
Mirtaz15 mg
Sun Pharmaceutical Ltd.

Mitadip একটি অ্যাটিপিক্যাল অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ঔষধ, যার ব্যবহারের ক্ষেত্রগুলো নিম্নরূপ:
যেকোনো ইঙ্গিতে Mitadip ব্যবহারের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ও তত্ত্বাবধান আবশ্যক।
অ্যাটিপিক্যাল অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট — নোরঅ্যাড্রেনার্জিক অ্যান্ড স্পেসিফিক সেরোটোনার্জিক অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট (NaSSA)। Mitadip এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।
Mirtazapine-এর সঠিক কার্যপ্রণালী সম্পূর্ণভাবে জানা না গেলেও, এটি বিভিন্ন রিসেপ্টরের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় নোরঅ্যাড্রেনার্জিক ও সেরোটোনার্জিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি করে বলে মনে করা হয়:
Mirtazapine লিভারে (CYP1A2, CYP2D6, CYP3A4-এর মাধ্যমে) ব্যাপকভাবে বিপাকিত হয় এবং এর অর্ধায়ু প্রায় ২০-৪০ ঘণ্টা, যা দিনে একবার সেবনকে সহজ করে।
Mitadip-এর মাত্রা রোগীর প্রতিক্রিয়া ও সহনশীলতার ভিত্তিতে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে নির্ধারিত হওয়া উচিত।
| ইঙ্গিত | জনগোষ্ঠী | সাধারণ মাত্রা |
|---|---|---|
| মেজর ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার | প্রাপ্তবয়স্ক | শুরুতে দিনে একবার ১৫ মি.গ্রা., সাধারণত সন্ধ্যায় ঘুমানোর আগে। ১-২ সপ্তাহ অন্তর মাত্রা বাড়িয়ে সাধারণত সর্বোচ্চ ৪৫ মি.গ্রা./দিন পর্যন্ত নেওয়া যেতে পারে। |
| মেজর ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার | বয়স্ক রোগী | কম মাত্রা থেকে শুরু করা উচিত এবং সতর্কতার সাথে ধীরে ধীরে বাড়ানো উচিত, কারণ ক্লিয়ারেন্স কমে যায় ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার প্রতি সংবেদনশীলতা বাড়ে। |
| মেজর ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার | লিভার বা কিডনির সমস্যা | Mitadip-এর ক্লিয়ারেন্স কমে যায়; কম মাত্রায় শুরু করে ধীরে ধীরে ও ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে বাড়াতে হবে। |
| যেকোনো ইঙ্গিত | শিশু/কিশোর (১৮ বছরের নিচে) | অনুমোদিত নয়; নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি (দেখুন শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার)। |
দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর হঠাৎ করে Mitadip বন্ধ করা উচিত নয়; চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে মাত্রা কমিয়ে বন্ধ করতে হবে।
Mitadip-এর সাথে নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়:
Mirtazapine নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত (ব্যবহার করা উচিত নয়):
Mitadip-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো হলো:
গর্ভাবস্থা: শুধুমাত্র সম্ভাব্য উপকারিতা যদি ভ্রূণের জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হয়, তবেই গর্ভাবস্থায় Mitadip ব্যবহার করা উচিত। উপলব্ধ তথ্যে বড় জন্মগত ত্রুটির স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে তৃতীয় ত্রৈমাসিকের শেষদিকে অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টের সংস্পর্শে আসা নবজাতকদের ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে শ্বাসকষ্ট, খাওয়াতে সমস্যা, বা প্রত্যাহারজনিত উপসর্গ দেখা গেছে, যার জন্য পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন হতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গর্ভাবস্থায় হঠাৎ Mitadip বন্ধ করা উচিত নয়।
স্তন্যদান: Mitadip সামান্য পরিমাণে মায়ের দুধে নির্গত হয়। স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, যিনি চিকিৎসার উপকারিতা ও শিশুর উপর সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনা করবেন; ব্যবহার করলে শিশুর মধ্যে ঘুম ঘুম ভাব বা খাওয়াতে সমস্যা হচ্ছে কিনা লক্ষ্য রাখুন।
Mitadip ও অন্যান্য অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট প্ল্যাসিবোর তুলনায় শিশু, কিশোর ও তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের (২৪ বছর বয়স পর্যন্ত) মধ্যে আত্মহত্যার চিন্তা ও আচরণের ঝুঁকি বাড়ায়, বিশেষত চিকিৎসার প্রথম কয়েক মাসে ও মাত্রা পরিবর্তনের পর। এই বয়সসীমার রোগীদের ক্ষেত্রে ডিপ্রেশন বৃদ্ধি ও আত্মহত্যার চিন্তার লক্ষণের জন্য ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। ১৮ বছরের নিচে Mitadip ব্যবহারের অনুমোদন নেই।
Mitadip-এর সাথে বিরল কিন্তু সম্ভাব্য গুরুতর শ্বেত রক্তকণিকা হ্রাসের প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। জ্বর, গলাব্যথা, মুখে ঘা বা সংক্রমণের অন্য লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত জানাতে হবে; উল্লেখযোগ্য নিউট্রোপেনিয়া দেখা দিলে সাধারণত চিকিৎসা বন্ধ করতে হয় (দেখুন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া)।
অন্যান্য সেরোটোনার্জিক ঔষধের সাথে অথবা MAOI সেবনের সাথে বা তার কাছাকাছি সময়ে Mitadip ব্যবহার করলে প্রাণঘাতী সেরোটোনিন সিনড্রোম হতে পারে (দেখুন প্রতিনির্দেশনা ও ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া)। আন্দোলন, হ্যালুসিনেশন, দ্রুত হৃদস্পন্দন, জ্বর, পেশি দৃঢ়তা বা সমন্বয়ের সমস্যা দেখা দিলে সাথে সাথে বন্ধ করে জরুরি চিকিৎসা নিন।
Mitadip দাঁড়ানোর সময় রক্তচাপ কমিয়ে দিতে পারে; হৃদরোগ, স্ট্রোকের ইতিহাস বা হাইপোটেনশনের প্রবণতা থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।
চিকিৎসার শুরুতে বা মাত্রা বাড়ানোর পর সিডেশন সাধারণ। Mitadip কীভাবে প্রভাব ফেলে তা না জানা পর্যন্ত গাড়ি চালানো বা ঝুঁকিপূর্ণ যন্ত্রপাতি পরিচালনা এড়িয়ে চলুন, এবং অ্যালকোহল পরিহার করুন।
ক্ষুধাবৃদ্ধি ও ওজন বৃদ্ধি সাধারণ; ওজন পর্যবেক্ষণ করুন এবং ডায়াবেটিস বা ডিসলিপিডেমিয়া থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।
নিয়মিত সেবনের পর হঠাৎ Mitadip বন্ধ করবেন না; ডিসকন্টিনিউয়েশন উপসর্গ (মাথা ঘোরা, বমিভাব, খিটখিটে মেজাজ, উদ্বেগ) কমাতে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে মাত্রা কমান।
লিভার বা কিডনির সমস্যায় Mitadip-এর ক্লিয়ারেন্স কমে যায়; কম মাত্রায় ও ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণের সাথে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।
বাইপোলার ডিসঅর্ডারের ইতিহাস থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন, কারণ অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ম্যানিক এপিসোড শুরু করতে পারে।
Mitadip একা অতিরিক্ত মাত্রায় সেবন করলে সাধারণত বিভ্রান্তি, তন্দ্রা, স্মৃতিভ্রম ও দ্রুত হৃদস্পন্দন দেখা দেয়; একা সেবন করলে পুরনো অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টের তুলনায় এটি অপেক্ষাকৃত কম বিপজ্জনক, তবে অ্যালকোহল বা অন্যান্য CNS দমনকারী ঔষধ বা অন্যান্য ঔষধের সাথে একত্রে অতিরিক্ত মাত্রায় সেবন করলে তা আরও বিপজ্জনক ও প্রাণঘাতী হতে পারে।
Mitadip-এর অতিরিক্ত মাত্রা সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন। বাড়িতে নিজে থেকে অতিরিক্ত মাত্রার চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না। হাসপাতালে সাধারণত লক্ষণভিত্তিক সহায়ক চিকিৎসা দেওয়া হয়, যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ জীবনরক্ষাকারী মাপকাঠি ও হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ অন্তর্ভুক্ত থাকে; কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই।
ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন; বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে Mitadip-এর ক্লিয়ারেন্স কমে যায় এবং তারা সিডেশন ও অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশনের প্রতি বেশি সংবেদনশীল হতে পারেন। কম মাত্রায় শুরু করে ধীরে ধীরে বাড়ান।
লিভারের সমস্যা থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে Mitadip-এর ক্লিয়ারেন্স কমে যায়; কম মাত্রায় ও সতর্ক পর্যবেক্ষণের সাথে ব্যবহার করুন।
মাঝারি থেকে গুরুতর কিডনি সমস্যা থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে Mitadip-এর ক্লিয়ারেন্স কমে যায়; কম মাত্রায় ও সতর্ক পর্যবেক্ষণের সাথে ব্যবহার করুন।
১৮ বছরের নিচে রোগীদের ক্ষেত্রে Mitadip-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি; বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই বয়সসীমার ক্ষেত্রে ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না (দেখুন সতর্কতা)।
Q: Mitadip 15 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Mitadip 15 mg Tablet একটি অ্যাটিপিক্যাল অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট, যা প্রধানত প্রাপ্তবয়স্কদের মেজর ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার (MDD)-এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এর সিডেটিভ ও ক্ষুধাবর্ধক প্রভাবের কারণে ডিপ্রেশনের সাথে সংশ্লিষ্ট ঘুমের সমস্যা বা ক্ষুধামান্দ্যের ক্ষেত্রেও কখনো কখনো অফ-লেবেল ব্যবহার করা হয়।
Q: Mitadip 15 mg Tablet কাজ করতে কতদিন সময় লাগে?
A: কিছু রোগী Mitadip 15 mg Tablet সেবনের প্রথম ১-২ সপ্তাহের মধ্যে ঘুম ও ক্ষুধায় উন্নতি লক্ষ্য করেন, তবে মেজাজের উপর সম্পূর্ণ অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট প্রভাব সাধারণত ২-৪ সপ্তাহ বা তার বেশি সময় নেয়। উন্নতি তাৎক্ষণিক না হলেও নির্ধারিত মাত্রায় Mitadip 15 mg Tablet সেবন চালিয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ করা উচিত নয়।
Q: Mitadip 15 mg Tablet কেন ওজন বৃদ্ধি ও ঘুম ঘুম ভাব সৃষ্টি করে?
A: Mitadip 15 mg Tablet মস্তিষ্কের হিস্টামিন (H1) রিসেপ্টর ব্লক করে, যা সাধারণত সিডেশন ও ক্ষুধাবৃদ্ধি ঘটায়। এই কারণে এটি সাধারণত সন্ধ্যায় সেবন করা হয়, এবং কিছু রোগীর চিকিৎসাকালে ওজন বৃদ্ধি হতে পারে। উল্লেখযোগ্য ওজন পরিবর্তন হলে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন।
Q: Mitadip 15 mg Tablet-এর সাথে কি অন্য অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট বা মাইগ্রেনের ঔষধ নেওয়া যায়?
A: Mitadip 15 mg Tablet কখনো মনোঅ্যামিন অক্সিডেজ ইনহিবিটর (MAOI)-এর সাথে বা তা বন্ধ করার ১৪ দিনের মধ্যে ব্যবহার করা যাবে না, কারণ এতে সেরোটোনিন সিনড্রোম নামক গুরুতর ও প্রাণঘাতী প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে। SSRI, SNRI বা মাইগ্রেনের জন্য ব্যবহৃত ট্রিপট্যানের মতো অন্যান্য সেরোটোনার্জিক ঔষধের সাথে Mitadip 15 mg Tablet একত্রে সেবন করলেও সেরোটোনিন সিনড্রোমের ঝুঁকি বাড়তে পারে, তাই Mitadip 15 mg Tablet শুরু করার আগে আপনি যেসব ঔষধ সেবন করছেন তা চিকিৎসককে জানান।
Q: Mitadip 15 mg Tablet হঠাৎ বন্ধ করা কি নিরাপদ?
A: না। নিয়মিত সেবনের পর হঠাৎ Mitadip 15 mg Tablet বন্ধ করা উচিত নয়, কারণ এতে মাথা ঘোরা, বমিভাব, খিটখিটে মেজাজ বা উদ্বেগের মতো ডিসকন্টিনিউয়েশন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। সবসময় চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে মাত্রা কমান।
Q: Mitadip 15 mg Tablet-এর বিরল কিন্তু গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে কী সতর্ক থাকা উচিত?
A: বিরল ক্ষেত্রে Mitadip 15 mg Tablet শ্বেত রক্তকণিকার গুরুতর হ্রাস (অ্যাগ্রানুলোসাইটোসিস) ঘটাতে পারে, তাই Mitadip 15 mg Tablet সেবনকালে জ্বর, গলাব্যথা, মুখে ঘা বা সংক্রমণের অন্য লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সেরোটোনিন সিনড্রোমের লক্ষণ (আন্দোলন, দ্রুত হৃদস্পন্দন, পেশি দৃঢ়তা, উচ্চ জ্বর) বা মেজাজ খারাপ হওয়া/আত্মহত্যার চিন্তার ক্ষেত্রেও, বিশেষত অল্পবয়সী রোগীদের মধ্যে, অবিলম্বে সাহায্য নিন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।