Product gallery
MRP ৳ ৪.০০৮% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৩.৬৮/piece
১
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Naid একটি নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID), যা ব্যথা, জ্বর এবং প্রদাহ কমাতে ব্যবহৃত হয়। প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী নির্দেশনাগুলো নিচে ভাগ করা হলো।

প্রতিষ্ঠিত / অনুমোদিত ব্যবহার

  • অস্টিওআর্থ্রাইটিস (হাড়ের ক্ষয়জনিত বাত)
  • রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস
  • অ্যাংকাইলোজিং স্পন্ডাইলাইটিস
  • শিশুদের জুভেনাইল ইডিওপ্যাথিক আর্থ্রাইটিস (ওজন-ভিত্তিক মাত্রায়)
  • তীব্র কাঁধের ব্যথা (বার্সাইটিস/টেন্ডোনাইটিস)
  • তীব্র গাউট (গেঁটেবাত)
  • প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়া (মাসিকের সময় ব্যথা)
  • মৃদু থেকে মাঝারি তীব্র ব্যথা (পেশি-হাড়ের আঘাত, অস্ত্রোপচার পরবর্তী ব্যথা, মাথাব্যথা/মাইগ্রেন)

গাইডলাইন-সমর্থিত / প্রচলিত ব্যবহার

  • জ্বর কমাতে
  • টেনশন-টাইপ মাথাব্যথা ও তীব্র মাইগ্রেন আক্রমণ (প্রায়ই সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে)

Naid কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয় এবং সংক্রমণ চিকিৎসায় এর কোনো ভূমিকা নেই।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Naid নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID) শ্রেণির, নির্দিষ্টভাবে প্রোপায়োনিক অ্যাসিড ডেরিভেটিভ গ্রুপের অন্তর্গত। এটি একটি নন-সিলেক্টিভ সাইক্লো-অক্সিজেনেজ (COX-1 এবং COX-2) ইনহিবিটর।

ফার্মাকোলজি

Naproxen Sodium সাইক্লো-অক্সিজেনেজ (COX-1 এবং COX-2) এনজাইমকে নন-সিলেক্টিভভাবে বাধা দিয়ে কাজ করে, যার ফলে ব্যথা, প্রদাহ ও জ্বরের জন্য দায়ী প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন সংশ্লেষণ কমে যায়। COX-1 বাধাদানের কারণে এর গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ও অ্যান্টিপ্লেটলেট প্রভাবও দেখা যায়।

মুখে খাওয়ার পর সোডিয়াম লবণ দ্রুত শোষিত হয়ে সাধারণ ন্যাপ্রক্সেনের তুলনায় দ্রুত সর্বোচ্চ প্লাজমা ঘনত্বে পৌঁছায়। ন্যাপ্রক্সেন উচ্চমাত্রায় প্লাজমা প্রোটিনের সাথে আবদ্ধ হয় (>৯৯%) এবং এর অর্ধায়ু প্রায় ১২-১৭ ঘণ্টা, যা দিনে দুইবার সেবনের সুযোগ দেয়। এটি যকৃতে বিপাক হয়ে মূলত মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাপ্তবয়স্কদের Naid এর মাত্রা

নির্দেশনাপ্রচলিত প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা
অস্টিওআর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, অ্যাংকাইলোজিং স্পন্ডাইলাইটিসদিনে দুইবার ২৭৫-৫৫০ মি.গ্রা.; প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ১,১০০ মি.গ্রা./দিন বিভক্ত মাত্রায়
তীব্র পেশি-হাড়ের ব্যথা, মৃদু-মাঝারি ব্যথা, প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়াপ্রথমে ৫৫০ মি.গ্রা., এরপর প্রতি ৬-৮ ঘণ্টায় ২৭৫ মি.গ্রা. অথবা প্রতি ১২ ঘণ্টায় ৫৫০ মি.গ্রা.; প্রথম দিনে সর্বোচ্চ ১,৩৭৫ মি.গ্রা., পরে দিনে ১,১০০ মি.গ্রা.-এর বেশি নয়
তীব্র গাউটপ্রথমে ৮২৫ মি.গ্রা., এরপর প্রতি ৮ ঘণ্টায় ২৭৫ মি.গ্রা., আক্রমণ কমা পর্যন্ত
শিশুদের জুভেনাইল ইডিওপ্যাথিক আর্থ্রাইটিসপ্রায় ১০ মি.গ্রা./কেজি/দিন দুই ভাগে (সাসপেনশন আকারে); ৫০ কেজির কম ওজনের শিশুদের জন্য ট্যাবলেট সাধারণত উপযুক্ত নয়

হৃদরোগ ও পাকস্থলীর ঝুঁকি বিবেচনায় (দেখুন সতর্কতা অংশ) সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা সবচেয়ে কম সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত। কিডনি বা যকৃতের সমস্যায় সর্বনিম্ন মাত্রা ব্যবহার করুন এবং ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে রাখুন; গুরুতর সমস্যায় Naid এড়িয়ে চলুন।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Naid-এর সাথে গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ মিথষ্ক্রিয়াগুলো হলো:

  • অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট (যেমন ওয়ারফারিন) ও অন্যান্য NSAID/অ্যাসপিরিন: রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • কম মাত্রার অ্যাসপিরিন: Naid অ্যাসপিরিনের হৃদরোগ-প্রতিরোধী প্রভাবে বাধা দিতে পারে এবং একসাথে সেবনে পাকস্থলীর জটিলতার ঝুঁকি বাড়ে।
  • ACE ইনহিবিটর, ARB ও ডাই-ইউরেটিক: Naid এদের রক্তচাপ কমানোর কার্যকারিতা হ্রাস করতে পারে এবং একসাথে ব্যবহারে কিডনি ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ায়, বিশেষত বয়স্ক বা তরল-স্বল্পতাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে।
  • লিথিয়াম: লিথিয়ামের রেচন কমিয়ে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।
  • মেথোট্রেক্সেট: মেথোট্রেক্সেটের রেচন কমিয়ে এর বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।
  • SSRI/SNRI ও কর্টিকোস্টেরয়েড: Naid-এর সাথে একত্রে পাকস্থলীর রক্তক্ষরণ/আলসারের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • সাইক্লোস্পোরিন: কিডনি ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ায়।

প্রতিনির্দেশনা

Naproxen Sodium নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ:

  • ন্যাপ্রক্সেন বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা থাকলে।
  • অ্যাসপিরিন বা অন্য NSAID সেবনে হাঁপানি, urticaria বা অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়ার ইতিহাস থাকলে।
  • সক্রিয় পাকস্থলী/অন্ত্রের রক্তক্ষরণ বা সক্রিয় পেপটিক আলসার থাকলে।
  • করোনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফট (CABG) অস্ত্রোপচারের পূর্ব-পরবর্তী ব্যথায় ব্যবহারে।
  • মারাত্মক, অনিয়ন্ত্রিত হৃদযন্ত্রের অকার্যকারিতায়।
  • গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে (দেখুন গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে অংশ)।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Naid-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বদহজম, বুক জ্বালা, পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, ঝিমুনি, কানে শব্দ শোনা (টিনিটাস), এবং শরীরে পানি জমা/ফোলাভাব।

কম সাধারণ কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে পাকস্থলীর রক্তক্ষরণ/আলসার/ছিদ্র, হৃদরোগজনিত থ্রম্বোটিক ঘটনা (হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক), কিডনি সমস্যা, যকৃতের এনজাইম বৃদ্ধি/লিভার ক্ষতি, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে পটাশিয়াম বৃদ্ধি, অ্যাসেপটিক মেনিনজাইটিস এবং গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া (স্টিভেন্স-জনসন সিনড্রোম) বা তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া। কালো/রক্তমিশ্রিত মল, বুকে ব্যথা, হঠাৎ দুর্বলতা, জন্ডিস বা তীব্র র‍্যাশ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থার প্রায় ২০ সপ্তাহ থেকে Naid এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এই সময়ে NSAID ব্যবহারে ভ্রূণের কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে। প্রায় ৩০ সপ্তাহ বা তার পরে (তৃতীয় ত্রৈমাসিক) ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, কারণ এতে ভ্রূণের হৃদযন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালী অকালে বন্ধ হয়ে যাওয়াসহ অন্যান্য জটিলতার ঝুঁকি থাকে। এর আগের সময়ে Naid শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে, প্রকৃত প্রয়োজনে, সর্বনিম্ন মাত্রায় ও সবচেয়ে কম সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।

স্তন্যদান: ন্যাপ্রক্সেন অল্প পরিমাণে বুকের দুধে যায় (মায়ের রক্তের প্রায় ১%)। শিশুর ওপর সম্ভাব্য প্রভাবের কারণে, চিকিৎসক উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে করলেই কেবল স্তন্যদানকালে Naid ব্যবহার করা উচিত।

সতর্কতা

হৃদরোগের ঝুঁকি: Naid, অন্যান্য NSAID-এর মতোই, হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকসহ গুরুতর হৃদরোগজনিত থ্রম্বোটিক ঘটনার উচ্চ ঝুঁকি বহন করে, যা প্রাণঘাতী হতে পারে; দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার ও পূর্ব থেকে হৃদরোগ থাকলে এই ঝুঁকি বাড়ে।

পাকস্থলীর ঝুঁকি: পাকস্থলী বা অন্ত্রে রক্তক্ষরণ, আলসার বা ছিদ্র হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়, যা কোনো পূর্ব লক্ষণ ছাড়াই যেকোনো সময় হতে পারে, বিশেষত বয়স্ক রোগী বা পূর্বে পেপটিক আলসার/রক্তক্ষরণের ইতিহাস থাকলে।

কিডনির প্রভাব: বিশেষত পূর্ব থেকে কিডনি সমস্যা, হৃদযন্ত্রের অকার্যকারিতা, যকৃতের সমস্যা, তরল-স্বল্পতা বা বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে কিডনি ক্ষতি হতে পারে; কিডনির কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণ জরুরি।

যকৃতের প্রভাব: বিরল হলেও গুরুতর যকৃতের ক্ষতি (এনজাইম বৃদ্ধি, হেপাটাইটিস) হতে পারে; যকৃতের সমস্যার লক্ষণ দেখা দিলে বন্ধ করুন।

অন্যান্য: শরীরে পানি জমা, ফোলাভাব ও উচ্চ রক্তচাপ বাড়াতে বা হৃদরোগ/উচ্চ রক্তচাপ আরও খারাপ করতে পারে; হাঁপানি রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন (ব্রঙ্কোস্পাজমের ঝুঁকি); CABG অস্ত্রোপচারের পূর্ব-পরবর্তী ব্যথায় ব্যবহার এড়িয়ে চলুন (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।

মাত্রাধিক্যতা

Naid-এর অতিরিক্ত মাত্রায় ঝিমুনি, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা, পাকস্থলীর রক্তক্ষরণ এবং গুরুতর ক্ষেত্রে রক্তচাপ কমে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, কিডনি বিকল হওয়া, অজ্ঞান হওয়া বা খিঁচুনি হতে পারে।

অতিরিক্ত মাত্রা একটি চিকিৎসা জরুরি অবস্থা। অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন অথবা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা মূলত উপসর্গ অনুযায়ী সহায়ক; এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। বাড়িতে নিজে থেকে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

Naid ৩০°সে তাপমাত্রার নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, স্বাভাবিক কক্ষ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে

Naid (সাসপেনশন আকারে, ওজন অনুযায়ী মাত্রায়) শিশুদের জুভেনাইল ইডিওপ্যাথিক আর্থ্রাইটিস চিকিৎসায় অনুমোদিত, সাধারণত প্রায় ১০ মি.গ্রা./কেজি/দিন দুই ভাগে। ৫০ কেজির কম ওজনের শিশুদের জন্য ট্যাবলেট সাধারণত উপযুক্ত নয়। অন্যান্য নির্দেশনায় বা ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে

বয়স্ক রোগীরা Naid ব্যবহারে পাকস্থলী, হৃদরোগ ও কিডনি সংক্রান্ত গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকিতে বেশি থাকেন; সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা সবচেয়ে কম সময়ের জন্য ব্যবহার করে ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে রাখা উচিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Naid 250 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Naid 250 mg Tablet একটি NSAID যা অস্টিওআর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, অ্যাংকাইলোজিং স্পন্ডাইলাইটিস, তীব্র গাউট, পেশি-হাড়ের আঘাত, মাসিকের ব্যথা (ডিসমেনোরিয়া) এবং মাথাব্যথায় ব্যথা, জ্বর ও প্রদাহ কমাতে ব্যবহৃত হয়।

Q: Naid 250 mg Tablet কীভাবে সেবন করব?

A: Naid 250 mg Tablet ট্যাবলেট পুরো এক গ্লাস পানির সাথে গিলে খান, পেটের সমস্যা কমাতে খাবার বা দুধের সাথে খাওয়া ভালো, এবং চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সেবন করুন। সাসটেইন্ড-রিলিজ ট্যাবলেট ভাঙা বা চিবানো যাবে না, এবং নির্ধারিত মাত্রা বা সময়ের বেশি সেবন করবেন না।

Q: গর্ভাবস্থায় কি Naid 250 mg Tablet সেবন করা যাবে?

A: গর্ভাবস্থার প্রায় ২০ সপ্তাহ থেকে Naid 250 mg Tablet এড়িয়ে চলা উচিত, এবং তৃতীয় ত্রৈমাসিকে (প্রায় ৩০ সপ্তাহ বা পরে) এটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, কারণ এতে শিশুর মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে, যেমন ভ্রূণের একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালী অকালে বন্ধ হয়ে যাওয়া। এর আগে চিকিৎসক প্রকৃত প্রয়োজন মনে করলেই কেবল সর্বনিম্ন মাত্রায় ও সবচেয়ে কম সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।

Q: স্তন্যদানকালে Naid 250 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: অল্প পরিমাণে ন্যাপ্রক্সেন বুকের দুধে যায়। Naid 250 mg Tablet স্তন্যদানকালে কেবল তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন চিকিৎসক মনে করেন এর উপকারিতা শিশুর জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি।

Q: Naid 250 mg Tablet-এর কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোতে সতর্ক থাকা উচিত?

A: কালো/রক্তমিশ্রিত মল, রক্ত বমি, তীব্র পেটে ব্যথা, বুকে ব্যথা, হঠাৎ দুর্বলতা বা কথা জড়িয়ে যাওয়া, অস্বাভাবিক ফোলাভাব, ত্বক/চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া বা তীব্র র‍্যাশ দেখা দিলে Naid 250 mg Tablet সেবন বন্ধ করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কারণ এগুলো গুরুতর পাকস্থলী, হৃদরোগ, যকৃত বা অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ হতে পারে।

Q: Naid 250 mg Tablet বেশি পরিমাণে খেয়ে ফেললে কী করব?

A: Naid 250 mg Tablet-এর অতিরিক্ত মাত্রা একটি চিকিৎসা জরুরি অবস্থা। অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন অথবা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; বাড়িতে নিজে থেকে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor