Product gallery
MRP ২০.১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১৮.৪৯/10's Strip
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Protebon নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • খাদ্যে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় সম্পূরক হিসেবে Protebon ব্যবহার করা হয়।
  • বুক জ্বালাপোড়া, অ্যাসিডিটি ও পেটের অস্বস্তি উপশমে অ্যান্টাসিড হিসেবে Protebon ব্যবহৃত হয়।

নির্দেশিকা-সমর্থিত ব্যবহার

  • পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি এর সাথে অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনায় সহায়ক থেরাপি হিসেবে Protebon ব্যবহার করা হয়।
  • দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে হাইপারফসফেটেমিয়া নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ফসফেট বাইন্ডার হিসেবে Protebon ব্যবহৃত হয়।

Protebon কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয় এবং সংক্রমণ চিকিৎসায় এর কোনো ভূমিকা নেই।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Protebon অ্যান্টাসিড এবং ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট (মিনারেল) শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত একটি ওষুধ। নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে Protebon ফসফেট বাইন্ডার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

Calcium Carbonate শরীরে মৌলিক ক্যালসিয়াম সরবরাহ করে, যা হাড় গঠন, স্নায়ু-পেশির কার্যক্রম, হৃদস্পন্দন পরিবহন এবং রক্ত জমাটবদ্ধকরণের জন্য অপরিহার্য। পাকস্থলীর অ্যাসিডের সাথে বিক্রিয়া করে Calcium Carbonate দ্রবণীয় ক্যালসিয়াম ক্লোরাইডে পরিণত হয়, যা ক্ষুদ্রান্ত্রে শোষিত হয়; ভিটামিন ডি এই শোষণ প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে।

অ্যান্টাসিড মাত্রায়, Calcium Carbonate সরাসরি পাকস্থলীর অ্যাসিড প্রশমিত করে দ্রুত উপসর্গ উপশম করে। ফসফেট বাইন্ডার হিসেবে, Calcium Carbonate খাদ্যের ফসফেটের সাথে যুক্ত হয়ে অদ্রবণীয় ক্যালসিয়াম ফসফেট তৈরি করে, যা মলের মাধ্যমে নির্গত হয়ে রক্তে ফসফেটের মাত্রা কমায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

ক্যালসিয়াম ঘাটতি/সম্পূরক হিসেবে

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দৈনিক ৫০০-১০০০ মিলিগ্রাম মৌলিক ক্যালসিয়াম (Protebon হিসেবে), বিভক্ত মাত্রায়, খাবারের সাথে গ্রহণ করা উচিত।

অ্যান্টাসিড হিসেবে (বুক জ্বালাপোড়া/অ্যাসিডিটি)

উপসর্গ দেখা দিলে ১-২টি চিবানো ট্যাবলেট Protebon গ্রহণ করুন; পণ্যের লেবেলে উল্লেখিত সর্বোচ্চ দৈনিক মাত্রা অতিক্রম করবেন না।

অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধ/ব্যবস্থাপনায় (সহায়ক)

চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী, পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি এর সাথে দৈনিক ১০০০-১২০০ মিলিগ্রাম মৌলিক ক্যালসিয়াম (Protebon) গ্রহণ করা যেতে পারে।

হাইপারফসফেটেমিয়া (কিডনি রোগে, বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে)

রক্তের ফসফেট মাত্রার উপর ভিত্তি করে Protebon এর মাত্রা পৃথকভাবে নির্ধারণ করা হয়, নেফ্রোলজি বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে।

Protebon চিবানো ট্যাবলেট ভালোভাবে চিবিয়ে খেতে হবে; সাধারণ ট্যাবলেট পূর্ণ গ্লাস পানির সাথে গিলে খেতে হবে। ভালো শোষণের জন্য Protebon খাবারের সাথে গ্রহণ করা উচিত।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Protebon কিছু ওষুধের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে। উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়াগুলো হলো:

  • টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক: Protebon এই অ্যান্টিবায়োটিকগুলোর শোষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়; কমপক্ষে ২-৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সেবন করুন।
  • বিসফসফোনেট (যেমন অ্যালেনড্রোনেট): Protebon এর সাথে একসাথে নিলে বিসফসফোনেটের শোষণ যথেষ্ট কমে যায়; বিসফসফোনেট গ্রহণের অন্তত ৩০-৬০ মিনিট পর Protebon গ্রহণ করুন।
  • লেভোথাইরক্সিন: Protebon লেভোথাইরক্সিনের শোষণ কমিয়ে দেয়; কমপক্ষে ৪ ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন।
  • থায়াজাইড মূত্রবর্ধক: Protebon এর সাথে একসাথে ব্যবহারে হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ে; দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে রক্তের ক্যালসিয়াম মাত্রা পর্যবেক্ষণ করুন।
  • ডিগক্সিন: অতিরিক্ত Protebon ব্যবহারে হাইপারক্যালসেমিয়া হলে ডিগক্সিনের বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

Calcium Carbonate নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়:

  • Calcium Carbonate বা এর কোনো উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা।
  • হাইপারক্যালসেমিয়া (রক্তে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম)।
  • হাইপারভিটামিনোসিস ডি।
  • মারাত্মক কিডনি বিকল অবস্থা (নেফ্রোলজি বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধান ছাড়া)।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Protebon এর সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • কোষ্ঠকাঠিন্য
  • গ্যাস/পেট ফাঁপা ও ঢেকুর
  • পেটে অস্বস্তি বা হালকা বমি বমি ভাব

Protebon এর অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদী উচ্চ মাত্রায় ব্যবহারে হাইপারক্যালসেমিয়া (ক্লান্তি, বিভ্রান্তি, পেশি দুর্বলতা, অতিরিক্ত তৃষ্ণা/প্রস্রাব), মিল্ক-অ্যালকালি সিনড্রোম, এবং কিডনিতে পাথর হতে পারে। গুরুতর বা দীর্ঘস্থায়ী উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

প্রস্তাবিত মাত্রায় Protebon সম্পূরক গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে সাধারণত ব্যবহৃত হয় এবং মায়ের হাড়ের স্বাস্থ্য ও ভ্রূণ/শিশুর বিকাশে উপকারী বলে বিবেচিত হয়, যখন খাদ্য থেকে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম পাওয়া যায় না। তবে Protebon শুধুমাত্র নির্দেশিত মাত্রায় গ্রহণ করা উচিত এবং মোট ক্যালসিয়াম গ্রহণ (খাদ্য ও সম্পূরক মিলিয়ে) সুপারিশকৃত সীমার বেশি হওয়া উচিত নয়। গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের Protebon সম্পূরক শুরু বা পরিবর্তনের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

Protebon এর সর্বোত্তম শোষণের জন্য খাবারের সাথে গ্রহণ করা উচিত, কারণ এর জন্য পাকস্থলীর অ্যাসিড প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদী উচ্চ মাত্রায় Protebon ব্যবহার, বিশেষত ভিটামিন ডি বা থায়াজাইড মূত্রবর্ধকের সাথে, অথবা কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে, হাইপারক্যালসেমিয়া বা মিল্ক-অ্যালকালি সিনড্রোমের ঝুঁকি বাড়াতে পারে (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)। কিডনিতে পাথরের ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানেই Protebon ব্যবহার করা উচিত। Protebon অন্যান্য কিছু ওষুধের শোষণে বাধা দিতে পারে (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া); তাই মাত্রার মধ্যে সময়ের ব্যবধান রাখা প্রয়োজন। Protebon কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয়।

মাত্রাধিক্যতা

Protebon এর অতিরিক্ত মাত্রা গ্রহণে হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে, যার উপসর্গ হলো বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, বিভ্রান্তি, পেশি দুর্বলতা, অতিরিক্ত তৃষ্ণা ও ঘন ঘন প্রস্রাব, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে হৃদস্পন্দনের সমস্যা ও কিডনির ক্ষতি। Protebon এর অতিরিক্ত মাত্রা সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসকের সাহায্য নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

সংরক্ষণ

Protebon ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

খাদ্যে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে বয়স ও ওজন অনুযায়ী পৃথক মাত্রায় শিশুদের ক্ষেত্রে Protebon ব্যবহার করা যেতে পারে; ব্যবহারের আগে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বয়স্ক রোগীদের পাকস্থলীর অ্যাসিড উৎপাদন কম হতে পারে, যা Protebon এর শোষণ হ্রাস করতে পারে; খাবারের সাথে গ্রহণ করলে এটি কার্যকর থাকে। বয়স্ক রোগীরা হাইপারক্যালসেমিয়া ও কিডনি সমস্যার ঝুঁকিতে বেশি থাকেন, তাই দীর্ঘমেয়াদী Protebon ব্যবহারে পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগী

মারাত্মক কিডনি বিকল অবস্থায় সাধারণ সম্পূরক হিসেবে Protebon ব্যবহার নিষিদ্ধ (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)। দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে ফসফেট বাইন্ডার হিসেবে Protebon শুধুমাত্র নেফ্রোলজি বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা যেতে পারে।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Protebon 500 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Protebon 500 mg Tablet ক্যালসিয়ামের ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায়, অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধ/ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হিসেবে এবং বুক জ্বালাপোড়া, অ্যাসিডিটি ও পেটের অস্বস্তি দ্রুত উপশমে অ্যান্টাসিড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Q: ভালো শোষণের জন্য Protebon 500 mg Tablet কীভাবে খাওয়া উচিত?

A: Protebon 500 mg Tablet খাবারের সাথে গ্রহণ করা উচিত, কারণ এর শোষণের জন্য পাকস্থলীর অ্যাসিড প্রয়োজন। দৈনিক ৫০০ মিলিগ্রামের বেশি মৌলিক ক্যালসিয়াম প্রয়োজন হলে, একবারে না নিয়ে সারাদিনে বিভক্ত মাত্রায় Protebon 500 mg Tablet গ্রহণ করুন।

Q: Protebon 500 mg Tablet কি অন্য ওষুধের সাথে খাওয়া যাবে?

A: Protebon 500 mg Tablet টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক, বিসফসফোনেট এবং লেভোথাইরক্সিনের মতো কিছু ওষুধের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে। এসব ওষুধ Protebon 500 mg Tablet থেকে অন্তত ২-৪ ঘণ্টার ব্যবধানে গ্রহণ করুন, অথবা চিকিৎসক/ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

Q: গর্ভাবস্থায় Protebon 500 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: প্রস্তাবিত মাত্রায় Protebon 500 mg Tablet গর্ভাবস্থায় সাধারণত ব্যবহৃত হয় এবং মা ও ভ্রূণের হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী বলে বিবেচিত হয়, তবে শুধুমাত্র নির্দেশিত মাত্রায় গ্রহণ করা উচিত এবং শুরুর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Q: Protebon 500 mg Tablet বেশি খেয়ে ফেললে কী হতে পারে?

A: অতিরিক্ত Protebon 500 mg Tablet গ্রহণে হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে, যার লক্ষণ হলো বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, বিভ্রান্তি ও পেশি দুর্বলতা, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে হৃদপিণ্ড ও কিডনির ক্ষতি হতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসকের সাহায্য নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

Q: কাদের Protebon 500 mg Tablet ব্যবহার করা উচিত নয়?

A: যাদের হাইপারক্যালসেমিয়া, হাইপারভিটামিনোসিস ডি, মারাত্মক কিডনি সমস্যা রয়েছে অথবা Protebon 500 mg Tablet এর প্রতি অতি সংবেদনশীলতা আছে, তাদের এটি ব্যবহার করা উচিত নয়। কিডনিতে পাথরের ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে Protebon 500 mg Tablet ব্যবহার করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor