Product gallery
MRP ১৬০.০০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১৪৭.২০/10's Strip
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Marincal DX হলো এগশেল (ডিমের খোসা) থেকে প্রাপ্ত একটি প্রাকৃতিক ক্যালসিয়াম কার্বোনেট উৎসের সাথে ভিটামিন ডি৩ (কোলেক্যালসিফেরল) সমৃদ্ধ একটি সাপ্লিমেন্ট, যা অন্ত্রে ক্যালসিয়াম শোষণ বাড়াতে সাহায্য করে। এটি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • খাদ্যে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায়।
  • ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় (ক্যালসিয়ামের সাথে সংমিশ্রণে)।
  • অস্টিওপোরোসিস, অস্টিওপেনিয়া ও বয়সজনিত হাড়ক্ষয় প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনায় সহায়ক (adjunct) থেরাপি হিসেবে, বিশেষত মেনোপজ-পরবর্তী নারী ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে।
  • অস্টিওম্যালাসিয়া ও রিকেটস-এর সহায়ক চিকিৎসায়, চিকিৎসকের নির্দেশিত মূল চিকিৎসার পাশাপাশি।

নির্দেশিকা-সমর্থিত/সহায়ক ব্যবহার

  • হাইপোপ্যারাথাইরয়েডিজম ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সহায়ক হিসেবে।
  • গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে বর্ধিত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি চাহিদা পূরণে, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।

উল্লেখ্য: Marincal DX একটি সাপ্লিমেন্ট মাত্র, চিকিৎসক-নির্দেশিত নির্দিষ্ট অস্টিওপোরোসিস থেরাপির বিকল্প নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Marincal DX "ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট ও ভিটামিন ডি অ্যানালগের সংমিশ্রণ" থেরাপিউটিক শ্রেণিভুক্ত, যা ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি ঘাটতিজনিত অবস্থা এবং হাড়ের বিপাকীয় রোগে সহায়ক থেরাপি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

Calcium Carbonate [Eggshell source] + Vitamin D3 দুটি সম্পূরক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ করে:

  • ক্যালসিয়াম কার্বোনেট: পাকস্থলীর অম্লীয় পরিবেশে ভেঙে ক্যালসিয়াম আয়ন মুক্ত করে, যা মূলত ক্ষুদ্রান্ত্রে ভিটামিন ডি-নির্ভর সক্রিয় পরিবহন ও নিষ্ক্রিয় শোষণ প্রক্রিয়ায় শোষিত হয়। শোষিত ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠনে (হাইড্রক্সিঅ্যাপাটাইট) ব্যবহৃত হয় এবং স্নায়ু-পেশি সংকেত, এনজাইম কার্যকলাপ ও রক্ত জমাট বাঁধা প্রক্রিয়ায়ও ভূমিকা রাখে।
  • ভিটামিন ডি৩ (কোলেক্যালসিফেরল): যকৃতে ও কিডনিতে রূপান্তরিত হয়ে সক্রিয় হরমোন ক্যালসিট্রিয়লে পরিণত হয়, যা অন্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফেট শোষণ বাড়ায়, কিডনিতে ক্যালসিয়াম পুনঃশোষণে সহায়তা করে এবং হাড়ের স্বাভাবিক পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় সহায়ক ভূমিকা রাখে।

এই দুইয়ের সংমিশ্রণে একা ক্যালসিয়ামের তুলনায় হাড়ের খনিজীকরণের জন্য ক্যালসিয়ামের কার্যকারিতা ও প্রাপ্যতা বৃদ্ধি পায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

নির্দেশনাপ্রচলিত প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা
ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি ঘাটতিদিনে ১ বার বা ২ বার ১টি ট্যাবলেট, অথবা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী
অস্টিওপোরোসিস/অস্টিওপেনিয়া ব্যবস্থাপনায় সহায়কসকালে ও রাতে ১টি করে ট্যাবলেট, অথবা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী, নির্ধারিত অস্টিওপোরোসিস ঔষধের সাথে
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানস্বতন্ত্র চাহিদা অনুযায়ী চিকিৎসকের নির্দেশমতো

শিশুদের মাত্রা

শিশুদের ক্ষেত্রে বয়স, ওজন ও ঘাটতির মাত্রা অনুযায়ী চিকিৎসকের নির্দেশে পৃথকভাবে মাত্রা নির্ধারণ করতে হবে; ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ওভার-দ্য-কাউন্টার মাত্রার নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয় (দেখুন শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার)।

কিডনি/যকৃত সংক্রান্ত সমন্বয়

কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে Marincal DX সতর্কতার সাথে এবং শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করতে হবে, কারণ ক্যালসিয়াম নিষ্কাশন ক্ষমতা কমে গেলে হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ে (দেখুন প্রতিনির্দেশনা ও সতর্কতা)।

সেবনবিধি

ক্যালসিয়াম কার্বোনেট শোষণ বাড়াতে ট্যাবলেট খাবারের সাথে খাওয়া ভালো। অন্য কোনো মিথষ্ক্রিয়াকারী ঔষধ সেবন করলে (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া) কমপক্ষে ২-৪ ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Marincal DX-এর উল্লেখযোগ্য ঔষধ মিথষ্ক্রিয়াসমূহ:

  • টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক: ক্যালসিয়াম এই অ্যান্টিবায়োটিকগুলোর সাথে যুক্ত হয়ে এদের শোষণ ও কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। কমপক্ষে ২-৩ ঘণ্টার ব্যবধানে সেবন করুন।
  • লিভোথাইরক্সিন: ক্যালসিয়াম লিভোথাইরক্সিনের শোষণ কমায়। Marincal DX থেকে অন্তত ৪ ঘণ্টার ব্যবধানে লিভোথাইরক্সিন সেবন করুন।
  • বিসফসফোনেট: ক্যালসিয়াম বিসফসফোনেটের শোষণ কমায়; নির্দেশিত সময় অনুযায়ী পৃথক মাত্রায় সেবন করুন।
  • থায়াজাইড ডাইইউরেটিক: একসাথে ব্যবহারে কিডনি থেকে ক্যালসিয়াম নিষ্কাশন কমে হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
  • ডিগক্সিন: অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণজনিত হাইপারক্যালসেমিয়া ডিগক্সিনের বিষক্রিয়া বাড়িয়ে হৃদস্পন্দনজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • করটিকোস্টেরয়েড: ক্যালসিয়াম শোষণ কমাতে পারে এবং ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি চাহিদা বাড়াতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

Calcium Carbonate [Eggshell source] + Vitamin D3 নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:

  • ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, ভিটামিন ডি৩, ডিম-জাত উপাদান, বা অন্য কোনো উপাদানের প্রতি অতি-সংবেদনশীলতা।
  • রক্তে উচ্চ ক্যালসিয়াম (হাইপারক্যালসেমিয়া)।
  • হাইপারভিটামিনোসিস ডি (অতিরিক্ত ভিটামিন ডি)।
  • গুরুতর কিডনি সমস্যা বা ক্যালসিয়ামজনিত কিডনি স্টোনের ইতিহাস, কারণ এতে ক্যালসিয়াম জমা ও কিডনির কার্যক্ষমতা আরও খারাপ হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Marincal DX সাধারণত সহনীয়। প্রতিবেদিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • সাধারণ: কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, গ্যাস, সামান্য পরিপাকতন্ত্রের অস্বস্তি, বা ঢেকুর (ক্যালসিয়াম কার্বোনেট উপাদানের কারণে)।
  • কম সাধারণ: বমি বমি ভাব, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, মাথাব্যথা।
  • বিরল (সাধারণত অতিরিক্ত/দীর্ঘমেয়াদি সেবনে): হাইপারক্যালসেমিয়া (ক্লান্তি, বিভ্রান্তি, অতিরিক্ত তৃষ্ণা, ঘন ঘন প্রস্রাব, বমি বমি ভাব/বমি), কিডনি স্টোন, এবং মিল্ক-অ্যালকালি সিন্ড্রোম।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-এর চাহিদা বেড়ে যায়, এবং Marincal DX এই চাহিদা পূরণে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তবে Marincal DX শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত, যিনি খাদ্যাভ্যাস ও ব্যক্তিগত চাহিদা অনুযায়ী উপযুক্ত মাত্রা নির্ধারণ করবেন, কারণ গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত ভিটামিন ডি বা ক্যালসিয়াম গ্রহণ ভ্রূণ/শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ (যেমন হাইপারক্যালসেমিয়া) হতে পারে। গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Marincal DX সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন:

  • কিডনি সমস্যা বা কিডনি স্টোনের ইতিহাস: ক্যালসিয়াম জমা ও স্টোন গঠনের ঝুঁকি বাড়ে; শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করুন এবং পর্যাপ্ত তরল পান নিশ্চিত করুন।
  • সারকয়েডোসিস বা অন্যান্য গ্র্যানুলোমাটাস রোগ: এসব অবস্থায় ভিটামিন ডি বিপাক অস্বাভাবিক হতে পারে এবং হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
  • ডিমে অ্যালার্জি: Marincal DX-এর ক্যালসিয়াম কার্বোনেট এগশেল (ডিমের খোসা) থেকে প্রাপ্ত হওয়ায়, ডিমে অ্যালার্জি থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন ও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, যদিও এগশেলে সাধারণত ডিমের সাদা/কুসুমের তুলনায় অ্যালার্জেন খুবই সামান্য থাকে।
  • দীর্ঘমেয়াদি বা উচ্চ মাত্রায় ব্যবহার: হাইপারক্যালসেমিয়া বা মিল্ক-অ্যালকালি সিন্ড্রোম হতে পারে; দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে পর্যায়ক্রমে সিরাম ক্যালসিয়াম পরীক্ষা করা ভালো।
  • ডিগক্সিন বা ক্যালসিয়াম দ্বারা প্রভাবিত ঔষধের সাথে একযোগে ব্যবহার (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া): প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যবেক্ষণ করুন।

মাত্রাধিক্যতা

Marincal DX-এর অতিরিক্ত মাত্রায় হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে, যার লক্ষণ হলো বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটে ব্যথা, বিভ্রান্তি, অতিরিক্ত তৃষ্ণা, ঘন ঘন প্রস্রাব, পেশি দুর্বলতা এবং গুরুতর ক্ষেত্রে হৃদস্পন্দনজনিত সমস্যা বা কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস। অতিরিক্ত ভিটামিন ডি গ্রহণ এই ঝুঁকি আরও বাড়াতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রা সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; নিজে থেকে কোনো নির্দিষ্ট ঘরোয়া চিকিৎসা করবেন না।

সংরক্ষণ

রুম তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বয়স্কদের ক্ষেত্রে: অস্টিওপোরোসিসজনিত হাড়ক্ষয় প্রতিরোধে বয়স্কদের মধ্যে Marincal DX সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয়; স্বাভাবিক প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা প্রযোজ্য, তবে কিডনির কার্যক্ষমতার প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে।

কিডনি সমস্যা: সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন; হাইপারক্যালসেমিয়া ও ক্যালসিয়াম জমার ঝুঁকি বেশি (গুরুতর ক্ষেত্রে দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।

যকৃতের সমস্যা: নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত নয়, তবে উল্লেখযোগ্য যকৃত রোগে ভিটামিন ডি সক্রিয়করণ কমতে পারে; চিকিৎসকের নির্দেশনায় ব্যবহার করুন।

শিশুদের ক্ষেত্রে: বয়স ও ওজন অনুযায়ী স্বতন্ত্র মাত্রায় চিকিৎসকের নির্দেশে ব্যবহার করুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Marincal DX Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Marincal DX Tablet ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায়, এবং অস্টিওপোরোসিস, অস্টিওপেনিয়া, অস্টিওম্যালাসিয়া ও রিকেটস ব্যবস্থাপনায় সহায়ক থেরাপি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Q: Marincal DX Tablet-এর সাথে অন্য ঔষধ খাওয়া যাবে কি?

A: Marincal DX Tablet টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক, লিভোথাইরক্সিন এবং বিসফসফোনেটের মতো কিছু ঔষধের শোষণ কমাতে পারে। এসব ঔষধ থেকে ২-৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সেবন করুন এবং আপনার সেবিত সকল ঔষধ সম্পর্কে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।

Q: গর্ভাবস্থায় Marincal DX Tablet নিরাপদ কি?

A: গর্ভাবস্থায় বর্ধিত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি চাহিদা পূরণে Marincal DX Tablet সাধারণত ব্যবহৃত হয়, তবে এটি শুধুমাত্র চিকিৎসকের নির্দেশনায় ব্যবহার করা উচিত, কারণ অতিরিক্ত গ্রহণ ভ্রূণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: Marincal DX Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, গ্যাস ও সামান্য পেটের অস্বস্তি। খাবারের সাথে সেবন করলে এসব সমস্যা কমতে পারে।

Q: কাদের Marincal DX Tablet খাওয়া উচিত নয়?

A: রক্তে উচ্চ ক্যালসিয়াম (হাইপারক্যালসেমিয়া), হাইপারভিটামিনোসিস ডি, গুরুতর কিডনি রোগ বা ক্যালসিয়ামজনিত কিডনি স্টোনের ইতিহাস, অথবা ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, ভিটামিন ডি৩ বা ডিম-জাত উপাদানে অতি-সংবেদনশীলতা থাকলে Marincal DX Tablet খাওয়া উচিত নয়।

Q: Marincal DX Tablet বেশি খেয়ে ফেললে কী হবে?

A: অতিরিক্ত Marincal DX Tablet সেবনে হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে, যার লক্ষণ বমি বমি ভাব, বমি, বিভ্রান্তি, অতিরিক্ত তৃষ্ণা ও পেশি দুর্বলতা। অতিরিক্ত মাত্রা সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor