
Tufnil200 mg
Eskayef Bangladesh Ltd.

Namitol একটি ফেনামেট শ্রেণীর NSAID (নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগ), যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
Namitol স্বল্পমেয়াদী উপসর্গ উপশমের জন্য নির্দেশিত; এটি মাইগ্রেন প্রতিরোধক ওষুধ নয় এবং প্রয়োজনীয় সর্বনিম্ন মাত্রায়, স্বল্পতম সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।
নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগ (NSAID) — ফেনামেট শ্রেণী; মাইগ্রেন-বিরোধী ব্যথানাশক। জেনেরিক নাম: Namitol
Tolfenamic acid একটি ফেনামেট শ্রেণীর NSAID, যা প্রধানত সাইক্লো-অক্সিজেনেজ (COX-1 ও COX-2) এনজাইম নিষ্ক্রিয় করে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন তৈরি কমিয়ে দেয়, ফলে ব্যথা, প্রদাহ ও জ্বর উপশম হয়।
এছাড়া Tolfenamic acid প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন রিসেপ্টরের বিপরীতে কিছুটা প্রতিরোধী কার্যকারিতা এবং লিউকোট্রিন সংশ্লেষণ প্রতিরোধ করতে পারে বলে মনে করা হয়, যা মাইগ্রেনে এর কার্যকারিতায় ভূমিকা রাখে।
মুখে সেবনের পর Tolfenamic acid পাকস্থলী থেকে দ্রুত শোষিত হয় এবং সাধারণত ১-২ ঘণ্টার মধ্যে সর্বোচ্চ রক্তমাত্রায় পৌঁছায়। এটি যকৃতে বিপাকিত হয়ে মূলত মূত্রের মাধ্যমে এবং কিছুটা মলের মাধ্যমে নির্গত হয়।
মাইগ্রেন আক্রমণ শুরু হওয়ার সাথে সাথে সাধারণত Namitol ২০০ মি.গ্রা. মুখে সেবন করতে হয়। পর্যাপ্ত উপশম না হলে ১-২ ঘণ্টা পর আরও একটি ২০০ মি.গ্রা. মাত্রা নেওয়া যেতে পারে। মোট মাত্রা ২৪ ঘণ্টায় ৪০০ মি.গ্রা. ছাড়ানো উচিত নয়, এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাসে বারবার এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।
সাধারণ ব্যথা উপশমে Namitol ২০০ মি.গ্রা. দিনে ২-৩ বার, খাবারের পর, স্বল্পতম প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য সেবন করা যায়। মাসিকের ব্যথায় ব্যথা/মাসিক শুরু হওয়ার সাথে সাথে ২০০ মি.গ্রা. দিনে ২-৩ বার, প্রয়োজন অনুযায়ী ২-৩ দিন সেবন করা যেতে পারে।
১৮ বছরের কম বয়সী শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে Namitol-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি; সাধারণত এই বয়সীদের জন্য এটি সুপারিশ করা হয় না।
মৃদু বৃক্ক বা যকৃতের সমস্যায় Namitol সতর্কতার সাথে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় ব্যবহার করতে হবে; তীব্র বৃক্ক বা যকৃতের সমস্যায় এটি প্রতিনির্দেশিত (নিষিদ্ধ)।
Namitol ট্যাবলেট পুরো গিলে, পর্যাপ্ত পানির সাথে, সম্ভব হলে খাবারের সাথে বা পরে সেবন করতে হবে, যাতে পাকস্থলীর অস্বস্তি কমে।
নিম্নলিখিত ওষুধের সাথে Namitol-এর সুপ্রতিষ্ঠিত ও ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Tolfenamic acid ব্যবহার নিষিদ্ধ (contraindicated):
Namitol-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাধারণত অন্যান্য NSAID-এর মতোই; বেশিরভাগ মাত্রা-নির্ভর এবং ওষুধ বন্ধ করলে সেরে যায়।
কালো পায়খানা, রক্তবমি, গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে Namitol ব্যবহার নিষিদ্ধ, কারণ এই সময়ে NSAID ব্যবহারে গর্ভস্থ শিশুর ductus arteriosus অকালে বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং কিডনির কার্যকারিতা হ্রাসসহ জটিলতা হতে পারে। প্রথম ও দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে স্পষ্ট প্রয়োজন না থাকলে Namitol এড়িয়ে চলা উচিত; প্রয়োজন হলে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায়, স্বল্পতম সময়ের জন্য, এবং শুধুমাত্র সম্ভাব্য উপকারিতা গর্ভস্থ শিশুর ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত। গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের আগে সর্বদা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
স্তন্যদান: বুকের দুধে Namitol-এর নিঃসরণ সম্পর্কে তথ্য সীমিত। সতর্কতা হিসেবে, স্তন্যদানকালে স্পষ্ট প্রয়োজন ও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া Namitol ব্যবহার করা উচিত নয়, এবং ব্যবহার করলে শিশুর যেকোনো অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ার জন্য নজর রাখা উচিত।
Namitol, অন্যান্য NSAID-এর মতোই, হৃদযন্ত্র ও গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ঝুঁকি বহন করে এবং সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত:
Namitol-এর অতিরিক্ত মাত্রায় বমি বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তক্ষরণ, তন্দ্রাভাব, মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে খিঁচুনি, কিডনির সমস্যা বা রক্তচাপ কমে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
Namitol-এর অতিরিক্ত মাত্রা সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। বাড়িতে নিজে চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না; হাসপাতালে সহায়ক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
৩০°সে তাপমাত্রার নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
বয়স্ক রোগী: বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে Namitol ব্যবহারে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল, বৃক্ক ও হৃদযন্ত্রের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে; সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় শুরু করে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
শিশু/কিশোর-কিশোরী: ১৮ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে Namitol-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি; সাধারণত এই বয়সীদের জন্য সুপারিশ করা হয় না।
বৃক্কের সমস্যা: মৃদু-মাঝারি বৃক্ক সমস্যায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন; তীব্র বৃক্ক সমস্যায় নিষিদ্ধ (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।
যকৃতের সমস্যা: মৃদু যকৃত সমস্যায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন; তীব্র যকৃত সমস্যায় নিষিদ্ধ (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।
Q: Namitol 200 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Namitol 200 mg Tablet একটি NSAID যা প্রধানত মাইগ্রেন আক্রমণের তীব্র চিকিৎসায় এবং মৃদু-মাঝারি ব্যথা ও প্রদাহজনিত অবস্থায় (যেমন মাসিকের ব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা) ব্যবহৃত হয়।
Q: মাইগ্রেন আক্রমণে Namitol 200 mg Tablet কীভাবে সেবন করব?
A: মাইগ্রেন শুরু হওয়ার সাথে সাথে সাধারণত ২০০ মি.গ্রা. সেবন করতে হয়। প্রয়োজন হলে ১-২ ঘণ্টা পর আরেকটি ২০০ মি.গ্রা. মাত্রা নেওয়া যায়, তবে মোট মাত্রা ২৪ ঘণ্টায় ৪০০ মি.গ্রা. ছাড়ানো উচিত নয়। পেটের অস্বস্তি কমাতে খাবারের সাথে বা পানির সাথে সেবন করুন।
Q: গর্ভাবস্থায় কি Namitol 200 mg Tablet সেবন করা যাবে?
A: গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে Namitol 200 mg Tablet শিশুর জন্য ঝুঁকির কারণে নিষিদ্ধ। এর আগের সময়ে শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, সর্বনিম্ন মাত্রায় স্বল্পতম সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত, কারণ সম্ভাব্য উপকারিতার সাথে গর্ভস্থ শিশুর ঝুঁকি তুলনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
Q: স্তন্যদানকালে Namitol 200 mg Tablet কি নিরাপদ?
A: বুকের দুধে Namitol 200 mg Tablet-এর নিঃসরণ সম্পর্কে তথ্য সীমিত। স্পষ্ট প্রয়োজন ও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া স্তন্যদানকালে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়, এবং ব্যবহার করলে শিশুর যেকোনো অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ার জন্য নজর রাখা উচিত।
Q: কাদের Namitol 200 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়?
A: Namitol 200 mg Tablet, অন্যান্য NSAID বা aspirin-এর প্রতি অ্যালার্জি থাকলে (হাঁপানি/urticaria-র ইতিহাসসহ), সক্রিয় পাকস্থলীর আলসার বা রক্তক্ষরণ, তীব্র হৃদযন্ত্রের অকার্যকারিতা, তীব্র বৃক্ক বা যকৃতের সমস্যা থাকলে, অথবা গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে Namitol 200 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়।
Q: Namitol 200 mg Tablet-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবন করলে কী করব?
A: Namitol 200 mg Tablet-এর অতিরিক্ত মাত্রা সন্দেহ হলে বাড়িতে নিজে চিকিৎসার চেষ্টা না করে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি/বিষ নিয়ন্ত্রণ সেবায় যোগাযোগ করুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।