
Amlevo2.5 mg
Eskayef Bangladesh Ltd.

LM উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। রক্তচাপ কমানোর মাধ্যমে এটি স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের মতো মারাত্মক কার্ডিওভাসকুলার ঘটনার ঝুঁকি হ্রাস করে।
LM-এ অ্যামলোডিপিনের সক্রিয় S-আইসোমার রয়েছে, যার ফলে রেসেমিক অ্যামলোডিপিনের প্রায় অর্ধেক মাত্রায় কার্যকর রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়।
LM একটি ডাইহাইড্রোপাইরিডিন ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার (CCB) শ্রেণির অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ ঔষধ। এটি অ্যামলোডিপিনের একক সক্রিয় এন্যান্টিওমার।
Levamlodipine Maleate রক্তনালীর মসৃণ পেশী কোষে ক্যালসিয়াম আয়নের প্রবেশ প্রতিরোধ করে, ফলে রক্তনালী শিথিল হয়, পেরিফেরাল ভাস্কুলার রেজিস্ট্যান্স কমে এবং রক্তচাপ হ্রাস পায়। Levamlodipine Maleate অ্যামলোডিপিনের ফার্মাকোলজিক্যালি সক্রিয়, অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ আইসোমার; R-এন্যান্টিওমারের অবদান নগণ্য।
| রোগীর ধরন | প্রস্তাবিত মাত্রা |
|---|---|
| সাধারণ প্রাপ্তবয়স্ক | প্রাথমিক: দৈনিক ২.৫ মি.গ্রা. মুখে একবার; রক্তচাপ অনুযায়ী সর্বোচ্চ দৈনিক ৫ মি.গ্রা. পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে |
| দুর্বল/বয়স্ক রোগী অথবা যকৃতের কার্যক্ষমতা হ্রাসপ্রাপ্ত রোগী | প্রাথমিক: দৈনিক ১.২৫ মি.গ্রা. মুখে একবার |
মাত্রা সাধারণত ৭–১৪ দিনের ব্যবধানে সমন্বয় করা উচিত, রোগীর প্রতিক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে, যদি না দ্রুত সমন্বয়ের চিকিৎসাগত প্রয়োজন থাকে।
প্রাথমিক মাত্রা: দৈনিক ১.২৫ থেকে ২.৫ মি.গ্রা. মুখে একবার। দৈনিক ২.৫ মি.গ্রা.-এর বেশি মাত্রা শিশুদের ক্ষেত্রে পরীক্ষা করা হয়নি। ৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
LM যকৃতে ব্যাপকভাবে বিপাকিত হয় এবং যকৃতের কার্যক্ষমতা কমে গেলে অর্ধায়ু দীর্ঘ হয় বলে দৈনিক ১.২৫ মি.গ্রা. দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে ও নিবিড় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মাত্রা বাড়ানো উচিত।
মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই, কারণ কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস LM-এর ফার্মাকোকাইনেটিক্সে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে না।
LM-এর সাথে নিচের মিথষ্ক্রিয়াগুলো চিকিৎসাগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও সুপ্রতিষ্ঠিত:
যেসব রোগীর লেভামলোডিপিন, অ্যামলোডিপিন, অথবা অন্যান্য ডাইহাইড্রোপাইরিডিন ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকারের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা (hypersensitivity) রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে Levamlodipine Maleate প্রতিনির্দেশিত (contraindicated)।
LM-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো সাধারণত মাত্রা-নির্ভর।
গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে LM ব্যবহারের তথ্য সীমিত এবং বড় জন্মগত ত্রুটি বা গর্ভপাতের ঝুঁকি নিশ্চিতভাবে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট নয়। প্রাণী গবেষণায় অত্যন্ত উচ্চ মাত্রায় টেরাটোজেনিসিটির প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে খুব উচ্চ মাত্রায় লিটার সংখ্যা হ্রাস ও গর্ভস্থ মৃত্যু বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। LM গর্ভাবস্থায় কেবল তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন এর সুস্পষ্ট প্রয়োজন থাকে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হয়; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
অ্যামলোডিপিন (এবং তাই লেভামলোডিপিন) মায়ের বুকের দুধে অল্প পরিমাণে পাওয়া যায়, এবং প্রাপ্ত তথ্যে স্তন্যপান করা শিশুর উপর কোনো উল্লেখযোগ্য বিরূপ প্রভাব রিপোর্ট করা হয়নি। তথ্য সীমিত থাকায়, LM স্তন্যদানকালে কেবল চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে, উপকারিতা ও শিশুর সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করে এবং শিশুর প্রতি নজর রেখে ব্যবহার করা উচিত।
LM-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনে অতিরিক্ত পেরিফেরাল ভাসোডাইলেশন, তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী সিস্টেমিক হাইপোটেনশন এবং রিফ্লেক্স টাকিকার্ডিয়া দেখা দিতে পারে। LM-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন অথবা জরুরি চিকিৎসা সেবা বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা মূলত সহায়ক—হৃদযন্ত্র পর্যবেক্ষণ, পা উঁচু করে রাখা, তরল ভারসাম্য সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনে ভাসোপ্রেসর প্রয়োগ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে; উচ্চ প্রোটিন-বাইন্ডিং এর কারণে হেমোডায়ালাইসিস সাধারণত কার্যকর নয়। বাড়িতে নিজে থেকে অতিরিক্ত মাত্রার চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না।
ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
৬ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের উচ্চ রক্তচাপে LM-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত; দৈনিক ২.৫ মি.গ্রা.-এর বেশি মাত্রা এই বয়সীদের মধ্যে পরীক্ষা করা হয়নি। ৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে LM-এর নিষ্কাশন কমে যেতে পারে এবং শরীরে ঘনত্ব বেড়ে যেতে পারে। বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে সাধারণত সর্বনিম্ন মাত্রা (যেমন দৈনিক ১.২৫ মি.গ্রা.) দিয়ে শুরু করা উচিত, কারণ এই জনগোষ্ঠীতে যকৃত, কিডনি বা হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা হ্রাস এবং সহাবস্থানরত রোগ বা অন্যান্য ঔষধ সেবনের প্রবণতা বেশি থাকে।
সর্বনিম্ন প্রাথমিক মাত্রা (দৈনিক ১.২৫ মি.গ্রা.) ব্যবহার করে ধীরে ধীরে ও নিবিড় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মাত্রা বাড়ান (সতর্কতা অংশ দেখুন)।
মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই।
Q: LM 2.5 mg Tablet কীসের জন্য ব্যবহার করা হয়?
A: LM 2.5 mg Tablet প্রাপ্তবয়স্ক এবং ৬ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের উচ্চ রক্তচাপ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে, যা স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি হ্রাস করে।
Q: LM 2.5 mg Tablet কীভাবে সেবন করব?
A: LM 2.5 mg Tablet ঠিক যেভাবে চিকিৎসক নির্দেশ দিয়েছেন সেভাবে, দৈনিক একবার, খাবারের সাথে বা ছাড়া, প্রতিদিন একই সময়ে সেবন করুন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হঠাৎ বন্ধ করবেন না, বিশেষত হৃদরোগ থাকলে।
Q: LM 2.5 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?
A: সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো পায়ের/গোড়ালির শোথ, মুখ লাল হয়ে যাওয়া, হৃদস্পন্দনের অনুভূতি, মাথা ঘোরা এবং ক্লান্তি। এগুলো সাধারণত মাত্রা-নির্ভর। শোথ বা অন্যান্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বেশি অস্বস্তিকর বা তীব্র হলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি LM 2.5 mg Tablet সেবন করা যাবে?
A: গর্ভাবস্থায় LM 2.5 mg Tablet ব্যবহারের তথ্য সীমিত, তাই কেবল তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন চিকিৎসক মনে করেন উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে স্পষ্টভাবে বেশি। অল্প পরিমাণ বুকের দুধে যেতে পারে; স্তন্যদানের পরিকল্পনা থাকলে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন।
Q: কাদের LM 2.5 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়?
A: যাদের লেভামলোডিপিন, অ্যামলোডিপিন, অথবা অন্যান্য ডাইহাইড্রোপাইরিডিন ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকারের প্রতি পরিচিত অতি সংবেদনশীলতা (অ্যালার্জি) রয়েছে, তাদের LM 2.5 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়।
Q: LM 2.5 mg Tablet-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবন করে ফেললে কী করব?
A: LM 2.5 mg Tablet-এর অতিরিক্ত মাত্রা বিপজ্জনকভাবে নিম্ন রক্তচাপ এবং দ্রুত হৃদস্পন্দন সৃষ্টি করতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসা সেবা নিন অথবা জরুরি সেবা বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; বাড়িতে নিজে থেকে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।