Product gallery
MRP ৮০.৭০১০ % ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৭২.৬৩/10's Strip
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Leo একটি ফ্লুরোকুইনোলোন গোত্রের অ্যান্টিবায়োটিক, যা সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট বিভিন্ন সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার

  • কমিউনিটি-অ্যাকোয়ার্ড নিউমোনিয়া ও হাসপাতাল-জনিত নিউমোনিয়া
  • একিউট ব্যাকটেরিয়াল সাইনুসাইটিস
  • ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিসের তীব্রতা বৃদ্ধি (একিউট এক্সাসারবেশন)
  • মূত্রনালীর সংক্রমণ (সাধারণ ও জটিল), একিউট পাইলোনেফ্রাইটিস সহ
  • ত্বক ও ত্বকের নিচের স্তরের সংক্রমণ (সাধারণ ও জটিল)
  • দীর্ঘমেয়াদী ব্যাকটেরিয়াল প্রোস্টেটাইটিস

বিশেষ পরিস্থিতিতে ব্যবহার

  • ইনহেলেশনাল অ্যানথ্রাক্সে সংস্পর্শ-পরবর্তী প্রতিরোধ ও চিকিৎসা (স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী)
  • প্লেগ (Yersinia pestis সংক্রমণ) এর চিকিৎসা

নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে অন-লেবেলের বাইরে ব্যবহার

  • বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে মাল্টিড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট যক্ষ্মার কম্বিনেশন থেরাপির অংশ হিসেবে
  • অ্যানএরোবিক জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যকর অন্য ওষুধের সাথে মিলিয়ে কিছু ইন্ট্রা-অ্যাবডোমিনাল সংক্রমণে

Leo শুধুমাত্র ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণে কার্যকর; সাধারণ সর্দি বা ফ্লু-এর মতো ভাইরাসজনিত অসুখে এটি কাজ করে না।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Leo ফ্লুরোকুইনোলোন শ্রেণীর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ওষুধ।

ফার্মাকোলজি

কার্যপ্রণালী

Levofloxacin ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএ গাইরেজ (টপোইসোমারেজ II) এবং টপোইসোমারেজ IV এনজাইমকে বাধা দিয়ে কাজ করে, যা ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএ প্রতিলিপন, প্রতিলিখন ও মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয়। এই এনজাইমগুলো বাধাগ্রস্ত হলে ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএ স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে না, ফলে ব্যাকটেরিয়া মারা যায়।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স

  • শোষণ: মুখে খাওয়ার পর দ্রুত ও প্রায় সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয় (জৈব উপলভ্যতা প্রায় ৯৯%)।
  • বিতরণ: শরীরের বিভিন্ন টিস্যু ও তরলে, বিশেষত ফুসফুসের টিস্যুতে ভালোভাবে ছড়িয়ে পড়ে; প্লাজমা প্রোটিনের সাথে সংযুক্তি মাঝারি মাত্রার (প্রায় ২৪-৩৮%)।
  • বিপাক: খুব সামান্য পরিমাণে যকৃতে বিপাক হয়।
  • নিষ্কাশন: প্রধানত অপরিবর্তিত অবস্থায় প্রস্রাবের মাধ্যমে বৃক্ক দ্বারা নির্গত হয়; স্বাভাবিক বৃক্কের কার্যক্ষমতায় অর্ধায়ু প্রায় ৬-৮ ঘণ্টা।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Leo-এর মাত্রা সংক্রমণের ধরন, তীব্রতা ও রোগীর বৃক্কের কার্যক্ষমতা অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিকভাবে Leo সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, বা অন্য কাউকে দেবেন না। লক্ষণ কমে গেলেও চিকিৎসকের নির্ধারিত সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করুন, যাতে চিকিৎসা ব্যর্থতা ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির ঝুঁকি কমে।

নির্দেশনাপ্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রাসময়কাল
কমিউনিটি-অ্যাকোয়ার্ড নিউমোনিয়া৫০০ মি.গ্রা. দিনে একবার অথবা ৭৫০ মি.গ্রা. দিনে একবার৭-১৪ দিন (৫০০ মি.গ্রা.) অথবা ৫ দিন (৭৫০ মি.গ্রা.)
হাসপাতাল-জনিত নিউমোনিয়া৭৫০ মি.গ্রা. দিনে একবার৭-১৪ দিন
একিউট ব্যাকটেরিয়াল সাইনুসাইটিস৫০০ মি.গ্রা. অথবা ৭৫০ মি.গ্রা. দিনে একবার১০-১৪ দিন (৫০০ মি.গ্রা.) অথবা ৫ দিন (৭৫০ মি.গ্রা.)
ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিসের তীব্রতা বৃদ্ধি৫০০ মি.গ্রা. দিনে একবার৭ দিন
সাধারণ মূত্রনালীর সংক্রমণ২৫০ মি.গ্রা. দিনে একবার৩ দিন
জটিল মূত্রনালীর সংক্রমণ/পাইলোনেফ্রাইটিস২৫০ মি.গ্রা. দিনে একবার (গুরুতর ক্ষেত্রে ৭৫০ মি.গ্রা.)৫-১০ দিন (অথবা ৭৫০ মি.গ্রা.য় ৫ দিন)
সাধারণ ত্বকের সংক্রমণ৫০০ মি.গ্রা. দিনে একবার৭-১০ দিন
জটিল ত্বকের সংক্রমণ৭৫০ মি.গ্রা. দিনে একবার৭-১৪ দিন
দীর্ঘমেয়াদী ব্যাকটেরিয়াল প্রোস্টেটাইটিস৫০০ মি.গ্রা. দিনে একবার২৮ দিন

বৃক্কের সমস্যায়: ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স কমে গেলে মাত্রা বা সেবনের ব্যবধান সমন্বয় করতে হবে (বিস্তারিত দেখুন শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার অংশে)।

সেবনবিধি: মুখে খাওয়ার Leo খাবারসহ বা খাবার ছাড়া নেওয়া যায়, তবে অ্যান্টাসিড, সুক্রালফেট, আয়রন/জিংকযুক্ত মাল্টিভিটামিন বা দুগ্ধজাত পণ্য থেকে অন্তত ২ ঘণ্টা আগে বা পরে সেবন করতে হবে, কারণ এগুলো শোষণ কমিয়ে দেয়। পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত। ইনজেকশন ফর্মটি কেবল ধীরগতিতে (৬০-৯০ মিনিট ধরে) শিরাপথে ইনফিউশন হিসেবে দিতে হয়; দ্রুত বা বোলাস ইনজেকশন হিসেবে কখনোই দেওয়া যাবে না।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Leo-এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:

  • অ্যান্টাসিড, সুক্রালফেট, মাল্টিভিটামিন/মিনারেল (আয়রন, জিংক) ও ক্যালসিয়াম/দুগ্ধজাত পণ্য: এগুলো Leo-এর সাথে যুক্ত হয়ে শোষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয় ও কার্যকারিতা কমায়। এসব থেকে অন্তত ২ ঘণ্টা আগে বা পরে Leo সেবন করতে হবে।
  • ওয়ারফারিন ও অন্যান্য মুখে খাওয়ার রক্ত পাতলাকারী ওষুধ: Leo রক্ত পাতলাকারী প্রভাব বাড়িয়ে দিতে পারে; INR ও রক্তক্ষরণের লক্ষণের জন্য নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • এনএসএআইডি (যেমন আইবুপ্রোফেন): Leo-এর সাথে একত্রে ব্যবহারে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র উদ্দীপনা ও খিঁচুনির ঝুঁকি বাড়তে পারে।
  • কর্টিকোস্টেরয়েড: একত্রে ব্যবহারে টেন্ডন প্রদাহ ও ছিঁড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে, বিশেষত বয়স্কদের ক্ষেত্রে।
  • থিওফাইলিন: Leo থিওফাইলিনের রক্তের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে, ফলে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে; মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।
  • ডায়াবেটিসের ওষুধ (ইনসুলিন, মুখে খাওয়ার): একত্রে ব্যবহারে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন (হাইপো ও হাইপারগ্লাইসেমিয়া উভয়ই) হতে পারে; ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে রক্তে শর্করা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
  • QT ব্যবধান দীর্ঘকারী ওষুধ (যেমন কিছু অ্যান্টিঅ্যারিদমিক বা অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ): Leo-এর সাথে একত্রে ব্যবহারে QT দীর্ঘায়ন ও হৃদস্পন্দনজনিত জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
  • টিজানিডিন: এই সংমিশ্রণ প্রতিনির্দেশিত, কারণ এতে টিজানিডিনের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায় (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।

প্রতিনির্দেশনা

Levofloxacin নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত (ব্যবহার করা যাবে না):

  • Levofloxacin বা অন্য যেকোনো ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক অথবা প্রস্তুতির যেকোনো উপাদানের প্রতি জ্ঞাত অতি সংবেদনশীলতা (অ্যালার্জি) থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে।
  • মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিস রোগের ইতিহাস থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে, কারণ ফ্লুরোকুইনোলোন পেশির দুর্বলতা বাড়িয়ে জীবন-হুমকিস্বরূপ শ্বাসকষ্ট তৈরি করতে পারে।
  • টিজানিডিনের সাথে একত্রে ব্যবহার, কারণ এতে টিজানিডিনের রক্তের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায় যা গুরুতর ক্লিনিক্যাল ঝুঁকি তৈরি করে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

বেশিরভাগ রোগী Leo ভালোভাবে সহ্য করেন, তবে কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

  • বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা
  • মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, অনিদ্রা
  • পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য

কম দেখা যায় কিন্তু গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

  • টেন্ডন প্রদাহ ও ছিঁড়ে যাওয়া (বিশেষত অ্যাকিলিস টেন্ডন), যা চিকিৎসাকালীন বা চিকিৎসা শেষের পরেও হতে পারে (দেখুন সতর্কতা)
  • পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি (অবশভাব, ঝিনঝিন, দুর্বলতা), যা স্থায়ী হতে পারে
  • কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের প্রতিক্রিয়া: খিঁচুনি, বিভ্রান্তি, কম্পন, হ্যালুসিনেশন, উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং বিরল ক্ষেত্রে আত্মহত্যার চিন্তা
  • ফটোসেনসিটিভিটি (সূর্যের আলোর প্রতি বাড়তি সংবেদনশীলতা, যা রোদে পোড়ার প্রবণতা বাড়ায়)
  • QT ব্যবধান দীর্ঘায়ন এবং বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর হৃদস্পন্দনজনিত জটিলতা
  • Clostridioides difficile-জনিত ডায়রিয়া, যা মৃদু থেকে জীবন-হুমকিস্বরূপ কোলাইটিস পর্যন্ত হতে পারে
  • অতি সংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া, যেমন র‍্যাশ, এবং বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া বা অ্যানাফিল্যাক্সিস
  • রক্তে গ্লুকোজের ব্যাঘাত (হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা হাইপারগ্লাইসেমিয়া), বিশেষত ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে
  • এওর্টিক অ্যানিউরিজম ও এওর্টিক ডিসেকশন (বিরল কিন্তু গুরুতর ঝুঁকি, বিশেষত ঝুঁকিপূর্ণ বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে)

Leo সেবনকালে টেন্ডনে ব্যথা/ফোলা, অস্বাভাবিক অবশভাব/ঝিনঝিন, তীব্র ডায়রিয়া, হঠাৎ তীব্র বুক/পিঠ/পেটে ব্যথা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় সাধারণত Leo ব্যবহার এড়িয়ে চলা হয়। প্রাণীদেহে পরীক্ষায় দেখা গেছে Leo ও অন্যান্য ফ্লুরোকুইনোলোন অপরিণত প্রাণীর তরুণাস্থি ও জয়েন্টের ক্ষতি করতে পারে, যা গর্ভস্থ শিশুর ক্ষেত্রেও তাত্ত্বিক উদ্বেগের কারণ। Leo কেবলমাত্র তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন সম্ভাব্য উপকারিতা গর্ভস্থ শিশুর ঝুঁকির চেয়ে স্পষ্টভাবে বেশি এবং নিরাপদ বিকল্প অ্যান্টিবায়োটিক উপযুক্ত না হয়; ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তন্যদান: Leo মায়ের বুকের দুধে নির্গত হয়। শিশুর জয়েন্ট/তরুণাস্থি ক্ষতি ও অন্যান্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সম্ভাব্য ঝুঁকির কারণে, মায়ের জন্য ওষুধের গুরুত্ব বিবেচনা করে স্তন্যপান বন্ধ রাখা বা Leo বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত চিকিৎসকের পরামর্শে নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিকভাবে Leo সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, বা অন্য কাউকে দেবেন না।

  • টেন্ডন প্রদাহ ও ছিঁড়ে যাওয়া: Leo-সহ ফ্লুরোকুইনোলোন ওষুধে টেন্ডন প্রদাহ ও ছিঁড়ে যাওয়ার (বিশেষত অ্যাকিলিস টেন্ডনে) ঝুঁকি বাড়ে, যেকোনো বয়সেই। ৬০ বছরের বেশি বয়সী, কর্টিকোস্টেরয়েড সেবনকারী ও অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা রোগীদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি। টেন্ডনে ব্যথা, ফোলা বা প্রদাহ দেখা দিলে সাথে সাথে Leo বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি: Leo সেবনের অল্প সময়ের মধ্যেই পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি দেখা দিতে পারে, যা স্থায়ী হতে পারে। লক্ষণ (ব্যথা, জ্বালাপোড়া, ঝিনঝিন, অবশভাব, দুর্বলতা) দেখা দিলে সাথে সাথে বন্ধ করুন।
  • কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের প্রতিক্রিয়া: খিঁচুনি, মস্তিষ্কের চাপ বৃদ্ধি, বিভ্রান্তি এবং বিরল ক্ষেত্রে আত্মহত্যার চিন্তাসহ মানসিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে। মৃগীরোগ বা স্নায়বিক সমস্যার ইতিহাস থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।
  • মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিস: ব্যবহার এড়িয়ে চলুন, কারণ ফ্লুরোকুইনোলোন পেশির দুর্বলতা বাড়াতে পারে (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।
  • QT দীর্ঘায়ন: QT দীর্ঘায়ন, অনিয়ন্ত্রিত ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা (হাইপোক্যালেমিয়া, হাইপোম্যাগনেসেমিয়া) বা অন্য QT-দীর্ঘকারী ওষুধ সেবনকারী রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।
  • এওর্টিক অ্যানিউরিজম/ডিসেকশন: ফ্লুরোকুইনোলোনে এওর্টিক অ্যানিউরিজম ও ডিসেকশনের ঝুঁকি বাড়ে, বিশেষত বয়স্কদের ক্ষেত্রে; অ্যানিউরিজমের ইতিহাস বা ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের ক্ষেত্রে অন্য কোনো চিকিৎসা বিকল্প না থাকলেই কেবল ব্যবহার করুন।
  • C. difficile-জনিত ডায়রিয়া: চিকিৎসাকালীন বা চিকিৎসা শেষের কয়েক মাস পর পর্যন্ত হতে পারে; ডায়রিয়া হলে মূল্যায়ন করে যথাযথ ব্যবস্থা নিন।
  • ফটোসেনসিটিভিটি: চিকিৎসাকালীন অতিরিক্ত রোদ/UV এক্সপোজার এড়িয়ে চলুন এবং সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
  • রক্তে গ্লুকোজের ব্যাঘাত: ডায়াবেটিস রোগীদের, বিশেষত ইনসুলিন বা মুখে খাওয়ার ওষুধ সেবনকারীদের ক্ষেত্রে রক্তে শর্করা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন।
  • যকৃতের প্রতিক্রিয়া: বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর যকৃতের ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে; যকৃতের কর্মহীনতার লক্ষণ দেখা দিলে বন্ধ করুন।
  • শুধুমাত্র নিশ্চিত বা দৃঢ়ভাবে সন্দেহজনক ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে ব্যবহার করুন, যাতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া তৈরি হওয়া প্রতিরোধ করা যায়।

মাত্রাধিক্যতা

Leo-এর মাত্রাধিক্যতা (ওভারডোজ) সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন অথবা নিকটস্থ জরুরি বিভাগ/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। চিকিৎসা মূলত সহায়ক ও লক্ষণভিত্তিক, যার মধ্যে থাকতে পারে চিকিৎসা কর্মীদের তত্ত্বাবধানে দ্রুত পাকস্থলী খালি করা/ডিকনটামিনেশন, হৃদস্পন্দনের (ইসিজি, QT দীর্ঘায়নের জন্য) ও শরীরে পানির ভারসাম্যের নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং সাধারণ সহায়ক চিকিৎসা। হেমোডায়ালাইসিস ও পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস শরীর থেকে Leo কার্যকরভাবে অপসারণ করতে পারে না। বাড়িতে নিজে থেকে মাত্রাধিক্যতা সামলানোর চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বৃক্কের সমস্যা

বৃক্কের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে Leo-এর মাত্রা সমন্বয় করা প্রয়োজন। ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স কমার সাথে সাথে নির্দিষ্ট নির্দেশনা ও ক্লিয়ারেন্স মান অনুযায়ী মাত্রা বা সেবনের ব্যবধান (বা উভয়ই) কমাতে হবে; সঠিক সমন্বয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। হেমোডায়ালাইসিস ও পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে Leo কার্যকরভাবে শরীর থেকে অপসারণ করা যায় না।

যকৃতের সমস্যা

Leo যকৃতে খুব সামান্যই বিপাক হয় বলে সাধারণত যকৃতের সমস্যায় মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না; তবে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত, কারণ বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর যকৃতের ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

বয়স্ক রোগী

বয়স্ক রোগী, বিশেষত যারা কর্টিকোস্টেরয়েড সেবন করছেন বা যাদের বৃক্কের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে Leo সেবনে টেন্ডন সমস্যা, এওর্টিক অ্যানিউরিজম/ডিসেকশন ও QT দীর্ঘায়নের ঝুঁকি বেশি; সতর্কতার সাথে এবং বৃক্কের কার্যক্ষমতা অনুযায়ী মাত্রা সমন্বয় করে ব্যবহার করুন।

শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

Leo সাধারণত ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু ও কিশোরদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য সুপারিশ করা হয় না, কারণ ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে নিয়ন্ত্রণ গ্রুপের তুলনায় শিশুদের ক্ষেত্রে পেশি ও জয়েন্ট সংক্রান্ত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার (যেমন জয়েন্টে ব্যথা, টেন্ডন সমস্যা) হার বেশি পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞের নির্দেশনায় ৬ মাস বা তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে কেবল ইনহেলেশনাল অ্যানথ্রাক্স সংস্পর্শ-পরবর্তী প্রতিরোধ/চিকিৎসা এবং প্লেগের চিকিৎসায় Leo ব্যবহার করা যেতে পারে, যেখানে ওজন-ভিত্তিক মাত্রা (সাধারণত প্রায় ৮ মি.গ্রা./কেজি প্রতি ডোজ, সর্বোচ্চ ২৫০ মি.গ্রা. পর্যন্ত, দিনে দুইবার) চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে নির্ধারণ করতে হয়। অন্য কোনো নির্দেশনায় শিশুদের ক্ষেত্রে Leo-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়, তাই এক্ষেত্রে সাধারণত বিকল্প অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Leo 250 mg Tablet কী কাজে ব্যবহার করা হয়?

A: Leo 250 mg Tablet একটি ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক যা নিউমোনিয়া, সাইনুসাইটিস, ব্রঙ্কাইটিসের তীব্রতা বৃদ্ধি, মূত্রনালীর সংক্রমণ এবং কিছু ত্বকের সংক্রমণসহ বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি শুধুমাত্র ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে কাজ করে, সর্দি বা ফ্লু-এর মতো ভাইরাসজনিত অসুখে নয়।

Q: ভালো বোধ করলে কি Leo 250 mg Tablet সেবন বন্ধ করে দেওয়া যায়?

A: না। চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিকভাবে Leo 250 mg Tablet সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, বা অন্য কাউকে দেবেন না। আগেভাগে বন্ধ করলে সংক্রমণ আবার ফিরে আসতে পারে এবং অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির ঝুঁকি বাড়ে।

Q: Leo 250 mg Tablet সেবনকালে কোন খাবার বা ওষুধ এড়িয়ে চলা উচিত?

A: হ্যাঁ। Leo 250 mg Tablet সেবনের ২ ঘণ্টার মধ্যে অ্যান্টাসিড, ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিংক সাপ্লিমেন্ট বা দুগ্ধজাত পণ্য গ্রহণ এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো শোষণ কমিয়ে দেয়। এছাড়া ওয়ারফারিন, থিওফাইলিন, কর্টিকোস্টেরয়েড ও ডায়াবেটিসের ওষুধসহ আপনি যেসব অন্য ওষুধ সেবন করছেন তা চিকিৎসককে জানান, কারণ Leo 250 mg Tablet-এর সাথে এগুলোর মিথষ্ক্রিয়া হতে পারে।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Leo 250 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: গর্ভস্থ শিশু বা স্তন্যপানরত শিশুর সম্ভাব্য ঝুঁকির কারণে গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে সাধারণত Leo 250 mg Tablet এড়িয়ে চলা হয়। চিকিৎসক যদি নির্ধারণ করেন যে সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে স্পষ্টভাবে বেশি এবং নিরাপদ বিকল্প না থাকে, কেবল তখনই এটি ব্যবহার করা উচিত।

Q: কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে Leo 250 mg Tablet বন্ধ করে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত?

A: Leo 250 mg Tablet সেবনকালে টেন্ডনে ব্যথা বা ফোলা (বিশেষত হিলের/অ্যাকিলিস অংশে), অবশভাব বা ঝিনঝিন, তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, হঠাৎ তীব্র বুক বা পেটে ব্যথা, খিঁচুনি, বিভ্রান্তি বা অ্যালার্জির লক্ষণ (র‍্যাশ, ফোলা, শ্বাসকষ্ট) দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: শিশুরা কি Leo 250 mg Tablet সেবন করতে পারে?

A: শিশুদের ক্ষেত্রে পরিচালিত গবেষণায় জয়েন্ট ও টেন্ডন সমস্যার ঝুঁকি পাওয়া যাওয়ায় সাধারণত শিশুদের জন্য Leo 250 mg Tablet সুপারিশ করা হয় না। কেবলমাত্র অ্যানথ্রাক্স সংস্পর্শ বা প্লেগের মতো নির্দিষ্ট, গুরুতর পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে এটি শিশুদের দেওয়া হয়।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor