Product gallery
MRP ১৫০.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১৩৫.০০/10's Strip
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Oxetol একটি অ্যান্টিকনভালসেন্ট (মৃগীরোগ প্রতিরোধী) ঔষধ, যা আংশিক (পার্শিয়াল/ফোকাল) খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।

প্রতিষ্ঠিত / অনুমোদিত ব্যবহার

  • প্রাপ্তবয়স্ক এবং ৪ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের আংশিক খিঁচুনির চিকিৎসায় একক থেরাপি (মনোথেরাপি) হিসেবে।
  • অন্যান্য মৃগীরোগ প্রতিরোধী ঔষধের সাথে সহায়ক থেরাপি (অ্যাডজাংক্টিভ) হিসেবে।

প্রচলিত অফ-লেবেল ব্যবহার

কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসক Oxetol নিউরোপ্যাথিক ব্যথা (যেমন ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া) বা বাইপোলার ডিসঅর্ডারে মুড স্টেবিলাইজার হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন, যদিও এটি এসব ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত নয়।

যেকোনো ক্ষেত্রে Oxetol শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শ ও তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত।

থেরাপিউটিক ক্লাস

অ্যান্টিকনভালসেন্ট / অ্যান্টিএপিলেপ্টিক ঔষধ - Oxetol কার্বামাজেপিনের সাথে সম্পর্কিত একটি কিটো-ডেরিভেটিভ, যা ভোল্টেজ-নির্ভর সোডিয়াম চ্যানেল ব্লকার হিসেবে কাজ করে।

ফার্মাকোলজি

Oxcarbazepine কার্বামাজেপিনের একটি কিটো অ্যানালগ। এর প্রধান কার্যপ্রণালী হলো মস্তিষ্কের স্নায়ু কোষের ভোল্টেজ-নির্ভর সোডিয়াম চ্যানেল ব্লক করা,যা অতি-উত্তেজিত স্নায়ু কোষের ঝিল্লিকে স্থিতিশীল করে, বারবার স্নায়ু উদ্দীপনা প্রতিরোধ করে এবং খিঁচুনি সৃষ্টিকারী অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক সংকেত ছড়িয়ে পড়া কমায়।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স: মুখে সেবনের পর Oxcarbazepine দ্রুত শোষিত হয় এবং যকৃতে বিপাকের মাধ্যমে এর সক্রিয় মেটাবোলাইট (MHD) তৈরি হয়, যা মূল কার্যকারিতার জন্য দায়ী।এই সক্রিয় মেটাবোলাইট মূলত কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়, এবং এর অর্ধ-জীবনকাল প্রায় ৯ ঘণ্টা।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্ক - একক থেরাপি

শুরুর মাত্রা: দিনে দুইবার ৩০০ মি.গ্রা.। চিকিৎসকের পরামর্শে প্রতি তিন দিনে সর্বোচ্চ ৩০০ মি.গ্রা./দিন হারে বাড়িয়ে লক্ষ্যমাত্রা ১২০০ মি.গ্রা./দিন পর্যন্ত নেওয়া যেতে পারে।

প্রাপ্তবয়স্ক - সহায়ক থেরাপি

শুরুর মাত্রা: দিনে দুইবার ৩০০ মি.গ্রা., বিদ্যমান চিকিৎসার সাথে যুক্ত করে। সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৬০০ মি.গ্রা./দিন হারে বাড়িয়ে ৬০০-২৪০০ মি.গ্রা./দিন পর্যন্ত মাত্রায় নেওয়া যেতে পারে, প্রয়োজন ও সহনশীলতা অনুযায়ী।

শিশু (৪ বছর ও তদূর্ধ্ব)

শরীরের ওজন অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারণ করা হয় (সাধারণত শুরুতে প্রায় ৮-১০ মি.গ্রা./কেজি/দিন, দুই ভাগে বিভক্ত), এবং প্রায় ২ সপ্তাহ ধরে ধীরে ধীরে বাড়িয়ে ওজন-ভিত্তিক রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রায় নেওয়া হয়, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।

কিডনি সমস্যায়

ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ৩০ মি.লি./মিনিটের কম হলে, Oxetol স্বাভাবিক শুরুর মাত্রার অর্ধেক দিয়ে শুরু করে ধীরে বাড়ানো উচিত।

সাধারণ নির্দেশনা

Oxetol খাবারের সাথে বা ছাড়া সেবন করা যায়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হঠাৎ Oxetol সেবন বন্ধ করা উচিত নয়, কারণ এতে খিঁচুনির ঝুঁকি বাড়তে পারে; বন্ধ করতে হলে ধীরে ধীরে মাত্রা কমাতে হবে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Oxetol-এর সাথে নিম্নলিখিত ক্লিনিক্যালি উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:

  • হরমোনাল জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল: Oxetol যকৃতের কিছু এনজাইম সক্রিয় করে হরমোনাল গর্ভনিরোধকের কার্যকারিতা কমাতে পারে। Oxetol সেবনকালে বিকল্প বা অতিরিক্ত (নন-হরমোনাল) গর্ভনিরোধক পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত।
  • ফেনিটয়েন: উচ্চ মাত্রায় (≥১২০০ মি.গ্রা./দিন) Oxetol সেবনে ফেনিটয়েনের রক্তমাত্রা বাড়তে পারে; ফেনিটয়েনের মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে।
  • CYP3A4/3A5 দ্বারা বিপাকিত ঔষধ: Oxetol এই এনজাইমগুলো সক্রিয় করে সংশ্লিষ্ট ঔষধের (যেমন কিছু ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার, সাইক্লোস্পোরিন) রক্তমাত্রা কমিয়ে দিতে পারে।
  • রক্তে সোডিয়াম কমায় এমন অন্যান্য ঔষধ: ডাইইউরেটিক বা SSRI-জাতীয় ঔষধের সাথে Oxetol একসাথে সেবনে হাইপোনেট্রেমিয়ার (রক্তে সোডিয়াম কমে যাওয়া) ঝুঁকি বাড়তে পারে (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন)।
  • মস্তিষ্ক-অবদমনকারী (CNS depressant) ঔষধ ও অ্যালকোহল: এসবের সাথে Oxetol একসাথে নিলে ঝিমুনি ও মাথা ঘোরা বেড়ে যেতে পারে।
  • অন্যান্য মৃগীরোগ প্রতিরোধী ঔষধ: কার্বামাজেপিন, ফেনোবারবিটাল, ভালপ্রোয়িক এসিড, ল্যামোট্রিজিনের সাথে মিথষ্ক্রিয়া হতে পারে এবং মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে।

Oxetol শুরু করার আগে সেবনরত অন্য সব ঔষধের কথা চিকিৎসককে জানান।

প্রতিনির্দেশনা

যাদের Oxcarbazepine বা এর কোনো উপাদানের প্রতি জানা অ্যালার্জি (হাইপারসেনসিটিভিটি) আছে, তাদের ক্ষেত্রে Oxcarbazepine সেবন নিষিদ্ধ।

Oxcarbazepine কার্বামাজেপিনের সাথে রাসায়নিকভাবে সম্পর্কিত হওয়ায়, যাদের কার্বামাজেপিনে অ্যালার্জির ইতিহাস আছে তাদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশের ক্ষেত্রে (প্রায় চারজনের একজন) Oxcarbazepine-এর প্রতিও ক্রস-অ্যালার্জি দেখা দিতে পারে। এমন রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসক ঝুঁকি-উপকারিতা বিবেচনা করে এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে সিদ্ধান্ত নেবেন।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Oxetol-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে:

  • মাথা ঘোরা ও ঝিমুনি
  • দ্বৈত দৃষ্টি (ডিপ্লোপিয়া) ও অন্যান্য দৃষ্টিজনিত সমস্যা
  • শরীরের ভারসাম্যহীনতা (অ্যাটাক্সিয়া)
  • মাথাব্যথা ও ক্লান্তি
  • বমি বমি ভাব ও বমি
  • অস্বাভাবিক চলাফেরা, কম্পন
  • র‍্যাশ (ত্বকে দানা)

হাইপোনেট্রেমিয়া (রক্তে সোডিয়াম কমে যাওয়া) Oxetol-এর একটি উল্লেখযোগ্য ও তুলনামূলকভাবে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, যা অন্যান্য অনেক মৃগীরোগ প্রতিরোধী ঔষধের চেয়ে বেশি দেখা যায় এবং কখনো কখনো গুরুতর হতে পারে (সতর্কতা অংশে বিস্তারিত দেখুন)।

গুরুতর কিন্তু কম দেখা যাওয়া পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া, একাধিক অঙ্গে হাইপারসেনসিটিভিটি প্রতিক্রিয়া, এবং মেজাজ/আচরণগত পরিবর্তন সহ আত্মহত্যার চিন্তা - এসব দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থায় Oxetol শুধুমাত্র সুস্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই ব্যবহার করা উচিত - এই সিদ্ধান্ত সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শে নিতে হবে।

অন্যান্য মৃগীরোগ প্রতিরোধী ঔষধের মতো, গর্ভাবস্থায় Oxetol সেবনে জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি কিছুটা বাড়তে পারে, যদিও এর ঝুঁকির মাত্রা অন্য কিছু অ্যান্টিকনভালসেন্টের চেয়ে ভিন্ন হতে পারে বলে তথ্য থেকে জানা যায়। Oxetol সেবনরত গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসক ফলিক এসিড সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের পরামর্শ দিতে পারেন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গর্ভাবস্থায় হঠাৎ Oxetol বন্ধ করা উচিত নয়, কারণ অনিয়ন্ত্রিত খিঁচুনিও মা ও ভ্রূণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

Oxetol ও এর সক্রিয় মেটাবোলাইট বুকের দুধে প্রবেশ করে। স্তন্যদানকারী মায়েদের Oxetol সেবনের আগে চিকিৎসকের সাথে সম্ভাব্য ঝুঁকি ও উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করা উচিত, এবং শিশুর অতিরিক্ত ঝিমুনি বা খাওয়ায় সমস্যা হচ্ছে কিনা তা লক্ষ্য রাখা উচিত।

সতর্কতা

হাইপোনেট্রেমিয়া

Oxetol রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিতে পারে (কিছু ক্ষেত্রে ১২৫ mmol/L-এর নিচে)। চিকিৎসার প্রথম কয়েক মাসে এই ঝুঁকি বেশি থাকে, তবে যেকোনো সময় হতে পারে। যারা অন্য সোডিয়াম-কমানো ঔষধ সেবন করছেন বা কিডনি সমস্যায় আছেন, তাদের রক্তের সোডিয়াম নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত। বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা, বিভ্রান্তি, বা খিঁচুনি বেড়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া

Oxetol খুব কম ক্ষেত্রে স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম (SJS) বা টক্সিক এপিডার্মাল নেক্রোলাইসিস (TEN)-এর মতো গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া ঘটাতে পারে। যাদের HLA-B*1502 জিন আছে (বিশেষত কিছু এশীয় জনগোষ্ঠীতে বেশি দেখা যায়) এবং যাদের কার্বামাজেপিনে অ্যালার্জির ইতিহাস আছে, তাদের ক্ষেত্রে গঠনগত সাদৃশ্যের কারণে এই ঝুঁকি বাড়তে পারে; প্রয়োজনে চিকিৎসক Oxetol শুরুর আগে জিনগত পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন। Oxetol সেবনকালে নতুন র‍্যাশ, ফোসকা, মুখে ঘা, বা ত্বক খোসা ছাড়ানোর মতো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন - প্রয়োজনে ঔষধ বন্ধ করতে হতে পারে।

একাধিক অঙ্গে হাইপারসেনসিটিভিটি প্রতিক্রিয়া

Oxetol খুব কম ক্ষেত্রে জ্বর, র‍্যাশ, এবং যকৃত-কিডনি-রক্তের মতো একাধিক অঙ্গ জড়িত গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া (DRESS সিনড্রোম) ঘটাতে পারে। এমন লক্ষণ সন্দেহ হলে সাথে সাথে ঔষধ বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

অন্যান্য সতর্কতা

  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হঠাৎ Oxetol বন্ধ করবেন না, কারণ এতে খিঁচুনি বেড়ে যাওয়া বা স্ট্যাটাস এপিলেপটিকাস হতে পারে; বন্ধ করতে হলে ধীরে ধীরে মাত্রা কমাতে হবে।
  • হৃদযন্ত্রের পরিবাহী সমস্যা (যেমন AV ব্লক) থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে Oxetol ব্যবহার করতে হবে।
  • অন্যান্য মৃগীরোগ প্রতিরোধী ঔষধের মতো Oxetol-ও আত্মহত্যার চিন্তা বা আচরণের সামান্য বর্ধিত ঝুঁকির সাথে সম্পর্কিত হতে পারে; মেজাজ পরিবর্তন, বিষণ্ণতা বা অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করলে দ্রুত জানান।
  • Oxetol মাথা ঘোরা ও ঝিমুনি সৃষ্টি করতে পারে; তাই এর প্রভাব বোঝার আগ পর্যন্ত গাড়ি চালানো বা যন্ত্রপাতি পরিচালনায় সতর্ক থাকুন।
  • যকৃত বা কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে Oxetol ব্যবহার করতে হবে (মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে)।

মাত্রাধিক্যতা

Oxetol-এর অতিমাত্রা সেবনে ঝিমুনি, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, বমি, ভারসাম্যহীনতা এবং গুরুতর ক্ষেত্রে কোমা, হাইপোনেট্রেমিয়া, হৃদযন্ত্রের পরিবাহী সমস্যা, বা শ্বাসকষ্ট হতে পারে।

Oxetol-এর অতিমাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে সাথে সাথে নিকটস্থ হাসপাতালে যান বা জরুরি চিকিৎসা সেবা / বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। বাড়িতে নিজে থেকে কোনো চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। হাসপাতালে সাধারণত সহায়ক চিকিৎসা (কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই) দেওয়া হয়, যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ পর্যবেক্ষণ, হৃদযন্ত্র পর্যবেক্ষণ, এবং ইলেক্ট্রোলাইট সমস্যার সংশোধন অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

সংরক্ষণ

Oxetol ৩০°C-এর নিচে স্বাভাবিক তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু

Oxetol ৪ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে একক থেরাপি বা সহায়ক থেরাপি হিসেবে অনুমোদিত, যেখানে মাত্রা শরীরের ওজন অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয় এবং চিকিৎসক ধীরে ধীরে তা সমন্বয় করেন। ৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Oxetol-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়।

বয়স্ক রোগী

বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে Oxetol সেবনে হাইপোনেট্রেমিয়া, মাথা ঘোরা ও ঝিমুনির ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি হতে পারে; কিডনির কার্যক্ষমতা ও ক্লিনিক্যাল প্রতিক্রিয়া বিবেচনা করে চিকিৎসক মাত্রা সমন্বয় করতে পারেন।

কিডনি বা যকৃত সমস্যাযুক্ত রোগী

গুরুতর কিডনি সমস্যায় Oxetol-এর শুরুর মাত্রা কমিয়ে ধীরে বাড়াতে হয়; যকৃত সমস্যায়ও সতর্কতার সাথে ব্যবহার প্রয়োজন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Oxetol 300 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Oxetol 300 mg Tablet একটি অ্যান্টিকনভালসেন্ট ঔষধ, যা প্রাপ্তবয়স্ক এবং ৪ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের আংশিক (ফোকাল) খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে একক থেরাপি বা অন্য ঔষধের সাথে সহায়ক থেরাপি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Q: Oxetol 300 mg Tablet কীভাবে সেবন করব?

A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে Oxetol 300 mg Tablet সেবন করুন, খাবারের সাথে বা ছাড়া। ট্যাবলেট পুরোটা পানির সাথে গিলে ফেলুন; সাসপেনশন ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে মাত্রা মেপে নিন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হঠাৎ Oxetol 300 mg Tablet বন্ধ করবেন না, কারণ এতে খিঁচুনির ঝুঁকি বাড়তে পারে।

Q: Oxetol 300 mg Tablet কি জন্মনিয়ন্ত্রণ পিলের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়?

A: হ্যাঁ। Oxetol 300 mg Tablet হরমোনাল জন্মনিয়ন্ত্রণ পিলের কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে। Oxetol 300 mg Tablet সেবনকালে গর্ভধারণ এড়াতে চাইলে অতিরিক্ত বা বিকল্প (নন-হরমোনাল) গর্ভনিরোধক পদ্ধতি নিয়ে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন।

Q: Oxetol 300 mg Tablet সেবনকালে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য রাখা উচিত?

A: Oxetol 300 mg Tablet রক্তে সোডিয়াম কমিয়ে দিতে পারে (হাইপোনেট্রেমিয়া), যা অন্যান্য অনেক মৃগীরোগ প্রতিরোধী ঔষধের চেয়ে বেশি দেখা যায়। বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা, বিভ্রান্তি, বা খিঁচুনি বেড়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন, বিশেষত চিকিৎসার শুরুর দিকে রক্তের সোডিয়াম পরীক্ষা করানো প্রয়োজন হতে পারে।

Q: গর্ভাবস্থায় Oxetol 300 mg Tablet সেবন কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থায় Oxetol 300 mg Tablet শুধুমাত্র সুস্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলে এবং চিকিৎসক মনে করলে যে উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি, তখনই ব্যবহার করা উচিত, কারণ Oxetol 300 mg Tablet-সহ মৃগীরোগ প্রতিরোধী ঔষধ জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি কিছুটা বাড়াতে পারে। গর্ভবতী হলে নিজে থেকে Oxetol 300 mg Tablet বন্ধ করবেন না; চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, তিনি ফলিক এসিড সাপ্লিমেন্ট দিতে পারেন।

Q: Oxetol 300 mg Tablet-এর একটি মাত্রা মিস হলে বা অতিরিক্ত সেবন হয়ে গেলে কী করব?

A: মাত্রা মিস হলে মনে পড়ার সাথে সাথে সেবন করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে দ্বিগুণ মাত্রা নেবেন না। Oxetol 300 mg Tablet-এর অতিরিক্ত সেবনের ফলে তীব্র ঝিমুনি, ভারসাম্যহীনতা, বা জ্ঞান হারানোর মতো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে নিকটস্থ হাসপাতালে যান বা জরুরি চিকিৎসা সেবায় যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor