Product gallery
MRP ৳ ৩০.১০৮% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ২৭.৬৯/10's Strip
১
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Migranil মাইগ্রেন জাতীয় বারবার হওয়া মাথাব্যথা প্রতিরোধ (prophylaxis)-এর জন্য নির্দেশিত, যার মধ্যে রয়েছে ক্লাসিক্যাল মাইগ্রেন, কমন মাইগ্রেন এবং ক্লাস্টার হেডেক।

  • প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার: প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশুদের ঘনঘন বা তীব্র মাইগ্রেন আক্রমণ প্রতিরোধে Migranil ব্যবহৃত হয়।
  • প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার: ক্লাস্টার হেডেক প্রতিরোধে।

Migranil ইতিমধ্যে শুরু হয়ে যাওয়া তীব্র মাইগ্রেন আক্রমণ উপশমে কার্যকর নয় এবং এটি ব্যথানাশক (analgesic) নয়। এটি শুধুমাত্র ভবিষ্যতে আক্রমণের সংখ্যা ও তীব্রতা কমাতে ব্যবহৃত হয়, এবং এর সম্পূর্ণ প্রতিরোধমূলক প্রভাব প্রকাশ পেতে সাধারণত কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Migranil একটি অ্যান্টিহিস্টামিন প্রস্তুতি/অ্যান্টিমাইগ্রেন এজেন্ট শ্রেণির ওষুধ — একটি সেরোটোনিন (5-HT2) ও হিস্টামিন (H1) রিসেপ্টর প্রতিপক্ষ (antagonist), যা মাইগ্রেন প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

কার্যপ্রণালী (Mechanism of Action)

Pizotifen একটি ট্রাইসাইক্লিক যৌগ, যা মূলত সেরোটোনিন (5-HT2) রিসেপ্টর ও হিস্টামিন (H1) রিসেপ্টরে প্রতিযোগিতামূলক প্রতিপক্ষ হিসেবে কাজ করে। এর সামান্য অ্যান্টিকোলিনার্জিক এবং অ্যান্টি-ব্র‍্যাডিকিনিন (anti-kinin) কার্যকারিতাও রয়েছে।

মাইগ্রেন প্রতিরোধে Pizotifen ক্রেনিয়াল রক্তনালীর পারমিয়েবিলিটি ও টোনের ওপর সেরোটোনিন ও হিস্টামিনের প্রভাব প্রতিরোধ করে, নিউরোজেনিক প্রদাহ কমিয়ে এবং মাইগ্রেন আক্রমণের থ্রেশহোল্ড বাড়িয়ে কাজ করে বলে মনে করা হয়। এর কোনো প্রতিষ্ঠিত ব্যথানাশক বা রক্তনালী সংকোচক প্রভাব নেই, তাই ইতিমধ্যে শুরু হওয়া আক্রমণে এটি কাজ করে না।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে

নিয়মমাত্রা
প্রারম্ভিক মাত্রারাতে শোবার সময় দিনে ০.৫ মি.গ্রা., সাড়া অনুযায়ী ধীরে ধীরে বাড়ানো যেতে পারে
স্বাভাবিক রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রাদৈনিক ১.৫ মি.গ্রা., একবারে রাতে অথবা বিভক্ত মাত্রায় (যেমন দিনে তিনবার)
সর্বোচ্চ মাত্রাদৈনিক ৪.৫ মি.গ্রা. (একক মাত্রায় সর্বোচ্চ ৩ মি.গ্রা. পর্যন্ত দেওয়া যেতে পারে)

শিশুদের ক্ষেত্রে (২ বছর ও তদূর্ধ্ব)

সাধারণত রাতে সর্বোচ্চ ১ মি.গ্রা., অথবা বিভক্ত মাত্রায় দৈনিক সর্বোচ্চ ১.৫ মি.গ্রা. পর্যন্ত, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে। ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Migranil-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

বৃক্ক/যকৃতের সমস্যায়

উল্লেখযোগ্য যকৃত বা বৃক্কের সমস্যায় মাত্রা সমন্বয় বা সতর্কতা প্রয়োজন হতে পারে (দেখুন শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার)।

দ্রষ্টব্য: Migranil একটি প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা এবং কার্যকর হতে হলে মাথাব্যথামুক্ত থাকা অবস্থায়ও প্রতিদিন নিয়মিত সেবন করতে হবে। তীব্র মাইগ্রেন আক্রমণ চলাকালীন এটি ব্যবহারের জন্য নয়। দীর্ঘদিন সেবনের পর হঠাৎ বন্ধ করা উচিত নয় (দেখুন সতর্কতা)।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Migranil-এর সাথে ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়াসমূহ:

  • মনোঅ্যামিন অক্সিডেজ ইনহিবিটর (MAOI): MAOI-এর সাথে একযোগে Migranil ব্যবহার সাধারণত নিষিদ্ধ/সুপারিশকৃত নয়, কারণ এতে অতিরিক্ত ও অপ্রত্যাশিত প্রভাবের ঝুঁকি থাকে।
  • কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র দমনকারী ওষুধ (অ্যালকোহল, সিডেটিভ, হিপনোটিক, বেনজোডায়াজেপিন, অন্যান্য সিডেটিং অ্যান্টিহিস্টামিন, ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট): Migranil এসব ওষুধের ঘুম-উদ্রেককারী প্রভাব বাড়িয়ে দিতে পারে, ফলে অতিরিক্ত ঝিমুনি ও সতর্কতা হ্রাসের ঝুঁকি বাড়ে।
  • অ্যাড্রেনার্জিক নিউরোন ব্লকার (যেমন গুয়ানেথিডিন-জাতীয় উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ): Migranil এদের রক্তচাপ কমানোর প্রভাব প্রতিহত করতে পারে।
  • অন্যান্য অ্যান্টিকোলিনার্জিক ওষুধ: অন্য অ্যান্টিমাসকারিনিক কার্যকারিতাসম্পন্ন ওষুধের সাথে একত্রে সেবনে সংযোজিত অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাব (মুখ শুকিয়ে যাওয়া, প্রস্রাব ধরে রাখা, কোষ্ঠকাঠিন্য, দৃষ্টি ঝাপসা) দেখা দিতে পারে।

Migranil শুরু করার আগে আপনার ব্যবহৃত সকল ওষুধ, সাপ্লিমেন্ট এবং অ্যালকোহল সেবনের বিষয়ে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।

প্রতিনির্দেশনা

Pizotifen নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত (contraindicated):

  • Pizotifen (পিজোটিফেন) বা প্রস্তুতির যেকোনো উপাদানের প্রতি জানা অতিসংবেদনশীলতা (hypersensitivity)।
  • মনোঅ্যামিন অক্সিডেজ ইনহিবিটর (MAOI)-এর সাথে একযোগে ব্যবহার।

অ্যাঙ্গেল-ক্লোজার গ্লুকোমা, প্রস্রাব ধরে রাখার প্রবণতা, মৃগীরোগ, এবং যকৃত/বৃক্কের সমস্যার ক্ষেত্রে Pizotifen সম্পূর্ণ প্রতিনির্দেশিত নয় বরং সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হয় — বিস্তারিত জানতে দেখুন সতর্কতা।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Migranil-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মূলত এর অ্যান্টিহিস্টামিনিক ও অ্যান্টিকোলিনার্জিক কার্যকারিতার সাথে সম্পর্কিত।

অতি সাধারণ

  • ক্ষুধা বৃদ্ধি ও ওজন বৃদ্ধি
  • ঝিমুনি/অবসাদ, বিশেষত চিকিৎসা শুরুর দিকে

সাধারণ

  • মুখ শুকিয়ে যাওয়া
  • মাথা ঘোরা
  • বমি বমি ভাব
  • ক্লান্তি/দুর্বলতা

কম দেখা যায়/বিরল

  • প্রস্রাব ধরে রাখা বা প্রস্রাবে অসুবিধা
  • দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া
  • মাংসপেশিতে ব্যথা, অস্থিরতা বা ঘুমের সমস্যা
  • যকৃতের ক্ষতি (ট্রান্সঅ্যামিনেজ বৃদ্ধি থেকে বিরল হেপাটাইটিস পর্যন্ত) — কদাচিৎ রিপোর্ট করা হয়েছে
  • অতিসংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া (র‍্যাশ, অ্যাঞ্জিওএডিমা) — বিরল

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী হলে, অথবা যকৃতের সমস্যার লক্ষণ (ত্বক/চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, প্রস্রাব গাঢ় হওয়া) বা অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে Migranil ব্যবহারের ক্লিনিক্যাল তথ্য খুবই সীমিত। Migranil শুধুমাত্র প্রয়োজন স্পষ্ট হলে এবং মায়ের জন্য সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই ব্যবহার করা উচিত। গর্ভবতী থাকলে বা গর্ভধারণের পরিকল্পনা করলে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তন্যদান: Migranil সামান্য পরিমাণে বুকের দুধে যায়; শিশুর ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় স্তন্যদানকালে সাধারণত এটি ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। চিকিৎসার উপকারিতা ও শিশুর সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

  • তীব্র আক্রমণে কার্যকর নয়: Migranil শুধুমাত্র প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা; ইতিমধ্যে শুরু হওয়া মাইগ্রেন আক্রমণে এটি উপশম দেয় না, এবং উপকারিতা প্রকাশ পেতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
  • অ্যাঙ্গেল-ক্লোজার গ্লুকোমা/প্রস্রাব ধরে রাখা: অ্যান্টিকোলিনার্জিক কার্যকারিতার কারণে, অ্যাঙ্গেল-ক্লোজার গ্লুকোমা বা প্রস্রাব ধরে রাখার প্রবণতা (যেমন প্রোস্টেট বৃদ্ধি) থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে Migranil সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ এটি এসব অবস্থার অবনতি ঘটাতে পারে।
  • মৃগীরোগের ইতিহাস: মৃগীরোগ বা খিঁচুনিজনিত সমস্যার ইতিহাস থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে এবং ক্লিনিক্যালি পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
  • যকৃতের সমস্যা: কদাচিৎ যকৃতের ক্ষতি (হেপাটাইটিসসহ) রিপোর্ট করা হয়েছে; যকৃতের রোগ বা যকৃতের ক্ষতির লক্ষণ থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার ও যকৃতের কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • বৃক্কের সমস্যা: সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে; মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে।
  • ঝিমুনি: Migranil সাধারণত ঝিমুনি সৃষ্টি করে, যা গাড়ি চালানো বা যন্ত্রপাতি পরিচালনার ক্ষমতা ব্যাহত করতে পারে, বিশেষত চিকিৎসা শুরুর সময় বা মাত্রা বৃদ্ধির পরে। অ্যালকোহল এই ঘুম-উদ্রেককারী প্রভাব বাড়িয়ে দেয় বলে তা এড়িয়ে চলা বা সীমিত করা উচিত।
  • হঠাৎ বন্ধ করবেন না: দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর Migranil হঠাৎ বন্ধ করা উচিত নয়, কারণ এতে প্রত্যাহারজনিত লক্ষণ (বিষণ্নতা, কাঁপুনি, বমি বমি ভাব, উদ্বেগ, অস্বস্তি, মাথা ঘোরা, ঘুমের সমস্যা, ওজন হ্রাস) দেখা দিতে পারে। বন্ধ করতে হলে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে মাত্রা কমাতে হবে।
  • বয়স্ক রোগী: ঘুম-উদ্রেককারী ও অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাবের প্রতি বেশি সংবেদনশীল হতে পারেন; সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।

মাত্রাধিক্যতা

Migranil-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনে তীব্র ঝিমুনি, দিশেহারা ভাব, অস্থিরতা, দ্রুত হৃৎস্পন্দন এবং গুরুতর ক্ষেত্রে খিঁচুনি বা রক্তচাপ কমে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে, বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে।

Migranil-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে, অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন অথবা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন — উপসর্গ দেখা দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করবেন না। ওষুধের প্যাকেট/কৌটা সাথে নিয়ে হাসপাতালে যান। চিকিৎসা সহায়ক (supportive) এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে হওয়া উচিত; সাধারণ প্রাথমিক চিকিৎসা ছাড়া নিজে থেকে নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

২ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সী শিশুদের মাইগ্রেন প্রতিরোধে Migranil ব্যবহার করা যেতে পারে, প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় কম মাত্রায় এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে। ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে

সাধারণত বয়স্কদের ক্ষেত্রে আলাদা মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না, তবে তারা ঘুম-উদ্রেককারী ও অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাবের প্রতি বেশি সংবেদনশীল হতে পারেন, তাই সতর্কতা প্রয়োজন।

যকৃতের সমস্যায়

সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে; মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে এবং যকৃতের কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

বৃক্কের সমস্যায়

সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে; মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

দেখুন গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে অংশ — শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজন হলেই ব্যবহার করুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Migranil 0.5 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Migranil 0.5 mg Tablet বারবার হওয়া মাইগ্রেন মাথাব্যথা ও ক্লাস্টার হেডেক প্রতিরোধে (চিকিৎসা নয়) ব্যবহৃত হয়। এটি নিয়মিত সেবন করলে আক্রমণের সংখ্যা ও তীব্রতা কমে, কিন্তু ইতিমধ্যে শুরু হয়ে যাওয়া আক্রমণ উপশম করে না।

Q: Migranil 0.5 mg Tablet কি শুরু হয়ে যাওয়া মাইগ্রেন আক্রমণ থামাতে পারে?

A: না। Migranil 0.5 mg Tablet শুধুমাত্র একটি প্রতিরোধমূলক ওষুধ। এটি চলমান মাইগ্রেন আক্রমণ উপশম করে না; এর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আলাদা তীব্র (acute) চিকিৎসা (যেমন ব্যথানাশক বা ট্রিপট্যান) প্রয়োজন হয়।

Q: Migranil 0.5 mg Tablet কাজ শুরু করতে কত সময় লাগে?

A: Migranil 0.5 mg Tablet-এর সম্পূর্ণ প্রতিরোধমূলক উপকারিতা প্রকাশ পেতে নিয়মিত প্রতিদিন সেবনের প্রায় ৬-৮ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। আক্রমণ তাৎক্ষণিকভাবে না কমলে নিজে থেকে বন্ধ করবেন না — আগে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন।

Q: Migranil 0.5 mg Tablet শুরু করার পর ঘুম ঘুম ভাব ও ক্ষুধা বেড়ে যাচ্ছে কেন?

A: ঝিমুনি এবং ক্ষুধা বৃদ্ধিসহ ওজন বৃদ্ধি Migranil 0.5 mg Tablet-এর অ্যান্টিহিস্টামিন কার্যকারিতার কারণে খুবই সাধারণ ও প্রত্যাশিত প্রভাব। রাতে শোবার সময় মাত্রা সেবন করলে ঝিমুনি কমাতে সাহায্য করতে পারে; ওজন বৃদ্ধি অব্যাহত বা সমস্যাজনক হলে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন।

Q: আমি কি হঠাৎ করে Migranil 0.5 mg Tablet সেবন বন্ধ করতে পারি?

A: না। কিছুদিন ধরে Migranil 0.5 mg Tablet সেবন করার পর হঠাৎ বন্ধ করলে বিষণ্নতা, কাঁপুনি, বমি বমি ভাব, উদ্বেগ, অস্বস্তি, মাথা ঘোরা, ঘুমের সমস্যা এবং ওজন হ্রাসের মতো প্রত্যাহারজনিত লক্ষণ দেখা দিতে পারে। বন্ধ করার সময় সাধারণত চিকিৎসক ধীরে ধীরে মাত্রা কমানোর পরামর্শ দেন।

Q: গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানকালে Migranil 0.5 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থায় Migranil 0.5 mg Tablet-এর তথ্য সীমিত, তাই প্রয়োজন স্পষ্ট হলে এবং উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই চিকিৎসকের পরামর্শে এটি ব্যবহার করা উচিত। স্তন্যদানকালে শিশুর নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় সাধারণত এটি ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। গর্ভবতী, গর্ভধারণের পরিকল্পনা করছেন বা স্তন্যদান করছেন এমন ক্ষেত্রে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor