
Levoxin250 mg
Incepta Pharmaceuticals Ltd.

Leo একটি ফ্লুরোকুইনোলোন গোত্রের অ্যান্টিবায়োটিক, যা সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট বিভিন্ন সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
Leo শুধুমাত্র ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণে কার্যকর; সাধারণ সর্দি বা ফ্লু-এর মতো ভাইরাসজনিত অসুখে এটি কাজ করে না।
Leo ফ্লুরোকুইনোলোন শ্রেণীর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ওষুধ।
Levofloxacin ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএ গাইরেজ (টপোইসোমারেজ II) এবং টপোইসোমারেজ IV এনজাইমকে বাধা দিয়ে কাজ করে, যা ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএ প্রতিলিপন, প্রতিলিখন ও মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয়। এই এনজাইমগুলো বাধাগ্রস্ত হলে ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএ স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে না, ফলে ব্যাকটেরিয়া মারা যায়।
Leo-এর মাত্রা সংক্রমণের ধরন, তীব্রতা ও রোগীর বৃক্কের কার্যক্ষমতা অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিকভাবে Leo সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, বা অন্য কাউকে দেবেন না। লক্ষণ কমে গেলেও চিকিৎসকের নির্ধারিত সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করুন, যাতে চিকিৎসা ব্যর্থতা ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির ঝুঁকি কমে।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা | সময়কাল |
|---|---|---|
| কমিউনিটি-অ্যাকোয়ার্ড নিউমোনিয়া | ৫০০ মি.গ্রা. দিনে একবার অথবা ৭৫০ মি.গ্রা. দিনে একবার | ৭-১৪ দিন (৫০০ মি.গ্রা.) অথবা ৫ দিন (৭৫০ মি.গ্রা.) |
| হাসপাতাল-জনিত নিউমোনিয়া | ৭৫০ মি.গ্রা. দিনে একবার | ৭-১৪ দিন |
| একিউট ব্যাকটেরিয়াল সাইনুসাইটিস | ৫০০ মি.গ্রা. অথবা ৭৫০ মি.গ্রা. দিনে একবার | ১০-১৪ দিন (৫০০ মি.গ্রা.) অথবা ৫ দিন (৭৫০ মি.গ্রা.) |
| ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিসের তীব্রতা বৃদ্ধি | ৫০০ মি.গ্রা. দিনে একবার | ৭ দিন |
| সাধারণ মূত্রনালীর সংক্রমণ | ২৫০ মি.গ্রা. দিনে একবার | ৩ দিন |
| জটিল মূত্রনালীর সংক্রমণ/পাইলোনেফ্রাইটিস | ২৫০ মি.গ্রা. দিনে একবার (গুরুতর ক্ষেত্রে ৭৫০ মি.গ্রা.) | ৫-১০ দিন (অথবা ৭৫০ মি.গ্রা.য় ৫ দিন) |
| সাধারণ ত্বকের সংক্রমণ | ৫০০ মি.গ্রা. দিনে একবার | ৭-১০ দিন |
| জটিল ত্বকের সংক্রমণ | ৭৫০ মি.গ্রা. দিনে একবার | ৭-১৪ দিন |
| দীর্ঘমেয়াদী ব্যাকটেরিয়াল প্রোস্টেটাইটিস | ৫০০ মি.গ্রা. দিনে একবার | ২৮ দিন |
বৃক্কের সমস্যায়: ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স কমে গেলে মাত্রা বা সেবনের ব্যবধান সমন্বয় করতে হবে (বিস্তারিত দেখুন শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার অংশে)।
সেবনবিধি: মুখে খাওয়ার Leo খাবারসহ বা খাবার ছাড়া নেওয়া যায়, তবে অ্যান্টাসিড, সুক্রালফেট, আয়রন/জিংকযুক্ত মাল্টিভিটামিন বা দুগ্ধজাত পণ্য থেকে অন্তত ২ ঘণ্টা আগে বা পরে সেবন করতে হবে, কারণ এগুলো শোষণ কমিয়ে দেয়। পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত। ইনজেকশন ফর্মটি কেবল ধীরগতিতে (৬০-৯০ মিনিট ধরে) শিরাপথে ইনফিউশন হিসেবে দিতে হয়; দ্রুত বা বোলাস ইনজেকশন হিসেবে কখনোই দেওয়া যাবে না।
Leo-এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:
Levofloxacin নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত (ব্যবহার করা যাবে না):
বেশিরভাগ রোগী Leo ভালোভাবে সহ্য করেন, তবে কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে।
Leo সেবনকালে টেন্ডনে ব্যথা/ফোলা, অস্বাভাবিক অবশভাব/ঝিনঝিন, তীব্র ডায়রিয়া, হঠাৎ তীব্র বুক/পিঠ/পেটে ব্যথা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় সাধারণত Leo ব্যবহার এড়িয়ে চলা হয়। প্রাণীদেহে পরীক্ষায় দেখা গেছে Leo ও অন্যান্য ফ্লুরোকুইনোলোন অপরিণত প্রাণীর তরুণাস্থি ও জয়েন্টের ক্ষতি করতে পারে, যা গর্ভস্থ শিশুর ক্ষেত্রেও তাত্ত্বিক উদ্বেগের কারণ। Leo কেবলমাত্র তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন সম্ভাব্য উপকারিতা গর্ভস্থ শিশুর ঝুঁকির চেয়ে স্পষ্টভাবে বেশি এবং নিরাপদ বিকল্প অ্যান্টিবায়োটিক উপযুক্ত না হয়; ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
স্তন্যদান: Leo মায়ের বুকের দুধে নির্গত হয়। শিশুর জয়েন্ট/তরুণাস্থি ক্ষতি ও অন্যান্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সম্ভাব্য ঝুঁকির কারণে, মায়ের জন্য ওষুধের গুরুত্ব বিবেচনা করে স্তন্যপান বন্ধ রাখা বা Leo বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত চিকিৎসকের পরামর্শে নেওয়া উচিত।
চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিকভাবে Leo সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, বা অন্য কাউকে দেবেন না।
Leo-এর মাত্রাধিক্যতা (ওভারডোজ) সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন অথবা নিকটস্থ জরুরি বিভাগ/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। চিকিৎসা মূলত সহায়ক ও লক্ষণভিত্তিক, যার মধ্যে থাকতে পারে চিকিৎসা কর্মীদের তত্ত্বাবধানে দ্রুত পাকস্থলী খালি করা/ডিকনটামিনেশন, হৃদস্পন্দনের (ইসিজি, QT দীর্ঘায়নের জন্য) ও শরীরে পানির ভারসাম্যের নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং সাধারণ সহায়ক চিকিৎসা। হেমোডায়ালাইসিস ও পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস শরীর থেকে Leo কার্যকরভাবে অপসারণ করতে পারে না। বাড়িতে নিজে থেকে মাত্রাধিক্যতা সামলানোর চেষ্টা করবেন না।
ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
বৃক্কের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে Leo-এর মাত্রা সমন্বয় করা প্রয়োজন। ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স কমার সাথে সাথে নির্দিষ্ট নির্দেশনা ও ক্লিয়ারেন্স মান অনুযায়ী মাত্রা বা সেবনের ব্যবধান (বা উভয়ই) কমাতে হবে; সঠিক সমন্বয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। হেমোডায়ালাইসিস ও পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে Leo কার্যকরভাবে শরীর থেকে অপসারণ করা যায় না।
Leo যকৃতে খুব সামান্যই বিপাক হয় বলে সাধারণত যকৃতের সমস্যায় মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না; তবে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত, কারণ বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর যকৃতের ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
বয়স্ক রোগী, বিশেষত যারা কর্টিকোস্টেরয়েড সেবন করছেন বা যাদের বৃক্কের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে Leo সেবনে টেন্ডন সমস্যা, এওর্টিক অ্যানিউরিজম/ডিসেকশন ও QT দীর্ঘায়নের ঝুঁকি বেশি; সতর্কতার সাথে এবং বৃক্কের কার্যক্ষমতা অনুযায়ী মাত্রা সমন্বয় করে ব্যবহার করুন।
Leo সাধারণত ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু ও কিশোরদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য সুপারিশ করা হয় না, কারণ ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে নিয়ন্ত্রণ গ্রুপের তুলনায় শিশুদের ক্ষেত্রে পেশি ও জয়েন্ট সংক্রান্ত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার (যেমন জয়েন্টে ব্যথা, টেন্ডন সমস্যা) হার বেশি পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞের নির্দেশনায় ৬ মাস বা তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে কেবল ইনহেলেশনাল অ্যানথ্রাক্স সংস্পর্শ-পরবর্তী প্রতিরোধ/চিকিৎসা এবং প্লেগের চিকিৎসায় Leo ব্যবহার করা যেতে পারে, যেখানে ওজন-ভিত্তিক মাত্রা (সাধারণত প্রায় ৮ মি.গ্রা./কেজি প্রতি ডোজ, সর্বোচ্চ ২৫০ মি.গ্রা. পর্যন্ত, দিনে দুইবার) চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে নির্ধারণ করতে হয়। অন্য কোনো নির্দেশনায় শিশুদের ক্ষেত্রে Leo-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়, তাই এক্ষেত্রে সাধারণত বিকল্প অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়।
Q: Leo 250 mg Tablet কী কাজে ব্যবহার করা হয়?
A: Leo 250 mg Tablet একটি ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক যা নিউমোনিয়া, সাইনুসাইটিস, ব্রঙ্কাইটিসের তীব্রতা বৃদ্ধি, মূত্রনালীর সংক্রমণ এবং কিছু ত্বকের সংক্রমণসহ বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি শুধুমাত্র ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে কাজ করে, সর্দি বা ফ্লু-এর মতো ভাইরাসজনিত অসুখে নয়।
Q: ভালো বোধ করলে কি Leo 250 mg Tablet সেবন বন্ধ করে দেওয়া যায়?
A: না। চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিকভাবে Leo 250 mg Tablet সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, বা অন্য কাউকে দেবেন না। আগেভাগে বন্ধ করলে সংক্রমণ আবার ফিরে আসতে পারে এবং অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির ঝুঁকি বাড়ে।
Q: Leo 250 mg Tablet সেবনকালে কোন খাবার বা ওষুধ এড়িয়ে চলা উচিত?
A: হ্যাঁ। Leo 250 mg Tablet সেবনের ২ ঘণ্টার মধ্যে অ্যান্টাসিড, ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিংক সাপ্লিমেন্ট বা দুগ্ধজাত পণ্য গ্রহণ এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো শোষণ কমিয়ে দেয়। এছাড়া ওয়ারফারিন, থিওফাইলিন, কর্টিকোস্টেরয়েড ও ডায়াবেটিসের ওষুধসহ আপনি যেসব অন্য ওষুধ সেবন করছেন তা চিকিৎসককে জানান, কারণ Leo 250 mg Tablet-এর সাথে এগুলোর মিথষ্ক্রিয়া হতে পারে।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Leo 250 mg Tablet কি নিরাপদ?
A: গর্ভস্থ শিশু বা স্তন্যপানরত শিশুর সম্ভাব্য ঝুঁকির কারণে গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে সাধারণত Leo 250 mg Tablet এড়িয়ে চলা হয়। চিকিৎসক যদি নির্ধারণ করেন যে সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে স্পষ্টভাবে বেশি এবং নিরাপদ বিকল্প না থাকে, কেবল তখনই এটি ব্যবহার করা উচিত।
Q: কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে Leo 250 mg Tablet বন্ধ করে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত?
A: Leo 250 mg Tablet সেবনকালে টেন্ডনে ব্যথা বা ফোলা (বিশেষত হিলের/অ্যাকিলিস অংশে), অবশভাব বা ঝিনঝিন, তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, হঠাৎ তীব্র বুক বা পেটে ব্যথা, খিঁচুনি, বিভ্রান্তি বা অ্যালার্জির লক্ষণ (র্যাশ, ফোলা, শ্বাসকষ্ট) দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: শিশুরা কি Leo 250 mg Tablet সেবন করতে পারে?
A: শিশুদের ক্ষেত্রে পরিচালিত গবেষণায় জয়েন্ট ও টেন্ডন সমস্যার ঝুঁকি পাওয়া যাওয়ায় সাধারণত শিশুদের জন্য Leo 250 mg Tablet সুপারিশ করা হয় না। কেবলমাত্র অ্যানথ্রাক্স সংস্পর্শ বা প্লেগের মতো নির্দিষ্ট, গুরুতর পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে এটি শিশুদের দেওয়া হয়।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।