ট্রোলাইট নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • লিথিয়াম: Lasix লিথিয়ামের কিডনি নিঃসরণ কমিয়ে দেয়, ফলে লিথিয়াম বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে; লিথিয়ামের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • NSAID (যেমন আইবুপ্রোফেন, ইনডোমেথাসিন): Lasix-এর ডাইইউরেটিক ও রক্তচাপ কমানোর প্রভাব হ্রাস করতে পারে এবং কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে, বিশেষত পানিশূন্য বা বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে।
  • ACE ইনহিবিটর / ARB: Lasix-এর সাথে একত্রে ব্যবহারে রক্তচাপ হঠাৎ কমে যাওয়া এবং কিডনির তীব্র ক্ষতির ঝুঁকি থাকে, বিশেষত চিকিৎসা শুরুর সময় বা তরল ঘাটতিতে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে।
  • অন্যান্য রক্তচাপ নিয়ন্ত্রক ওষুধ: রক্তচাপ কমানোর প্রভাব যোগ হতে পারে; অন্য ওষুধের মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে।
  • করটিকোস্টেরয়েড: একত্রে ব্যবহারে হাইপোক্যালেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
  • ইথাক্রাইনিক এসিড: Lasix-এর সাথে একত্রে ব্যবহারে শ্রবণশক্তি ক্ষতির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়, তাই সাধারণত এড়িয়ে চলা উচিত।

প্রতিনির্দেশনা

Furosemide নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:

  • Furosemide বা সালফোনামাইড-জাতীয় ওষুধের প্রতি পরিচিত অতি-সংবেদনশীলতা (অ্যালার্জি) থাকলে।
  • অ্যানুরিয়া (প্রস্রাব একেবারেই তৈরি না হওয়া) বা সম্পূর্ণ কিডনি বিকল অবস্থায় যা Furosemide-এ সাড়া দেয় না।
  • তীব্র ইলেক্ট্রোলাইট ও তরল ঘাটতি অবস্থায়, অথবা তীব্র লিভার সিরোসিসজনিত হেপাটিক কোমা/প্রি-কোমা অবস্থায়, যতক্ষণ না মূল সমস্যা সংশোধন করা হয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Lasix-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাধারণত মাত্রা-নির্ভর এবং এর ডাইইউরেটিক ও ইলেক্ট্রোলাইট-ক্ষয়কারী প্রভাবের সাথে সম্পর্কিত।

সাধারণ

  • ইলেক্ট্রোলাইট সমস্যা: হাইপোক্যালেমিয়া (পটাশিয়াম কমে যাওয়া), হাইপোনেট্রেমিয়া (সোডিয়াম কমে যাওয়া), হাইপোম্যাগনেসেমিয়া, হাইপোক্লোরেমিক অ্যালকালোসিস
  • পানিশূন্যতা, মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা
  • রক্তচাপ কমে যাওয়া (হাইপোটেনশন), বিশেষত দাঁড়ানোর সময় মাথা ঘোরা
  • রক্তে শর্করা বৃদ্ধি (হাইপারগ্লাইসেমিয়া) ও ইউরিক অ্যাসিড বৃদ্ধি (হাইপারইউরিসেমিয়া), যা গাউট সৃষ্টি করতে পারে
  • বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য

কম দেখা যায় কিন্তু গুরুতর

  • শ্রবণশক্তি ক্ষতি (টিনিটাস, শ্রবণশক্তি হ্রাস — সাধারণত ফিরে আসে), বিশেষত দ্রুত শিরায় প্রয়োগ, উচ্চমাত্রা বা তীব্র কিডনি সমস্যায়
  • তীব্র চর্মপ্রতিক্রিয়া (স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম, টক্সিক এপিডার্মাল নেক্রোলাইসিস) — বিরল
  • রক্তের সমস্যা (অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া, থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া, লিউকোপেনিয়া) — বিরল
  • প্যানক্রিয়াটাইটিস, জন্ডিস, সংবেদনশীল রোগীদের হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি
  • ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস, ভাস্কুলাইটিস

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: Lasix গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত। প্রাণী গবেষণায় উচ্চমাত্রায় ক্ষতিকর প্রভাব দেখা গেছে এবং পর্যাপ্ত মানবদেহে গবেষণা নেই; গর্ভাবস্থায় Lasix ব্যবহার করলে ভ্রূণের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করা উচিত। গর্ভাবস্থায় Lasix ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তন্যদান: Lasix বুকের দুধে প্রবেশ করে এবং দুধ উৎপাদন কমিয়ে দিতে পারে। স্তন্যদানকালে Lasix শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে, মায়ের উপকারিতা ও শিশুর সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করে ব্যবহার করা উচিত; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

Lasix ব্যবহারের সময় সতর্ক পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন:

  • তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য: Lasix তীব্র ডাইইউরেসিস ও ইলেক্ট্রোলাইট ঘাটতি সৃষ্টি করতে পারে; নিয়মিত সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্লোরাইড, কিডনি কার্যক্ষমতা (BUN/creatinine) এবং তরল অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা উচিত, বিশেষত চিকিৎসার শুরুতে ও মাত্রা পরিবর্তনের সময়।
  • শ্রবণশক্তি ক্ষতির ঝুঁকি: দ্রুত শিরায় প্রয়োগ, উচ্চমাত্রা, তীব্র কিডনি সমস্যা বা অন্য শ্রবণ-ক্ষতিকারক ওষুধের সাথে একত্রে ব্যবহারে ঝুঁকি বাড়ে; শিরায় মাত্রা ধীরে দেওয়া উচিত।
  • লিভার রোগ: সিরোসিস রোগীদের ক্ষেত্রে Lasix চিকিৎসা হাসপাতালে শুরু করা উচিত, কারণ ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার ফলে হেপাটিক কোমা হওয়ার ঝুঁকি থাকে; সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা ব্যবহার করা উচিত।
  • ডায়াবেটিস ও গাউট: Lasix রক্তে শর্করা ও ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়াতে পারে; ডায়াবেটিস বা গাউটের ইতিহাস থাকা রোগীদের পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • কিডনি কার্যক্ষমতা: তীব্র কিডনি রোগের চিকিৎসাকালে অ্যাজোটেমিয়া ও অলিগুরিয়া বাড়তে থাকলে Lasix বন্ধ করা উচিত।
  • সালফোনামাইড সংবেদনশীলতা: সালফোনামাইড-এ অ্যালার্জি থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে ক্রস-সংবেদনশীলতার সম্ভাবনায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।
  • পানিশূন্যতার লক্ষণ: তীব্র তৃষ্ণা, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, দুর্বলতা, মাংসপেশিতে টান, বা মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মাত্রাধিক্যতা

Lasix-এর অতিরিক্ত মাত্রা তীব্র ডাইইউরেসিস ঘটাতে পারে, যার ফলে পানিশূন্যতা, রক্তের আয়তন হ্রাস, রক্তচাপ কমে যাওয়া, ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা (বিশেষত হাইপোক্যালেমিয়া ও হাইপোক্লোরেমিক অ্যালকালোসিস) এবং রক্তসঞ্চালন বিপর্যয় ঘটতে পারে। উপসর্গের মধ্যে থাকতে পারে তীব্র তৃষ্ণা, দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, বিভ্রান্তি, মাংসপেশিতে টান, রক্তচাপ কমে যাওয়া এবং প্রস্রাব কমে যাওয়া।

Lasix-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা মূলত সহায়ক, যেখানে তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট প্রতিস্থাপন এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে পর্যবেক্ষণ করা হয়; বাড়িতে নিজে থেকে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°C-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। রং পরিবর্তিত হয়ে যাওয়া Lasix ট্যাবলেট ব্যবহার করবেন না।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে

শিশুদের ক্ষেত্রে Lasix হৃদযন্ত্র, কিডনি (নেফ্রোটিক সিনড্রোমসহ) বা লিভারজনিত edema চিকিৎসায় ওজন-ভিত্তিক মাত্রায় ব্যবহৃত হয় (শুরুতে মুখে ২ mg/kg একক মাত্রা, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে প্রতি ৬–৮ ঘণ্টায় ১–২ mg/kg করে বাড়ানো যায়, দৈনিক ৬ mg/kg-এর বেশি নয়)। অপরিণত (premature) শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন, কারণ Lasix কিডনিতে ক্যালসিয়াম জমা (nephrocalcinosis) এবং patent ductus arteriosus অব্যাহত থাকার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে

বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে কিডনি, লিভার ও হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বয়সজনিত কারণে কমে যেতে পারে বলে Lasix সাধারণত কম মাত্রায় শুরু করা হয় এবং পানিশূন্যতা, ইলেক্ট্রোলাইট সমস্যা ও রক্তচাপ কমে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকির জন্য ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Lasix 40 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Lasix 40 mg Tablet একটি লুপ ডাইইউরেটিক, যা হৃদযন্ত্র, লিভার (সিরোসিস) ও কিডনি রোগ (নেফ্রোটিক সিনড্রোমসহ)-জনিত পানি জমা (edema) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি প্রায়শই অন্যান্য ওষুধের সাথে মিলিয়ে উচ্চ রক্তচাপ (hypertension) চিকিৎসায়ও ব্যবহৃত হয়।

Q: Lasix 40 mg Tablet কীভাবে সেবন করব?

A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী যথাযথভাবে Lasix 40 mg Tablet সেবন করুন, সাধারণত দিনে একবার বা দুইবার, সাধারণত সকালে যাতে রাতে ঘন ঘন প্রস্রাবের প্রয়োজন না হয়। এটি খাবারের সাথে বা ছাড়া সেবন করা যায়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে মাত্রা পরিবর্তন করবেন না বা Lasix 40 mg Tablet বন্ধ করবেন না, কারণ এতে তরল ভারসাম্য ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত হতে পারে।

Q: Lasix 40 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: Lasix 40 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে প্রস্রাব বৃদ্ধি, মাথা ঘোরা, রক্তচাপ কমে যাওয়া (বিশেষত দাঁড়ানোর সময়), ইলেক্ট্রোলাইট সমস্যা (পটাশিয়াম বা সোডিয়াম কমে যাওয়া), পানিশূন্যতা, মাথাব্যথা এবং রক্তে শর্করা বা ইউরিক অ্যাসিড বৃদ্ধি। তীব্র মাথা ঘোরা, মাংসপেশিতে টান, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, কানে শব্দ বা শ্রবণশক্তির পরিবর্তন দেখা দিলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি Lasix 40 mg Tablet ব্যবহার করা যায়?

A: গর্ভাবস্থায় Lasix 40 mg Tablet শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে ব্যবহার করা উচিত, কারণ প্রাণী গবেষণায় সম্ভাব্য ঝুঁকির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে এবং পর্যাপ্ত মানবদেহে গবেষণা নেই; চিকিৎসককে উপকারিতা ও ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করতে হবে। Lasix 40 mg Tablet বুকের দুধেও প্রবেশ করে এবং দুধ উৎপাদন কমিয়ে দিতে পারে, তাই স্তন্যদানকালে শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত। গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী হলে Lasix 40 mg Tablet ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: কাদের Lasix 40 mg Tablet ব্যবহার করা উচিত নয়?

A: যাদের Lasix 40 mg Tablet বা সালফোনামাইড-জাতীয় ওষুধে পরিচিত অ্যালার্জি আছে, যাদের অ্যানুরিয়া (প্রস্রাব তৈরি না হওয়া) আছে, অথবা যারা তীব্র ইলেক্ট্রোলাইট ঘাটতি বা তীব্র লিভার সিরোসিসজনিত হেপাটিক প্রি-কোমা/কোমা অবস্থায় আছেন, তাদের সেই অবস্থা সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত Lasix 40 mg Tablet ব্যবহার করা উচিত নয়। Lasix 40 mg Tablet শুরু করার আগে আপনার সম্পূর্ণ চিকিৎসা ইতিহাস চিকিৎসককে জানান।

Q: Lasix 40 mg Tablet-এর একটি মাত্রা মিস করলে বা বেশি সেবন করলে কী করব?

A: Lasix 40 mg Tablet-এর কোনো মাত্রা মিস হলে মনে পড়ার সাথে সাথে তা সেবন করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় ঘনিয়ে এলে মিসড মাত্রাটি বাদ দিন — একসাথে দ্বিগুণ মাত্রা সেবন করবেন না। কেউ যদি অতিরিক্ত Lasix 40 mg Tablet সেবন করে ফেলে এবং তীব্র তৃষ্ণা, দুর্বলতা, মাথা ঘোরা বা প্রস্রাব খুব কমে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor