Product gallery
MRP ৫১০.০০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৪৬৯.২০/piece
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Maxbon একটি নাইট্রোজেনযুক্ত বিসফসফোনেট, যা হাড় ক্ষয় (bone resorption) বেশি হয় এমন অবস্থায় ব্যবহৃত হয়।

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • মেনোপজ-পরবর্তী নারীদের অস্টিওপোরোসিসের চিকিৎসায় - হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে ও মেরুদণ্ডের ফ্র্যাকচারের ঝুঁকি কমাতে Maxbon ব্যবহৃত হয়।
  • হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকিতে থাকা মেনোপজ-পরবর্তী নারীদের অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে

গাইডলাইন-সমর্থিত ব্যবহার

  • চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পুরুষদের অস্টিওপোরোসিসে এবং স্টেরয়েড-জনিত অস্টিওপোরোসিসে Maxbon ব্যবহৃত হতে পারে।

Maxbon সাধারণত পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণ এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের (ব্যায়াম, ধূমপান বর্জন) সাথে একত্রে ব্যবহার করা হয়, শুধু একাই ব্যবহার করা যথেষ্ট নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Maxbon একটি বিসফসফোনেট শ্রেণীর ঔষধ, নির্দিষ্টভাবে নাইট্রোজেনযুক্ত (অ্যামিনোবিসফসফোনেট) এজেন্ট, যা হাড় ক্ষয় প্রতিরোধী / অ্যান্টি-অস্টিওপোরোটিক এজেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

Ibandronic Acid হাড়ের হাইড্রক্সিঅ্যাপাটাইট স্ফটিকের সাথে যুক্ত হয় এবং অস্টিওক্লাস্ট (হাড় ক্ষয়কারী কোষ) দ্বারা নির্বাচনীভাবে গৃহীত হয়।

অস্টিওক্লাস্টের ভেতরে এটি farnesyl pyrophosphate synthase এনজাইমকে বাধা দেয়, যা অস্টিওক্লাস্টের গঠন ও কার্যকারিতার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিনের কার্যক্রম ব্যাহত করে। ফলে অস্টিওক্লাস্ট নিষ্ক্রিয় ও ধ্বংস হয়ে যায়, এবং হাড় ক্ষয়ের হার কমে যায়।

এর ফলে Ibandronic Acid হাড় গঠনের তুলনায় হাড় ক্ষয় কমিয়ে দেয়, যার ফলে কয়েক মাসের চিকিৎসার পর হাড়ের ঘনত্ব ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়। হাড়ের সাথে এর শক্তিশালী সংযোগের কারণে এটি দীর্ঘ সময় কার্যকর থাকে, তাই মাসিক (মুখে) বা ত্রৈমাসিক (শিরাপথে) মাত্রায় দেওয়া যায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

মুখে সেবনযোগ্য ট্যাবলেট (১৫০ মি.গ্রা., মাসে একবার)

  • প্রতি মাসে একই তারিখে, সকালে ঘুম থেকে উঠার পর, প্রথম খাবার, পানীয় (পানি ব্যতীত) বা অন্য কোনো ঔষধ/সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের অন্তত ৬০ মিনিট আগে Maxbon সেবন করতে হবে।
  • ট্যাবলেটটি এক গ্লাস (১৮০-২৪০ মি.লি.) সাধারণ পানি দিয়ে বসে বা দাঁড়িয়ে পুরোটা গিলে ফেলতে হবে। মিনারেল ওয়াটার, চা, কফি, জুস বা দুধ ব্যবহার করা যাবে না।
  • ট্যাবলেট চিবানো বা চোষা যাবে না, কারণ এতে মুখ ও গলায় জ্বালাপোড়ার ঝুঁকি থাকে।
  • ঔষধ সেবনের পর অন্তত ৬০ মিনিট সোজা হয়ে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকতে হবে, শুয়ে পড়া যাবে না। এই সময়ের মধ্যে পানি ছাড়া কিছু খাওয়া, পান করা বা অন্য ঔষধ সেবন করা যাবে না।

শিরাপথে ইনফিউশন (৩ মি.গ্রা./৩ মি.লি., প্রতি ৩ মাসে একবার)

  • একজন প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী দ্বারা ধীরে ধীরে ১৫-৩০ সেকেন্ড সময় নিয়ে শিরাপথে দেওয়া হয়; এক্ষেত্রে মুখে সেবনের বিশেষ নিয়ম (খালি পেট, সোজা হয়ে থাকা) প্রযোজ্য নয়।
  • ইনফিউশনের আগে পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ এবং প্রতিটি ডোজের আগে রক্তে ক্যালসিয়াম ও ক্রিয়াটিনিন পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
নির্দেশনাপ্রয়োগপথস্বাভাবিক প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা
মেনোপজ-পরবর্তী অস্টিওপোরোসিস - চিকিৎসা/প্রতিরোধমুখেমাসে একবার ১৫০ মি.গ্রা.
মেনোপজ-পরবর্তী অস্টিওপোরোসিস - চিকিৎসাশিরাপথেপ্রতি ৩ মাসে ৩ মি.গ্রা.

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সকল রোগীর পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণ করা উচিত। মাসিক মুখে সেবনের ডোজ ভুলে গেলে, পরবর্তী নির্ধারিত ডোজ যদি ৭ দিনের বেশি দূরে থাকে, তাহলে মনে পড়ার পরদিন সকালে ভুলে যাওয়া ডোজ নিতে হবে এবং তারপর মূল সময়সূচীতে ফিরে যেতে হবে; পরবর্তী ডোজ ৭ দিনের মধ্যে হলে ভুলে যাওয়া ডোজটি বাদ দিতে হবে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

ক্যালসিয়াম, অ্যান্টাসিড ও মিনারেল সাপ্লিমেন্ট: মুখে সেবনযোগ্য ক্যালসিয়াম, অ্যান্টাসিড এবং ম্যাগনেসিয়াম/অ্যালুমিনিয়াম/আয়রনযুক্ত সাপ্লিমেন্ট একসাথে খেলে মুখে সেবনযোগ্য Maxbon-এর শোষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়; এসব পণ্য Maxbon সেবনের অন্তত ৬০ মিনিট পর (আদর্শভাবে দিনের পরের দিকে) গ্রহণ করা উচিত।

এনএসএআইডি ও অ্যাসপিরিন: এনএসএআইডি-র সাথে একত্রে ব্যবহারে পাকস্থলী/অন্ত্রে জ্বালাপোড়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে; বিশেষ করে মুখে সেবনযোগ্য Maxbon-এর ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন।

অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড: বিসফসফোনেট ও অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড উভয়ই রক্তে ক্যালসিয়াম কমাতে পারে; একসাথে ব্যবহারে হাইপোক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে এবং পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

এইচ২-রিসেপ্টর ব্লকার: এইচ২-ব্লকারের সাথে ক্লিনিক্যালি উল্লেখযোগ্য কোনো মিথষ্ক্রিয়া নেই এবং মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না।

অন্যান্য মুখে সেবনযোগ্য ঔষধ: কড়া খালি পেট ও সোজা হয়ে থাকার নিয়মের কারণে, অন্যান্য মুখে সেবনযোগ্য ঔষধ সাধারণত Maxbon সেবনের ৬০ মিনিট পরে গ্রহণ করা উচিত, যাতে শোষণে বাধা না ঘটে।

প্রতিনির্দেশনা

  • Ibandronic Acid বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি জানা অতি-সংবেদনশীলতা (hypersensitivity)
  • অসংশোধিত হাইপোক্যালসেমিয়া - Ibandronic Acid শুরু করার আগে রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিক করতে হবে।
  • খাদ্যনালীর নির্দিষ্ট কিছু সমস্যা যা খাদ্যনালী খালি হতে দেরি করায়, যেমন স্ট্রিকচার বা অ্যাকালাসিয়া (মুখে সেবনযোগ্য ফর্মের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)।
  • ঔষধ সেবনের পর অন্তত ৬০ মিনিট সোজা হয়ে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকতে অক্ষম এমন রোগী।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

অধিকাংশ রোগী Maxbon ভালোভাবে সহ্য করেন। রিপোর্ট করা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:

সাধারণ

  • বদহজম, বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য
  • মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা
  • পিঠে ব্যথা, গিঁটে ব্যথা (আর্থ্রালজিয়া), মাংসপেশিতে ব্যথা
  • শিরাপথে দেওয়ার ক্ষেত্রে: ইনফিউশনের পর প্রথম কয়েক দিনে ফ্লু-জাতীয় "অ্যাকিউট ফেজ রিয়্যাকশন" (জ্বর, মাংসপেশি ও গিঁটে ব্যথা)

কম দেখা যায় কিন্তু গুরুতর

  • খাদ্যনালীর প্রদাহ, ঘা বা ক্ষয় (মুখে সেবনযোগ্য ফর্মে) - বিস্তারিত জানতে "সতর্কতা" দেখুন
  • চোয়ালের অস্টিওনেক্রোসিস - বিস্তারিত জানতে "সতর্কতা" দেখুন
  • দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে অস্বাভাবিক (atypical) ফিমার (উরুর হাড়) ফ্র্যাকচার - বিস্তারিত জানতে "সতর্কতা" দেখুন
  • তীব্র হাড়, গিঁট বা মাংসপেশির ব্যথা
  • অতি-সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া, বিরল ক্ষেত্রে অ্যানাফিল্যাক্সিস ও গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া
  • হাইপোক্যালসেমিয়া

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: প্রজনন-সক্ষম বয়সের নারী বা গর্ভবতী নারীদের জন্য Maxbon নির্দেশিত নয়। বিসফসফোনেট দীর্ঘ সময় হাড়ে জমা থাকে এবং ধীরে ধীরে নির্গত হয়, এবং প্রাণীর ওপর গবেষণায় ভ্রূণের বিকাশে ক্ষতিকর প্রভাব দেখা গেছে। গর্ভাবস্থায় Maxbon ব্যবহার করা উচিত নয়; গর্ভধারণ হলে বা পরিকল্পনা থাকলে সাথে সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে Maxbon বন্ধ করতে হবে।

স্তন্যদান: Maxbon মায়ের বুকের দুধে নির্গত হয় কিনা তা জানা নেই। শিশুর ওপর সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব এবং হাড়ে দীর্ঘ সময় জমা থাকার প্রবণতার কারণে, স্তন্যদানকারী মায়েদের Maxbon ব্যবহার করা উচিত নয়; বিকল্প চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

খাদ্যনালী ও উপরের পরিপাকতন্ত্রে জ্বালাপোড়া (মুখে সেবনযোগ্য ফর্ম)

মুখে সেবনযোগ্য Maxbon উপরের পরিপাকতন্ত্রের আবরণে স্থানীয় জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষত যেসব রোগী সেবনবিধি (সোজা হয়ে থাকা, শুধু পানি দিয়ে সেবন, শুয়ে না পড়া) সঠিকভাবে মেনে চলেন না, তাদের মধ্যে খাদ্যনালীর প্রদাহ, ঘা বা ক্ষয় দেখা দিতে পারে। গিলতে কষ্ট বা ব্যথা, বুকের পেছনে ব্যথা, বা নতুন/বাড়তে থাকা বুক জ্বালাপোড়া দেখা দিলে Maxbon বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

চোয়ালের অস্টিওনেক্রোসিস (ONJ)

দাঁত তোলা বা চোয়ালের অস্ত্রোপচারের পর ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়ার আকারে চোয়ালের অস্টিওনেক্রোসিস Maxbonসহ বিসফসফোনেট ব্যবহারে রিপোর্ট হয়েছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উচ্চ মাত্রার শিরাপথে বিসফসফোনেট গ্রহণকারী ক্যান্সার রোগীদের মধ্যে, তবে অস্টিওপোরোসিসের চিকিৎসায়ও বিরল ক্ষেত্রে ঘটতে পারে। ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের (যেমন পরিকল্পিত দাঁতের অস্ত্রোপচার, দুর্বল মুখগহ্বর স্বাস্থ্যবিধি, কেমোথেরাপি বা স্টেরয়েড গ্রহণকারী) Maxbon শুরু করার আগে দাঁতের পরীক্ষা করানো উচিত।

অস্বাভাবিক ফিমার ফ্র্যাকচার

দীর্ঘমেয়াদী বিসফসফোনেট ব্যবহারে, Maxbonসহ, অস্বাভাবিক, স্বল্প আঘাতে বা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ফিমার (উরুর হাড়) ফ্র্যাকচার হওয়ার ঘটনা রিপোর্ট হয়েছে। চিকিৎসাকালীন নতুন উরু, নিতম্ব বা কুঁচকির ব্যথা হলে দ্রুত মূল্যায়ন প্রয়োজন। বিশেষত ৩-৫ বছর ব্যবহারের পর চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা পর্যায়ক্রমে পুনর্মূল্যায়ন করা উচিত।

কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস

ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতার অভাবে, গুরুতর কিডনি কার্যক্ষমতা হ্রাসপ্রাপ্ত রোগীদের (creatinine clearance আনুমানিক ৩০ মি.লি./মিনিটের কম) জন্য Maxbon সুপারিশ করা হয় না; হালকা থেকে মাঝারি কিডনি সমস্যায় সতর্কতার সাথে ও পর্যবেক্ষণসহ ব্যবহার করা যেতে পারে।

হাইপোক্যালসেমিয়া ও মিনারেল বিপাক

Maxbon শুরু করার আগে হাইপোক্যালসেমিয়া ও হাড়/মিনারেল বিপাকজনিত অন্যান্য সমস্যা (যেমন ভিটামিন ডি-র অভাব) সংশোধন করতে হবে। চিকিৎসাকালীন পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

মাংসপেশি ও হাড়ের ব্যথা

তীব্র ও কখনো কখনো অক্ষমতাকারী হাড়, গিঁট বা মাংসপেশির ব্যথা রিপোর্ট হয়েছে; এমন হলে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া উচিত কিনা তা চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করতে হবে।

অ্যাকিউট ফেজ রিয়্যাকশন (শিরাপথে ফর্ম)

প্রথম শিরাপথে ইনফিউশনের পর সাময়িক জ্বর ও ফ্লু-জাতীয় উপসর্গ দেখা দিতে পারে; এটি সাধারণত কয়েক দিনের মধ্যে সেরে যায় এবং পরবর্তী ডোজে কম দেখা যায়।

মাত্রাধিক্যতা

Maxbon-এর মাত্রাধিক্য, বিশেষত মুখে সেবনযোগ্য ফর্মের ক্ষেত্রে, হাইপোক্যালসেমিয়া, হাইপোফসফেটেমিয়া এবং উপরের পরিপাকতন্ত্রে জ্বালাপোড়া (খাদ্যনালীর প্রদাহ, গ্যাস্ট্রাইটিস, ক্ষয়) সৃষ্টি করতে পারে। এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (antidote) নেই।

মাত্রাধিক্যের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। সাম্প্রতিক মুখে সেবনজনিত মাত্রাধিক্যের ক্ষেত্রে ঔষধ বাঁধার জন্য দুধ বা ক্যালসিয়াম/ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত অ্যান্টাসিড দেওয়া যেতে পারে এবং খাদ্যনালীর জ্বালাপোড়া কমাতে রোগীকে সোজা রাখতে হবে। এই ব্যবস্থাপনা অবশ্যই চিকিৎসকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে হতে হবে; পেশাদার পরামর্শ ছাড়া বাড়িতে মাত্রাধিক্যের চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

স্বাভাবিক ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°C এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। শিরাপথে ইনজেকশন/ইনফিউশন নির্দিষ্ট পণ্যের লেবেল অনুযায়ী সংরক্ষণ করতে হবে এবং শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর্মীর মাধ্যমে ব্যবহার করতে হবে।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বয়স্ক রোগী

শুধুমাত্র বয়সের কারণে সাধারণত মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না; বয়স্ক রোগীদের মধ্যে Maxbon সাধারণত ব্যবহৃত হয়, তবে কিডনির কার্যক্ষমতা ও ক্যালসিয়ামের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

কিডনির সমস্যা

হালকা থেকে মাঝারি কিডনি সমস্যায় মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই; গুরুতর কিডনি সমস্যায় Maxbon সুপারিশ করা হয় না (বিস্তারিত "সতর্কতা"-তে দেখুন)।

লিভারের সমস্যা

Maxbon লিভারে উল্লেখযোগ্যভাবে বিপাক হয় না বলে সাধারণত মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না; তবে লিভার সমস্যায় আনুষ্ঠানিক গবেষণা সীমিত।

শিশু রোগী

শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে Maxbon-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি; নির্দিষ্ট বিরল হাড়ের সমস্যায় বিশেষজ্ঞ তত্ত্বাবধান ছাড়া এই বয়সে ব্যবহারের সুপারিশ করা হয় না।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: মুখে সেবনযোগ্য Maxbon 150 mg Tablet কীভাবে খেতে হবে?

A: Maxbon 150 mg Tablet সকালে ঘুম থেকে উঠার পর, যেকোনো খাবার, পানীয় (পানি ছাড়া) বা অন্য ঔষধ গ্রহণের অন্তত ৬০ মিনিট আগে সেবন করতে হবে। এক গ্লাস সাধারণ পানি দিয়ে বসে বা দাঁড়িয়ে পুরো ট্যাবলেট গিলে ফেলতে হবে, এবং এরপর অন্তত ৬০ মিনিট সোজা হয়ে থাকতে হবে, শুয়ে পড়া বা কিছু খাওয়া/পান করা যাবে না। এতে খাদ্যনালীর জ্বালাপোড়ার ঝুঁকি কমে।

Q: Maxbon 150 mg Tablet সেবনের পর সোজা হয়ে থাকতে হয় কেন?

A: Maxbon 150 mg Tablet খাদ্যনালীর আবরণে বেশিক্ষণ লেগে থাকলে জ্বালাপোড়া করতে পারে। সেবনের পরপরই শুয়ে পড়লে বুক জ্বালাপোড়া, খাদ্যনালীর প্রদাহ বা ঘা হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে, তাই অন্তত ৬০ মিনিট সোজা হয়ে থাকলে ট্যাবলেট নিরাপদে পাকস্থলীতে পৌঁছাতে সাহায্য করে।

Q: Maxbon 150 mg Tablet-এর সাথে ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট খাওয়া যাবে কি?

A: ক্যালসিয়াম, অ্যান্টাসিড এবং ম্যাগনেসিয়াম/অ্যালুমিনিয়াম/আয়রনযুক্ত অন্যান্য সাপ্লিমেন্ট মুখে সেবনযোগ্য Maxbon 150 mg Tablet খাওয়ার ৬০ মিনিটের মধ্যে খাওয়া উচিত নয়, কারণ এতে এর শোষণ কমে যায়। এসব পণ্য দিনের পরের দিকে, Maxbon 150 mg Tablet খাওয়ার থেকে অনেকটা সময় ব্যবধানে খেতে হবে।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Maxbon 150 mg Tablet নিরাপদ কি?

A: Maxbon 150 mg Tablet গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে সুপারিশ করা হয় না, কারণ এটি হাড়ে দীর্ঘ সময় জমা থাকে এবং বিকাশমান শিশুর ওপর এর প্রভাব সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য নেই। আপনি গর্ভবতী হলে, গর্ভধারণের পরিকল্পনা করলে বা স্তন্যদান করলে Maxbon 150 mg Tablet শুরু বা চালিয়ে যাওয়ার আগে চিকিৎসকের সাথে নিরাপদ বিকল্প নিয়ে আলোচনা করুন।

Q: দীর্ঘমেয়াদী Maxbon 150 mg Tablet ব্যবহারের গুরুতর ঝুঁকি কী কী?

A: দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে Maxbon 150 mg Tablet বিরল কিন্তু গুরুতর ঝুঁকির সাথে যুক্ত, যেমন চোয়ালের অস্টিওনেক্রোসিস (দাঁতের অস্ত্রোপচারের পর ক্ষত শুকাতে দেরি) এবং অস্বাভাবিক ফিমার (উরুর হাড়) ফ্র্যাকচার। দাঁতের যেকোনো অস্ত্রোপচারের আগে দন্ত চিকিৎসককে Maxbon 150 mg Tablet সেবনের কথা জানান, এবং নতুন নিতম্ব, উরু বা কুঁচকির ব্যথা হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান।

Q: Maxbon 150 mg Tablet-এর মাসিক ডোজ ভুলে গেলে কী করব?

A: পরবর্তী নির্ধারিত ডোজ যদি ৭ দিনের বেশি দূরে থাকে, তাহলে মনে পড়ার পরদিন সকালে ভুলে যাওয়া Maxbon 150 mg Tablet ডোজ নিন এবং তারপর মূল মাসিক সময়সূচীতে ফিরে যান। পরবর্তী ডোজ ৭ দিনের মধ্যে হলে ভুলে যাওয়া ডোজটি বাদ দিন এবং নিয়মিত সময়সূচী অনুসরণ করুন; কাছাকাছি সময়ে দুটি ডোজ একসাথে নেবেন না।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor