Product gallery
MRP ৳ ৯.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৮.১০/piece
১
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

প্রতিষ্ঠিত / এফডিএ-অনুমোদিত ব্যবহার

  • গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD) এবং এর সাথে সম্পর্কিত ইরোসিভ ইসোফ্যাগাইটিস-এর স্বল্পমেয়াদী চিকিৎসা, এবং সেরে ওঠা ইসোফ্যাগাইটিস বজায় রাখা।
  • প্যাথলজিক্যাল হাইপারসিক্রেটরি অবস্থা, যেমন জোলিঞ্জার-এলিসন সিনড্রোম।

গাইডলাইন-সমর্থিত ব্যবহার

  • পেপটিক আলসার ডিজিজ (গ্যাস্ট্রিক ও ডিওডেনাল আলসার)।
  • যেসব রোগীর দীর্ঘমেয়াদী NSAID প্রয়োজন, তাদের ক্ষেত্রে NSAID-জনিত গ্যাস্ট্রিক ও ডিওডেনাল আলসার প্রতিরোধ ও নিরাময়।

সহায়ক / কম্বিনেশন থেরাপি হিসেবে ব্যবহার

  • Helicobacter pylori নির্মূলে অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে মিলিয়ে (মনোথেরাপি হিসেবে নয়) মাল্টি-ড্রাগ রেজিমেনের অংশ হিসেবে।

Protium একটি প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (PPI), যা উপরের অবস্থাগুলোতে পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড উৎপাদন কমাতে ব্যবহৃত হয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (PPI) - অ্যান্টি-আলসারেন্ট / গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড-হ্রাসকারী ওষুধ। Protium এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

ফার্মাকোলজি

কার্যপ্রণালী

Pantoprazole একটি প্রোড্রাগ, যা গ্যাস্ট্রিক প্যারাইটাল কোষের অ্যাসিডিক পরিবেশে সক্রিয় হয়। সক্রিয় হওয়ার পর এটি H+/K+-ATPase (প্রোটন পাম্প) এনজাইমের সাথে অপরিবর্তনীয়ভাবে যুক্ত হয়ে গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড নিঃসরণের শেষ ধাপ বন্ধ করে দেয়, উদ্দীপক (হিস্টামিন, অ্যাসিটাইলকোলিন বা গ্যাস্ট্রিন) যাই হোক না কেন। বন্ধন অপরিবর্তনীয় হওয়ায়, নতুন প্রোটন পাম্প তৈরি না হওয়া পর্যন্ত (সাধারণত ২৪-৪৮ ঘণ্টা) অ্যাসিড দমন অব্যাহত থাকে।

ফার্মাকোকিনেটিক্স

  • শোষণ: মুখে সেবনের পর ভালোভাবে শোষিত হয়; সর্বোচ্চ প্লাজমা ঘনত্ব প্রায় ২-২.৫ ঘণ্টায় পৌঁছায়।
  • বিপাক: মূলত লিভারে CYP2C19 এনজাইমের মাধ্যমে বিপাকিত হয়, সামান্য অংশ CYP3A4-এর মাধ্যমে।
  • অর্ধ-জীবন: প্রায় ১ ঘণ্টা, তবে অপরিবর্তনীয় এনজাইম বন্ধনের কারণে অ্যাসিড দমনের প্রভাব অনেক বেশি সময় থাকে।
  • নির্গমন: প্রধানত কিডনির মাধ্যমে (প্রায় ৮০%), বাকি অংশ মলের মাধ্যমে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

নির্দেশনাসাধারণ মাত্রা
ইরোসিভ ইসোফ্যাগাইটিস (তীব্র চিকিৎসা)দিনে একবার ৪০ মি.গ্রা., সর্বোচ্চ ৮ সপ্তাহ পর্যন্ত
ইসোফ্যাগাইটিস সেরে ওঠার পর রক্ষণাবেক্ষণদিনে একবার ৪০ মি.গ্রা.
GERD (উপসর্গভিত্তিক)দিনে একবার ৪০ মি.গ্রা., ৪-৮ সপ্তাহ
বেনাইন গ্যাস্ট্রিক/ডিওডেনাল আলসারদিনে একবার ৪০ মি.গ্রা., সাধারণত ৪-৮ সপ্তাহ
H. pylori নির্মূল (কম্বিনেশন থেরাপি)দিনে দুইবার ৪০ মি.গ্রা., উপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে ৭-১৪ দিন
NSAID-জনিত আলসার প্রতিরোধদিনে একবার ২০-৪০ মি.গ্রা., NSAID চলাকালীন
জোলিঞ্জার-এলিসন সিনড্রোম / হাইপারসিক্রেটরি অবস্থাপ্রাথমিকভাবে দিনে দুইবার ৪০ মি.গ্রা.; পরে রোগীভেদে সমন্বয়, প্রয়োজনে দৈনিক ২৪০ মি.গ্রা. পর্যন্ত
শিরায় (মুখে সেবন সম্ভব না হলে)দিনে একবার ৪০ মি.গ্রা. IV, অথবা হাইপারসিক্রেটরি অবস্থায় প্রতি ৮-১২ ঘণ্টায় ৮০ মি.গ্রা. IV

সেবনবিধি

  • ডিলেড-রিলিজ ট্যাবলেট পুরোটা পানির সাথে গিলে ফেলতে হবে; ভাঙা, চূর্ণ করা বা চিবানো যাবে না, কারণ এতে এন্টেরিক কোটিং নষ্ট হয়ে যায় যা Protium-কে পাকস্থলীর অ্যাসিড থেকে রক্ষা করে।
  • খাবারের সাথে বা ছাড়া সেবন করা যায়, প্রতিদিন একই সময়ে নেওয়া ভালো।
  • শিরায় প্রয়োগের ফর্মটি স্বল্পমেয়াদী ব্যবহারের জন্য এবং একজন স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবী দ্বারা প্রয়োগ করা উচিত।

কিডনি/লিভার সমন্বয়

কিডনি সমস্যায় সাধারণত মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না। গুরুতর লিভার সমস্যায় কম মাত্রা (যেমন দিনে ২০ মি.গ্রা.) এবং লিভার এনজাইম পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হয়, কারণ Protium মূলত লিভারে বিপাকিত হয়।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

  • রিলপিভাইরিন-সংবলিত এইচআইভি ওষুধ: Protium পাকস্থলীর অম্লতা কমিয়ে রিলপিভাইরিনের শোষণ ও কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়; একসাথে ব্যবহার প্রতিনির্দেশিত।
  • আটাজানাভির, নেলফিনাভির: পাকস্থলীর অম্লতা কমার কারণে শোষণ কমে যায়, ফলে অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল কার্যকারিতা হ্রাস পেতে পারে; একসাথে ব্যবহার সাধারণত সুপারিশ করা হয় না।
  • ওয়ারফারিন: INR ও রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে; Protium শুরু বা বন্ধ করার সময় INR নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
  • মেথোট্রেক্সেট (উচ্চ মাত্রা): সিরাম মেথোট্রেক্সেটের মাত্রা বাড়িয়ে ও দীর্ঘায়িত করে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে; উচ্চ-মাত্রার মেথোট্রেক্সেট চিকিৎসার সময় সাময়িকভাবে Protium বন্ধ রাখার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে।
  • মাইকোফেনোলেট মোফেটিল: ট্রান্সপ্ল্যান্ট রোগীদের সক্রিয় মেটাবোলাইটের এক্সপোজার কমাতে পারে।
  • যেসব ওষুধের শোষণে গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড প্রয়োজন (যেমন কিটোকোনাজল, আয়রন সল্ট): Protium-এর অ্যাসিড-দমনকারী প্রভাবে এদের শোষণ কমে যেতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

  • Pantoprazole, অন্যান্য বেনজিমিডাজল ডেরিভেটিভ, অথবা ফর্মুলেশনের যেকোনো উপাদানের প্রতি জ্ঞাত অতিসংবেদনশীলতা থাকলে।
  • রিলপিভাইরিন-সংবলিত অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ওষুধের সাথে একযোগে ব্যবহার (রিলপিভাইরিনের কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার ঝুঁকির কারণে)।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Protium সেবনে নিম্নলিখিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

সাধারণ

  • মাথাব্যথা
  • ডায়রিয়া
  • বমি বমি ভাব
  • পেটে ব্যথা
  • পেট ফাঁপা
  • মাথা ঘোরা

কম সাধারণ / বিরল কিন্তু উল্লেখযোগ্য

  • র‍্যাশ, চুলকানি
  • অনিদ্রা
  • রক্তে শর্করা বৃদ্ধি
  • লিভার এনজাইম বৃদ্ধি
  • দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে ম্যাগনেসিয়াম ঘাটতি, ভিটামিন B12 ঘাটতি, হাড় ভাঙার ঝুঁকি এবং Clostridioides difficile-জনিত ডায়রিয়া (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন)

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: বিদ্যমান তথ্যে Protium ব্যবহারের সাথে জন্মগত ত্রুটি বা গর্ভপাতের স্পষ্ট সম্পর্ক পাওয়া যায়নি, তবে প্রাণী গবেষণায় উচ্চ মাত্রায় সন্তানের হাড়ে পরিবর্তন দেখা গেছে। স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই কেবল গর্ভাবস্থায় Protium ব্যবহার করা উচিত; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তন্যদান: Protium অল্প পরিমাণে বুকের দুধে যায়। বিদ্যমান তথ্যে স্তন্যপান করা শিশুর ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে সতর্কতা প্রয়োজন; সুবিধা ও ঝুঁকি বিবেচনার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

হাড় ভাঙার ঝুঁকি

দীর্ঘমেয়াদী (বিশেষত এক বছর বা তার বেশি উচ্চ মাত্রায়) Protium ও অন্যান্য PPI ব্যবহারে হিপ, কব্জি ও মেরুদণ্ডের অস্টিওপোরোসিস-জনিত ফ্র্যাকচারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।

ম্যাগনেসিয়াম ঘাটতি

দীর্ঘমেয়াদী (তিন মাস বা তার বেশি) Protium ব্যবহারে সিরাম ম্যাগনেসিয়াম কমে যেতে পারে, যা টিটানি, অ্যারিদমিয়া বা খিঁচুনি সৃষ্টি করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায়, বিশেষত ডাইইউরেটিকের সাথে একযোগে ব্যবহারে, ম্যাগনেসিয়াম মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে।

ভিটামিন B12 ঘাটতি

৩ বছরের বেশি সময় ধরে প্রতিদিন Protium ব্যবহারে অ্যাসিডিটি কমে যাওয়ার কারণে ভিটামিন B12 শোষণ কমে যেতে পারে, যা ঘাটতি সৃষ্টি করতে পারে।

Clostridioides difficile-জনিত ডায়রিয়া

অন্যান্য PPI-এর মতো Protium থেরাপি C. difficile-জনিত ডায়রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে, বিশেষত হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের ক্ষেত্রে। ক্রমাগত ডায়রিয়া হলে এই সম্ভাবনা বিবেচনা করা উচিত।

গ্যাস্ট্রিক ম্যালিগন্যান্সি আড়াল হওয়া

Protium-এর মাধ্যমে উপসর্গ কমে যাওয়া গ্যাস্ট্রিক ম্যালিগন্যান্সির উপস্থিতি বাদ দেয় না। ওজন কমে যাওয়া, বারবার বমি, গিলতে কষ্ট বা রক্ত বমির মতো উপসর্গ থাকলে অথবা চিকিৎসায় সাড়া না মিললে অতিরিক্ত পরীক্ষা বিবেচনা করা উচিত।

রিবাউন্ড অ্যাসিড হাইপারসিক্রেশন

দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের পর Protium হঠাৎ বন্ধ করলে সাময়িকভাবে অ্যাসিড-জনিত উপসর্গ বেড়ে যেতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী থেরাপির পর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ধীরে ধীরে বন্ধ করা ভালো।

Protium কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয়, তবে চিকিৎসকের নির্ধারিত মাত্রা ও মেয়াদ নিজে থেকে পরিবর্তন না করে ঠিক নির্দেশনা অনুযায়ী সেবন করা উচিত।

মাত্রাধিক্যতা

ইচ্ছাকৃত Protium অতিরিক্ত সেবনের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা সীমিত। সাধারণ থেরাপিউটিক মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি মাত্রাও সাধারণত গুরুতর উপসর্গ ছাড়াই সহ্য হয়েছে। Protium অতিরিক্ত সেবনের কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই এবং এটি হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে কার্যকরভাবে অপসারণ করা যায় না। অতিরিক্ত সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; চিকিৎসা লক্ষণ অনুযায়ী সহায়ক ও পর্যবেক্ষণমূলক হয়ে থাকে।

সংরক্ষণ

রুম তাপমাত্রায় (৩০°C এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের GERD-জনিত ইরোসিভ ইসোফ্যাগাইটিসের স্বল্পমেয়াদী চিকিৎসায় Protium-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত; মাত্রা ওজনভিত্তিক (বিস্তারিত মাত্রাধিক্যতা/পেডিয়াট্রিক অংশে দেখুন)। ১ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি এবং গবেষণায় কার্যকারিতা দেখা যায়নি।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে সাধারণত মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না, তবে দীর্ঘমেয়াদী PPI ব্যবহারজনিত কিছু ঝুঁকি (যেমন হাড় ভাঙা) তাদের মধ্যে বেশি হতে পারে; সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা ব্যবহার করা উচিত।

কিডনি ও লিভার সমস্যা

কিডনি সমস্যায় সাধারণত মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। গুরুতর লিভার সমস্যায় কম মাত্রা এবং লিভার এনজাইম পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Protium 40 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Protium 40 mg Tablet পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিডজনিত সমস্যা, যেমন GERD, ইরোসিভ ইসোফ্যাগাইটিস, পেপটিক আলসার এবং জোলিঞ্জার-এলিসন সিনড্রোমের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে মিলিয়ে H. pylori সংক্রমণ নির্মূলেও ব্যবহৃত হয়।

Q: Protium 40 mg Tablet কীভাবে সেবন করতে হয়?

A: Protium 40 mg Tablet ডিলেড-রিলিজ ট্যাবলেট পুরোটা পানির সাথে গিলে ফেলতে হবে, ভাঙা বা চিবানো যাবে না, সাধারণত দিনে একবার সকালে, খাবারের সাথে বা ছাড়া। সবসময় চিকিৎসকের নির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Protium 40 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: স্পষ্ট প্রয়োজন হলেই কেবল গর্ভাবস্থায় Protium 40 mg Tablet ব্যবহার করা উচিত, কারণ বিদ্যমান তথ্যে জন্মগত ত্রুটির স্পষ্ট সম্পর্ক পাওয়া যায়নি তবে প্রাণী গবেষণায় তাত্ত্বিক উদ্বেগ রয়েছে; এটি অল্প পরিমাণে বুকের দুধেও যায়। গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মায়েদের ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Q: Protium 40 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: Protium 40 mg Tablet-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো মাথাব্যথা, ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা ও পেট ফাঁপা। দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে হাড় ভাঙার ঝুঁকি, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন B12 ঘাটতি এবং C. difficile-জনিত ডায়রিয়ার সাথে সম্পর্ক পাওয়া গেছে, তাই সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।

Q: শিশুদের জন্য Protium 40 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: ৫ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের ইরোসিভ ইসোফ্যাগাইটিসের স্বল্পমেয়াদী চিকিৎসায় Protium 40 mg Tablet অনুমোদিত, এবং মাত্রা শিশু বিশেষজ্ঞের নির্দেশনায় ওজনভিত্তিক নির্ধারণ করা হয়। ১ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সুপারিশ করা হয় না, কারণ গবেষণায় এই বয়সে কার্যকারিতা দেখা যায়নি।

Q: Protium 40 mg Tablet-এর ডোজ মিস হলে বা বেশি সেবন করলে কী করব?

A: যদি Protium 40 mg Tablet-এর কোনো ডোজ মিস হয়ে যায়, মনে পড়ার সাথে সাথে সেবন করুন, তবে পরবর্তী ডোজের সময় কাছাকাছি হলে মিস হওয়া ডোজ বাদ দিন; দ্বিগুণ মাত্রা নেবেন না। অতিরিক্ত সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন, কারণ এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor