Product gallery
MRP ৯০.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৮১.০০/30's pack
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Nid একটি খনিজ লবণ সাপ্লিমেন্ট যা শরীরে মৌলিক জিংক সরবরাহ করে। এর ব্যবহারকে প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী নিম্নরূপে ভাগ করা যায়।

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • অপর্যাপ্ত খাদ্যাভ্যাস, ম্যালঅ্যাবজর্পশন (যেমন দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়া), পোড়া, বা প্রোটিন-ক্ষয়কারী অবস্থার কারণে সৃষ্ট জিংক ঘাটতির চিকিৎসা
  • যাদের ঝুঁকি বেশি (কিছু গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মা, দীর্ঘমেয়াদি ম্যালঅ্যাবজর্পশন রোগী) তাদের ক্ষেত্রে জিংক ঘাটতি প্রতিরোধ

গাইডলাইন-সমর্থিত সহায়ক ব্যবহার

  • WHO/UNICEF নির্দেশনা অনুযায়ী, ওরাল রিহাইড্রেশন থেরাপির (ORT) সাথে শিশুদের তীব্র ডায়রিয়া ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হিসেবে Nid। এটি ডায়রিয়ার স্থায়িত্ব ও তীব্রতা কমাতে সাহায্য করে, কিন্তু ওরাল রিহাইড্রেশন স্যালাইনের বিকল্প নয়।

সাধারণ/সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার

  • বৃদ্ধি, অসুস্থতা থেকে সুস্থতার মতো বাড়তি চাহিদার সময় পর্যাপ্ত জিংক মাত্রা বজায় রাখতে সাধারণ পুষ্টি সাপ্লিমেন্ট হিসেবে Nid।

থেরাপিউটিক ক্লাস

ট্রেস এলিমেন্ট / খনিজ (পুষ্টিকর) সাপ্লিমেন্ট — Nid (জিংক লবণ শ্রেণি)

ফার্মাকোলজি

Zinc Sulfate Monohydrate পরিপাকতন্ত্রে বিয়োজিত হয়ে জিংক আয়ন মুক্ত করে, যা মূলত ক্ষুদ্রান্ত্রে শোষিত হয়। গ্রহণের মাত্রা বাড়লে শোষণের হার কমে যায়, এবং ফাইটেট বা উচ্চমাত্রার আয়রন/ক্যালসিয়াম একসাথে থাকলে শোষণ ব্যাহত হয়। জিংক কার্বনিক অ্যানহাইড্রেজ, অ্যালকালাইন ফসফাটেজ, আরএনএ/ডিএনএ পলিমারেজ এবং সুপারঅক্সাইড ডিসমিউটেজের মতো এনজাইমের কোফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে এবং কোষ ঝিল্লি স্থিতিশীল রাখে ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করে। ডায়রিয়ার ক্ষেত্রে, Zinc Sulfate Monohydrate অন্ত্রের এপিথেলিয়াম পুনর্গঠনে সহায়তা করে এবং পানি ও ইলেক্ট্রোলাইট শোষণ স্বাভাবিক করতে ভূমিকা রাখে, যা ওরাল রিহাইড্রেশন থেরাপির সাথে মিলে রোগের স্থায়িত্ব কমায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Nid-এর মাত্রা মৌলিক (এলিমেন্টাল) জিংকের হিসেবে নির্ধারিত হয় এবং তা বয়স, ওজন ও নির্দেশনার ভিত্তিতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে।

নির্দেশনাজনগোষ্ঠীসাধারণ মাত্রা
জিংক ঘাটতির চিকিৎসাপ্রাপ্তবয়স্ক ও ৩০ কেজির বেশি ওজনের শিশুদৈনিক প্রায় ২০-৪০ মি.গ্রা. এলিমেন্টাল জিংক, ১-৩ ভাগে বিভক্ত করে, খাবারের পর
জিংক ঘাটতির চিকিৎসা১০-৩০ কেজি ওজনের শিশুদৈনিক প্রায় ১০-২০ মি.গ্রা. এলিমেন্টাল জিংক, ভাগ করে, খাবারের পর
জিংক ঘাটতির চিকিৎসা১০ কেজির কম ওজনের শিশুদৈনিক প্রায় ৫-১০ মি.গ্রা. এলিমেন্টাল জিংক, শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে
তীব্র ডায়রিয়ায় সহায়ক (ORT-সহ)৬ মাসের কম বয়সী শিশুদিনে একবার ১০ মি.গ্রা. এলিমেন্টাল জিংক, ১০-১৪ দিন
তীব্র ডায়রিয়ায় সহায়ক (ORT-সহ)৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদিনে একবার ২০ মি.গ্রা. এলিমেন্টাল জিংক, ১০-১৪ দিন

ডিসপার্সিবল ট্যাবলেটের ক্ষেত্রে, ট্যাবলেটটি এক চামচ পানিতে সম্পূর্ণভাবে গুলিয়ে সাথে সাথে শিশুকে খাওয়ানো উচিত। Nid খালি পেটে (খাবারের ১ ঘণ্টা আগে বা ২ ঘণ্টা পরে) সবচেয়ে ভালোভাবে শোষিত হয়, তবে পেটে অস্বস্তি হলে সামান্য খাবারের সাথে খাওয়া যেতে পারে। নির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক থেকে সময়ের ব্যবধান রাখার জন্য ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া অংশ দেখুন।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Nid পরিপাকতন্ত্রে কিছু ঔষধের সাথে অদ্রবণীয় জটিল যৌগ তৈরি করে শোষণ কমিয়ে দিতে পারে। উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়াগুলো হলো:

  • টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক (যেমন ডক্সিসাইক্লিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন): অ্যান্টিবায়োটিক ও জিংক উভয়ের শোষণ কমে যায়; অ্যান্টিবায়োটিকের কমপক্ষে ২ ঘণ্টা আগে বা ৪-৬ ঘণ্টা পরে Nid গ্রহণ করতে হবে।
  • পেনিসিলামিন: পেনিসিলামিনের শোষণ কমে যায়; কমপক্ষে ১-২ ঘণ্টার ব্যবধানে গ্রহণ করতে হবে।
  • আয়রন ও কপার সল্ট: অন্ত্রে শোষণের জন্য জিংক আয়রন ও কপারের সাথে প্রতিযোগিতা করে; একসাথে উচ্চমাত্রায় ব্যবহার করলে এক বা একাধিক খনিজের শোষণ কমে যেতে পারে।
  • ফসফেটযুক্ত প্রস্তুতি ও উচ্চমাত্রার ক্যালসিয়াম: জিংকের শোষণ কমাতে পারে।

দীর্ঘমেয়াদি উচ্চমাত্রায় জিংক গ্রহণে কপার ঘাটতি হতে পারে (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন)।

প্রতিনির্দেশনা

Zinc Sulfate Monohydrate-এর প্রতি বা এর ফর্মুলেশনের যেকোনো উপাদানের প্রতি জানা হাইপারসেনসিটিভিটি (অতি সংবেদনশীলতা) থাকলে Zinc Sulfate Monohydrate প্রতিনির্দেশিত। স্বাভাবিক থেরাপিউটিক মাত্রায় অন্য কোনো সুপ্রতিষ্ঠিত পরম প্রতিনির্দেশনা নেই।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Nid-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত এবং খালি পেটে গ্রহণ করলে বেশি দেখা যায়:

  • বমি বমি ভাব ও বমি
  • পাকস্থলীতে জ্বালাপোড়া/অস্বস্তি, বুক জ্বালা
  • পেটে খিঁচুনি ও ডায়রিয়া
  • মুখে ধাতব বা অপ্রীতিকর স্বাদ

এই প্রতিক্রিয়াগুলো সাধারণত মাত্রা-নির্ভর এবং সামান্য খাবারের সাথে Nid গ্রহণ করলে প্রায়ই কমে যায়। দীর্ঘমেয়াদি উচ্চমাত্রায় ব্যবহারে কপার ঘাটতি হতে পারে (সতর্কতা ও মাত্রাধিক্যতা অংশ দেখুন)। গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া বিরল।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে জিংক একটি অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান, এবং প্রস্তাবিত দৈনিক গ্রহণমাত্রার কাছাকাছি স্ট্যান্ডার্ড মাত্রায় Nid সাধারণত গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয় এবং প্রায়ই প্রসবপূর্ব পুষ্টি সাপ্লিমেন্টেশনের অংশ হিসেবে সুপারিশ করা হয়। তবে প্রস্তাবিত মাত্রার চেয়ে বেশি মাত্রা শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত, কারণ মানুষের গর্ভাবস্থায় উচ্চমাত্রার সাপ্লিমেন্টেশনের তথ্য সীমিত। জিংক প্লাসেন্টা অতিক্রম করে এবং বুকের দুধে নির্গত হয়; স্ট্যান্ডার্ড পুষ্টি সাপ্লিমেন্টের চেয়ে বেশি মাত্রায় Nid ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

Nid ব্যবহারের সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে:

  • কপার ঘাটতি: পর্যাপ্ত কপার গ্রহণ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি উচ্চমাত্রায় জিংক ব্যবহারে কপার ঘাটতি হতে পারে, যা রক্তস্বল্পতা, নিউট্রোপেনিয়া বা স্নায়বিক লক্ষণ হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে; দীর্ঘমেয়াদি উচ্চমাত্রার থেরাপি চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে থাকা উচিত।
  • ওরাল রিহাইড্রেশন থেরাপির বিকল্প নয়: তীব্র ডায়রিয়ায় Nid রোগের স্থায়িত্ব কমাতে সহায়ক হিসেবে প্রমাণিত, কিন্তু ওরাল রিহাইড্রেশন স্যালাইনের মাধ্যমে তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট প্রতিস্থাপনের বিকল্প নয়।
  • পাকস্থলীর অস্বস্তি: বিশেষ করে খালি পেটে গ্রহণ করলে পেটের সমস্যা হতে পারে; প্রয়োজনে খাবারের সাথে গ্রহণ করা যেতে পারে (পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অংশ দেখুন)।
  • ঔষধ গ্রহণে সময়ের ব্যবধান: টেট্রাসাইক্লিন, ফ্লুরোকুইনোলোন ও পেনিসিলামিন থেকে সময়ের ব্যবধান রেখে গ্রহণ করতে হবে (ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া দেখুন)।
  • কিডনির সমস্যা: জিংক কিছুটা কিডনির মাধ্যমে নিঃসৃত হয়; উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শে সতর্কতার সাথে Nid ব্যবহার করতে হবে।

মাত্রাধিক্যতা

Nid-এর মাত্রাধিক্যতায় বমি বমি ভাব, বমি, পেটে খিঁচুনি, ডায়রিয়া, মাথাব্যথা এবং গুরুতর ক্ষেত্রে অবসাদ ও মাথা ঘোরা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি অতিরিক্ত গ্রহণে কপার ঘাটতি, সাইডেরোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়া, নিউট্রোপেনিয়া এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস হতে পারে। এর কোনো নির্দিষ্ট ঘরোয়া প্রতিষেধক নেই; মাত্রাধিক্যতা সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা সহায়ক এবং প্রশিক্ষিত চিকিৎসা কর্মীদের দ্বারা পরিচালিত হওয়া উচিত।

সংরক্ষণ

৩০°সে-এর নিচে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে: Nid দুটি প্রধান কারণে ব্যবহৃত হয় — WHO/UNICEF নির্দেশনা অনুযায়ী তীব্র ডায়রিয়ায় সহায়ক হিসেবে (৬ মাসের কম বয়সীদের জন্য দিনে ১০ মি.গ্রা., ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সীদের জন্য দিনে ২০ মি.গ্রা., ১০-১৪ দিন), এবং জিংক ঘাটতির চিকিৎসায় ওজন-ভিত্তিক মাত্রায়, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে। এই প্রতিষ্ঠিত মাত্রার চেয়ে বেশি মাত্রায় Nid-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা শিশুদের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত নয়।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে: সাধারণত বিশেষ মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না, তবে পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত সহনশীলতা পর্যবেক্ষণ করা উচিত এবং কিডনি কার্যক্ষমতা কম থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী Nid ব্যবহার করতে হবে।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Nid 20 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Nid 20 mg Tablet জিংক ঘাটতির চিকিৎসা ও প্রতিরোধে এবং ওরাল রিহাইড্রেশন থেরাপির সাথে শিশুদের তীব্র ডায়রিয়ার স্থায়িত্ব ও তীব্রতা কমাতে ব্যবহৃত হয়। এটি অপর্যাপ্ত জিংক গ্রহণের ক্ষেত্রে সাধারণ পুষ্টি সাপ্লিমেন্ট হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।

Q: ডায়রিয়ায় Nid 20 mg Tablet কি ওরাল রিহাইড্রেশন স্যালাইনের (ORS) বিকল্প?

A: না। ডায়রিয়ায় Nid 20 mg Tablet ওরাল রিহাইড্রেশন থেরাপির একটি প্রমাণিত সহায়ক, কিন্তু এটি ORS-এর মাধ্যমে তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট প্রতিস্থাপনের বিকল্প নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দুটোই একসাথে ব্যবহার করতে হবে।

Q: Nid 20 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত, যেমন বমি বমি ভাব, বমি, পেটের অস্বস্তি, বুক জ্বালা ও পেটে খিঁচুনি, বিশেষত খালি পেটে গ্রহণ করলে। সামান্য খাবারের সাথে Nid 20 mg Tablet গ্রহণ করলে এই প্রতিক্রিয়া কমতে পারে।

Q: গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে Nid 20 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: স্ট্যান্ডার্ড পুষ্টি মাত্রায় Nid 20 mg Tablet সাধারণত গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয় এবং প্রায়ই প্রসবপূর্ব সাপ্লিমেন্টেশনের অংশ, কারণ জিংক গর্ভাবস্থায় একটি অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান। তবে প্রস্তাবিত মাত্রার চেয়ে বেশি মাত্রা শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে ও চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত, কারণ Nid 20 mg Tablet প্লাসেন্টা অতিক্রম করে এবং বুকের দুধে উপস্থিত থাকে।

Q: Nid 20 mg Tablet কি অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে খাওয়া যায়?

A: Nid 20 mg Tablet একসাথে গ্রহণ করলে টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিকের (এবং জিংকের নিজের) শোষণ কমিয়ে দিতে পারে। এই অ্যান্টিবায়োটিকগুলোর কমপক্ষে ২ ঘণ্টা আগে বা ৪-৬ ঘণ্টা পরে Nid 20 mg Tablet গ্রহণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। সময়সূচি সম্পর্কে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের সাথে নিশ্চিত হয়ে নিন।

Q: বেশি মাত্রায় Nid 20 mg Tablet খেয়ে ফেললে কী হবে?

A: প্রয়োজনের চেয়ে বেশি মাত্রায় Nid 20 mg Tablet গ্রহণ করলে বমি বমি ভাব, বমি, পেটে খিঁচুনি ও ডায়রিয়া হতে পারে, এবং দীর্ঘমেয়াদি অতিরিক্ত ব্যবহারে কপার ঘাটতি ও রক্তস্বল্পতা হতে পারে। মাত্রাধিক্যতা সন্দেহ হলে ঘরোয়া চিকিৎসার চেষ্টা না করে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor