
Seclo40 mg
Square Pharmaceuticals PLC.

Ometid উপসর্গযুক্ত GERD এবং ইরোসিভ ইসোফ্যাগাইটিসের চিকিৎসা ও নিরাময় বজায় রাখার জন্য এফডিএ-অনুমোদিত।
সক্রিয় ডুওডেনাল আলসারের স্বল্পমেয়াদী (সাধারণত ৪ সপ্তাহ) চিকিৎসায় Ometid এফডিএ-অনুমোদিত, এবং H. pylori নির্মূলে অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে সংমিশ্রণে ব্যবহৃত হলে ডুওডেনাল আলসার পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।
সক্রিয় বিনাইন গ্যাস্ট্রিক আলসারের স্বল্পমেয়াদী (৪-৮ সপ্তাহ) চিকিৎসায় Ometid এফডিএ-অনুমোদিত।
যেসব রোগীর দীর্ঘমেয়াদী NSAID ব্যবহারের প্রয়োজন হয়, তাদের ক্ষেত্রে NSAID-জনিত গ্যাস্ট্রিক আলসারের ঝুঁকি কমাতে এবং এই আলসার নিরাময়ে Ometid এফডিএ-অনুমোদিত।
অ্যান্টিবায়োটিক (যেমন ক্লারিথ্রোমাইসিন ও অ্যামোক্সিসিলিন)-এর সাথে সংমিশ্রণ থেরাপির অংশ হিসেবে H. pylori নির্মূলে Ometid এফডিএ-অনুমোদিত; একক ওষুধ হিসেবে এই ইন্ডিকেশনে এটি কার্যকর নয় এবং সংমিশ্রণ থেরাপি আবশ্যক।
জোলিংগার-এলিসন সিন্ড্রোম, মাল্টিপল এন্ডোক্রাইন অ্যাডেনোমা এবং সিস্টেমিক মাস্টোসাইটোসিসসহ প্যাথলজিক্যাল হাইপারসিক্রেটরি কন্ডিশনের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় Ometid এফডিএ-অনুমোদিত।
নির্দিষ্ট FDA-লেবেলযুক্ত ইন্ডিকেশনের বাইরে, ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস ও গাইডলাইনের ভিত্তিতে জেনারেল অ্যানেস্থেসিয়ার সময় অ্যাসিড অ্যাসপিরেশন প্রতিরোধে এবং নির্বাচিত ক্রিটিক্যালি ইল রোগীদের স্ট্রেস আলসার প্রতিরোধে Ometid ব্যবহৃত হয়; এই ব্যবহার চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হওয়া উচিত।
থেরাপিউটিক ক্লাস: Ometid একটি প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (PPI), যা সাবস্টিটিউটেড বেনজিমিডাজল শ্রেণির অন্তর্গত।
উপাদান: প্রতিটি ডোজে সক্রিয় উপাদান হিসেবে Ometid থাকে, যা সাধারণত এন্টেরিক-কোটেড (ডিলেইড-রিলিজ) গ্র্যানুল আকারে তৈরি করা হয় যাতে পাকস্থলীর অ্যাসিড থেকে ওষুধটি সুরক্ষিত থাকে। বাংলাদেশে Ometid ১০ মি.গ্রা., ২০ মি.গ্রা. এবং ৪০ মি.গ্রা. এন্টেরিক-কোটেড ক্যাপসুল ও ট্যাবলেট, ওরাল পাউডার স্যাশে (২০ মি.গ্রা., ৪০ মি.গ্রা.) এবং শিরায় প্রয়োগের জন্য ৪০ মি.গ্রা./ভায়াল ইনজেকশন আকারে পাওয়া যায়।
সংক্ষিপ্ত বিবরণ: Ometid একটি প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর যা পাকস্থলীতে অ্যাসিড উৎপাদন কমাতে ব্যবহৃত হয়। GERD, পেপটিক আলসার ডিজিজ এবং অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে সংমিশ্রণে H. pylori সংক্রমণ নির্মূলে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। Ometid পাকস্থলীর প্যারাইটাল কোষে থাকা হাইড্রোজেন-পটাশিয়াম-অ্যাডিনোসিন ট্রাইফসফেটেজ (H+/K+-ATPase) এনজাইম সিস্টেম, যা প্রায়ই "গ্যাস্ট্রিক প্রোটন পাম্প" নামে পরিচিত, তা অপরিবর্তনীয়ভাবে বন্ধ করে দিয়ে কাজ করে - যা অ্যাসিড নিঃসরণের সর্বশেষ পর্যায়। Ometid ওরাল ডিলেইড-রিলিজ ক্যাপসুল, ট্যাবলেট এবং ওরাল সাসপেনশন আকারে এবং যারা মুখে ওষুধ খেতে পারেন না তাদের জন্য শিরায় প্রয়োগের ইনজেকশন আকারে পাওয়া যায়। Ometid কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয় এবং এর নিজস্ব কোনো সরাসরি অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল কার্যকারিতা নেই।
ফার্মাকোলজি (শোষণ, বিপাক ও নিষ্কাশন): Omeprazole একটি সাবস্টিটিউটেড বেনজিমিডাজল, যা অ্যাসিড-ল্যাবাইল (পাকস্থলীর অ্যাসিডে সহজে ভেঙে যায়), তাই এটি এন্টেরিক-কোটেড গ্র্যানুল আকারে তৈরি করা হয় যাতে পাকস্থলী পার হয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রে শোষিত হতে পারে। মুখে খাওয়ার পর Omeprazole দ্রুত শোষিত হয়, রক্তে সর্বোচ্চ ঘনত্বে পৌঁছাতে ০.৫ থেকে ৩.৫ ঘণ্টা সময় লাগে; একক মাত্রার পর জৈব উপলভ্যতা প্রায় ৩৫%, যা নিয়মিত দৈনিক ব্যবহারে বেড়ে প্রায় ৬০% হয়। Omeprazole একটি প্রোড্রাগ, যা প্যারাইটাল কোষের অ্যাসিডিক ক্যানালিকুলিতে জমা হয়ে সক্রিয় সালফেনামাইড রূপে রূপান্তরিত হয়, যা H+/K+-ATPase এনজাইমের সাথে অপরিবর্তনীয়ভাবে যুক্ত হয়ে তা বন্ধ করে দেয়, ফলে উদ্দীপকের ধরন যাই হোক না কেন অ্যাসিড নিঃসরণের সর্বশেষ সাধারণ পথ বন্ধ হয়ে যায়। অ্যান্টিসিক্রেটরি কার্যকারিতা শুরু হয় ১ ঘণ্টার মধ্যে, সর্বোচ্চ কার্যকারিতা দেখা যায় ২ ঘণ্টার মধ্যে, এবং এর প্রভাব ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে, কারণ অ্যাসিড নিঃসরণ পুনরুদ্ধারের জন্য নতুন এনজাইম তৈরি হওয়া প্রয়োজন। Omeprazole যকৃতে মূলত CYP2C19 এবং কিছুটা CYP3A4 পথের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে বিপাকিত হয়; স্বাভাবিক যকৃত কার্যক্ষমতাসম্পন্ন রোগীদের ক্ষেত্রে প্লাজমা হাফ-লাইফ প্রায় ০.৫-১ ঘণ্টা; এর মেটাবোলাইট প্রধানত মূত্রের মাধ্যমে এবং বাকি অংশ মলের মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়।
মোড অব অ্যাকশন (কার্যপ্রণালী): Omeprazole পাকস্থলীর প্যারাইটাল কোষের সিক্রেটরি পর্দায় থাকা হাইড্রোজেন-পটাশিয়াম-অ্যাডিনোসিন ট্রাইফসফেটেজ (H+/K+-ATPase) এনজাইম সিস্টেমের সাথে অপরিবর্তনীয়ভাবে যুক্ত হয়ে তা বন্ধ করে দেয়। এই এনজাইম, যা সাধারণত "গ্যাস্ট্রিক প্রোটন পাম্প" নামে পরিচিত, উদ্দীপক (হিস্টামিন, অ্যাসিটাইলকোলিন বা গ্যাস্ট্রিন) যাই হোক না কেন, অ্যাসিড নিঃসরণের সর্বশেষ সাধারণ পথ। এই পাম্প বন্ধ করে Omeprazole বেসাল ও উদ্দীপিত উভয় ধরনের অ্যাসিড নিঃসরণ কমিয়ে দেয়; এবং যেহেতু এই বাধা অপরিবর্তনীয়, অ্যাসিড নিঃসরণ ক্ষমতা পুনরুদ্ধারের জন্য নতুন এনজাইম সংশ্লেষিত হওয়া প্রয়োজন, যার কারণে Omeprazole-এর কার্যকারিতা এর প্লাজমা হাফ-লাইফের চেয়ে বেশি সময় ধরে থাকে।
Ometid-এর মাত্রা নির্ভর করে কোন সমস্যার জন্য এটি ব্যবহার করা হচ্ছে, রোগীর বয়স এবং চিকিৎসা স্বল্পমেয়াদী নিরাময়ের জন্য না দীর্ঘমেয়াদী মেইনটেন্যান্স/হাইপারসিক্রেটরি নিয়ন্ত্রণের জন্য তার উপর। ইন্ডিকেশনের জন্য উপযুক্ত সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা সর্বনিম্ন সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত, এবং Ometid চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিকভাবে গ্রহণ করা উচিত।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা |
|---|---|
| সক্রিয় ডুওডেনাল আলসার | ৪ সপ্তাহের জন্য দৈনিক একবার ২০ মি.গ্রা. |
| H. pylori নির্মূল (ট্রিপল থেরাপি) | Ometid ২০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার, ক্লারিথ্রোমাইসিন ও অ্যামোক্সিসিলিন (বা মেট্রোনিডাজল)-এর সাথে সংমিশ্রণে ১০-১৪ দিন, স্থানীয়/জাতীয় H. pylori চিকিৎসা নির্দেশিকা অনুযায়ী |
| সক্রিয় বিনাইন গ্যাস্ট্রিক আলসার | ৪-৮ সপ্তাহের জন্য দৈনিক একবার ৪০ মি.গ্রা. |
| NSAID-জনিত আলসার (নিরাময়) | ৪-৮ সপ্তাহের জন্য দৈনিক একবার ২০ মি.গ্রা. |
| NSAID-জনিত আলসার (ঝুঁকি কমানো, চলমান NSAID ব্যবহারের সাথে) | দৈনিক একবার ২০ মি.গ্রা., ৬ মাস পর্যন্ত |
| উপসর্গযুক্ত GERD | ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত দৈনিক একবার ২০ মি.গ্রা. |
| ইরোসিভ ইসোফ্যাগাইটিস (নিরাময়) | ৪-৮ সপ্তাহের জন্য দৈনিক একবার ২০ মি.গ্রা. |
| ইরোসিভ ইসোফ্যাগাইটিস (নিরাময় বজায় রাখা) | দৈনিক একবার ২০ মি.গ্রা. |
| প্যাথলজিক্যাল হাইপারসিক্রেটরি কন্ডিশন (যেমন জোলিংগার-এলিসন সিন্ড্রোম) | শুরুর মাত্রা দৈনিক একবার ৬০ মি.গ্রা., ব্যক্তিভেদে সমন্বয়যোগ্য; তীব্র রোগে দিনে তিনবার পর্যন্ত ১২০ মি.গ্রা. ব্যবহৃত হয়েছে; দৈনিক ৮০ মি.গ্রা.-এর বেশি মাত্রা বিভক্ত করে দেওয়া হয় |
| নির্দেশনা/বয়স/ওজন | মাত্রা |
|---|---|
| GERD/ইরোসিভ ইসোফ্যাগাইটিস, ১-১৬ বছর বয়সী শিশু, ≥২০ কেজি | দৈনিক একবার ২০ মি.গ্রা. |
| GERD/ইরোসিভ ইসোফ্যাগাইটিস, ১-১৬ বছর বয়সী শিশু, ১০ কেজি থেকে <২০ কেজি | দৈনিক একবার ১০ মি.গ্রা. |
| GERD/ইরোসিভ ইসোফ্যাগাইটিস, ১-১৬ বছর বয়সী শিশু, ৫ কেজি থেকে <১০ কেজি | দৈনিক একবার ৫ মি.গ্রা. |
উপরের মাত্রাগুলো সাধারণ নির্দেশিকা মাত্র; প্রতিটি রোগীর জন্য সঠিক মাত্রা, ফর্মুলেশন এবং সময়কাল সর্বদা চিকিৎসকের দ্বারা নিশ্চিত করা উচিত।
সেবনবিধি:
Ometid গ্রহণের ফলে সাধারণত নিম্নলিখিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো দেখা যেতে পারে:
একাধিক এপিডেমিওলজিক্যাল স্টাডি ও কেস সিরিজের তথ্যে গর্ভাবস্থায় Ometid ব্যবহারের সাথে বড় ধরনের জন্মগত ত্রুটি, গর্ভপাত বা অন্য কোনো বিরূপ ভ্রূণ প্রভাবের ঝুঁকি স্পষ্টভাবে বাড়ার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবুও, স্পষ্ট প্রয়োজন থাকলে এবং মায়ের জন্য সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির তুলনায় বেশি হলেই গর্ভাবস্থায় Ometid ব্যবহার করা উচিত; ব্যবহারের আগে সর্বদা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Ometid অল্প পরিমাণে বুকের দুধে প্রবেশ করে। শিশুর উপর সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাবের তাত্ত্বিক সম্ভাবনার কারণে, স্তন্যদান চালিয়ে যাওয়া বা বন্ধ করা, অথবা Ometid চালিয়ে যাওয়া বা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নেওয়া উচিত, যেখানে স্তন্যদানের উপকারিতা ও মায়ের Ometid প্রয়োজনীয়তা তুলনা করে দেখা হবে।
Ometid-এর রিপোর্ট করা ওভারডোজের ক্ষেত্রে (স্বাভাবিক থেরাপিউটিক মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি মাত্রায়ও) সাধারণত হালকা ও অস্থায়ী উপসর্গ দেখা গেছে, যেমন বিভ্রান্তি, ঝিমুনি, দৃষ্টি অস্পষ্টতা, দ্রুত হৃদস্পন্দন, বমি বমি ভাব, বমি, ঘাম, ফ্লাশিং, মাথাব্যথা এবং মুখ শুকিয়ে যাওয়া; কোনো গুরুতর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবের রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। Ometid ওভারডোজের জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (antidote) নেই। ওভারডোজের সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; চিকিৎসা সাধারণত উপসর্গ-ভিত্তিক ও সাপোর্টিভ হয়, এবং প্রোটিনের সাথে ব্যাপকভাবে আবদ্ধ থাকার কারণে Ometid ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে কার্যকরভাবে অপসারণ করা যায় না।
Ometid ৩০°সে-এর নিচে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে সুরক্ষিত রেখে সংরক্ষণ করতে হবে, এবং কন্টেইনার শক্তভাবে বন্ধ রাখতে হবে। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
Q: Ometid 40 mg Capsule কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Ometid 40 mg Capsule একটি প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর যা গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD), ডুওডেনাল ও গ্যাস্ট্রিক আলসার, NSAID-জনিত আলসার এবং জোলিংগার-এলিসন সিন্ড্রোমের মতো প্যাথলজিক্যাল হাইপারসিক্রেটরি কন্ডিশনের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়; অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে সংমিশ্রণে হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি সংক্রমণ নির্মূলেও এটি ব্যবহৃত হয়।
Q: Ometid 40 mg Capsule কীভাবে খাওয়া উচিত?
A: Ometid 40 mg Capsule খাবারের আগে, সাধারণত সকালে খাওয়া উচিত, এবং ক্যাপসুল বা ট্যাবলেট গুঁড়ো বা চিবানো ছাড়াই পানির সাথে গোটা গিলে খাওয়া উচিত, কারণ এতে এন্টেরিক কোটিং ঠিক থাকে যা Ometid 40 mg Capsule-কে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। বিস্তারিত জানতে "মাত্রা ও সেবনবিধি" অংশ দেখুন।
Q: ক্লোপিডোগ্রেলের সাথে Ometid 40 mg Capsule খাওয়া যাবে কি?
A: Ometid 40 mg Capsule ক্লোপিডোগ্রেলকে সক্রিয় করার জন্য প্রয়োজনীয় CYP2C19 এনজাইম বাধা দিয়ে এর অ্যান্টি-প্লেটলেট কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে, যা হৃদরোগ প্রতিরোধে ক্লোপিডোগ্রেলের উপর নির্ভরশীল রোগীদের ঝুঁকি বাড়াতে পারে; এই সংমিশ্রণ সাধারণত এড়িয়ে চলা উচিত এবং বিকল্প বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বিস্তারিত জানতে "ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া" অংশ দেখুন।
Q: গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে Ometid 40 mg Capsule নিরাপদ কি?
A: বিদ্যমান তথ্যে গর্ভাবস্থায় Ometid 40 mg Capsule ব্যবহারের সাথে জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি স্পষ্টভাবে বাড়ার প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবুও Ometid 40 mg Capsule চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী স্পষ্ট প্রয়োজন হলেই ব্যবহার করা উচিত। Ometid 40 mg Capsule অল্প পরিমাণে বুকের দুধে প্রবেশ করে, তাই স্তন্যদানকারী মায়েদের ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের সাথে উপকারিতা ও ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা করা উচিত। বিস্তারিত জানতে "গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে" অংশ দেখুন।
Q: দীর্ঘদিন Ometid 40 mg Capsule খাওয়ার ঝুঁকি কী?
A: দীর্ঘমেয়াদী Ometid 40 mg Capsule ব্যবহারে হাড় ভাঙার ঝুঁকি, রক্তে ম্যাগনেসিয়াম কমে যাওয়া, ভিটামিন বি১২ ঘাটতি, Clostridioides difficile-জনিত ডায়ারিয়া এবং বিনাইন ফান্ডিক গ্ল্যান্ড পলিপের ঝুঁকি বাড়তে পারে। Ometid 40 mg Capsule সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত এবং দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা চিকিৎসক দ্বারা নিয়মিত পুনর্মূল্যায়ন করা উচিত। বিস্তারিত জানতে "সতর্কতা" অংশ দেখুন।
Q: Ometid 40 mg Capsule বেশি খেয়ে ফেললে কী করা উচিত?
A: Ometid 40 mg Capsule-এর ওভারডোজের সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; সাধারণত চিকিৎসা সাপোর্টিভ হয়, কারণ কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। বিস্তারিত জানতে "মাত্রাধিক্যতা" অংশ দেখুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।