Product gallery
MRP ৳ ২৫.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ২২.৫০/10's Strip
১
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • বিভিন্ন কারণে সৃষ্ট বমি বমি ভাব ও বমি (কেমোথেরাপি বা অস্ত্রোপচার-পরবর্তী বমি বাদে, যেখানে অন্য ওষুধ অগ্রাধিকার পায়)।
  • বিলম্বিত পাকস্থলী খালিকরণ ও ডিসপেপসিয়ার লক্ষণ, যেমন পেট ফাঁপা, অল্প খেয়ে পেট ভরা অনুভূতি, উপরের পেটে অস্বস্তি, ঢেঁকুর ওঠা।

নির্দেশিকা-সমর্থিত / সহায়ক ব্যবহার

পারকিনসন রোগে ডোপামিন-অ্যাগোনিস্ট ওষুধ ব্যবহারের কারণে সৃষ্ট বমি বমি ভাব নিয়ন্ত্রণে Milium সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি মস্তিষ্কে প্রবেশ কম করে বলে পারকিনসন চিকিৎসার কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের উপর প্রভাবে বাধা দেয় না। কিছু রেডিওলজিক্যাল (বেরিয়াম) পরীক্ষায় পাকস্থলী দ্রুত খালি করতেও এটি ব্যবহৃত হতে পারে।

অননুমোদিত (অফ-লেবেল) ব্যবহার

স্তন্যদানকারী মায়েদের দুধ উৎপাদন বাড়াতে Milium অফ-লেবেল ব্যবহারের চর্চা আছে, তবে হৃদযন্ত্রের ঝুঁকির কারণে এই ব্যবহার বেশিরভাগ দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত নয় এবং কেবল চিকিৎসকের কঠোর তত্ত্বাবধানে বিবেচনা করা উচিত।

Milium কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয় এবং সংক্রমণ নিরাময়ে এর কোনো ভূমিকা নেই।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Milium প্রোকাইনেটিক এজেন্ট / অ্যান্টিইমেটিক শ্রেণির ওষুধ, নির্দিষ্টভাবে এটি পেরিফেরালি-কার্যকর ডোপামিন ডি২-রিসেপ্টর অ্যান্টাগোনিস্ট।

ফার্মাকোলজি

Domperidone Maleate একটি ডোপামিন ডি২-রিসেপ্টর অ্যান্টাগোনিস্ট, যা কেমোরিসেপ্টর ট্রিগার জোনে (বমির অনুভূতি সৃষ্টিকারী মস্তিষ্কের একটি অংশ, যা রক্ত-মস্তিষ্ক বাধার বাইরে অবস্থিত) এবং পাকস্থলী ও ডিওডেনামের প্রাচীরে ডোপামিন রিসেপ্টর ব্লক করে।

  • বমি প্রতিরোধী প্রভাব: কেমোরিসেপ্টর ট্রিগার জোনে ডি২ রিসেপ্টর ব্লক করে বমি বমি ভাব ও বমির প্রতিবর্তী ক্রিয়া কমায়।
  • প্রোকাইনেটিক প্রভাব: পাকস্থলীর প্রাচীরে ডি২ রিসেপ্টর ব্লক করে নিম্ন ইসোফেজিয়াল স্ফিংকটারের চাপ বাড়ায়, পাকস্থলী ও ডিওডেনামের সংকোচন বাড়ায় এবং পাকস্থলী দ্রুত খালি করতে সাহায্য করে, ফলে পেট ফাঁপা ও অস্বস্তি কমে।

স্বাভাবিক মাত্রায় Domperidone Maleate অক্ষত রক্ত-মস্তিষ্ক বাধা খুব সামান্যই অতিক্রম করে, তাই কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে এর প্রভাব সীমিত থাকে এবং ঘুম ঘুম ভাব বা অস্বাভাবিক মাংসপেশি নড়াচড়ার (এক্সট্রাপিরামিডাল) পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি কম থাকে; তবে এটি পিটুইটারি গ্রন্থিতে (যা রক্ত-মস্তিষ্ক বাধার বাইরে অবস্থিত) ডি২ রিসেপ্টর ব্লক করে প্রোল্যাকটিন বাড়ায় এবং হৃদযন্ত্রের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপে (QT ব্যবধি) প্রভাব ফেলতে পারে, যা সতর্কতা অংশে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

সাধারণ নীতিমালা

হৃদযন্ত্রের ঝুঁকি বিবেচনায় Milium সর্বদা সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় ও সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত। তীব্র বমি বমি ভাব, বমি বা ডিসপেপসিয়ার চিকিৎসা সাধারণত প্রায় এক সপ্তাহ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখা উচিত, যদি না চিকিৎসক ঝুঁকি-উপকারিতা পুনর্মূল্যায়ন করে দীর্ঘ ব্যবহার প্রয়োজনীয় মনে করেন।

নির্দেশনাপ্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রাশিশুদের মাত্রা
বমি বমি ভাব, বমি, ডিসপেপসিয়া / বিলম্বিত পাকস্থলী খালিকরণখাবারের আগে দিনে সর্বোচ্চ তিনবার ১০ মি.গ্রা.; সর্বোচ্চ ৩০ মি.গ্রা./দিন। কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে স্বল্প মেয়াদে দিনে তিন-চারবার ২০ মি.গ্রা. পর্যন্ত (সর্বোচ্চ ৮০ মি.গ্রা./দিন) ব্যবহারের নিয়ম থাকতে পারে — সর্বদা চিকিৎসকের নির্দেশ ও স্থানীয় লেবেল অনুসরণ করুন।১২ বছর ও ৩৫ কেজি বা তার বেশি ওজনের শিশু: প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রার অনুরূপ। এর কম বয়স/ওজনের শিশু: শরীরের ওজন অনুযায়ী প্রায় ০.২৫–০.৪ মি.গ্রা./কেজি, দিনে সর্বোচ্চ তিনবার, শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে (দেখুন: শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার)।
পারকিনসন চিকিৎসাজনিত বমি বমি ভাব/বমিচিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী দিনে সর্বোচ্চ তিনবার ১০–২০ মি.গ্রা., যত কম সময় সম্ভব ব্যবহার।প্রযোজ্য নয়।

সেবনবিধি

ট্যাবলেট ও ওরোডিসপারসিবল/মেল্টট্যাব খাবারের ১৫–৩০ মিনিট আগে এবং প্রয়োজনে ঘুমানোর আগে সেবন করতে হয়; ট্যাবলেট পানি দিয়ে গিলে ফেলুন অথবা ওরোডিসপারসিবল ফর্ম জিহ্বায় গলিয়ে নিন। সরবরাহকৃত মাপার যন্ত্র দিয়ে সাসপেনশনের মাত্রা মেপে নিন। রেকটাল সাপোজিটরি (যদি থাকে) ভিন্নভাবে মাত্রায় দেওয়া হয় এবং শুধুমাত্র চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত; হৃদযন্ত্রের ঝুঁকির কারণে ইনজেকশন ফর্ম অনেক দেশে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং তা ব্যবহার করা উচিত নয়।

বৃক্ক ও যকৃতের সমন্বয়

  • যকৃতের সমস্যা: মাঝারি থেকে গুরুতর যকৃতের অকার্যকারিতায় Milium প্রতিনির্দেশিত (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)। মৃদু যকৃতের সমস্যায় সতর্কতা ও চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।
  • বৃক্কের সমস্যা: উল্লেখযোগ্য বৃক্কের অকার্যকারিতায় সেবনের ঘনত্ব দিনে এক বা দুইবারে কমিয়ে আনতে হবে এবং সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা ব্যবহার করতে হবে, কারণ বারবার সেবনে ওষুধ জমা হতে পারে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

ক্লিনিক্যালি উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়া

  • QT-ব্যবধি দীর্ঘকারী ওষুধ (যেমন কিছু অ্যান্টিঅ্যারিদমিক, কিছু অ্যান্টিসাইকোটিক, কিছু অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট, কিছু অ্যান্টিম্যালেরিয়াল, মেথাডোন, কিছু ফ্লুরোকুইনোলোন/ম্যাক্রোলাইড অ্যান্টিবায়োটিক): Milium-এর সাথে একসাথে ব্যবহার প্রতিনির্দেশিত, কারণ এতে QT দীর্ঘায়ন ও গুরুতর হৃদস্পন্দন অনিয়মের ঝুঁকি বাড়ে।
  • শক্তিশালী CYP3A4 বাধাদানকারী ওষুধ (যেমন কিটোকোনাজল, ইট্রাকোনাজল, ফ্লুকোনাজলের মতো অ্যাজোল অ্যান্টিফাঙ্গাল; এরিথ্রোমাইসিন, ক্লারিথ্রোমাইসিনের মতো ম্যাক্রোলাইড অ্যান্টিবায়োটিক; এইচআইভি প্রোটিয়েজ ইনহিবিটর): এগুলো Milium-এর রক্তে ঘনত্ব বাড়িয়ে হৃদযন্ত্রের ঝুঁকি বাড়ায়; একসাথে ব্যবহার প্রতিনির্দেশিত।
  • অ্যান্টিকোলিনার্জিক ওষুধ: Milium-এর প্রোকাইনেটিক (অন্ত্রের সংকোচন বৃদ্ধিকারী) প্রভাবকে বাধা দিতে পারে।
  • মুখে খাওয়া অ্যান্টাসিড ও অ্যাসিড-প্রশমনকারী ওষুধ (H2-ব্লকার, প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর): একসাথে খেলে Milium-এর শোষণ কমাতে পারে; সম্ভব হলে সেবনের সময় আলাদা রাখুন।
  • ইলেক্ট্রোলাইট প্রভাবিত করা ওষুধ (যেমন হাইপোক্যালেমিয়া/হাইপোম্যাগনেসেমিয়া সৃষ্টিকারী মূত্রবর্ধক ওষুধ): এগুলো পরোক্ষভাবে Milium-এর সাথে QT দীর্ঘায়নের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, তাই একসাথে ব্যবহার এড়ানো উচিত অথবা প্রয়োজনে ইলেক্ট্রোলাইট পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

Milium শুরু করার আগে আপনি যেসব প্রেসক্রিপশন, ওভার-দ্য-কাউন্টার বা ভেষজ ওষুধ সেবন করছেন তা সবসময় চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।

প্রতিনির্দেশনা

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Domperidone Maleate প্রতিনির্দেশিত:

  • ডমপেরিডোন বা প্রস্তুতির যেকোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অতিসংবেদনশীলতা।
  • প্রোল্যাকটিন-নিঃসরণকারী পিটুইটারি টিউমার (প্রোল্যাক্টিনোমা)।
  • যেসব অবস্থায় পরিপাকতন্ত্রের সংকোচন বৃদ্ধি ক্ষতিকর হতে পারে, যেমন পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ, যান্ত্রিক বাধা, বা ছিদ্র।
  • মাঝারি থেকে গুরুতর যকৃতের অকার্যকারিতা।
  • হৃদযন্ত্রের পরিবহন ব্যবধির পূর্ব-বিদ্যমান দীর্ঘায়ন (বিশেষত QTc দীর্ঘায়ন), উল্লেখযোগ্য ইলেক্ট্রোলাইট গোলযোগ (হাইপোক্যালেমিয়া, হাইপারক্যালেমিয়া, হাইপোম্যাগনেসেমিয়া), অথবা কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলিউরের মতো গঠনগত হৃদরোগ।
  • QT ব্যবধি দীর্ঘকারী ওষুধের সাথে একসাথে ব্যবহার।
  • শক্তিশালী CYP3A4-বাধাদানকারী ওষুধের সাথে একসাথে ব্যবহার (যেমন কিছু অ্যাজোল অ্যান্টিফাঙ্গাল, ম্যাক্রোলাইড অ্যান্টিবায়োটিক, এইচআইভি প্রোটিয়েজ ইনহিবিটর)।
  • নবজাতক (জন্মের প্রথম চার সপ্তাহের শিশু)।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

প্রস্তাবিত মাত্রায় Milium-এর অধিকাংশ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অস্বাভাবিক। প্রতিবেদিত প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • সাধারণ: মুখ শুকিয়ে যাওয়া, মাথাব্যথা, সাময়িক পেটের খিঁচুনি, ডায়রিয়া।
  • হরমোনজনিত (প্রোল্যাকটিন বৃদ্ধির কারণে): গ্যালাক্টোরিয়া (অপ্রত্যাশিত স্তন্য নিঃসরণ), স্তনে ব্যথা বা বৃদ্ধি (পুরুষদের ক্ষেত্রেও গাইনেকোমাস্টিয়া), মাসিক অনিয়ম।
  • হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত (অস্বাভাবিক কিন্তু গুরুতর): QT-ব্যবধি দীর্ঘায়ন এবং বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর হৃদস্পন্দন অনিয়ম বা আকস্মিক হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যাওয়া — ৩০ মি.গ্রা./দিনের বেশি মাত্রায়, ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে এবং মিথষ্ক্রিয়াকারী ওষুধ একসাথে সেবনে ঝুঁকি বেশি (দেখুন সতর্কতা ও মিথষ্ক্রিয়া)।
  • স্নায়বিক (বিরল, সাধারণত উচ্চমাত্রায় বা ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে): এক্সট্রাপিরামিডাল লক্ষণ (অস্বাভাবিক মাংসপেশি নড়াচড়া), ঝিমুনি।
  • অ্যালার্জিক: র‍্যাশ, চুলকানি, urticaria; বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর অতিসংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া।

Milium সেবনকালে বুক ধড়ফড়, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, বা কোনো গুরুতর বা দীর্ঘস্থায়ী প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: মানুষের গর্ভাবস্থায় Milium ব্যবহারের তথ্য সীমিত। প্রাণী গবেষণায় স্পষ্ট টেরাটোজেনিক প্রভাব পাওয়া যায়নি, তবে মানব নিরাপত্তা তথ্য যথেষ্ট নয়। গর্ভাবস্থায় Milium শুধুমাত্র স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত; গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের আগে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তন্যদান: ডমপেরিডোন সামান্য পরিমাণে স্তন্যদুগ্ধে প্রবেশ করে (মায়ের রক্তের ঘনত্বের তুলনায় দুধে ঘনত্ব কম বলে জানা যায়), তবে Milium-এর সাথে সম্পর্কিত হৃদযন্ত্রের ঝুঁকির কারণে দুধ উৎপাদন বাড়ানোর জন্য এর নিয়মিত ব্যবহার আনুষ্ঠানিকভাবে সুপারিশ করা হয় না। চিকিৎসক যদি অনুমোদিত নির্দেশনায় স্তন্যদানকালে ব্যবহার প্রয়োজনীয় মনে করেন, তবে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা সর্বনিম্ন সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত এবং মায়ের হৃদযন্ত্রের লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

সতর্কতা

হৃদযন্ত্রের ঝুঁকি (গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা তথ্য)

Milium-এর সাথে মাত্রা-নির্ভর QT-ব্যবধি দীর্ঘায়ন ও গুরুতর হৃদস্পন্দন অনিয়মের স্বীকৃত ঝুঁকি রয়েছে, যার মধ্যে বিরল ক্ষেত্রে আকস্মিক হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রতিবেদনও আছে। এই কারণেই অনেক নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি Milium-এর অনুমোদিত মাত্রা, সময়কাল ও প্রয়োগ পদ্ধতি সীমিত করেছে। ঝুঁকি কমাতে:

  • সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য ব্যবহার করুন (সাধারণত তীব্র লক্ষণে এক সপ্তাহের বেশি নয়, যদি না চিকিৎসক পুনর্মূল্যায়নের পর অন্য নির্দেশ দেন)।
  • ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের এবং ৩০ মি.গ্রা./দিনের বেশি মাত্রায় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করুন, কারণ উভয়ই হৃদযন্ত্রের ঝুঁকি আরও বাড়ায়।
  • হৃদরোগ, ইলেক্ট্রোলাইট গোলযোগ বা QT-দীর্ঘকারী ওষুধ/শক্তিশালী CYP3A4 বাধাদানকারী ওষুধের সাথে একযোগে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন (দেখুন প্রতিনির্দেশনা ও মিথষ্ক্রিয়া)।
  • বুক ধড়ফড়, মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন দেখা দিলে অবিলম্বে Milium বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

অন্যান্য সতর্কতা

  • হাইপারপ্রোল্যাক্টিনেমিয়া: Milium প্রোল্যাকটিন বাড়ায় এবং গ্যালাক্টোরিয়া, গাইনেকোমাস্টিয়া বা মাসিক অনিয়ম ঘটাতে পারে; প্রোল্যাকটিন-নির্ভর অবস্থায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।
  • যকৃতের সমস্যা: মাঝারি থেকে গুরুতর অকার্যকারিতায় প্রতিনির্দেশিত; মৃদু অকার্যকারিতায় সতর্কতা ও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান প্রয়োজন।
  • বৃক্কের সমস্যা: উল্লেখযোগ্য বৃক্কের অকার্যকারিতায় সেবনের ঘনত্ব কমান; বারবার সেবনে ওষুধ জমা হওয়ার জন্য পর্যবেক্ষণ করুন।
  • শিশু: শিশুদের রক্ত-মস্তিষ্ক বাধা সম্পূর্ণভাবে গড়ে ওঠেনি, তাই কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র ও এক্সট্রাপিরামিডাল পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি; কেবল চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ওজন-ভিত্তিক মাত্রায় ব্যবহার করুন (দেখুন শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার)।
  • Milium কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয়; ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা পরজীবী সংক্রমণ নিরাময়ে এর কোনো ভূমিকা নেই।

মাত্রাধিক্যতা

Milium-এর মাত্রাধিক্যের লক্ষণের মধ্যে থাকতে পারে ঝিমুনি, বিভ্রান্তি এবং এক্সট্রাপিরামিডাল প্রতিক্রিয়া (অস্বাভাবিক, অনৈচ্ছিক মাংসপেশি নড়াচড়া), বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে; এছাড়া হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত প্রভাব যেমন QT দীর্ঘায়ন ও হৃদস্পন্দন অনিয়মও উদ্বেগের বিষয়, কারণ এই ওষুধের সাথে হৃদযন্ত্রের ঝুঁকি ইতিমধ্যে স্বীকৃত।

Milium-এর মাত্রাধিক্যের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা জরুরি সেবা / বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। বাড়িতে নিজে থেকে মাত্রাধিক্যের চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না। চিকিৎসা কেন্দ্রে সহায়ক চিকিৎসা দেওয়া হয়, যার মধ্যে থাকতে পারে ঘনিষ্ঠ হৃদযন্ত্র পর্যবেক্ষণ, প্রশিক্ষিত ব্যক্তির দ্বারা যথাসময়ে দেওয়া হলে সক্রিয় কাঠকয়লার মতো পাকস্থলী পরিশোধন ব্যবস্থা এবং এক্সট্রাপিরামিডাল লক্ষণের চিকিৎসা; এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই।

সংরক্ষণ

৩০°সে-এর নিচে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

  • বয়স্করা (৬০ বছরের বেশি): Milium-এর সাথে QT দীর্ঘায়ন ও হৃদস্পন্দন অনিয়মের ঝুঁকি বেশি; সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা সর্বনিম্ন সময়ের জন্য ব্যবহার করুন এবং ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করুন, বিশেষত অন্যান্য QT-দীর্ঘায়ন ঝুঁকির কারণ থাকলে।
  • শিশু: শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ওজন-ভিত্তিক মাত্রায় ব্যবহার করুন; অপরিণত রক্ত-মস্তিষ্ক বাধার কারণে কেন্দ্রীয়/এক্সট্রাপিরামিডাল পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি; নবজাতকদের ক্ষেত্রে Milium প্রতিনির্দেশিত। বিস্তারিত জানতে দেখুন পেডিয়াট্রিক ব্যবহার সংক্রান্ত তথ্য।
  • যকৃতের সমস্যা: মাঝারি থেকে গুরুতর অকার্যকারিতায় প্রতিনির্দেশিত; মৃদু অকার্যকারিতায় সতর্কতা প্রয়োজন (দেখুন প্রতিনির্দেশনা ও সতর্কতা)।
  • বৃক্কের সমস্যা: উল্লেখযোগ্য বৃক্কের অকার্যকারিতায় সেবনের ঘনত্ব কমাতে হবে (দেখুন মাত্রা ও সেবনবিধি)।
  • হৃদরোগ/ইলেক্ট্রোলাইট গোলযোগ: উল্লেখযোগ্য গঠনগত হৃদরোগ, ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ ইলেক্ট্রোলাইট গোলযোগ, বা পূর্ব-বিদ্যমান QT দীর্ঘায়নে Milium প্রতিনির্দেশিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Milium 10 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Milium 10 mg Tablet বমি বমি ভাব, বমি এবং বিলম্বিত পাকস্থলী খালিকরণজনিত লক্ষণ যেমন পেট ফাঁপা, অল্প খেয়ে পেট ভরা অনুভূতি ও উপরের পেটে অস্বস্তি উপশমে ব্যবহৃত হয়। চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে পারকিনসন রোগের ওষুধজনিত বমি বমি ভাব নিয়ন্ত্রণেও এটি ব্যবহৃত হয়।

Q: Milium 10 mg Tablet কীভাবে সেবন করব?

A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী Milium 10 mg Tablet সেবন করুন, সাধারণত খাবারের ১৫–৩০ মিনিট আগে এবং নির্দেশিত হলে ঘুমানোর আগে। চিকিৎসকের সুপারিশকৃত মাত্রা বা সময়কাল অতিক্রম করবেন না — বর্তমান নিরাপত্তা নির্দেশিকা অনুযায়ী সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা সর্বনিম্ন সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত, সাধারণত তীব্র লক্ষণে প্রায় এক সপ্তাহের বেশি নয়, যদি না চিকিৎসক ভিন্ন নির্দেশ দেন।

Q: Milium 10 mg Tablet কি হৃদযন্ত্রের জন্য নিরাপদ?

A: Milium 10 mg Tablet-এর সাথে QT-ব্যবধি দীর্ঘায়ন এবং বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর হৃদস্পন্দন অনিয়মের স্বীকৃত ঝুঁকি রয়েছে, বিশেষত উচ্চমাত্রায়, ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে, এবং যাদের হৃদরোগ, ইলেক্ট্রোলাইট গোলযোগ বা মিথষ্ক্রিয়াকারী ওষুধ সেবনের ইতিহাস আছে তাদের ক্ষেত্রে। Milium 10 mg Tablet শুরু করার আগে আপনার হৃদরোগ বা অন্যান্য ওষুধের ব্যাপারে চিকিৎসককে জানান, এবং সেবনকালে বুক ধড়ফড়, মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি Milium 10 mg Tablet ব্যবহার করা যায়?

A: মানুষের গর্ভাবস্থায় Milium 10 mg Tablet সংক্রান্ত তথ্য সীমিত, তাই এটি শুধুমাত্র স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় হলে এবং চিকিৎসক মনে করলে উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি, তখনই ব্যবহার করা উচিত। স্তন্যদুগ্ধে সামান্য পরিমাণে Milium 10 mg Tablet প্রবেশ করে; হৃদযন্ত্রের ঝুঁকির কারণে শুধু দুধ উৎপাদন বাড়ানোর জন্য এর নিয়মিত ব্যবহার সুপারিশ করা হয় না এবং স্তন্যদানকালে ব্যবহার চিকিৎসকের নির্দেশনায় হওয়া উচিত।

Q: কাদের Milium 10 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়?

A: যাদের ডমপেরিডোনের প্রতি অ্যালার্জি আছে, প্রোল্যাকটিন-নিঃসরণকারী পিটুইটারি টিউমার আছে, পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ/বাধা/ছিদ্র আছে, মাঝারি থেকে গুরুতর যকৃতের সমস্যা আছে, উল্লেখযোগ্য হৃদরোগ বা ইলেক্ট্রোলাইট গোলযোগ আছে, অথবা যারা QT-দীর্ঘকারী ওষুধ বা শক্তিশালী CYP3A4 বাধাদানকারী ওষুধ সেবন করছেন, তাদের Milium 10 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়। নবজাতকদের ক্ষেত্রেও এটি প্রতিনির্দেশিত। সম্পূর্ণ তালিকার জন্য প্রতিনির্দেশনা অংশ দেখুন।

Q: বেশি মাত্রায় Milium 10 mg Tablet সেবন করে ফেললে কী করব?

A: যদি মনে হয় আপনি বা অন্য কেউ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি মাত্রায় Milium 10 mg Tablet সেবন করেছেন, তাহলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। বাড়িতে নিজে থেকে মাত্রাধিক্যের চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না, কারণ এতে ঝিমুনি, অস্বাভাবিক নড়াচড়া এবং হৃদস্পন্দনের সমস্যা হতে পারে যার জন্য চিকিৎসকীয় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor