Product gallery

Profenid-E100 mg


MRP ৯.০২% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৮.৩০/piece
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Profenid-E একটি নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID), যা প্রোপিওনিক অ্যাসিড গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এটি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস-এর উপসর্গ উপশমে।
  • অস্টিওআর্থ্রাইটিস-এর উপসর্গ উপশমে।
  • হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার ব্যথা ব্যবস্থাপনায় (মাসকুলোস্কেলেটাল ব্যথা, দাঁতের ব্যথা, অস্ত্রোপচার-পরবর্তী ব্যথা)।
  • প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়া (মাসিকের সময় ব্যথা)।

নির্দেশিকা-সমর্থিত ব্যবহার

  • টেন্ডিনাইটিস, বারসাইটিস, মচকে যাওয়ার মতো নরম টিস্যুর প্রদাহজনিত সমস্যায়।
  • স্বল্পমেয়াদী উপসর্গ উপশমে জ্বর ও মাথাব্যথায়।

Profenid-E শুধুমাত্র উপসর্গের উপশমের জন্য ব্যবহৃত হয়; এটি বাত রোগের মূল কারণ নিরাময় করে না।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Profenid-E নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID) শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, নির্দিষ্টভাবে প্রোপিওনিক অ্যাসিড ডেরিভেটিভ উপশ্রেণির ওষুধ।

ফার্মাকোলজি

Ketoprofen সাইক্লো-অক্সিজেনেজ (COX-1 এবং COX-2) এনজাইমকে অ-নির্বাচনীভাবে বাধা দিয়ে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনের সংশ্লেষণ কমায়, যা ব্যথা, প্রদাহ ও জ্বরের জন্য দায়ী। এটি লাইপোক্সিজেনেজ ও ব্র্যাডিকাইনিনের কার্যক্রমেও কিছুটা বাধা দেয়।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স: মুখে সেবনের পর Ketoprofen দ্রুত ও প্রায় সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়, সর্বোচ্চ রক্তমাত্রা পৌঁছাতে ০.৫-২ ঘণ্টা সময় লাগে। এটি প্রায় ৯৯% প্লাজমা প্রোটিনের সাথে আবদ্ধ থাকে এবং এর অর্ধায়ু প্রায় ১.১-৪ ঘণ্টা। এটি যকৃতে বিপাকিত হয়ে মূলত প্রস্রাবের মাধ্যমে নির্গত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ও অস্টিওআর্থ্রাইটিস (প্রাপ্তবয়স্ক)

শুরুতে দৈনিক ৭৫ মি.গ্রা. দিনে ৩ বার অথবা ৫০ মি.গ্রা. দিনে ৪ বার; মোট দৈনিক মাত্রা ১০০-৩০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত, সর্বোচ্চ ৩০০ মি.গ্রা./দিন।

ব্যথা ও প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়া (প্রাপ্তবয়স্ক)

প্রতি ৬-৮ ঘণ্টায় ২৫-৫০ মি.গ্রা. প্রয়োজন অনুযায়ী; একক মাত্রা সর্বোচ্চ ৭৫ মি.গ্রা., দৈনিক সর্বোচ্চ ৩০০ মি.গ্রা.।

বয়স্ক (৭৫ বছরের বেশি), কিডনি বা লিভার সমস্যাযুক্ত রোগী

কম মাত্রায় শুরু করা উচিত। বিস্তারিত জানতে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার অংশ দেখুন।

সেবনবিধি

পাকস্থলীর জ্বালাপোড়া কমাতে Profenid-E খাবার, দুধ বা অ্যান্টাসিডের সাথে সেবন করুন। এক্সটেন্ডেড-রিলিজ ক্যাপসুল পুরো গিলে ফেলুন, চিবানো বা ভাঙা যাবে না। সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় সর্বনিম্ন সময়ের জন্য ব্যবহার করুন।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

  • অ্যাসপিরিন ও অন্যান্য NSAID: Profenid-E-এর সাথে একত্রে ব্যবহারে পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণ ও আলসারের ঝুঁকি বাড়ে; সাধারণত এড়িয়ে চলা উচিত।
  • অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট (যেমন ওয়ারফারিন) ও অ্যান্টিপ্লেটলেট ওষুধ: Profenid-E-এর সাথে একত্রে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ে; একসাথে প্রয়োজন হলে নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • কর্টিকোস্টেরয়েড: Profenid-E-এর সাথে একত্রে পাকস্থলীর আলসার ও রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • SSRI/SNRI: Profenid-E-এর সাথে একত্রে প্লেটলেটের কার্যক্ষমতার উপর সংযুক্ত প্রভাবের কারণে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • ACE ইনহিবিটর/ARB/মূত্রবর্ধক: Profenid-E এদের কার্যকারিতা কমাতে পারে এবং কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে, বিশেষত পানিশূন্য রোগীদের ক্ষেত্রে।
  • লিথিয়াম: Profenid-E রক্তে লিথিয়ামের মাত্রা বিষাক্ত পর্যায়ে বাড়িয়ে দিতে পারে; একত্রে ব্যবহারে লিথিয়াম মাত্রা নিরীক্ষণ প্রয়োজন।
  • মেথোট্রেক্সেট: Profenid-E মেথোট্রেক্সেটের নির্গমন কমিয়ে এর বিষাক্ততা বাড়াতে পারে।
  • প্রোবেনিসিড: রক্তে Profenid-E-এর মাত্রা বাড়িয়ে দেয়; একত্রে ব্যবহার সাধারণত সুপারিশ করা হয় না।

প্রতিনির্দেশনা

  • Ketoprofen বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা থাকলে।
  • অ্যাসপিরিন বা অন্যান্য NSAID সেবনের পর হাঁপানি, আমবাত বা অন্য কোনো অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার ইতিহাস থাকলে।
  • করোনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফট (CABG) অস্ত্রোপচারের পরিপ্রেক্ষিতে, অস্ত্রোপচার-পরবর্তী ব্যথা ব্যবস্থাপনাসহ।
  • সক্রিয় পেপটিক আলসার রোগ বা সক্রিয় গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তক্ষরণ থাকলে।
  • গুরুতর লিভার সমস্যা থাকলে।
  • গুরুতর কিডনি সমস্যা থাকলে।
  • গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে (প্রায় ৩০ সপ্তাহ থেকে)।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (১%-এর বেশি রোগীর ক্ষেত্রে দেখা যায়):

  • বদহজম, বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস
  • মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, ঝিমুনি
  • র‍্যাশ, কানে শব্দ শোনা (টিনিটাস), দৃষ্টি সমস্যা, শরীরে পানি জমা/ফোলাভাব

কম সাধারণ কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়া (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে ব্যাখ্যা করা হয়েছে) হলো গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল আলসার/রক্তক্ষরণ/ছিদ্র, হৃদরোগজনিত থ্রম্বোটিক ঘটনা (হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক), কিডনির ক্ষতি, লিভারের ক্ষতি, গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া (স্টিভেনস-জনসন সিন্ড্রোম, টক্সিক এপিডার্মাল নেক্রোলাইসিস), DRESS সিন্ড্রোম, অ্যানাফাইল্যাক্টয়েড প্রতিক্রিয়া এবং রক্তের সমস্যা। Profenid-E সেবনকালে কোনো গুরুতর বা অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে (প্রায় ৩০ সপ্তাহ থেকে) Profenid-E সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ, কারণ এটি শিশুর হৃদপিণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালী অকালে বন্ধ করে দিতে পারে। ২০-৩০ সপ্তাহের মধ্যে যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত; প্রয়োজন হলে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় সর্বনিম্ন সময়ের জন্য ব্যবহার করতে হবে। গর্ভাবস্থার শুরুর দিকে শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা যেতে পারে।

স্তন্যদান: স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে Profenid-E ব্যবহার সুপারিশ করা হয় না, কারণ এটি বুকের দুধে প্রবেশ করতে পারে এবং এ বিষয়ে তথ্য সীমিত। ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

হৃদরোগ ঝুঁকি

Profenid-E, অন্যান্য NSAID-এর মতো, হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকসহ গুরুতর হৃদরোগজনিত থ্রম্বোটিক ঘটনার ঝুঁকি বাড়াতে পারে, যা প্রাণঘাতী হতে পারে। এই ঝুঁকি চিকিৎসার শুরুতেই দেখা দিতে পারে এবং ব্যবহারের সময়কালের সাথে বাড়তে পারে। CABG অস্ত্রোপচারের পরিপ্রেক্ষিতে Profenid-E সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।

গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ঝুঁকি

Profenid-E পাকস্থলী বা অন্ত্রে রক্তক্ষরণ, আলসার এবং ছিদ্রের মতো গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে, যা যেকোনো সময় পূর্ব-সতর্কতা ছাড়াই দেখা দিতে পারে এবং প্রাণঘাতী হতে পারে। বয়স্ক রোগী এবং পূর্বে পেপটিক আলসার বা রক্তক্ষরণের ইতিহাস থাকা রোগীদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

কিডনির উপর প্রভাব

দীর্ঘমেয়াদী Profenid-E ব্যবহারে রেনাল প্যাপিলারি নেক্রোসিসসহ কিডনির ক্ষতি হতে পারে। পূর্ব থেকে কিডনি সমস্যা, হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা, লিভার সমস্যা বা পানিশূন্যতাযুক্ত রোগী এবং বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।

লিভারের উপর প্রভাব

লিভার এনজাইমের সামান্য বৃদ্ধি হতে পারে; লিভারের কার্যক্ষমতা ব্যাহত হওয়ার লক্ষণ দেখা দিলে Profenid-E বন্ধ করুন।

গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া

Profenid-E স্টিভেনস-জনসন সিন্ড্রোম, টক্সিক এপিডার্মাল নেক্রোলাইসিস এবং DRESS সিন্ড্রোমের মতো গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে, যা প্রাণঘাতী হতে পারে। ত্বকে র‍্যাশ বা অতি সংবেদনশীলতার লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে বন্ধ করুন।

অ্যানাফাইল্যাক্টয়েড/অতি সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া

পূর্ব সংস্পর্শ ছাড়াই Profenid-E অ্যানাফাইল্যাক্টয়েড প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে; অ্যাসপিরিন-সংবেদনশীল হাঁপানি রোগীদের গুরুতর ব্রঙ্কোস্পাজমের ঝুঁকি বেশি।

রক্তের উপর প্রভাব

Profenid-E রক্তস্বল্পতা সৃষ্টি করতে পারে এবং প্লেটলেট একত্রীকরণে বাধা দেয়, যা রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়; অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট সেবনকারী রোগীদের নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন।

সংক্রমণের লক্ষণ আড়াল হওয়া

Profenid-E-এর জ্বর ও প্রদাহ কমানোর প্রভাব অন্তর্নিহিত সংক্রমণের লক্ষণ আড়াল করতে পারে।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বয়স্ক রোগীদের Profenid-E-এর কারণে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল, কিডনি ও হৃদরোগজনিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি; সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা ব্যবহার করুন এবং নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন।

মাত্রাধিক্যতা

Profenid-E অতিরিক্ত সেবনের ফলে ঝিমুনি, বমি বমি ভাব, বমি এবং পেটের উপরিভাগে ব্যথা দেখা দিতে পারে; গুরুতর ক্ষেত্রে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তক্ষরণ, উচ্চ রক্তচাপ, তীব্র কিডনি বিকল, শ্বাসকষ্ট, কোমা এবং কদাচিৎ খিঁচুনি হতে পারে।

মাত্রাধিক্যতা সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন অথবা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা মূলত উপসর্গভিত্তিক ও সহায়ক; এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। বাড়িতে নিজে থেকে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°C-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

১৮ বছরের কম বয়সী রোগীদের ক্ষেত্রে Profenid-E-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি; শিশুদের ক্ষেত্রে এর ব্যবহার সাধারণত সুপারিশ করা হয় না।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী রোগীদের কিডনি ও লিভারের মাধ্যমে Profenid-E নির্গমন কমে যায় এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তক্ষরণ ও হৃদরোগজনিত ঘটনার ঝুঁকি বেশি থাকে। বিশেষত ৭৫ বছরের বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে কম মাত্রায় শুরু করে নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগী

হালকা কিডনি সমস্যায় Profenid-E-এর দৈনিক মাত্রা সর্বোচ্চ ১৫০ মি.গ্রা. সীমাবদ্ধ রাখুন। মাঝারি থেকে গুরুতর সমস্যায় সর্বোচ্চ ১০০ মি.গ্রা./দিন। গুরুতর কিডনি রোগে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

লিভার সমস্যাযুক্ত রোগী

রক্তে অ্যালবুমিনের মাত্রা কম (৩.৫ গ্রাম/ডেসিলিটারের নিচে) থাকা লিভার রোগীদের ক্ষেত্রে Profenid-E-এর প্রাথমিক দৈনিক মাত্রা সর্বোচ্চ ১০০ মি.গ্রা. সীমাবদ্ধ রাখুন এবং নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Profenid-E 100 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Profenid-E 100 mg Tablet রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, অস্টিওআর্থ্রাইটিস, মাসকুলোস্কেলেটাল ব্যথা এবং প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়া (মাসিকের ব্যথা) উপশমে ব্যবহৃত হয়।

Q: আমি কি Profenid-E 100 mg Tablet-এর সাথে অ্যাসপিরিন বা অন্য ব্যথানাশক নিতে পারি?

A: না। Profenid-E 100 mg Tablet-এর সাথে অ্যাসপিরিন বা অন্য NSAID একত্রে সেবনে পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণ ও আলসারের ঝুঁকি বাড়ে, তাই এটি সাধারণত সুপারিশ করা হয় না। আপনি যেসব ওষুধ সেবন করছেন তা সবসময় চিকিৎসককে জানান।

Q: গর্ভাবস্থায় Profenid-E 100 mg Tablet সেবন করা কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে (প্রায় ৩০ সপ্তাহ থেকে) Profenid-E 100 mg Tablet সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ, কারণ এটি শিশুর হৃদপিণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালী অকালে বন্ধ করে দিতে পারে। ২০-৩০ সপ্তাহের মধ্যেও স্পষ্ট প্রয়োজন না হলে এড়িয়ে চলা উচিত, এবং গর্ভাবস্থার শুরুর দিকে শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে, উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত।

Q: কোন গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর জন্য সতর্ক থাকা উচিত?

A: Profenid-E 100 mg Tablet সেবনকালে বুকে ব্যথা, হঠাৎ দুর্বলতা বা কথা জড়িয়ে যাওয়া (হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের লক্ষণ), কালো বা রক্তমিশ্রিত মল, তীব্র পেটে ব্যথা, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ বা ক্ষত, ত্বক বা চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, অথবা গুরুতর ত্বকের র‍্যাশ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: বয়স্ক রোগীরা কি Profenid-E 100 mg Tablet সেবন করতে পারেন?

A: হ্যাঁ, তবে সতর্কতার সাথে। বয়স্ক রোগীদের Profenid-E 100 mg Tablet-এর কারণে পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণ, কিডনি সমস্যা ও হৃদরোগজনিত ঘটনার ঝুঁকি বেশি, তাই কম মাত্রায় শুরু করে চিকিৎসকের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা প্রয়োজন।

Q: Profenid-E 100 mg Tablet-এর মাত্রা মিস হলে বা বেশি সেবন করে ফেললে কী করব?

A: কোনো মাত্রা মিস হলে মনে পড়ার সাথে সাথে সেবন করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে মিস হওয়া মাত্রা বাদ দিন এবং দ্বিগুণ মাত্রা সেবন করবেন না। Profenid-E 100 mg Tablet অতিরিক্ত সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor