
Corsil-DX600 mg+400
DBL Pharmaceuticals Ltd.

Reef-D Vita হলো ক্যালসিয়াম (প্রবাল/সামুদ্রিক উৎস থেকে প্রাপ্ত ক্যালসিয়াম কার্বোনেট) এবং ভিটামিন ডি৩ (কোলেক্যালসিফেরল)-এর একটি সংমিশ্রণ সাপ্লিমেন্ট, যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
উল্লেখ্য: Reef-D Vita একটি ক্যালসিয়াম কার্বোনেট উৎস; প্রবাল-উৎসের ক্যালসিয়াম সাধারণ ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের তুলনায় ভালোভাবে শোষিত হয় বা অতিরিক্ত উপকারী—এই দাবির শক্তিশালী ক্লিনিক্যাল প্রমাণ নেই, তাই একে একটি প্রচলিত ক্যালসিয়াম কার্বোনেট/ভিটামিন ডি৩ সাপ্লিমেন্ট হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত।
Reef-D Vita ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি৩ সংমিশ্রণ প্রস্তুতির থেরাপিউটিক শ্রেণিভুক্ত, যা ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি ঘাটতি এবং বিপাকীয় হাড়ের রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
Coral Calcium + Vitamin D3-এর ক্যালসিয়াম উপাদান প্রধানত ক্ষুদ্রান্ত্রে ভিটামিন ডি-নির্ভর সক্রিয় পরিবহন এবং নিষ্ক্রিয় বিস্তারের মাধ্যমে শোষিত হয়, যা স্নায়ু, পেশী ও কঙ্কালতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম এবং রক্ত জমাট বাঁধার জন্য অপরিহার্য। ভিটামিন ডি৩ (কোলেক্যালসিফেরল) লিভার ও কিডনিতে হাইড্রক্সিলেশনের মাধ্যমে সক্রিয় মেটাবোলাইট ক্যালসিট্রিওলে রূপান্তরিত হয়, যা অন্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফেট শোষণ বৃদ্ধি করে, কিডনিতে ক্যালসিয়াম পুনঃশোষণ বাড়ায় এবং প্যারাথাইরয়েড হরমোনের সাথে মিলে হাড়ের খনিজীকরণ ও পুনঃশোষণ নিয়ন্ত্রণ করে। এভাবে Coral Calcium + Vitamin D3-এর দুটি উপাদান একত্রে স্বাভাবিক সিরাম ক্যালসিয়াম মাত্রা বজায় রাখতে এবং হাড়ের ঘনত্ব সমর্থন করতে সাহায্য করে। প্রবাল-উৎসের ক্যালসিয়াম কার্বোনেট রাসায়নিকভাবে অন্যান্য ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের অনুরূপ; হাড়ের খনিজ গঠনের সাথে সাদৃশ্যের ভিত্তিতে এটি বিপণন করা হলেও, নিয়ন্ত্রিত ক্লিনিক্যাল প্রমাণ প্রচলিত ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের চেয়ে উন্নত শোষণ বা কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত করে না।
| নির্দেশনা/জনগোষ্ঠী | Reef-D Vita-এর সাধারণ মাত্রা |
|---|---|
| প্রাপ্তবয়স্কদের ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি পরিপূরক | দিনে একবার বা দুইবার একটি ট্যাবলেট (মাত্রা নির্দিষ্ট পণ্যের এলিমেন্টাল ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি৩ পরিমাণের উপর নির্ভরশীল), পর্যাপ্ত পানিসহ, শোষণ বৃদ্ধি ও পাকস্থলীর অস্বস্তি কমাতে খাবারের সাথে বা পরে গ্রহণ করা ভালো। |
| অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ/সহায়ক চিকিৎসা | চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী দিনে একবার বা দুইবার একটি ট্যাবলেট, সাধারণত পর্যাপ্ত খাদ্যে ক্যালসিয়াম গ্রহণ, ওজন-বহনকারী ব্যায়াম এবং প্রয়োজনে নির্দিষ্ট অস্টিওপোরোসিস-বিরোধী চিকিৎসার সাথে সমন্বয়ে। |
| ইফারভেসেন্ট ট্যাবলেট ফর্মুলেশন | একটি ট্যাবলেট এক গ্লাস পানিতে সম্পূর্ণভাবে দ্রবীভূত করে পান করুন; ইফারভেসেন্ট ট্যাবলেট চিবিয়ে বা গোটা গিলে খাবেন না। |
| গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকাল | চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, সাধারণত প্রস্তাবিত দৈনিক ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণের সীমা অতিক্রম না করে (দেখুন গর্ভাবস্থায়_ও_স্তন্যদানকালে অংশ)। |
Reef-D Vita-এর সঠিক মাত্রা রোগীর প্রাথমিক ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি অবস্থা, খাদ্যাভ্যাস এবং নির্দিষ্ট পণ্যের এলিমেন্টাল ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি৩ পরিমাণের উপর নির্ভর করে পৃথকভাবে নির্ধারণ করতে হবে; সর্বদা চিকিৎসকের নির্দেশনা বা পণ্যের লেবেল অনুসরণ করুন।
Reef-D Vita-এর নিম্নলিখিত ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:
Coral Calcium + Vitamin D3 নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ:
Reef-D Vita-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো সাধারণত হালকা এবং পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত:
কম দেখা যায় এমন প্রভাবের মধ্যে রয়েছে ডায়রিয়া, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, মাথাব্যথা এবং ঝিমুনি। বিরল ক্ষেত্রে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া (ত্বকে র্যাশ, চুলকানি) হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী উচ্চ মাত্রায় ব্যবহারে বা প্রবণতাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে, যার লক্ষণ হলো কোষ্ঠকাঠিন্য, ক্ষুধামন্দা, তৃষ্ণা এবং গুরুতর ক্ষেত্রে অনিয়মিত হৃদস্পন্দন (দেখুন মাত্রাধিক্যতা ও সতর্কতা অংশ)।
Reef-D Vita গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে শুধুমাত্র স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলেই ব্যবহার করা উচিত, প্রস্তাবিত দৈনিক ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণের সীমার মধ্যে থেকে, এবং সম্ভাব্য উপকারিতা সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। গর্ভাবস্থায় মায়ের অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি গ্রহণ ভ্রূণের হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকির সাথে সম্পর্কিত হতে পারে এবং তা এড়ানো উচিত। ঘাটতি সংশোধনের জন্য প্রস্তাবিত মাত্রায় Reef-D Vita টেরাটোজেনিক (জন্মগত ত্রুটি সৃষ্টিকারী) বলে প্রমাণিত হয়নি। ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি উভয়ই বুকের দুধে প্রবেশ করে; প্রকৃত ঘাটতি থাকলে প্রস্তাবিত মাত্রায় স্তন্যদানকালে ব্যবহার সাধারণত গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়, তবে মায়ের মোট গ্রহণ (শিশুকে সরাসরি দেওয়া সাপ্লিমেন্টসহ) বিবেচনায় নেওয়া উচিত এবং চিকিৎসকের নির্দেশনায় মাত্রা নির্ধারণ করা উচিত।
Reef-D Vita-এর ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত সতর্কতা প্রযোজ্য:
Reef-D Vita-এর অতিরিক্ত গ্রহণে হাইপারভিটামিনোসিস ডি এবং হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে। লক্ষণগুলোর মধ্যে থাকতে পারে ক্ষুধামন্দা, অতিরিক্ত তৃষ্ণা, বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটে ব্যথা, পেশী দুর্বলতা, ক্লান্তি, মানসিক বিভ্রান্তি বা অন্যান্য মানসিক পরিবর্তন, ঘন ঘন প্রস্রাব, হাড়ে ব্যথা, এবং গুরুতর বা দীর্ঘস্থায়ী ক্ষেত্রে কিডনিতে পাথর, নেফ্রোক্যালসিনোসিস, হৃদস্পন্দনের অনিয়ম, এবং অপরিবর্তনীয় কিডনি বা নরম টিস্যু ক্যালসিফিকেশন। Reef-D Vita-এর অতিরিক্ত গ্রহণ সন্দেহ হলে সাথে সাথে সেবন বন্ধ করুন এবং অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; নিজে থেকে কোনো নির্দিষ্ট ঘরোয়া চিকিৎসা করবেন না। ব্যবস্থাপনা সহায়ক এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে হওয়া উচিত, প্রয়োজন অনুযায়ী সিরাম ক্যালসিয়াম, কিডনি কার্যক্ষমতা এবং হৃদযন্ত্রের অবস্থা পর্যবেক্ষণসহ।
ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
Reef-D Vita শিশুদের ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি ঘাটতি, রিকেটস, বা অপর্যাপ্ত খাদ্য গ্রহণজনিত সমস্যায় ব্যবহার করা যেতে পারে, যেখানে মাত্রা বয়স, ওজন এবং শিশুর প্রাথমিক ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি অবস্থা অনুযায়ী সমন্বয় করা হয়; ছোট শিশুদের জন্য সঠিক মাত্রা ও ফর্মুলেশন একজন শিশু বিশেষজ্ঞের নির্ধারণ করা উচিত।
বয়স্ক রোগী, বিশেষত যাদের কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেছে বা যারা কার্ডিয়াক গ্লাইকোসাইড বা মূত্রবর্ধক গ্রহণ করছেন, তাদের ক্ষেত্রে Reef-D Vita নিবিড় চিকিৎসা তত্ত্বাবধানে এবং নিয়মিত সিরাম ক্যালসিয়াম ও কিডনি কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণসহ ব্যবহার করা উচিত।
গুরুতর কিডনি অপ্রতুলতাযুক্ত রোগীদের ভিটামিন ডি বিপাক ব্যাহত হওয়া এবং হাইপারক্যালসেমিয়া ও নরম টিস্যু ক্যালসিফিকেশনের ঝুঁকি বৃদ্ধির কারণে Reef-D Vita এড়ানো উচিত (দেখুন প্রতিনির্দেশনা); হালকা থেকে মাঝারি কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের মাত্রা পৃথকভাবে নির্ধারণ ও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
লিভারের সমস্যার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের কোনো সুপ্রতিষ্ঠিত নির্দেশনা নেই; যেহেতু ভিটামিন ডি৩ সক্রিয় হতে লিভারে হাইড্রক্সিলেশন প্রয়োজন, তাই উল্লেখযোগ্য লিভার রোগে আক্রান্ত রোগীদের Reef-D Vita সতর্কতার সাথে এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত।
Q: Reef-D Vita 600 mg+400 IU Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Reef-D Vita 600 mg+400 IU Tablet ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায়, এবং খাদ্যাভ্যাস ও অন্যান্য নির্ধারিত চিকিৎসার পাশাপাশি অস্টিওপোরোসিস, অস্টিওম্যালেসিয়া ও রিকেটস প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়।
Q: প্রবাল-উৎসের ক্যালসিয়াম কি সাধারণ ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের চেয়ে ভালোভাবে শোষিত হয়?
A: না, Reef-D Vita 600 mg+400 IU Tablet-এ থাকা প্রবাল (সামুদ্রিক) উৎসের ক্যালসিয়াম সাধারণ ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের চেয়ে ভালোভাবে শোষিত হয় বা বেশি কার্যকর—এমন শক্তিশালী ক্লিনিক্যাল প্রমাণ নেই; একে একটি প্রচলিত ক্যালসিয়াম কার্বোনেট ও ভিটামিন ডি৩ সাপ্লিমেন্ট হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত।
Q: আমি কি অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে Reef-D Vita 600 mg+400 IU Tablet নিতে পারি?
A: Reef-D Vita 600 mg+400 IU Tablet-এর ক্যালসিয়াম টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিকের শোষণ কমাতে পারে। এই অ্যান্টিবায়োটিকগুলো Reef-D Vita 600 mg+400 IU Tablet গ্রহণের কমপক্ষে ২ ঘণ্টা আগে বা ৪-৬ ঘণ্টা পরে নিন, অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিন।
Q: গর্ভাবস্থায় Reef-D Vita 600 mg+400 IU Tablet কি নিরাপদ?
A: Reef-D Vita 600 mg+400 IU Tablet গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং প্রস্তাবিত দৈনিক ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণের সীমার মধ্যে ব্যবহার করা উচিত, কারণ অতিরিক্ত গ্রহণে ভ্রূণের হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: কাদের Reef-D Vita 600 mg+400 IU Tablet নেওয়া উচিত নয়?
A: হাইপারক্যালসেমিয়া, হাইপারভিটামিনোসিস ডি, হাইপারক্যালসিউরিয়া/কিডনিতে পাথর, গুরুতর কিডনি সমস্যা, অথবা ক্যালসিয়াম কার্বোনেট বা ভিটামিন ডি৩-এর প্রতি জানা অতি সংবেদনশীলতাযুক্ত ব্যক্তিদের Reef-D Vita 600 mg+400 IU Tablet নেওয়া উচিত নয় (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।
Q: Reef-D Vita 600 mg+400 IU Tablet বেশি খেয়ে ফেললে কী হবে?
A: Reef-D Vita 600 mg+400 IU Tablet-এর অতিরিক্ত গ্রহণে হাইপারক্যালসেমিয়া ও হাইপারভিটামিনোসিস ডি হতে পারে, যার লক্ষণ হলো বমি বমি ভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য, অতিরিক্ত তৃষ্ণা, মানসিক বিভ্রান্তি, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে কিডনির ক্ষতি বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন। অতিরিক্ত গ্রহণের সন্দেহ হলে সেবন বন্ধ করে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।