
Meroject500 mg/via
Eskayef Bangladesh Ltd.

R-Penem একটি ব্রড-স্পেকট্রাম কার্বাপেনেম অ্যান্টিবায়োটিক, যা শিরাপথে (IV) ইনজেকশন বা ইনফিউশন হিসেবে দেওয়া হয় এবং হাসপাতাল বা চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে গুরুতর ও প্রায়ক্ষেত্রে প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
যথাসম্ভব কালচার ও সেনসিটিভিটি রিপোর্টের ভিত্তিতে R-Penem ব্যবহার করা উচিত এবং সাধারণত এটি গুরুতর সংক্রমণ বা প্রথম সারির অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর হলে বিকল্প হিসেবে সংরক্ষিত রাখা হয়।
R-Penem কার্বাপেনেম শ্রেণির বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিক গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
Meropenem Trihydrate ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর সংশ্লেষণ প্রতিরোধ করে ব্যাকটেরিসাইডাল (জীবাণুনাশক) কার্যকারিতা প্রদর্শন করে। এটি অধিকাংশ গ্রাম-পজিটিভ ও গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর ভেদ করে পেনিসিলিন-বাইন্ডিং প্রোটিন (PBP)-এ পৌঁছায়। এসব প্রোটিনের প্রতি উচ্চ আসক্তির ফলে কোষ প্রাচীর সংশ্লেষণ দ্রুত ব্যাহত হয়, যার ফলে কোষ লাইসিস ও ব্যাকটেরিয়ার মৃত্যু ঘটে।
Meropenem Trihydrate অধিকাংশ বিটা-ল্যাকটামেজ এনজাইম (পেনিসিলিনেজ ও সেফালোস্পোরিনেজসহ) দ্বারা ভাঙনের বিরুদ্ধে স্থিতিশীল, যা এটিকে বিস্তৃত পরিসরের জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যকর করে তোলে।
শিরাপথে প্রয়োগের পর এটি দেহের বিভিন্ন টিস্যু ও তরলে (মেনিনজেস স্ফীত থাকলে সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইডেও) ব্যাপকভাবে বিতরিত হয়। এটি মূলত অপরিবর্তিত অবস্থায় কিডনির মাধ্যমে নিঃসৃত হয়, এবং স্বাভাবিক কিডনি কার্যক্ষমতাসম্পন্ন প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে প্লাজমা অর্ধায়ু প্রায় এক ঘণ্টা।
R-Penem শুধুমাত্র শিরাপথে (IV) বোলাস ইনজেকশন (প্রায় ৩-৫ মিনিট ধরে) বা IV ইনফিউশন (প্রায় ১৫-৩০ মিনিট ধরে) আকারে, চিকিৎসক বা হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে দেওয়া হয়। এটি মুখে খাওয়া বা মাংসপেশিতে (IM) দেওয়া হয় না।
| নির্দেশনা | মাত্রা | ফ্রিকোয়েন্সি |
|---|---|---|
| জটিল ত্বক/ত্বক-কাঠামোর সংক্রমণ | ৫০০ মি.গ্রা. IV | প্রতি ৮ ঘণ্টায় |
| জটিল পেটের ভেতরের সংক্রমণ | ১ গ্রাম IV | প্রতি ৮ ঘণ্টায় |
| হাসপাতাল-অর্জিত নিউমোনিয়া, সেপ্টিসেমিয়া, গুরুতর সংক্রমণ (Pseudomonas সহ) | ১ গ্রাম IV | প্রতি ৮ ঘণ্টায় |
| ব্যাকটেরিয়াল মেনিনজাইটিস | ২ গ্রাম IV | প্রতি ৮ ঘণ্টায় |
| নির্দেশনা | মাত্রা | ফ্রিকোয়েন্সি |
|---|---|---|
| জটিল ত্বক/ত্বক-কাঠামোর সংক্রমণ | ১০ মি.গ্রা./কেজি (সর্বোচ্চ ৫০০ মি.গ্রা.) | প্রতি ৮ ঘণ্টায় |
| জটিল পেটের ভেতরের সংক্রমণ | ২০ মি.গ্রা./কেজি (সর্বোচ্চ ১ গ্রাম) | প্রতি ৮ ঘণ্টায় |
| ব্যাকটেরিয়াল মেনিনজাইটিস | ৪০ মি.গ্রা./কেজি (সর্বোচ্চ ২ গ্রাম) | প্রতি ৮ ঘণ্টায় |
৫০ কেজির বেশি ওজনের শিশুদের প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা অনুযায়ী দেওয়া উচিত। ৩ মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
| ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স | মাত্রা সমন্বয় |
|---|---|
| >৫০ মি.লি./মিনিট | স্বাভাবিক মাত্রা, প্রতি ৮ ঘণ্টায় |
| ২৬-৫০ মি.লি./মিনিট | স্বাভাবিক মাত্রা, প্রতি ১২ ঘণ্টায় |
| ১০-২৫ মি.লি./মিনিট | অর্ধেক মাত্রা, প্রতি ১২ ঘণ্টায় |
| <১০ মি.লি./মিনিট | অর্ধেক মাত্রা, প্রতি ২৪ ঘণ্টায়; হেমোডায়ালাইসিসের পর অতিরিক্ত মাত্রা প্রয়োজন হতে পারে |
অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ নির্দেশনা: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী R-Penem সঠিকভাবে গ্রহণ করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, বা অন্য কারো সাথে এই ওষুধ ভাগাভাগি করবেন না।
ভ্যালপ্রোয়িক এসিড / ডাইভালপ্রোয়েক্স সোডিয়াম: R-Penem-এর সাথে একত্রে ব্যবহার করলে রক্তে ভ্যালপ্রোয়িক এসিডের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে, যা খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ হারানো এবং হঠাৎ খিঁচুনির (breakthrough seizure) ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এই দুই ওষুধের একত্রে ব্যবহার সাধারণত সুপারিশ করা হয় না; প্রয়োজন হলে চিকিৎসক ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ ও বিকল্প খিঁচুনি-নিরোধক চিকিৎসা বিবেচনা করবেন।
প্রোবেনেসিড: মেরোপেনেমের কিডনি দ্বারা নিঃসরণ প্রতিরোধ করে, ফলে রক্তে এর মাত্রা ও অর্ধায়ু বৃদ্ধি পায়। R-Penem-এর সাথে প্রোবেনেসিডের একত্রে ব্যবহার সুপারিশ করা হয় না।
মুখে খাওয়ার রক্ত-তরলীকরণ ওষুধ (Oral anticoagulants): কার্বাপেনেমসহ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ওষুধের সাথে একত্রে ব্যবহারে রক্ত-তরলীকরণ প্রভাব বৃদ্ধি পেতে পারে; একত্রে ব্যবহারের সময় জমাট বাঁধার মাত্রা পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
মেরোপেনেম বা অন্য কার্বাপেনেম অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি জানা অতি-সংবেদনশীলতা (হাইপারসেনসিটিভিটি) থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে Meropenem Trihydrate প্রতিনির্দেশিত।
যেসব রোগীর অন্য বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিকের (পেনিসিলিন, সেফালোস্পোরিন) প্রতি অ্যানাফাইল্যাক্টিক প্রতিক্রিয়ার ইতিহাস আছে, তাদের ক্ষেত্রেও ক্রস-সেনসিটিভিটির সম্ভাবনার কারণে এটি প্রতিনির্দেশিত।
R-Penem-এর অধিকাংশ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার। সাধারণত দেখা যাওয়া প্রতিক্রিয়া (প্রতিটি ≤২% রোগীর ক্ষেত্রে) হলো:
কম দেখা যায় কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া (দেখুন প্রতিনির্দেশনা ও সতর্কতা), Clostridioides difficile-সংশ্লিষ্ট ডায়রিয়া (দেখুন সতর্কতা), খিঁচুনি ও অন্যান্য স্নায়ুতন্ত্রীয় প্রতিক্রিয়া (দেখুন সতর্কতা), এবং বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর ত্বকীয় প্রতিক্রিয়া (স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম, টক্সিক এপিডার্মাল নেক্রোলাইসিস) ও হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া। কোনো গুরুতর বা স্থায়ী উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।
গর্ভাবস্থা: মানব গর্ভাবস্থায় R-Penem ব্যবহারের তথ্য সীমিত। প্রাণী গবেষণায় ক্লিনিক্যালি প্রাসঙ্গিক মাত্রায় ভ্রূণের ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। গর্ভাবস্থায় R-Penem শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন থাকলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত, এবং তা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হওয়া উচিত।
স্তন্যদান: মেরোপেনেম মানুষের বুকের দুধে অল্প পরিমাণে নিঃসৃত হয়। স্তন্যদানকারী মায়েদের R-Penem দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত; চিকিৎসক চিকিৎসার উপকারিতা ও শিশুর সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন।
খিঁচুনি ও স্নায়ুতন্ত্রীয় প্রতিক্রিয়া: R-Penem ব্যবহারে খিঁচুনি ও অন্যান্য স্নায়ুতন্ত্রীয় প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে, বিশেষত যেসব রোগীর খিঁচুনির ইতিহাস আছে, স্নায়ুতন্ত্র সংক্রান্ত সমস্যাসহ CNS সংক্রমণ (যেমন মেনিনজাইটিস) আছে, অথবা কিডনি সমস্যা অনুযায়ী মাত্রা সমন্বয় করা হয়নি। নির্ধারিত মাত্রা ও ব্যবধান কঠোরভাবে মেনে চলুন, বিশেষত কিডনি সমস্যায়।
Clostridioides difficile-সংশ্লিষ্ট ডায়রিয়া (CDAD): প্রায় সব অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এজেন্টের মতোই, R-Penemও CDAD ঘটাতে পারে, যা হালকা ডায়রিয়া থেকে প্রাণঘাতী কোলাইটিস পর্যন্ত হতে পারে। চিকিৎসাকালীন বা পরবর্তীতে ডায়রিয়া দেখা দিলে এই সম্ভাবনা বিবেচনা করা উচিত। CDAD সন্দেহ বা নিশ্চিত হলে সম্ভব হলে R-Penem বন্ধ করে যথাযথ চিকিৎসা নিন।
অতি-সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া: R-Penemসহ বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিকের ক্ষেত্রে গুরুতর ও কদাচিৎ প্রাণঘাতী অ্যালার্জিক (অ্যানাফাইল্যাক্টিক) প্রতিক্রিয়ার খবর পাওয়া গেছে। অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে সাথে সাথে বন্ধ করে জরুরি চিকিৎসা নিন।
কিডনি সমস্যা: ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স কমে গেলে মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন (দেখুন মাত্রা ও সেবনবিধি) যাতে খিঁচুনি ও অন্যান্য বিষক্রিয়ার ঝুঁকি কমানো যায়।
লিভার সমস্যা: পূর্ব থেকে লিভার রোগ থাকা রোগীদের চিকিৎসাকালীন লিভার ফাংশন (ট্রান্সঅ্যামিনেজ, বিলিরুবিন) পর্যবেক্ষণ করুন।
ভ্যালপ্রোয়িক এসিডের সাথে মিথষ্ক্রিয়া: দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া অংশ — একত্রে ব্যবহার সাধারণত সুপারিশ করা হয় না।
অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী R-Penem সঠিকভাবে গ্রহণ করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, বা অন্য কারো সাথে এই ওষুধ ভাগাভাগি করবেন না, যাতে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি ও চিকিৎসার ব্যর্থতার ঝুঁকি কমানো যায়।
R-Penem-এর মাত্রাধিক্যতার জন্য নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক (antidote) নেই। মাত্রাধিক্যতার সন্দেহ হলে সাথে সাথে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন অথবা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যায় অতিরিক্ত মাত্রা গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে R-Penem দেহ থেকে অপসারণ করা যেতে পারে। মাত্রাধিক্যতার চিকিৎসা লক্ষণভিত্তিক ও সহায়ক, এবং চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী করা উচিত।
ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন, যদি না প্যাকেজে অন্য নির্দেশনা দেওয়া থাকে। মিশ্রিত/তরলীকৃত দ্রবণ হিমায়িত করবেন না। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মিশ্রিত/তরলীকৃত দ্রবণ চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের নির্দেশ অনুযায়ী দ্রুত ব্যবহার করা উচিত এবং অব্যবহৃত দ্রবণ যথাযথভাবে ফেলে দিতে হবে।
ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্সের ভিত্তিতে মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন (দেখুন মাত্রা ও সেবনবিধি) যাতে খিঁচুনি ও অন্যান্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি কমানো যায়।
সাধারণত মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না, তবে পূর্ব থেকে লিভার রোগ থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে R-Penem চিকিৎসাকালীন লিভার ফাংশন পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
বয়সজনিত কিডনি কার্যক্ষমতা হ্রাসের বিষয় বিবেচনায় রেখে R-Penem ব্যবহার করা উচিত; ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স অনুযায়ী মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে।
৩ মাস ও তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ইনডিকেশনগুলোর জন্য R-Penem অনুমোদিত, ওজন-ভিত্তিক মাত্রায় (দেখুন মাত্রা ও সেবনবিধি)। এই বয়সসীমার শিশুদের ক্ষেত্রে ফেব্রাইল নিউট্রোপেনিয়া ও হাসপাতাল-অর্জিত সংক্রমণসহ অন্যান্য গুরুতর সংক্রমণেও গাইডলাইন অনুযায়ী প্রচলিতভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩ মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি; শুধুমাত্র বিকল্প না থাকলে বিশেষজ্ঞের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে এই বয়সে ব্যবহার করা উচিত।
Q: R-Penem 500 mg/vial IV Injection কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: R-Penem 500 mg/vial IV Injection একটি ব্রড-স্পেকট্রাম কার্বাপেনেম অ্যান্টিবায়োটিক, যা ইনজেকশনের মাধ্যমে গুরুতর ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ যেমন জটিল পেটের ভেতরের সংক্রমণ, জটিল ত্বক ও কোমল টিস্যুর সংক্রমণ, ব্যাকটেরিয়াল মেনিনজাইটিস, হাসপাতাল-অর্জিত নিউমোনিয়া এবং গুরুতর বা মাল্টিড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট সংক্রমণের চিকিৎসায় ঘনিষ্ঠ চিকিৎসা তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা হয়।
Q: R-Penem 500 mg/vial IV Injection কি মুখে খাওয়া যায়?
A: না। R-Penem 500 mg/vial IV Injection শুধুমাত্র একজন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর মাধ্যমে শিরাপথে (IV) ইনজেকশন বা ইনফিউশন হিসেবে দেওয়া হয়; এটি মুখে খাওয়ার ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল আকারে পাওয়া যায় না।
Q: গর্ভাবস্থায় R-Penem 500 mg/vial IV Injection কি নিরাপদ?
A: মানব গর্ভাবস্থায় R-Penem 500 mg/vial IV Injection ব্যবহারের তথ্য সীমিত। এটি গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন থাকলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।
Q: R-Penem 500 mg/vial IV Injection-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?
A: R-Penem 500 mg/vial IV Injection-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, মাথাব্যথা, র্যাশ, এবং ইনজেকশনের স্থানে ব্যথা বা জ্বালাপোড়া। কম দেখা যায় কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া, Clostridioides difficile-সংশ্লিষ্ট ডায়রিয়া, এবং খিঁচুনি, বিশেষত কিডনি সমস্যা বা পূর্ব থেকে থাকা স্নায়ুতন্ত্রীয় সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে।
Q: R-Penem 500 mg/vial IV Injection কি ভ্যালপ্রোয়িক এসিডের সাথে ব্যবহার করা যায়?
A: R-Penem 500 mg/vial IV Injection-এর সাথে ভ্যালপ্রোয়িক এসিড বা ডাইভালপ্রোয়েক্স সোডিয়ামের একত্রে ব্যবহার সাধারণত সুপারিশ করা হয় না, কারণ R-Penem 500 mg/vial IV Injection রক্তে ভ্যালপ্রোয়িক এসিডের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিতে পারে এবং হঠাৎ খিঁচুনির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। উভয়ের প্রয়োজন হলে চিকিৎসক ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনে অতিরিক্ত খিঁচুনি-নিরোধক চিকিৎসা যোগ করবেন।
Q: চিকিৎসার কোর্স সম্পূর্ণ না হলে বা ডোজ বাদ পড়লে কী করা উচিত?
A: যেহেতু R-Penem 500 mg/vial IV Injection হাসপাতাল বা ক্লিনিক্যাল পরিবেশে একজন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর মাধ্যমে দেওয়া হয়, তাই ডোজের সময়সূচি চিকিৎসা দল পরিচালনা করে। সংক্রমণ সম্পূর্ণরূপে নিরাময় নিশ্চিত করতে এবং অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতার ঝুঁকি কমাতে R-Penem 500 mg/vial IV Injection-এর সম্পূর্ণ নির্ধারিত কোর্স সম্পন্ন করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ না করা, মেয়াদ না বাড়ানো, ডোজ বাদ না দেওয়া বা অন্য কারো সাথে এই ওষুধ ভাগাভাগি না করা গুরুত্বপূর্ণ।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।