Product gallery
MRP ৪.০০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৩.৬৮/piece
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Nintoin একটি প্রস্রাবতন্ত্রের অ্যান্টিসেপটিক অ্যান্টিবায়োটিক, যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

  • তীব্র জটিলতাবিহীন মূত্রনালীর সংক্রমণ (সিস্টাইটিস): Escherichia coli, Staphylococcus saprophyticus সহ অন্যান্য সংবেদনশীল জীবাণু (যেমন Enterococcus, Klebsiella, Enterobacter) দ্বারা সৃষ্ট নিম্ন মূত্রনালীর সংক্রমণ চিকিৎসায়।
  • দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা: বারবার হওয়া জটিলতাবিহীন মূত্রনালীর সংক্রমণ প্রতিরোধে নির্বাচিত রোগীদের ক্ষেত্রে কম মাত্রায়।

Nintoin কিডনির উপরিভাগের সংক্রমণ (পাইলোনেফ্রাইটিস) বা মূত্রনালীর বাইরের সংক্রমণে কার্যকর নয়, কারণ এটি রক্ত বা টিস্যুতে পর্যাপ্ত মাত্রায় পৌঁছায় না।

থেরাপিউটিক ক্লাস

মূত্রনালীর অ্যান্টি-ইনফেক্টিভ (ইউরিনারি অ্যান্টিসেপটিক); নাইট্রোফিউরান শ্রেণির অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ওষুধ। Nintoin সিস্টেমিক ইউরিনারি অ্যান্টি-ইনফেক্টিভ গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত।

ফার্মাকোলজি

কার্যপ্রণালী

Nitrofurantoin প্রস্রাবে ব্যাকটেরিয়াঘাতী হিসেবে কাজ করে। ব্যাকটেরিয়ার ফ্ল্যাভোপ্রোটিন Nitrofurantoin-কে সক্রিয় মধ্যবর্তী যৌগে রূপান্তরিত করে, যা ব্যাকটেরিয়ার রাইবোজোমাল প্রোটিন নষ্ট করে এবং প্রোটিন সংশ্লেষণ, শক্তি বিপাক, DNA/RNA ও কোষপ্রাচীর সংশ্লেষণ বাধাগ্রস্ত করে। একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে কাজ করার কারণে Nitrofurantoin-এর প্রতি ব্যাকটেরিয়ার প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হওয়া বিরল।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স

খাবারের সাথে গ্রহণ করলে Nitrofurantoin-এর শোষণ বৃদ্ধি পায়। গৃহীত মাত্রার প্রায় ২০-২৫% অপরিবর্তিত অবস্থায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রস্রাবের মাধ্যমে নির্গত হয়, ফলে প্রস্রাবে কার্যকর উচ্চ ঘনত্ব তৈরি হয় যদিও রক্তে এর মাত্রা খুবই কম থাকে। এই কারণে Nitrofurantoin-এর কার্যকারিতার জন্য কিডনির স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা অপরিহার্য।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Nintoin শোষণ বৃদ্ধি ও পেটের অস্বস্তি কমাতে খাবারের সাথে সেবন করা উচিত।

নির্দেশনাপ্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রামেয়াদ
তীব্র জটিলতাবিহীন মূত্রনালীর সংক্রমণ (সাধারণ ফর্ম)৫০-১০০ মি.গ্রা. দিনে চারবার৭ দিন, অথবা প্রস্রাব জীবাণুমুক্ত হওয়ার পর কমপক্ষে ৩ দিন
তীব্র জটিলতাবিহীন মূত্রনালীর সংক্রমণ (ডুয়াল-রিলিজ, যেমন ১০০ মি.গ্রা.)১০০ মি.গ্রা. প্রতি ১২ ঘণ্টায়৭ দিন
দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা৫০-১০০ মি.গ্রা. দিনে একবার, সাধারণত রাতেচিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী, নিয়মিত পুনর্মূল্যায়ন প্রয়োজন

গুরুত্বপূর্ণ: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী Nintoin সঠিকভাবে সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করবেন না, মাত্রা বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না বা অন্য কাউকে দেবেন না। লক্ষণ ভালো হয়ে গেলেও নির্ধারিত পুরো কোর্স সম্পন্ন করা সংক্রমণ নির্মূল ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা এড়াতে অপরিহার্য।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

  • ম্যাগনেসিয়াম ট্রাইসিলিকেটযুক্ত অ্যান্টাসিড: এগুলো Nintoin-এর শোষণের হার ও পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারে, ফলে কার্যকারিতা হ্রাস পেতে পারে; একসাথে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
  • প্রোবেনেসিড ও সালফিনপাইরাজোন: এই ওষুধগুলো কিডনির মাধ্যমে Nintoin নিঃসরণে বাধা দেয়, ফলে রক্তে এর মাত্রা বেড়ে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে এবং একইসাথে প্রস্রাবে কার্যকর ঘনত্ব কমে যায়।
  • ফ্লুরোকুইনোলোন গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক: Nintoin ফ্লুরোকুইনোলোনের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে; সাধারণত একসাথে ব্যবহার করা হয় না।

Nintoin শুরু করার আগে আপনার ব্যবহৃত সকল ওষুধ, সাপ্লিমেন্ট ও অ্যান্টাসিড সম্পর্কে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।

প্রতিনির্দেশনা

  • Nitrofurantoin বা এর কোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অতি সংবেদনশীলতা।
  • মূত্র নিঃসরণ না হওয়া (অ্যানিউরিয়া), কম প্রস্রাব হওয়া (অলিগুরিয়া), অথবা উল্লেখযোগ্য কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস (ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স প্রায় ৬০ মি.লি./মিনিটের কম), কারণ এতে Nitrofurantoin প্রস্রাবে পর্যাপ্ত ঘনত্বে পৌঁছাতে পারে না এবং শরীরে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
  • গর্ভাবস্থার শেষ পর্যায়ে (৩৮-৪২ সপ্তাহ), প্রসব চলাকালীন, অথবা প্রসব আসন্ন থাকলে, কারণ নবজাতকের হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়ার ঝুঁকি থাকে।
  • এক মাসের কম বয়সী শিশু, কারণ অপরিণত রক্তকণিকা এনজাইম সিস্টেমের কারণে হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়ার ঝুঁকি থাকে।
  • পূর্বে Nitrofurantoin ব্যবহারের সাথে সম্পর্কিত কোলেস্ট্যাটিক জন্ডিস বা লিভারের কার্যক্ষমতা হ্রাসের ইতিহাস।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Nintoin সেবনে নিম্নলিখিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো দেখা দিতে পারে:

সাধারণ (সাধারণত মৃদু):

  • বমি বমি ভাব
  • মাথাব্যথা
  • পেটে গ্যাস (ফ্ল্যাটুলেন্স)
  • ডায়রিয়া, বদহজম, পেটে ব্যথা
  • মাথা ঘোরা, ঝিমুনি

কম সাধারণ কিন্তু গুরুতর (বিস্তারিত জানতে সতর্কতা অংশ দেখুন):

  • ফুসফুসের প্রতিক্রিয়া (তীব্র অতি-সংবেদনশীলতাজনিত বা দীর্ঘমেয়াদী ফাইব্রোসিস)
  • লিভারের বিষক্রিয়া, যার মধ্যে হেপাটাইটিস ও কোলেস্ট্যাটিক জন্ডিস অন্তর্ভুক্ত
  • পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি
  • হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া (বিশেষত G6PD ঘাটতিযুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে)
  • অতি সংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া, যেমন র‍্যাশ, আমবাত এবং বিরল ক্ষেত্রে অ্যানাফাইল্যাক্সিস

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় Nintoin শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত; সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। গর্ভাবস্থার শেষ পর্যায়ে (৩৮-৪২ সপ্তাহ), প্রসবকালীন সময়ে এবং প্রসব আসন্ন থাকলে Nintoin প্রতিনির্দেশিত, কারণ নবজাতকের হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়ার ঝুঁকি থাকে। কিছু প্রথাগত ওষুধ শ্রেণিবিন্যাসে Nintoin-কে গর্ভাবস্থা বিভাগ B হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, তবে ব্যবহার সবসময় চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যক্তিভিত্তিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে হওয়া উচিত।

স্তন্যদান: Nintoin সামান্য পরিমাণে বুকের দুধে প্রবেশ করে। শিশুর বয়স এক মাসের কম হলে, G6PD ঘাটতি থাকলে, বা হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন বা এড়িয়ে চলুন। স্তন্যদানকালে Nintoin ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

ফুসফুসের প্রতিক্রিয়া

Nintoin ব্যবহারে তীব্র ও দীর্ঘমেয়াদী উভয় ধরনের ফুসফুসের প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে। তীব্র প্রতিক্রিয়া (জ্বর, ঠাণ্ডা লাগা, কাশি, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট) সাধারণত ওষুধ বন্ধ করার কয়েক দিনের মধ্যে সেরে যায়। দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে (সাধারণত ছয় মাস বা তার বেশি) ফুসফুসের ফাইব্রোসিসসহ ধীরে ধীরে গুরুতর প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে, যা অপরিবর্তনীয় বা প্রাণঘাতী হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় থাকা রোগীদের নিয়মিত ফুসফুসের কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করা উচিত এবং শ্বাসকষ্টজনিত লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে Nintoin বন্ধ করা উচিত।

লিভারের বিষক্রিয়া

Nintoin ব্যবহারে হেপাটাইটিস, কোলেস্ট্যাটিক জন্ডিস এবং (দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে বিরল ক্ষেত্রে) ক্রনিক অ্যাক্টিভ হেপাটাইটিস ও লিভার নেক্রোসিস হতে পারে, যা কখনো কখনো প্রাণঘাতী হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় লিভারের কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করা উচিত এবং লিভারের ক্ষতির লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে Nintoin বন্ধ করতে হবে।

পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি

Nintoin ব্যবহারে পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি হতে পারে, যা গুরুতর বা অপরিবর্তনীয় হতে পারে, বিশেষত দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে এবং কিডনি সমস্যা, রক্তস্বল্পতা, ডায়াবেটিস, ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা বা ভিটামিন B ঘাটতিযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে। হাত-পায়ে ঝিনঝিন, অসাড়তা বা দুর্বলতা অনুভব করলে সাথে সাথে চিকিৎসককে জানান।

কিডনির কার্যক্ষমতা

Nintoin-এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত কিডনি কার্যক্ষমতা প্রয়োজন; উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যায় এটি প্রতিনির্দেশিত (প্রতিনির্দেশনা অংশ দেখুন)।

হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া / G6PD ঘাটতি

G6PD ঘাটতিযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে Nintoin হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া ঘটাতে পারে; এমন রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন বা এড়িয়ে চলুন।

অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সতর্কতা

চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী Nintoin সঠিকভাবে সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করবেন না, মাত্রা বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না বা অন্য কাউকে দেবেন না, কারণ এতে কার্যকারিতা কমে যেতে পারে এবং অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে পারে।

মাত্রাধিক্যতা

Nintoin-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের জন্য নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই। তীব্র মাত্রাধিক্যতার সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলো বমি। Nintoin-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। সাধারণ সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ করে প্রস্রাবের মাধ্যমে ওষুধ নিঃসরণে সহায়তা করা যেতে পারে; গুরুতর ক্ষেত্রে চিকিৎসক ডায়ালাইসিসের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করতে পারেন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বাড়িতে নিজে থেকে মাত্রাধিক্যতা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। পাত্রের মুখ শক্তভাবে বন্ধ রাখুন এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

এক মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Nintoin প্রতিনির্দেশিত, কারণ অপরিণত রক্তকণিকা এনজাইম সিস্টেমের কারণে হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়ার ঝুঁকি থাকে। এক মাস বা তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণত ৫-৭ মি.গ্রা./কেজি/দিন মাত্রায় বিভক্ত ডোজে (দিনে চারবার) তীব্র সংক্রমণের চিকিৎসায় Nintoin ব্যবহার করা হয়, অথবা দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরোধমূলক চিকিৎসায় ১ মি.গ্রা./কেজি/দিন পর্যন্ত কম মাত্রায়, চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে বয়সজনিত কিডনি কার্যক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে, যা সাধারণ সিরাম ক্রিয়েটিনিন মাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও Nintoin-এর বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। চিকিৎসা শুরুর আগে ও চলাকালীন নিয়মিত কিডনি কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করা উচিত এবং উল্লেখযোগ্য সমস্যা থাকলে Nintoin এড়িয়ে চলা উচিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Nintoin 50 mg Capsule কী কাজে ব্যবহার করা হয়?

A: Nintoin 50 mg Capsule একটি অ্যান্টিবায়োটিক যা সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়াজনিত জটিলতাবিহীন মূত্রনালীর সংক্রমণ (ব্লাডার ইনফেকশন/সিস্টাইটিস) চিকিৎসা ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। এটি কিডনির সংক্রমণ বা মূত্রনালীর বাইরের সংক্রমণে কার্যকর নয়, কারণ এটি রক্ত বা অন্যান্য টিস্যুতে পর্যাপ্ত মাত্রায় পৌঁছায় না।

Q: Nintoin 50 mg Capsule কীভাবে সেবন করব?

A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী Nintoin 50 mg Capsule সঠিকভাবে সেবন করুন, শোষণ বৃদ্ধি ও পেটের অস্বস্তি কমাতে খাবার বা দুধের সাথে খান। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করবেন না, মাত্রা বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না বা অন্য কাউকে দেবেন না, এবং ভালো বোধ করলেও নির্ধারিত পুরো কোর্স সম্পন্ন করুন।

Q: কিডনি সমস্যা থাকলে কি Nintoin 50 mg Capsule খাওয়া যাবে?

A: না। উল্লেখযোগ্য কিডনি কার্যক্ষমতা হ্রাস (ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স প্রায় ৬০ মি.লি./মিনিটের কম), অ্যানিউরিয়া বা অলিগুরিয়া থাকলে Nintoin 50 mg Capsule প্রতিনির্দেশিত, কারণ কমে যাওয়া কিডনি কার্যক্ষমতা ওষুধটিকে প্রস্রাবে সঠিকভাবে ঘনীভূত হতে বাধা দেয় এবং গুরুতর বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। Nintoin 50 mg Capsule শুরুর আগে কিডনি সমস্যা থাকলে চিকিৎসককে জানান।

Q: গর্ভাবস্থায় Nintoin 50 mg Capsule কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থায় Nintoin 50 mg Capsule শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় হলে চিকিৎসকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত, যেখানে সম্ভাব্য উপকারিতা ও ঝুঁকি বিবেচনা করা হয়। গর্ভাবস্থার শেষ পর্যায়ে (৩৮-৪২ সপ্তাহ), প্রসবকালীন সময়ে এবং প্রসব আসন্ন থাকলে Nintoin 50 mg Capsule প্রতিনির্দেশিত, কারণ নবজাতকের হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়ার ঝুঁকি থাকে। গর্ভাবস্থায় Nintoin 50 mg Capsule ব্যবহারের আগে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: Nintoin 50 mg Capsule সেবনে কী কী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার প্রতি নজর রাখা উচিত?

A: Nintoin 50 mg Capsule-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা ও পেটে গ্যাস। কাশি, জ্বর, বুকে ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট (ফুসফুসের সমস্যার লক্ষণ), ত্বক বা চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া (লিভারের সমস্যার লক্ষণ), অথবা হাত-পায়ে ঝিনঝিন/অসাড়তা (স্নায়ুর সমস্যার লক্ষণ) দেখা দিলে সাথে সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কারণ এগুলো Nintoin 50 mg Capsule-এর বিরল কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়া নির্দেশ করতে পারে।

Q: ডোজ মিস হলে বা বেশি খেয়ে ফেললে কী করব?

A: যদি Nintoin 50 mg Capsule-এর কোনো ডোজ মিস হয়ে যায়, মনে পড়ার সাথে সাথে তা সেবন করুন, তবে পরবর্তী ডোজের সময় কাছাকাছি হলে মিস হওয়া ডোজটি বাদ দিন; একসাথে দুই ডোজ খাবেন না। Nintoin 50 mg Capsule-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন, কারণ বমি এর সবচেয়ে সাধারণ প্রভাব এবং নিরাপদ ব্যবস্থাপনার জন্য চিকিৎসা তত্ত্বাবধান প্রয়োজন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor