
Medicine overview
নির্দেশনা
Psudonil একটি ইনজেকশনযোগ্য অ্যান্টিবায়োটিক, যা সংবেদনশীল গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট গুরুতর সংক্রমণের স্বল্পমেয়াদী চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার
- সেপ্টিসেমিয়া (নবজাতকের সেপসিস সহ)
- সংবেদনশীল গ্রাম-নেগেটিভ জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট গুরুতর শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ
- জটিল ও বারবার হওয়া মূত্রনালীর সংক্রমণ
- পেটের ভেতরের সংক্রমণ, যেমন পেরিটোনাইটিস
- ত্বক, হাড় ও কোমল টিস্যুর সংক্রমণ, পোড়া ও অস্ত্রোপচার-পরবর্তী সংক্রমণ সহ
- সংবেদনশীল জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের সংক্রমণ (যেমন মেনিনজাইটিস), সাধারণত সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে
নির্দেশিকা-সমর্থিত/সমন্বিত ব্যবহার
- কালচার ও সংবেদনশীলতা পরীক্ষার ফলাফল আসার আগে সন্দেহভাজন গ্রাম-নেগেটিভ সেপসিসের অভিজ্ঞতাভিত্তিক চিকিৎসায়, প্রায়ই বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে মিলিয়ে
- মাল্টিড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট যক্ষ্মা (MDR-TB) চিকিৎসায় WHO নির্দেশিকা অনুযায়ী একটি সেকেন্ড-লাইন ইনজেকশনযোগ্য উপাদান হিসেবে, যখন অন্য বিকল্প পাওয়া যায় না বা সহ্য হয় না
- নির্দিষ্ট কিছু গুরুতর সংক্রমণে (যেমন এন্টেরোকক্কাল এন্ডোকার্ডাইটিস) সমন্বিত প্রভাবের জন্য সেল-ওয়াল-সক্রিয় ওষুধের (যেমন পেনিসিলিন) সাথে
সম্ভব হলে কালচার ও সংবেদনশীলতা পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী চিকিৎসা নির্ধারণ করা উচিত।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Psudonil অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড শ্রেণীর অ্যান্টিবায়োটিক।
ফার্মাকোলজি
Amikacin একটি ব্যাকটেরিয়াঘাতী (bactericidal) অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক। এটি সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়ার 30S রাইবোজোমাল সাবইউনিটের সাথে অপরিবর্তনীয়ভাবে যুক্ত হয়ে প্রোটিন সংশ্লেষণ ব্যাহত করে, ফলে ব্যাকটেরিয়া কোষের মৃত্যু ঘটে। Amikacin অনেক অ্যারোবিক গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকর, এমনকি জেন্টামাইসিন ও টোব্রামাইসিন প্রতিরোধী কিছু জীবাণুর বিরুদ্ধেও, কারণ এটি অনেক অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড-নিষ্ক্রিয়কারী এনজাইমের বিরুদ্ধে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল।
Amikacin মুখে খেলে ভালোভাবে শোষিত হয় না, তাই এটি ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া হয়। এটি মূলত এক্সট্রাসেলুলার তরলে বিতরিত হয়, স্বাভাবিক কিডনি কার্যক্ষমতাসম্পন্ন রোগীদের ক্ষেত্রে এর অর্ধ-জীবনকাল প্রায় ২-৩ ঘণ্টা এবং এটি মূলত অপরিবর্তিত অবস্থায় কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
Psudonil মাংসপেশিতে ইনজেকশন (intramuscular) বা শিরাপথে (intravenous) ইনফিউশন হিসেবে দেওয়া হয়; মাত্রা রোগীর ওজন, কিডনির কার্যক্ষমতা, সংক্রমণের ধরন এবং সম্ভব হলে রক্তে ওষুধের মাত্রার উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।
স্বাভাবিক কিডনি কার্যক্ষমতাসম্পন্ন প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশু
| ইঙ্গিত | সাধারণ মাত্রা |
|---|---|
| গুরুতর গ্রাম-নেগেটিভ সংক্রমণ | প্রতিদিন ১৫ মিগ্রা/কেজি, সাধারণত ১২ ঘণ্টা অন্তর ৭.৫ মিগ্রা/কেজি করে (অথবা প্রতিষ্ঠানের নীতি অনুযায়ী দৈনিক একবার), সর্বোচ্চ ১.৫ গ্রাম/দিন; সাধারণত ৭-১০ দিন |
| জটিলতাবিহীন মূত্রনালীর সংক্রমণ | স্থানীয় নীতি অনুযায়ী কম মাত্রা (যেমন দিনে দুইবার ২৫০ মিগ্রা) ব্যবহার করা যেতে পারে |
| মাল্টিড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট যক্ষ্মা (সেকেন্ড-লাইন, বিশেষজ্ঞ-নির্দেশিত) | জাতীয়/WHO যক্ষ্মা চিকিৎসা নির্দেশিকা অনুযায়ী সমন্বিত রেজিমেনের অংশ হিসেবে দৈনিক একবার ১৫ মিগ্রা/কেজি (সর্বোচ্চ ১ গ্রাম/দিন পর্যন্ত) |
নবজাতক ও শিশু
মাত্রা বয়স ও ওজন-ভিত্তিক (যেমন নবজাতকদের ক্ষেত্রে লোডিং ডোজের পর দীর্ঘ ব্যবধানে রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা) এবং অবশ্যই চিকিৎসক কর্তৃক ব্যক্তিগতকৃত হতে হবে; আরও জানতে দেখুন শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার।
কিডনি সমস্যায়
কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে মাত্রা ও/অথবা ব্যবধান কমাতে হবে, কারণ Psudonil কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয় এবং কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে জমা হতে পারে।
অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণ কোর্স গ্রহণ করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না, বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না বা অন্য কাউকে দেবেন না, উপসর্গ কমে গেলেও নয়।
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
Psudonil-এর সাথে কিছু ওষুধের ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে, যেগুলোর সাথে বিষাক্ততার ঝুঁকি ওভারল্যাপ করে বা স্নায়ু-পেশি কার্যক্ষমতাকে প্রভাবিত করে:
- অন্যান্য কিডনি বা কান-ক্ষতিকর ওষুধ (যেমন অন্যান্য অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড, ভ্যানকোমাইসিন, অ্যামফোটেরিসিন বি, সিসপ্ল্যাটিন, সাইক্লোস্পোরিন): একসাথে বা পরপর ব্যবহারে কিডনি ও শ্রবণ/ভারসাম্যের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ে; প্রয়োজন না হলে একসাথে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন এবং কাছাকাছি নজরদারি করুন।
- শক্তিশালী মূত্রবর্ধক (যেমন ফুরোসেমাইড, ইথাক্রিনিক অ্যাসিড), বিশেষত শিরাপথে দিলে: Psudonil-জনিত কান-ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
- স্নায়ু-পেশি ব্লকিং ওষুধ ও সাধারণ অ্যানেস্থেসিয়া: Psudonil স্নায়ু-পেশি ব্লকেড বাড়িয়ে দীর্ঘস্থায়ী পেশি দুর্বলতা ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
- অন্যান্য বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিক (একই দ্রবণে): একই দ্রবণে মেশালে Psudonil নিষ্ক্রিয় হয়ে যেতে পারে; আলাদা লাইনে বা আলাদা সময়ে দিন।
প্রতিনির্দেশনা
Amikacin বা অন্য যেকোনো অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি পরিচিত অতিসংবেদনশীলতা থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে Amikacin প্রতিনির্দেশিত (contraindicated)।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
Psudonil-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো কিডনির ক্ষতি ও কানের ক্ষতি; অন্যান্য প্রতিক্রিয়া সাধারণত কম দেখা যায়।
- কিডনির ক্ষতি (Nephrotoxicity): মাত্রার সাথে সম্পর্কিত কিডনির ক্ষতি হতে পারে, যা সাধারণত ওষুধ বন্ধ করলে সেরে যায় তবে গুরুতর হতে পারে।
- কানের ক্ষতি (Ototoxicity): শ্রবণশক্তি হ্রাস, কানে শব্দ শোনা (টিনিটাস), মাথা ঘোরা বা ভারসাম্যহীনতা হতে পারে, যা কখনো কখনো স্থায়ী হতে পারে; বেশি মাত্রা, দীর্ঘ ব্যবহার, আগে থেকে কিডনির সমস্যা এবং অন্যান্য কান-ক্ষতিকর ওষুধের সাথে ব্যবহারে ঝুঁকি বাড়ে।
- স্নায়ু-পেশি ব্লকেড: বিরল কিন্তু গুরুতর; পেশি দুর্বলতা ও শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করতে পারে, বিশেষত অ্যানেস্থেসিয়া/স্নায়ু-পেশি ব্লকার বা মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিসের রোগীদের ক্ষেত্রে।
- অন্যান্য: ইনজেকশনের স্থানে ব্যথা/জ্বালা, ফুসকুড়ি, জ্বর, মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, এবং কদাচিৎ রক্তের উপাদানে পরিবর্তন।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভাবস্থা: Psudonil-এর মতো অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক প্লাসেন্টা অতিক্রম করতে পারে এবং গর্ভাবস্থায় মায়েদের অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড গ্রহণের ফলে সন্তানের স্থায়ী বধিরতার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। স্পষ্ট প্রয়োজন থাকলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে তবেই গর্ভাবস্থায় Psudonil ব্যবহার করা উচিত; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
স্তন্যদান: Psudonil মায়ের দুধে ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ পরিমাণে নিঃসৃত হয় কিনা তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা নেই; শিশুর উপর সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায়, স্তন্যদানকালে Psudonil শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত।
সতর্কতা
Psudonil-এর থেরাপিউটিক সীমা সংকীর্ণ এবং সতর্ক ক্লিনিক্যাল তত্ত্বাবধান প্রয়োজন:
- কিডনি ও কানের ক্ষতি: চিকিৎসার আগে ও চলাকালীন নিয়মিত বিরতিতে কিডনির কার্যক্ষমতা এবং সম্ভব হলে রক্তে ওষুধের মাত্রা ও শ্রবণ/ভারসাম্য পরীক্ষা করা উচিত, বিশেষত আগে থেকে কিডনির সমস্যা থাকা রোগী, বয়স্ক রোগী বা দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার ক্ষেত্রে।
- স্নায়ু-পেশি ব্লকেড: মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিস বা পারকিনসনিজমের মতো স্নায়ু-পেশি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ Psudonil পেশি দুর্বলতা বাড়িয়ে শ্বাসযন্ত্রের বিকল হওয়ার কারণ হতে পারে।
- কিডনি সমস্যা: মাত্রা ও ব্যবধান সমন্বয় করতে হবে; জমা হলে বিষাক্ততার ঝুঁকি বাড়ে।
- পর্যাপ্ত পানি গ্রহণ: চিকিৎসাকালীন পর্যাপ্ত পানি গ্রহণ কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ: চিকিৎসকের নির্দেশিত সম্পূর্ণ কোর্স সম্পন্ন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না, বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না বা অন্য কাউকে দেবেন না।
মাত্রাধিক্যতা
Psudonil-এর মাত্রাধিক্য বা অতিরিক্ত জমা হওয়া কিডনির ক্ষতি, কানের ক্ষতি ও স্নায়ু-পেশি ব্লকেড বাড়িয়ে দিতে পারে, যা শ্বাসযন্ত্রের বিকল হওয়ার কারণ হতে পারে। মাত্রাধিক্যের সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সহায়ক চিকিৎসা দেওয়া হয়, প্রয়োজনে হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে রক্ত থেকে Psudonil অপসারণ করা যেতে পারে। বাড়িতে নিজে থেকে মাত্রাধিক্যের চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না।
সংরক্ষণ
ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। দ্রবণে রঙ পরিবর্তন বা কণা দেখা গেলে ব্যবহার করবেন না।
শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার
বয়স্ক রোগী: বয়সজনিত কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাসের কারণে বিষাক্ততার ঝুঁকি বাড়ে; কিডনির কার্যক্ষমতা মূল্যায়ন ও পর্যবেক্ষণ করে মাত্রা সমন্বয় করা উচিত।
নবজাতক ও শিশু: নবজাতক ও শিশুদের ক্ষেত্রে Psudonil গুরুতর গ্রাম-নেগেটিভ সংক্রমণ ও সেপসিসে ব্যবহৃত হয়, মাত্রা বয়স, গর্ভকালীন বয়স (নবজাতকদের ক্ষেত্রে) ও ওজন অনুযায়ী পৃথকভাবে নির্ধারণ করা হয়। প্রমিত গুরুতর ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ ছাড়া অন্য ইঙ্গিতে শিশুদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এবং কিডনির কার্যক্ষমতা ও সম্ভব হলে শ্রবণশক্তি ও রক্তে ওষুধের মাত্রা পর্যবেক্ষণসহ বিশেষজ্ঞ তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
Q: Psudonil 250 mg/2 ml IM/IV Injection কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Psudonil 250 mg/2 ml IM/IV Injection একটি ইনজেকশনযোগ্য অ্যান্টিবায়োটিক, যা নির্দিষ্ট কিছু গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট গুরুতর সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, যেমন রক্তে সংক্রমণ, জটিল মূত্রনালীর সংক্রমণ ও হাসপাতাল-জনিত নিউমোনিয়া। এটি কখনো কখনো ওষুধ-প্রতিরোধী যক্ষ্মার সমন্বিত চিকিৎসার অংশ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। এটি শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে দেওয়া হয়।
Q: Psudonil 250 mg/2 ml IM/IV Injection কি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল হিসেবে খাওয়া যায়?
A: না। Psudonil 250 mg/2 ml IM/IV Injection মুখে খেলে শোষিত হয় না, তাই এটি শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর্মী দ্বারা মাংসপেশিতে ইনজেকশন বা শিরাপথে ইনফিউশন হিসেবে দেওয়া হয়।
Q: Psudonil 250 mg/2 ml IM/IV Injection-এর সবচেয়ে গুরুতর ঝুঁকি কী?
A: সবচেয়ে গুরুতর ঝুঁকি হলো কিডনির ক্ষতি এবং শ্রবণ/ভারসাম্যের ক্ষতি, যা কখনো কখনো স্থায়ী হতে পারে, এবং বিরলভাবে স্নায়ু-পেশি ব্লকেড যা শ্বাস-প্রশ্বাসকে প্রভাবিত করতে পারে। চিকিৎসক এই ঝুঁকি কমাতে চিকিৎসাকালীন কিডনির কার্যক্ষমতা এবং কখনো কখনো রক্তে ওষুধের মাত্রা ও শ্রবণশক্তি পর্যবেক্ষণ করবেন।
Q: গর্ভাবস্থায় Psudonil 250 mg/2 ml IM/IV Injection কি নিরাপদ?
A: স্পষ্ট প্রয়োজন না হলে গর্ভাবস্থায় Psudonil 250 mg/2 ml IM/IV Injection ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ Psudonil 250 mg/2 ml IM/IV Injection-এর মতো অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক প্লাসেন্টা অতিক্রম করতে পারে এবং শিশুর শ্রবণশক্তির ক্ষতির সাথে সম্পর্কিত। চিকিৎসক ব্যবহারের আগে উপকারিতা ও ঝুঁকি বিবেচনা করবেন।
Q: ভালো লাগলে কি Psudonil 250 mg/2 ml IM/IV Injection বন্ধ করে দেওয়া যায়?
A: না। চিকিৎসকের নির্দেশিত সম্পূর্ণ কোর্স Psudonil 250 mg/2 ml IM/IV Injection গ্রহণ করা উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না, বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না বা অন্য কাউকে দেবেন না, কারণ অসম্পূর্ণ চিকিৎসা ব্যর্থতা বা অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে পারে।
Q: Psudonil 250 mg/2 ml IM/IV Injection-এর মাত্রাধিক্য হলে বা সন্দেহ হলে কী করা উচিত?
A: অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। মাত্রাধিক্যে কিডনি ও শ্রবণশক্তির ক্ষতি বাড়তে পারে এবং বিরলভাবে শ্বাসকষ্ট হতে পারে; চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সহায়ক চিকিৎসা দেওয়া হয়, প্রয়োজনে হেমোডায়ালাইসিস সহ।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।