
Tazocilin(4 gm+0.5
Square Pharmaceuticals PLC.

Megacilin একটি ইনজেকশনযোগ্য কম্বিনেশন অ্যান্টিবায়োটিক (একটি এক্সটেন্ডেড-স্পেকট্রাম পেনিসিলিন এবং একটি বিটা-ল্যাকটামেজ ইনহিবিটরের সমন্বয়ে গঠিত), যা সংবেদনশীল, বিটা-ল্যাকটামেজ উৎপাদনকারী জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট গুরুতর ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
চূড়ান্ত অ্যান্টিবায়োটিক নির্বাচন ও চিকিৎসার মেয়াদ কালচার-সেনসিটিভিটি রিপোর্ট ও চিকিৎসকের ক্লিনিক্যাল সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে।
Megacilin বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিক শ্রেণির অন্তর্গত — নির্দিষ্টভাবে একটি এক্সটেন্ডেড-স্পেকট্রাম (ইউরিডোপেনিসিলিন) পেনিসিলিন, যা একটি বিটা-ল্যাকটামেজ ইনহিবিটরের সাথে সংযুক্ত।
Piperacillin + Tazobactam ব্যাকটেরিসাইডাল (জীবাণুনাশক)। পাইপারাসিলিন ব্যাকটেরিয়ার সেল ওয়াল সংশ্লেষণে জড়িত পেনিসিলিন-বাইন্ডিং প্রোটিনের সাথে যুক্ত হয়ে কোষপ্রাচীর গঠন প্রতিরোধ করে, ফলে সক্রিয়ভাবে বিভাজনরত ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়। ট্যাজোব্যাকটাম বহু ব্যাকটেরিয়াল বিটা-ল্যাকটামেজ এনজাইমকে অপরিবর্তনীয়ভাবে নিষ্ক্রিয় করে, যা পাইপারাসিলিনকে ভেঙে ফেলার ক্ষমতা রাখে — এভাবে পাইপারাসিলিনের কার্যকারিতা বিটা-ল্যাকটামেজ-উৎপাদনকারী প্রতিরোধী জীবাণুর বিরুদ্ধেও বজায় থাকে।
শিরাপথে প্রয়োগের পর উভয় উপাদান দেহের বিভিন্ন টিস্যু ও তরলে বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রধানত অপরিবর্তিত অবস্থায় কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়। কিডনি কার্যক্ষমতা কমে গেলে অর্ধায়ু বৃদ্ধি পায়, তাই মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন।
Megacilin শুধুমাত্র শিরাপথে (IV) ইনফিউশন হিসেবে দেওয়া হয়, সাধারণত ৩০ মিনিট ধরে (কিছু হাসপাতালে গুরুতর সংক্রমণে ৩–৪ ঘণ্টার এক্সটেন্ডেড ইনফিউশনও ব্যবহৃত হয়)। মাত্রা ও সেবনের ঘনত্ব সংক্রমণের ধরন, তীব্রতা এবং কিডনি কার্যক্ষমতার উপর নির্ভর করে।
| নির্দেশনা (প্রাপ্তবয়স্ক) | সাধারণ প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা |
|---|---|
| ইন্ট্রা-অ্যাবডোমিনাল/ত্বকের সংক্রমণ | ৩.৩৭৫ গ্রাম, প্রতি ৬ ঘণ্টায় শিরাপথে |
| হাসপাতাল-সংশ্লিষ্ট নিউমোনিয়া | ৪.৫ গ্রাম, প্রতি ৬ ঘণ্টায় (অ্যামিনোগ্লাইকোসাইডের সাথে), সাধারণত ৭–১৪ দিন |
| ফেব্রাইল নিউট্রোপেনিয়া (এম্পিরিক) | ৪.৫ গ্রাম, প্রতি ৬ ঘণ্টায়, সাধারণত অ্যামিনোগ্লাইকোসাইডের সাথে |
ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স অনুযায়ী মাত্রা ও/অথবা সেবনের ব্যবধান কমাতে হবে, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী; হেমোডায়ালাইসিসের রোগীদের প্রতিটি ডায়ালাইসিস সেশনের পর একটি অতিরিক্ত মাত্রা প্রয়োজন হয়।
চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণ কোর্স গ্রহণ করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, এবং অন্য কারো সাথে এই ওষুধ ভাগাভাগি করবেন না।
Megacilin-এর সাথে নিম্নলিখিত ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারঅ্যাকশনগুলো লক্ষণীয়:
Megacilin শুরু করার আগে আপনি যে অন্য কোনো ওষুধ সেবন করছেন তা চিকিৎসককে জানান।
Piperacillin + Tazobactam তাদের ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত যাদের পাইপারাসিলিন, ট্যাজোব্যাকটাম, যেকোনো পেনিসিলিন, বা যেকোনো বিটা-ল্যাকটামেজ ইনহিবিটরের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা (অ্যানাফাইল্যাক্সিসসহ) থাকার ইতিহাস আছে। বিটা-ল্যাকটাম শ্রেণির মধ্যে ক্রস-রিঅ্যাক্টিভিটির কারণে, সেফালোস্পোরিন বা অন্য বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি তীব্র তাৎক্ষণিক অতিসংবেদনশীলতা (যেমন অ্যানাফাইল্যাক্সিস)-এর ইতিহাস থাকা রোগীদেরও Piperacillin + Tazobactam দেওয়া উচিত নয়।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে Megacilin সহনীয়, তবে কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
তীব্র র্যাশ, শ্বাসকষ্ট, মুখ/গলা ফুলে যাওয়া, তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, বা অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ/কালশিটে দাগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গর্ভাবস্থা: Megacilin-এর মতো পেনিসিলিন-শ্রেণির অ্যান্টিবায়োটিককে গর্ভাবস্থায় তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তবে পর্যাপ্ত মানব গবেষণার তথ্য সীমিত। Megacilin গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র সুস্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে, চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।
স্তন্যদান: পাইপারাসিলিন অল্প পরিমাণে বুকের দুধে প্রবেশ করে। স্তন্যদানকালে Megacilin শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত, এবং শিশুর মধ্যে ডায়রিয়া বা মুখের ছত্রাক সংক্রমণের মতো প্রভাব দেখা দিচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
Megacilin নেওয়ার আগে চিকিৎসককে জানান যদি আপনার পেনিসিলিন, সেফালোস্পোরিন বা অন্য ওষুধে অ্যালার্জির ইতিহাস থাকে; কিডনির রোগ থাকে; রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা থাকে; কম-সোডিয়াম ডায়েটে থাকেন বা হার্ট ফেইলিওর থাকে (এই ফর্মুলেশনে সোডিয়াম থাকে); অথবা কোনো গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ, বিশেষত পূর্বে কোলাইটিসের ইতিহাস থাকে।
চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণ কোর্স গ্রহণ করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, এবং অন্য কারো সাথে এই ওষুধ ভাগাভাগি করবেন না।
Megacilin-এর অতিরিক্ত মাত্রায় নিউরোমাসকুলার এক্সাইটেবিলিটি বা খিঁচুনি হতে পারে, বিশেষত কিডনি সমস্যাগ্রস্ত রোগীদের ক্ষেত্রে, পাশাপাশি বমি বমি ভাব, বমি ও ডায়রিয়ার মতো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা মূলত সহায়ক (সাপোর্টিভ); প্রয়োজনে হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে পাইপারাসিলিন ও ট্যাজোব্যাকটাম উভয়ই অপসারণ করা সম্ভব।
রিকনস্টিটিউট না করা ভায়াল রুম তাপমাত্রায় (৩০°C-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। রিকনস্টিটিউট বা ডাইলিউট করার পর প্রস্তুতকারক/ফার্মাসিস্টের নির্দেশিত সময় ও শর্ত (প্রয়োজনে রেফ্রিজারেশনসহ) অনুযায়ী ব্যবহার করুন, কারণ প্রস্তুত দ্রবণের স্থায়িত্ব সীমিত। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স অনুযায়ী Megacilin-এর মাত্রা ও সেবনের ব্যবধান কমাতে হবে; হেমোডায়ালাইসিসের রোগীদের প্রতিটি সেশনের পর অতিরিক্ত মাত্রা প্রয়োজন। ব্যক্তিগতকৃত মাত্রার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
শুধুমাত্র লিভারের সমস্যায় সাধারণত রুটিন মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না, তবে কিডনি ও লিভার উভয়ের সমস্যা থাকলে নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
বয়স নয়, কিডনি কার্যক্ষমতার উপর ভিত্তি করে মাত্রা সমন্বয় করা হয়; বয়স্ক রোগীদের কিডনি কার্যক্ষমতা প্রায়ই কম থাকে বলে কম মাত্রা প্রয়োজন হতে পারে।
Megacilin প্রায় ২–৯ মাস বয়স থেকে শুরু করে শিশুদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নির্দেশনায় (যেমন জটিল অ্যাপেন্ডিসাইটিস/পেরিটোনাইটিস) ওজন-ভিত্তিক শিরাপথে মাত্রায় ব্যবহার করা যেতে পারে, শিশু বিশেষজ্ঞের নির্দেশনা অনুযায়ী। নবজাতক ও এর চেয়ে কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সুপ্রতিষ্ঠিত নয়, তাই এই ক্ষেত্রে ব্যবহার শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞের নিবিড় তত্ত্বাবধানে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত।
Q: Megacilin (4 gm+0.5 gm)/vial IV Infusion কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Megacilin (4 gm+0.5 gm)/vial IV Infusion একটি শিরাপথে প্রয়োগযোগ্য অ্যান্টিবায়োটিক কম্বিনেশন, যা জটিল ইন্ট্রা-অ্যাবডোমিনাল সংক্রমণ, ত্বক ও কোমল কোষকলার সংক্রমণ, নিউমোনিয়া এবং ফেব্রাইল নিউট্রোপেনিয়ার মতো গুরুতর ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, যখন তা সংবেদনশীল জীবাণু (বিটা-ল্যাকটামেজ-উৎপাদনকারী জীবাণুসহ) দ্বারা সৃষ্ট হয়।
Q: Megacilin (4 gm+0.5 gm)/vial IV Infusion কীভাবে দেওয়া হয়?
A: Megacilin (4 gm+0.5 gm)/vial IV Infusion শুধুমাত্র একজন স্বাস্থ্যকর্মী দ্বারা শিরাপথে ইনফিউশন হিসেবে দেওয়া হয়, সাধারণত প্রতি ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা অন্তর, প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুযায়ী রিকনস্টিটিউট ও ডাইলিউট করার পর। এটি মুখে খাওয়ার ওষুধ নয় এবং তত্ত্বাবধান ছাড়া বাড়িতে দেওয়া উচিত নয়।
Q: গর্ভাবস্থায় কি Megacilin (4 gm+0.5 gm)/vial IV Infusion ব্যবহার করা যায়?
A: Megacilin (4 gm+0.5 gm)/vial IV Infusion গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র সুস্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে, চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত, কারণ পর্যাপ্ত মানব নিরাপত্তা তথ্য সীমিত।
Q: কাদের ক্ষেত্রে Megacilin (4 gm+0.5 gm)/vial IV Infusion নেওয়া উচিত নয়?
A: যাদের পাইপারাসিলিন, ট্যাজোব্যাকটাম, অন্য কোনো পেনিসিলিন, সেফালোস্পোরিন বা বিটা-ল্যাকটামেজ ইনহিবিটরে অ্যালার্জি (অ্যানাফাইল্যাক্সিসসহ) থাকার ইতিহাস আছে, তাদের Megacilin (4 gm+0.5 gm)/vial IV Infusion নেওয়া উচিত নয়, কারণ এতে তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে।
Q: Megacilin (4 gm+0.5 gm)/vial IV Infusion-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?
A: Megacilin (4 gm+0.5 gm)/vial IV Infusion-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, বমি, মাথাব্যথা, র্যাশ এবং ইনজেকশন স্থানে প্রতিক্রিয়া। তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া বা C. difficile-সংশ্লিষ্ট ডায়রিয়ার মতো গুরুতর প্রতিক্রিয়া কম দেখা গেলেও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা প্রয়োজন।
Q: Megacilin (4 gm+0.5 gm)/vial IV Infusion-এর ডোজ বাদ পড়লে বা অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে কী করবেন?
A: যেহেতু Megacilin (4 gm+0.5 gm)/vial IV Infusion একটি ক্লিনিক্যাল পরিবেশে স্বাস্থ্যকর্মী দ্বারা দেওয়া হয়, তাই ডোজের সময়সূচি স্বাস্থ্যকর্মী দল দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; বাড়িতে নিজে চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।