
Famotid40 mg
Drug International Ltd.

Peptid একটি হিস্টামিন H2-রিসেপ্টর প্রতিপক্ষ (H2 ব্লকার) যা পাকস্থলীর অ্যাসিড নিঃসরণ কমাতে ব্যবহৃত হয়। এর প্রমাণ-ভিত্তিক ব্যবহারসমূহ নিচে দেওয়া হলো:
Peptid মূল অ্যাসিড-সংক্রান্ত সমস্যা নিরাময় করে না; এটি উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করে এবং নিরাময় প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে, যতক্ষণ না অন্তর্নিহিত কারণের চিকিৎসা করা হয়।
Peptid থেরাপিউটিক শ্রেণীর দিক থেকে হিস্টামিন H2-রিসেপ্টর প্রতিপক্ষ (H2 ব্লকার) - এই শ্রেণীর ঔষধগুলো উপরের পরিপাকতন্ত্রের অ্যাসিড-সংক্রান্ত রোগের চিকিৎসায় পাকস্থলীর অ্যাসিড নিঃসরণ কমাতে ব্যবহৃত হয়।
Famotidine পাকস্থলীর প্যারাইটাল কোষের বেসোল্যাটেরাল মেমব্রেনে অবস্থিত হিস্টামিন H2-রিসেপ্টরের একটি প্রতিযোগিতামূলক প্রতিপক্ষ। এই রিসেপ্টর ব্লক করার মাধ্যমে Famotidine হিস্টামিন-উদ্দীপিত পাকস্থলীর অ্যাসিড নিঃসরণ বাধা দেয়, এবং বেসাল, নৈশকালীন এবং খাদ্য/ক্যাফেইন/পেন্টাগ্যাস্ট্রিন-উদ্দীপিত অ্যাসিড নিঃসরণও কমায়, তবে অ্যাসিড ভলিউম ও পেপসিন উৎপাদনের উপর প্রভাব তুলনামূলক কম।
মুখে খাওয়ার পর Famotidine দ্রুত কিন্তু আংশিকভাবে শোষিত হয় (জৈব উপলভ্যতা প্রায় ৪০-৪৫%), কার্যকারিতা শুরু হয় প্রায় ১ ঘণ্টার মধ্যে এবং একক মাত্রার প্রভাব ১০-১২ ঘণ্টা স্থায়ী হয়। এটি সামান্য লিভার মেটাবলিজমের মধ্য দিয়ে যায়, মূলত কিডনির মাধ্যমে (গ্লোমেরুলার ফিল্ট্রেশন এবং টিউবুলার সিক্রেশন উভয় প্রক্রিয়ায়) নির্গত হয়, এবং স্বাভাবিক কিডনি কার্যকারিতাসম্পন্ন রোগীদের ক্ষেত্রে প্লাজমা অর্ধায়ু প্রায় ২.৫-৪ ঘণ্টা; কিডনি সমস্যায় এই অর্ধায়ু দীর্ঘায়িত হয়।
Peptid-এর মাত্রা এবং চিকিৎসার সময়কাল নির্ভর করে কোন রোগের চিকিৎসা করা হচ্ছে তার উপর। এটি খাবারের সাথে বা ছাড়া গ্রহণ করা যায়। কিডনি সমস্যায় মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন (নিচে দেখুন)।
| নির্দেশনা | স্বাভাবিক প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা | সাধারণ সময়কাল |
|---|---|---|
| একটিভ ডিওডেনাল আলসার | ঘুমানোর আগে দিনে একবার ৪০ মি.গ্রা., অথবা দিনে দুইবার ২০ মি.গ্রা. | সর্বোচ্চ ৮ সপ্তাহ |
| রক্ষণাবেক্ষণ থেরাপি (ডিওডেনাল আলসার) | ঘুমানোর আগে দিনে একবার ২০ মি.গ্রা. | চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী |
| একটিভ বিনাইন গ্যাস্ট্রিক আলসার | ঘুমানোর আগে দিনে একবার ৪০ মি.গ্রা. | সর্বোচ্চ ৮ সপ্তাহ |
| উপসর্গযুক্ত নন-ইরোসিভ GERD | দিনে দুইবার ২০ মি.গ্রা. | সর্বোচ্চ ৬ সপ্তাহ |
| ইরোসিভ ইসোফাজাইটিস (GERD) | দিনে দুইবার ২০-৪০ মি.গ্রা. | সর্বোচ্চ ১২ সপ্তাহ |
| প্যাথলজিক্যাল হাইপারসিক্রেটরি অবস্থা (যেমন জোলিঙ্গার-এলিসন সিন্ড্রোম) | শুরুতে প্রতি ৬ ঘণ্টায় ২০ মি.গ্রা.; পৃথকভাবে সমন্বয় করা হয় (বেশি মাত্রার প্রয়োজন হতে পারে) | ক্লিনিক্যাল প্রয়োজন অনুযায়ী |
| বুক জ্বালাপোড়া/অ্যাসিডিটি (স্বল্প মাত্রায় ব্যবহার) | ১০ মি.গ্রা., উপসর্গ শুরুর ১৫-৬০ মিনিট আগে বা শুরুতে; ২৪ ঘণ্টায় ২ মাত্রার বেশি নয় | স্বল্পমেয়াদী, উপসর্গভিত্তিক |
ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ৬০ মি.লি./মিনিটের কম হলে মাত্রা কমানো বা মাত্রার ব্যবধান বাড়ানো প্রয়োজন, কারণ Peptid মূলত কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়। মারাত্মক কিডনি সমস্যায় সাধারণত মাত্রা অর্ধেক করা হয় বা একদিন পরপর দেওয়া হয়, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে।
শুধুমাত্র লিভার সমস্যার ক্ষেত্রে সাধারণত বিশেষ মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না, কারণ Peptid সামান্য লিভার মেটাবলিজমের মধ্য দিয়ে যায়, তবে সতর্কতা প্রয়োজন।
Peptid সাইটোক্রোম P450 লিভার এনজাইম সিস্টেমের সাথে উল্লেখযোগ্যভাবে মিথষ্ক্রিয়া করে না, তাই এর ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া তুলনামূলক কম। তবে নিচের মিথষ্ক্রিয়াগুলো গুরুত্বপূর্ণ:
Famotidine ঐ সকল রোগীদের ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত যাদের Famotidine বা অন্য যেকোনো H2-রিসেপ্টর প্রতিপক্ষের প্রতি জানা হাইপারসেনসিটিভিটির (অ্যানাফাইল্যাক্সিসসহ গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার) ইতিহাস রয়েছে, কারণ এই শ্রেণীর ঔষধের মধ্যে ক্রস-সেনসিটিভিটি রিপোর্ট করা হয়েছে।
Peptid সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়। বেশিরভাগ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মৃদু ও সাময়িক।
মুখ/গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, তীব্র ফুসকুড়ির মতো গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ বা তীব্র বিভ্রান্তির মতো অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
গর্ভাবস্থা: প্রাণীর উপর গবেষণায় ভ্রূণের ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে গর্ভবতী নারীদের উপর পর্যাপ্ত ও সুনিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই। গর্ভাবস্থায় Peptid শুধুমাত্র স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই ব্যবহার করা উচিত। গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের আগে সর্বদা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।
স্তন্যদান: Peptid মায়ের বুকের দুধে নির্গত হয়। শিশুর উপর সম্ভাব্য প্রভাবের কারণে, স্তন্যদান বন্ধ রাখা হবে নাকি Peptid বন্ধ রাখা হবে তা মায়ের জন্য ঔষধের গুরুত্ব বিবেচনা করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
Peptid-এর মাত্রাধিক্যের লক্ষণের মধ্যে থাকতে পারে বিভ্রান্তি, ঘুম ঘুম ভাব, মাথা ঘোরা, নিম্ন রক্তচাপ এবং সাধারণ মাত্রায় দেখা যাওয়া প্রভাবের মতোই সাময়িক প্রভাব, যদিও এগুলো সাধারণত জীবনসংশয়ী নয়। মাত্রাধিক্যের সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা সাধারণত উপসর্গভিত্তিক ও সহায়ক হয়ে থাকে; চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে প্রমিত পদ্ধতিতে পরিপাকতন্ত্র থেকে অশোষিত অংশ অপসারণ করা যেতে পারে, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে, বিশেষত কিডনি সমস্যা থাকলে, হেমোডায়ালাইসিস বিবেচনা করা যেতে পারে, কারণ Peptid ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে কার্যকরভাবে অপসারিত হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বাড়িতে মাত্রাধিক্যের চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।
ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মিশ্রিত করা মুখে খাওয়ার সাসপেনশন লেবেলে নির্দেশিত নিয়ম অনুযায়ী (সাধারণত ঘরের তাপমাত্রায়) সংরক্ষণ করুন এবং ৩০ দিন পর অবশিষ্ট অংশ ফেলে দিন।
Q: Peptid 40 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Peptid 40 mg Tablet পাকস্থলী ও খাদ্যনালীর অ্যাসিড-সংক্রান্ত সমস্যার চিকিৎসা ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে রয়েছে ডিওডেনাল ও গ্যাস্ট্রিক আলসার, গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD), ইরোসিভ ইসোফাজাইটিস এবং বুক জ্বালাপোড়া/অ্যাসিডিটি। এটি পাকস্থলীর অ্যাসিড উৎপাদন কমিয়ে কাজ করে।
Q: Peptid 40 mg Tablet কত দ্রুত কাজ শুরু করে?
A: Peptid 40 mg Tablet সাধারণত মাত্রা গ্রহণের প্রায় ১ ঘণ্টার মধ্যে পাকস্থলীর অ্যাসিড কমাতে শুরু করে এবং এর প্রভাব ১০-১২ ঘণ্টা স্থায়ী থাকে। মাঝেমধ্যে বুক জ্বালাপোড়ার উপশমের জন্য এটি সাধারণত খাবারের ১৫-৬০ মিনিট আগে বা উপসর্গ শুরু হলে গ্রহণ করা হয়।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি Peptid 40 mg Tablet নেওয়া যায়?
A: গর্ভাবস্থায় Peptid 40 mg Tablet শুধুমাত্র স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলে ব্যবহার করা উচিত, কারণ গর্ভবতী নারীদের উপর পর্যাপ্ত সুনিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই, এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির বিপরীতে বিবেচনা করতে হবে। Peptid 40 mg Tablet বুকের দুধেও নির্গত হয়, তাই স্তন্যদান চালিয়ে যাওয়া হবে নাকি ঔষধ চালিয়ে যাওয়া হবে তা সিদ্ধান্ত নিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Q: বয়স্ক রোগীদের জন্য Peptid 40 mg Tablet কি নিরাপদ?
A: বয়স্ক রোগীরা Peptid 40 mg Tablet ব্যবহার করতে পারেন, তবে তাদের বিভ্রান্তি, অস্থিরতা বা হ্যালুসিনেশনের মতো স্নায়ুতন্ত্রীয় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি, বিশেষত কিডনি কার্যকারিতা কমে থাকলে। এই গোষ্ঠীতে চিকিৎসকের মাধ্যমে মাত্রা সমন্বয় ও পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হয়।
Q: কিডনি সমস্যায় কি Peptid 40 mg Tablet-এর মাত্রা পরিবর্তন করতে হয়?
A: হ্যাঁ। যেহেতু Peptid 40 mg Tablet মূলত কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়, কিডনি কার্যকারিতা কম থাকা রোগীদের (ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ৬০ মি.লি./মিনিটের কম) কম মাত্রা বা মাত্রার মধ্যে বেশি ব্যবধান প্রয়োজন, যাতে ঔষধ জমে না যায় এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি, বিশেষত বিভ্রান্তির মতো স্নায়ুতন্ত্রীয় প্রভাব, না বাড়ে।
Q: Peptid 40 mg Tablet-এর মাত্রা মিস হলে বা বেশি খেয়ে ফেললে কী করব?
A: মাত্রা মিস হলে মনে পড়ার সাথে সাথে তা গ্রহণ করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে মিসড মাত্রা বাদ দিন - একসাথে দুই মাত্রা নেবেন না। মাত্রাধিক্যের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসা সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন, কারণ মাত্রাধিক্যে বিভ্রান্তি, ঘুম ঘুম ভাব ও নিম্ন রক্তচাপ হতে পারে যার জন্য চিকিৎসা মূল্যায়ন প্রয়োজন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।