
Nifev150 mg
Unimed Unihealth MFG. Ltd.

Ninacent একটি মাল্টি-টার্গেট টাইরোসিন কাইনেজ ইনহিবিটর, যা নির্দিষ্ট কিছু ফুসফুসের ফাইব্রোটিক রোগ এবং কম্বিনেশন থেরাপি হিসেবে কিছু ফুসফুসের ক্যান্সারের চিকিৎসায় অনুমোদিত। প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহারসমূহ:
সহযোগী/কম্বিনেশন থেরাপি হিসেবে:
এই অনুমোদিত ব্যবহারের বাইরে অন্য কোনো রোগে Ninacent ব্যবহার করা উচিত নয়, এবং শুধুমাত্র অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শেই এটি সেবন করতে হবে।
Ninacent একটি মাল্টি-টার্গেট টাইরোসিন কাইনেজ ইনহিবিটর (অ্যাঞ্জিওকাইনেজ ইনহিবিটর) শ্রেণির ওষুধ, যা অ্যান্টিফাইব্রোটিক ও অ্যান্টিনিওপ্লাস্টিক এজেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Nintedanib একটি ক্ষুদ্র-অণু ইনহিবিটর, যা তিনটি রিসেপ্টর টাইরোসিন কাইনেজ পরিবারের ATP-বাইন্ডিং স্থানে প্রতিযোগিতামূলকভাবে যুক্ত হয়:
এছাড়া Nintedanib Lck, Lyn এবং Src-এর মতো নন-রিসেপ্টর টাইরোসিন কাইনেজও প্রতিরোধ করে। এই পথগুলো বন্ধ করার মাধ্যমে Nintedanib ফাইব্রোব্লাস্টের বৃদ্ধি, স্থানান্তর ও মায়োফাইব্রোব্লাস্টে রূপান্তর প্রতিরোধ করে, এবং টিউমারের রক্তনালী গঠন (অ্যাঞ্জিওজেনেসিস) বাধাগ্রস্ত করে। মুখে সেবনের পর Nintedanib ভালোভাবে শোষিত হয়, প্লাজমা প্রোটিনের সাথে উচ্চমাত্রায় (প্রায় ৯৭-৯৮%) আবদ্ধ থাকে, প্রধানত এস্টার হাইড্রোলাইসিস ও পরবর্তীতে গ্লুকুরোনিডেশনের মাধ্যমে বিপাকিত হয়, এবং মূলত পিত্ত/মলের মাধ্যমে নির্গত হয়; অর্ধায়ু প্রায় ১০-১৫ ঘণ্টা।
Ninacent-এর মাত্রা নির্ভর করে কোন রোগের চিকিৎসা করা হচ্ছে তার ওপর। এটি সবসময় খাবারের সাথে, পানি দিয়ে পুরো ক্যাপসুল গিলে খেতে হবে; চিবানো বা ভাঙা যাবে না।
| নির্দেশনা | প্রস্তাবিত মাত্রা |
|---|---|
| ইডিওপ্যাথিক পালমোনারি ফাইব্রোসিস (IPF) | ১৫০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার, প্রায় ১২ ঘণ্টা ব্যবধানে |
| প্রগ্রেসিভ ফেনোটাইপসহ ক্রনিক ফাইব্রোজিং ILD | ১৫০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার, প্রায় ১২ ঘণ্টা ব্যবধানে |
| সিস্টেমিক স্ক্লেরোসিস-সংশ্লিষ্ট ILD (SSc-ILD) | ১৫০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার, প্রায় ১২ ঘণ্টা ব্যবধানে |
| NSCLC (অ্যাডেনোকার্সিনোমা), কম্বিনেশন থেরাপি | প্রতি ২১ দিনের ডোসিট্যাক্সেল চক্রের ২য়-২১তম দিনে ২০০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার (চিকিৎসক নির্ধারিত) |
ডায়রিয়া, লিভার এনজাইম বৃদ্ধি বা অন্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে চিকিৎসকের বিবেচনায় Ninacent-এর মাত্রা কমিয়ে ১০০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার করা যেতে পারে, অথবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা যেতে পারে। ১০০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার সহ্য না হলে Ninacent স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে।
হালকা লিভার সমস্যায় (Child-Pugh A): মাত্রা কমিয়ে ১০০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার করতে হবে। মাঝারি থেকে গুরুতর লিভার সমস্যায় (Child-Pugh B বা C): Ninacent ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না।
Ninacent-এর কোনো মাত্রা মিস হলে পরবর্তী নির্ধারিত সময়ে স্বাভাবিক মাত্রা নিতে হবে; দৈনিক সর্বোচ্চ মাত্রা অতিক্রম করা যাবে না।
Ninacent P-গ্লাইকোপ্রোটিন (P-gp) এবং কিছুটা CYP3A4-এর সাবস্ট্রেট। গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়াসমূহ:
Ninacent শুরু করার আগে সেবনকৃত অন্য সকল ওষুধ, সাপ্লিমেন্ট ও ভেষজ পণ্যের কথা চিকিৎসককে জানান।
নিন্টেডানিব, চিনাবাদাম বা সয়ার প্রতি জানা অ্যালার্জি থাকলে Nintedanib ব্যবহার করা যাবে না, কারণ ক্যাপসুলে সয়া লেসিথিন থাকে। এছাড়া অন্য কোনো প্রতিষ্ঠিত পরম প্রতিনির্দেশনা নেই; অন্যান্য ঝুঁকির কারণ, যেমন সাম্প্রতিক অস্ত্রোপচার, রক্তক্ষরণের প্রবণতা বা লিভারের সমস্যা, সম্পূর্ণ পরিহারের পরিবর্তে সতর্কতার সাথে ব্যবহার প্রয়োজন করে (সতর্কতা অংশ দেখুন)।
Ninacent-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো ডায়রিয়া, যা অর্ধেকের বেশি রোগীর মধ্যে দেখা যায় এবং মাঝেমধ্যে মাত্রা সমন্বয় বা অ্যান্টি-ডায়রিয়াল চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। অন্যান্য সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া:
কম দেখা যাওয়া কিন্তু গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে লিভারের ক্ষতি, পরিপাকতন্ত্রের ছিদ্র, রক্তক্ষরণ এবং আর্টেরিয়াল থ্রম্বোএমবোলিক ঘটনা (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন)। Ninacent সেবনকালে তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, ত্বক বা চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ বা কালশিটে দাগ, অথবা তীব্র পেটে ব্যথা হলে দ্রুত চিকিৎসককে জানাতে হবে।
Ninacent ভ্রূণের ক্ষতি করতে পারে এবং প্রাণীদেহে সংঘটিত গবেষণায় ভ্রূণ-বিষাক্ততা ও এর কার্যপদ্ধতি (অ্যান্টি-অ্যাঞ্জিওজেনিক প্রভাব)-এর কারণে গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না। গর্ভধারণক্ষম নারীদের Ninacent সেবনকালে এবং শেষ মাত্রার পর কমপক্ষে ৩ মাস পর্যন্ত কার্যকর গর্ভনিরোধক পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। চিকিৎসাকালে গর্ভধারণ হলে সাথে সাথে চিকিৎসককে জানাতে হবে, যাতে ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকি মূল্যায়ন করা যায়। শুধুমাত্র বিকল্প না থাকলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি বলে চিকিৎসক মনে করলেই গর্ভাবস্থায় Ninacent ব্যবহার করা যেতে পারে।
Ninacent মায়ের বুকের দুধে নির্গত হয় কিনা তা জানা নেই; শিশুর ওপর গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনার কারণে Ninacent সেবনকালে এবং শেষ মাত্রার পর অন্তত কয়েকদিন বুকের দুধ খাওয়ানো থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। শিশুকে দুধ খাওয়ানোর বিকল্প উপায় নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Ninacent সেবনে বেশ কিছু গুরুতর ঝুঁকি রয়েছে যেগুলোর জন্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন:
Ninacent সেবনকালে নতুন বা বাড়তে থাকা উপসর্গ দ্রুত চিকিৎসককে জানানো এবং নির্ধারিত সকল পর্যবেক্ষণ পরীক্ষায় উপস্থিত থাকা প্রয়োজন।
Ninacent-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের ক্লিনিকাল অভিজ্ঞতা সীমিত। এর পরিচিত প্রভাবের ভিত্তিতে ধারণা করা হয়, অতিরিক্ত মাত্রায় পরিপাকতন্ত্রের উপসর্গ (যেমন ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, বমি) এবং লিভার ফাংশনের অস্বাভাবিকতা বৃদ্ধি পেতে পারে। Ninacent-এর অতিরিক্ত মাত্রার জন্য নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই। অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী Ninacent বন্ধ রাখা এবং উপসর্গ অনুযায়ী সহায়ক চিকিৎসা প্রদান করা হবে।
ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°C-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, মূল প্যাকেটে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
বৃক্কের সমস্যা: হালকা থেকে মাঝারি বৃক্কের সমস্যায় মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই; তবে গুরুতর বৃক্কের সমস্যা বা শেষ পর্যায়ের বৃক্ক রোগে Ninacent নিয়ে পর্যাপ্ত গবেষণা নেই, তাই সতর্কতা প্রয়োজন।
লিভারের সমস্যা: হালকা লিভার সমস্যায় (Child-Pugh A) মাত্রা কমিয়ে ১০০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার করতে হবে; মাঝারি থেকে গুরুতর লিভার সমস্যায় (Child-Pugh B বা C) Ninacent ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না।
বয়স্ক রোগী: শুধুমাত্র বয়সের ভিত্তিতে নিরাপত্তা বা কার্যকারিতায় উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা যায়নি, তবে বয়স্ক রোগীদের ডায়রিয়া ও রক্তক্ষরণের ঝুঁকির জন্য ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
কম ওজন/জাতিগত পার্থক্য: কম শরীরের ওজন (৪৫ কেজির কম) বা নির্দিষ্ট কিছু জাতিগোষ্ঠীর রোগীদের ক্ষেত্রে Ninacent-এর রক্তমাত্রা বেশি হতে পারে, তাই তাদের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার জন্য ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
শিশুদের ক্ষেত্রে: শিশুদের ক্ষেত্রে Ninacent-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
Q: Ninacent 150 mg Capsule কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Ninacent 150 mg Capsule ইডিওপ্যাথিক পালমোনারি ফাইব্রোসিস (IPF), প্রগ্রেসিভ ফেনোটাইপসহ ক্রনিক ফাইব্রোজিং ইন্টারস্টিশিয়াল লাং ডিজিজ এবং সিস্টেমিক স্ক্লেরোসিস-সংশ্লিষ্ট ILD (SSc-ILD)-এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি ডোসিট্যাক্সেলের সাথে সংমিশ্রণে কিছু ধরনের অগ্রসর নন-স্মল সেল লাং ক্যান্সারেও ব্যবহৃত হয়।
Q: Ninacent 150 mg Capsule কীভাবে সেবন করতে হয়?
A: Ninacent 150 mg Capsule ক্যাপসুল খাবারের সাথে, প্রতিদিন একই সময়ে প্রায় ১২ ঘণ্টা ব্যবধানে, পুরোটা গিলে খেতে হয়। ক্যাপসুল চিবানো বা ভাঙা যাবে না।
Q: Ninacent 150 mg Capsule-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী?
A: ডায়রিয়া Ninacent 150 mg Capsule-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এবং কখনো কখনো তীব্র হতে পারে। অন্যান্য সাধারণ প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা, ক্ষুধামান্দ্য, লিভার এনজাইম বৃদ্ধি ও ওজন হ্রাস। ডায়রিয়া তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী হলে দ্রুত চিকিৎসককে জানান।
Q: গর্ভাবস্থায় Ninacent 150 mg Capsule ব্যবহার করা যাবে কি?
A: না। Ninacent 150 mg Capsule অনাগত সন্তানের ক্ষতি করতে পারে এবং গর্ভাবস্থায় এটি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না। গর্ভধারণক্ষম নারীদের Ninacent 150 mg Capsule সেবনকালে এবং শেষ মাত্রার পর অন্তত ৩ মাস পর্যন্ত কার্যকর গর্ভনিরোধক পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। চিকিৎসাকালে গর্ভধারণ হলে সাথে সাথে চিকিৎসককে জানান।
Q: কাদের Ninacent 150 mg Capsule সেবন করা উচিত নয়?
A: নিন্টেডানিব, চিনাবাদাম বা সয়ার প্রতি অ্যালার্জি থাকলে Ninacent 150 mg Capsule সেবন করা উচিত নয়, কারণ ক্যাপসুলে সয়া লেসিথিন থাকে। Ninacent 150 mg Capsule শুরুর আগে যেকোনো অ্যালার্জির কথা চিকিৎসককে জানান।
Q: Ninacent 150 mg Capsule সেবনকালে কি নিয়মিত পরীক্ষা করাতে হয়?
A: হ্যাঁ। Ninacent 150 mg Capsule শুরুর আগে এবং চিকিৎসা চলাকালীন নিয়মিত লিভার ফাংশন টেস্ট করাতে হবে, কারণ এটি লিভারের ক্ষতি করতে পারে। রক্তক্ষরণ, পরিপাকতন্ত্রের উপসর্গ ও রক্তচাপের পরিবর্তনের জন্যও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।