Product gallery
MRP ৳ ৭.০০৫% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৬.৬৫/1 ml ampoule
১
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Neos-R একটি রিভার্সিবল এসিটাইলকোলিনেস্টারেজ ইনহিবিটর, যার প্রতিষ্ঠিত ব্যবহারগুলো নিচে দেওয়া হলো:

  • নন-ডিপোলারাইজিং নিউরোমাসকুলার ব্লকিং এজেন্টের প্রভাব প্রত্যাবর্তন: অস্ত্রোপচারের পর ব্যবহৃত পেশি-শিথিলকারী ওষুধের প্রভাব কাটাতে, সবসময় অ্যাট্রোপিন বা গ্লাইকোপাইরোলেটের মতো অ্যান্টিকোলিনার্জিক ওষুধের সাথে একত্রে দেওয়া হয়।
  • মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিস: যখন মুখে খাওয়ার চিকিৎসা সম্ভব নয় (যেমন অস্ত্রোপচারের ঠিক পরে বা মায়াস্থেনিক ক্রাইসিসের সময়), তখন উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে ইনজেকশন আকারে ব্যবহৃত হয়।
  • অস্ত্রোপচার-পরবর্তী/প্রসব-পরবর্তী নন-অবস্ট্রাক্টিভ প্রস্রাব ধরে রাখা (Urinary Retention): যান্ত্রিক বাধা না থাকলে মূত্রথলির স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • অস্ত্রোপচার-পরবর্তী পেট ফাঁপা (প্যারালাইটিক ইলিয়াস): অন্ত্রের যান্ত্রিক বাধা না থাকলে অন্ত্রের গতিশীলতা বাড়াতে ব্যবহৃত হয়।

Neos-R শুধুমাত্র প্রশিক্ষিত চিকিৎসা কর্মীদের দ্বারা, প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণ সুবিধাসহ প্রয়োগ করা উচিত।

থেরাপিউটিক ক্লাস

অ্যান্টিকোলিনেস্টারেজ এজেন্ট / প্যারাসিমপ্যাথোমাইমেটিক (রিভার্সিবল কোলিনেস্টারেজ ইনহিবিটর) — মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিস ও নিউরোমাসকুলার ব্লক রিভার্সালে ব্যবহৃত ওষুধ। Neos-R এই শ্রেণিভুক্ত একটি ওষুধ।

ফার্মাকোলজি

Neostigmine Methyl Sulphate এসিটাইলকোলিনেস্টারেজ এনজাইমকে বিপরীতমুখীভাবে (reversibly) নিষ্ক্রিয় করে, যা এসিটাইলকোলিন ভেঙে ফেলার জন্য দায়ী। এর ফলে কোলিনার্জিক সাইন্যাপ্সে এসিটাইলকোলিনের পরিমাণ ও কার্যকাল বেড়ে যায়, যার ফলে:

  • নিউরোমাসকুলার জাংশনে সংকেত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়, যা নন-ডিপোলারাইজিং নিউরোমাসকুলার ব্লকিং এজেন্টের প্রভাব প্রতিহত করে।
  • মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিস রোগীদের পেশিশক্তি বৃদ্ধি পায়।
  • মূত্রথলি ও অন্ত্রের মসৃণ পেশির স্বর ও গতিশীলতা বৃদ্ধি পায় (মাসকারিনিক প্রভাব)।

Neostigmine Methyl Sulphate সহজে ব্লাড-ব্রেইন ব্যারিয়ার অতিক্রম করে না, তাই স্বাভাবিক মাত্রায় কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে এর প্রভাব খুবই সীমিত। এটি ইনজেকশন (শিরায়, মাংসপেশিতে বা ত্বকের নিচে) আকারে দেওয়া হয়, কারণ মুখে খাওয়ালে এর শোষণ অনির্ভরযোগ্য; শিরাপথে প্রয়োগের পর কয়েক মিনিটের মধ্যেই কার্যকারিতা শুরু হয় এবং প্রায় ১-২ ঘণ্টা স্থায়ী হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

নির্দেশনাপ্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রামন্তব্য
নিউরোমাসকুলার ব্লক রিভার্সাল০.০৩–০.০৭ মিগ্রা/কেজি শিরায় (সর্বোচ্চ মোট মাত্রা ০.০৭ মিগ্রা/কেজি বা ৫ মিগ্রা, যেটি কম)অ্যাট্রোপিন বা গ্লাইকোপাইরোলেটের সাথে একত্রে প্রয়োগ আবশ্যক; নিউরোমাসকুলার মনিটরিং অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারিত হয়
মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিস (ইনজেকশন)১–২.৫ মিগ্রা মাংসপেশিতে/ত্বকের নিচে, প্রয়োজন অনুযায়ী বিরতিতে (দৈনিক মোট প্রায় ৫–২০ মিগ্রা)উপসর্গ নিয়ন্ত্রণের জন্য সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় সমন্বয় করা হয়
প্রস্রাব ধরে রাখা (নন-অবস্ট্রাক্টিভ)০.২৫–০.৫ মিগ্রা মাংসপেশিতে/ত্বকের নিচে, প্রতি ৩-৬ ঘণ্টা অন্তর প্রয়োজন অনুযায়ীযান্ত্রিক বাধা বাতিল করার পরই ব্যবহার করা যাবে
পেট ফাঁপা (প্যারালাইটিক ইলিয়াস)০.২৫–০.৫ মিগ্রা মাংসপেশিতে/ত্বকের নিচে, প্রতি ৩-৬ ঘণ্টা অন্তর প্রয়োজন অনুযায়ীযান্ত্রিক বাধা/পেরিটোনাইটিস বাতিল করার পরই ব্যবহার করা যাবে

Neos-R শুধুমাত্র প্রশিক্ষিত চিকিৎসাকর্মীর মাধ্যমে, রিসাসিটেশন সরঞ্জাম ও অ্যাট্রোপিন প্রস্তুত রেখে প্রয়োগ করা উচিত। এটি মুখে খাওয়ার জন্য নয়।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Neos-R-এর গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ-মিথষ্ক্রিয়াগুলো:

  • ডিপোলারাইজিং নিউরোমাসকুলার ব্লকার (যেমন সাক্সিনাইলকোলিন): Neos-R এদের প্রভাব প্রতিহত করে না, বরং দীর্ঘায়িত বা তীব্র করতে পারে; তাই এই ওষুধগুলোর প্রভাব কাটাতে এটি ব্যবহার করা হয় না।
  • অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক (নিওমাইসিন, স্ট্রেপ্টোমাইসিন, কানামাইসিন, জেন্টামাইসিন): এদের নিজস্ব নিউরোমাসকুলার ব্লকিং প্রভাব থাকায় Neos-R-এর কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে, ফলে মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে।
  • অন্যান্য অ্যান্টিকোলিনেস্টারেজ ওষুধ: একসাথে ব্যবহারে কোলিনার্জিক টক্সিসিটি/ক্রাইসিসের ঝুঁকি বাড়ে (দেখুন মাত্রাধিক্যতা অংশ)।
  • কর্টিকোস্টেরয়েড: মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিসে Neos-R-এর কার্যকারিতা কমাতে পারে; স্টেরয়েড হঠাৎ বন্ধ করলে গুরুতর পেশিদুর্বলতা দেখা দিতে পারে।
  • অ্যান্টিকোলিনার্জিক ওষুধ (যেমন অ্যাট্রোপিন, গ্লাইকোপাইরোলেট): অনাকাঙ্ক্ষিত মাসকারিনিক প্রভাব ঠেকাতে ইচ্ছাকৃতভাবে একসাথে দেওয়া হয়, তবে এটি কোলিনার্জিক ওভারডোজের প্রাথমিক লক্ষণও ঢেকে দিতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

Neostigmine Methyl Sulphate নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:

  • নিওস্টিগমিন বা ফর্মুলেশনের যেকোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অতি-সংবেদনশীলতা।
  • অন্ত্রের যান্ত্রিক বাধা (Mechanical intestinal obstruction)।
  • মূত্রনালীর যান্ত্রিক বাধা।
  • পেরিটোনাইটিস (উদরগহ্বরের আবরণের প্রদাহ)।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Neos-R-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো মূলত অতিরিক্ত কোলিনার্জিক উদ্দীপনার কারণে দেখা দেয়:

  • সবচেয়ে সাধারণ: হৃদস্পন্দন কমে যাওয়া (ব্র্যাডিকার্ডিয়া), বমি বমি ভাব ও বমি।
  • হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত: অ্যারিদমিয়া, রক্তচাপ কমে যাওয়া, দ্রুত হৃদস্পন্দন, সিনকোপ, বিরল ক্ষেত্রে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট।
  • পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত: অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ, পেটে খিঁচুনি, ডায়রিয়া, মুখ শুকিয়ে যাওয়া।
  • শ্বাসতন্ত্র সংক্রান্ত: ব্রঙ্কিয়াল ও গলবিলের নিঃসরণ বৃদ্ধি, ব্রঙ্কোস্পাজম, শ্বাসকষ্ট, শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা।
  • স্নায়ু-পেশি সংক্রান্ত: পেশিদুর্বলতা, পেশিতে খিঁচুনি, মাথা ঘোরা, তন্দ্রাভাব।
  • এলার্জি: অতি-সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া, বিরল ক্ষেত্রে অ্যানাফাইল্যাক্সিস।

অতিরিক্ত মাত্রায় কোলিনার্জিক ক্রাইসিস হতে পারে (দেখুন মাত্রাধিক্যতা অংশ)।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভবতী নারীদের মধ্যে Neos-R নিয়ে পর্যাপ্ত ও সুনিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই। প্রসবের কাছাকাছি সময়ে দিলে এটি জরায়ুর অস্বাভাবিক সংকোচন ও অকাল প্রসব ঘটাতে পারে। তাই সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে হলে, এবং একজন চিকিৎসকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে থাকলেই কেবল Neos-R ব্যবহার করা উচিত।

স্তন্যদান: Neos-R বুকের দুধে নির্গত হয় কিনা তা জানা যায়নি। তাই স্তন্যদানকালে এটি ব্যবহারের আগে মায়ের জন্য এর প্রয়োজনীয়তা ও শিশুর সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

Neos-R নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে:

  • ব্রঙ্কিয়াল হাঁপানি (Asthma): কোলিনার্জিক উদ্দীপনা ব্রঙ্কোস্পাজম ও শ্বাসনালীর নিঃসরণ বাড়িয়ে দিতে পারে।
  • ব্র্যাডিকার্ডিয়া বা হৃদস্পন্দনের অনিয়ম: মাসকারিনিক প্রভাবে হৃদস্পন্দন আরও কমে যেতে পারে; তাই Neos-R দেওয়ার আগে বা সাথে অ্যাট্রোপিন/গ্লাইকোপাইরোলেট দেওয়া হয় এবং রিসাসিটেশন সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়।
  • পারকিনসন্স রোগ: উপসর্গ আরও খারাপ হতে পারে।
  • পেপটিক আলসার: গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড ও গতিশীলতা বৃদ্ধির কারণে আলসারের উপসর্গ বাড়তে পারে।
  • অতি-সংবেদনশীলতা/অ্যানাফাইল্যাক্সিসের ঝুঁকি: তীব্র এলার্জি প্রতিক্রিয়া মোকাবিলার সুবিধা প্রস্তুত রাখতে হবে।

মাত্রাধিক্যতায় কোলিনার্জিক ক্রাইসিস দেখা দিতে পারে, যা মায়াস্থেনিক ক্রাইসিস থেকে আলাদা করা কঠিন হতে পারে; দুটোর চিকিৎসা সম্পূর্ণ বিপরীত, তাই বিশেষজ্ঞ তত্ত্বাবধানে সঠিক নির্ণয় প্রয়োজন (দেখুন মাত্রাধিক্যতা অংশ)।

মাত্রাধিক্যতা

Neos-R-এর অতিরিক্ত মাত্রা কোলিনার্জিক ক্রাইসিস ঘটাতে পারে, যার লক্ষণগুলো হলো: অতিরিক্ত মাসকারিনিক প্রভাব (বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, অতিরিক্ত লালা ও ঘাম, ব্রঙ্কিয়াল নিঃসরণ বৃদ্ধি, ব্র্যাডিকার্ডিয়া) এবং নিকোটিনিক প্রভাব (ক্রমবর্ধমান পেশিদুর্বলতা, যা শ্বাসযন্ত্রের পেশিকেও প্রভাবিত করে শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করতে পারে)।

Neos-R-এর মাত্রাধিক্যতা বা কোলিনার্জিক ক্রাইসিসের সন্দেহ হলে তা একটি জরুরি চিকিৎসা পরিস্থিতি — দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন। এর চিকিৎসা অবশ্যই প্রশিক্ষিত চিকিৎসাকর্মীর মাধ্যমে করাতে হবে, যার মধ্যে থাকে ওষুধ বন্ধ করা, অ্যাট্রোপিন প্রয়োগ ও প্রয়োজনে শ্বাস-প্রশ্বাসে সহায়তা। বাড়িতে নিজে থেকে এর চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°C-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। হিমায়িত করবেন না। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। খোলা অ্যাম্পুলের অব্যবহৃত অংশ ফেলে দিন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে: নিউরোমাসকুলার ব্লক রিভার্সালের জন্য Neos-R সব বয়সের শিশুদের ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্কদের মতোই ওজন-ভিত্তিক মাত্রায় (০.০৩–০.০৭ মিগ্রা/কেজি শিরায়) ব্যবহৃত হয়। শিশু ও নবজাতকদের শ্বাসক্ষমতা কম থাকায় অসম্পূর্ণ রিভার্সালের ঝুঁকি বেশি থাকে, তাই তাদের ব্র্যাডিকার্ডিয়া ও রক্তচাপ কমে যাওয়ার জন্য ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিস বা প্রস্রাব ধরে রাখার মতো অন্য নির্দেশনায় শিশুদের ক্ষেত্রে Neos-R কেবল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে, পৃথক মূল্যায়নের ভিত্তিতে ব্যবহার করা উচিত।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে: কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ায় Neos-R-এর কার্যকাল দীর্ঘায়িত হতে পারে, তবে নিউরোমাসকুলার ব্লক থেকে স্বতঃস্ফূর্ত পুনরুদ্ধারও ধীর হয়; সাধারণত নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না, তবে দীর্ঘ সময় পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Neos-R 0.5 mg/ml Injection কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Neos-R 0.5 mg/ml Injection অস্ত্রোপচারে ব্যবহৃত পেশি-শিথিলকারী ওষুধের প্রভাব কাটাতে, মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিসের উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে (যখন মুখে খাওয়ার ওষুধ সম্ভব নয়), এবং অস্ত্রোপচার বা প্রসবের পর প্রস্রাব ধরে রাখা বা পেট ফাঁপার (প্যারালাইটিক ইলিয়াস) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

Q: Neos-R 0.5 mg/ml Injection কীভাবে দেওয়া হয়?

A: Neos-R 0.5 mg/ml Injection হাসপাতাল বা ক্লিনিক্যাল পরিবেশে প্রশিক্ষিত চিকিৎসাকর্মীর মাধ্যমে শিরা, মাংসপেশি বা ত্বকের নিচে ইনজেকশন আকারে দেওয়া হয়, সাধারণত অ্যাট্রোপিনের মতো অ্যান্টিকোলিনার্জিক ওষুধের সাথে একত্রে, যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এড়ানো যায়। এটি মুখে খাওয়ার ওষুধ নয়।

Q: কাদের ক্ষেত্রে Neos-R 0.5 mg/ml Injection দেওয়া উচিত নয়?

A: Neos-R 0.5 mg/ml Injection-এর প্রতি পরিচিত অ্যালার্জি আছে এমন ব্যক্তি, অন্ত্র বা মূত্রনালীতে যান্ত্রিক বাধা আছে এমন রোগী, এবং পেরিটোনাইটিস (উদরগহ্বরের আবরণের প্রদাহ) রোগীদের এটি দেওয়া উচিত নয়, কারণ যান্ত্রিক বাধার বিপরীতে পেশি সংকোচন বাড়িয়ে দেওয়া বিপজ্জনক হতে পারে।

Q: Neos-R 0.5 mg/ml Injection-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: Neos-R 0.5 mg/ml Injection-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে হৃদস্পন্দন কমে যাওয়া, বমি বমি ভাব, বমি, অতিরিক্ত লালা ও ঘাম, পেটে খিঁচুনি এবং পেশিদুর্বলতা। এগুলো একই স্নায়ুতন্ত্রের অতিরিক্ত উদ্দীপনার কারণে হয়, তাই চিকিৎসক দল আপনাকে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রয়োজনে অ্যাট্রোপিনের মতো ওষুধ দেবেন।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Neos-R 0.5 mg/ml Injection কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থায় Neos-R 0.5 mg/ml Injection কেবল স্পষ্ট প্রয়োজন হলেই ব্যবহার করা উচিত, কারণ প্রসবের কাছাকাছি সময়ে এটি জরায়ু সংকোচন ও অকাল প্রসব ঘটাতে পারে এবং মানুষের ওপর পর্যাপ্ত তথ্য নেই। এটি বুকের দুধে যায় কিনা তা জানা নেই, তাই স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে মায়ের উপকারিতা ও শিশুর ঝুঁকি বিবেচনা করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Q: Neos-R 0.5 mg/ml Injection অতিরিক্ত মাত্রায় গেলে কী হতে পারে?

A: Neos-R 0.5 mg/ml Injection-এর মাত্রাধিক্যতায় কোলিনার্জিক ক্রাইসিস হতে পারে, যার লক্ষণ হলো অতিরিক্ত ঘাম ও লালা নিঃসরণ, বমি, হৃদস্পন্দন খুব কমে যাওয়া এবং ক্রমবর্ধমান পেশিদুর্বলতা যা শ্বাস-প্রশ্বাসকে প্রভাবিত করতে পারে। এটি একটি জরুরি চিকিৎসা পরিস্থিতি যার জন্য প্রশিক্ষিত চিকিৎসাকর্মীর মাধ্যমে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন, সাধারণত অ্যাট্রোপিন ও শ্বাস-প্রশ্বাসে সহায়তার মাধ্যমে — এমন লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসা সহায়তা নিন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor