Product gallery

Roxicil750 mg/vial

IM/IV Injection

Cefuroxime Axetil

MRP ১৭০.৫১% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১৬১.৯৮/750 mg vial
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Roxicil একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের ওরাল সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক প্রোড্রাগ, যা সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্ট বিভিন্ন সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার

  • গলা ব্যথা ও টনসিলাইটিস
  • একিউট ব্যাকটেরিয়াল ওটাইটিস মিডিয়া (কানের সংক্রমণ)
  • একিউট ব্যাকটেরিয়াল সাইনুসাইটিস
  • ক্রনিক ব্রংকাইটিসের একিউট এক্সাসারবেশন
  • ত্বক ও ত্বকের গঠনগত সংক্রমণ
  • জটিলতাহীন ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (UTI)
  • জটিলতাহীন গনোরিয়া
  • প্রাথমিক পর্যায়ের লাইম ডিজিজ

গাইডলাইন-সমর্থিত ব্যবহার

  • কমিউনিটি-অ্যাকোয়ার্ড নিউমোনিয়া (প্রয়োজনে অন্য থেরাপির সাথে সংমিশ্রণে)
  • হাড় ও জয়েন্টের সংক্রমণে প্রাথমিক ইনজেকশন থেরাপির পর ধাপে ধাপে মুখে খাওয়ার থেরাপি হিসেবে

শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে Roxicil ব্যবহার করা উচিত, যাতে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি না হয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Roxicil দ্বিতীয় প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন গোত্রের একটি বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিক।

ফার্মাকোলজি

Cefuroxime Axetil একটি নিষ্ক্রিয় প্রোড্রাগ, যা শোষণের সময় ও পরে হাইড্রোলাইসিসের মাধ্যমে সক্রিয় উপাদান সেফুরক্সিমে রূপান্তরিত হয়।

কার্যপ্রণালী

সেফুরক্সিম ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের পেনিসিলিন-বাইন্ডিং প্রোটিন (PBP)-এর সাথে যুক্ত হয়ে পেপটাইডোগ্লাইক্যান সংশ্লেষণের ক্রস-লিংকিং ধাপ বাধাগ্রস্ত করে, ফলে কোষ প্রাচীর দুর্বল হয়ে ব্যাকটেরিয়া কোষ ধ্বংস হয়ে যায়। এই কারণে Cefuroxime Axetil ব্যাকটেরিয়াসাইডাল (bactericidal) হিসেবে কাজ করে।

কার্যক্ষেত্র

Cefuroxime Axetil অনেক গ্রাম-পজিটিভ (যেমন Streptococcus pyogenes, Streptococcus pneumoniae) এবং গ্রাম-নেগেটিভ (যেমন Haemophilus influenzae, E. coli) ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকর, এমনকি কিছু বিটা-ল্যাকটামেজ উৎপাদনকারী স্ট্রেইনের বিরুদ্ধেও।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স

খাবারের সাথে সেবন করলে Cefuroxime Axetil-এর শোষণ বৃদ্ধি পায়। এটি মূলত কিডনির মাধ্যমে অপরিবর্তিত অবস্থায় নির্গত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Roxicil-এর মাত্রা ও চিকিৎসার মেয়াদ সংক্রমণের ধরন ও তীব্রতার উপর নির্ভর করে। ট্যাবলেট ও সাসপেনশন ফর্মুলেশন একে অপরের বিকল্প হিসেবে ব্যবহারযোগ্য নয়।

রোগ/সংক্রমণপ্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রাশিশুদের মাত্রামেয়াদ
গলা ব্যথা/টনসিলাইটিস২৫০ মি.গ্রা. দিনে ২ বার২০ মি.গ্রা./কেজি/দিন (সর্বোচ্চ ৫০০ মি.গ্রা./দিন)১০ দিন
কানের সংক্রমণপ্রযোজ্য নয়৩০ মি.গ্রা./কেজি/দিন (সর্বোচ্চ ১০০০ মি.গ্রা./দিন)১০ দিন
সাইনুসাইটিস২৫০ মি.গ্রা. দিনে ২ বারপ্রাপ্তবয়স্কদের মতো (≥১৩ বছর)১০ দিন
ব্রংকাইটিস২৫০-৫০০ মি.গ্রা. দিনে ২ বারপ্রাপ্তবয়স্কদের মতো (≥১৩ বছর)১০ দিন
ত্বকের সংক্রমণ২৫০-৫০০ মি.গ্রা. দিনে ২ বারপ্রাপ্তবয়স্কদের মতো (≥১৩ বছর)১০ দিন
ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন২৫০ মি.গ্রা. দিনে ২ বারপ্রাপ্তবয়স্কদের মতো (≥১৩ বছর)৭-১০ দিন
গনোরিয়া১০০০ মি.গ্রা. একক মাত্রাপ্রাপ্তবয়স্কদের মতো (≥১৩ বছর)একক মাত্রা
লাইম ডিজিজ৫০০ মি.গ্রা. দিনে ২ বারপ্রাপ্তবয়স্কদের মতো (≥১৩ বছর)২০ দিন

Roxicil ট্যাবলেট খাবারের সাথে বা ছাড়া সেবন করা যায়, তবে খাবারের সাথে সেবন করলে শোষণ ভালো হয়। ট্যাবলেট পুরোটা গিলে খেতে হবে, ভেঙে বা চিবিয়ে খাওয়া উচিত নয়, কারণ এর স্বাদ তিক্ত। যারা ট্যাবলেট গিলতে পারেন না তাদের জন্য সাসপেনশন ফর্ম ব্যবহার করা উচিত।

সতর্কতা: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণ মাত্রায় Roxicil সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না, মাত্রা বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, বা অন্য কাউকে দেবেন না।

উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যায় (ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ৩০ মি.লি./মিনিটের কম) মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Roxicil-এর সাথে নিম্নলিখিত ঔষধের মিথষ্ক্রিয়াগুলো ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ:

  • এন্টাসিড, H2-ব্লকার, প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর: পাকস্থলীর অ্যাসিডিটি কমিয়ে দিলে Roxicil-এর শোষণ কমে যেতে পারে; প্রয়োজনে এন্টাসিড Roxicil সেবনের অন্তত ১ ঘণ্টা আগে বা ২ ঘণ্টা পরে নেওয়া উচিত।
  • প্রোবেনিসিড: কিডনিতে সেফুরক্সিমের নিঃসরণ বাধাগ্রস্ত করে রক্তে এর মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে; চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া Roxicil-এর সাথে একসাথে ব্যবহার করা উচিত নয়।
  • হরমোনজনিত জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি: অন্যান্য অ্যান্টিবায়োটিকের মতো Roxicil তাত্ত্বিকভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির কার্যকারিতা কমাতে পারে; চিকিৎসার সময় বাড়তি সতর্কতা হিসেবে অন্য পদ্ধতি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে।
  • ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় প্রভাব: Roxicil প্রস্রাবের গ্লুকোজ পরীক্ষায় (কপার-রিডাকশন পদ্ধতি) মিথ্যা-পজিটিভ ফলাফল দিতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

Cefuroxime Axetil নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:

  • যাদের Cefuroxime Axetil, সেফুরক্সিম বা অন্য যেকোনো সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি জানা অতিসংবেদনশীলতা (এলার্জি) আছে।
  • যাদের পেনিসিলিন বা অন্য বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি তীব্র (যেমন অ্যানাফাইল্যাক্টিক) এলার্জির ইতিহাস আছে, ক্রস-রিয়্যাকশনের সম্ভাবনার কারণে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Roxicil সাধারণত ভালোভাবে সহ্য হয়। সম্ভাব্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো হলো:

সাধারণ

  • ডায়রিয়া
  • বমি বমি ভাব ও বমি
  • পেটে অস্বস্তি
  • মাথাব্যথা
  • যোনিতে চুলকানি বা প্রদাহ (মহিলাদের ক্ষেত্রে)

কম সাধারণ

  • ত্বকে র‍্যাশ বা আমবাত
  • লিভার এনজাইমের সাময়িক বৃদ্ধি
  • ইওসিনোফিলিয়া

বিরল কিন্তু গুরুতর

  • তীব্র অ্যালার্জি/অ্যানাফাইল্যাক্সিস
  • স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম
  • ক্লস্ট্রিডিওয়াইডিস ডিফিসাইল-জনিত ডায়রিয়া/কোলাইটিস (সতর্কতা অংশ দ্রষ্টব্য)
  • খিঁচুনি (সাধারণত অতি উচ্চমাত্রায় বা কিডনি সমস্যায়)

Roxicil সেবনকালে তীব্র র‍্যাশ, শ্বাসকষ্ট, ফোলাভাব বা দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে গর্ভাবস্থায় Roxicil ব্যবহার করা উচিত। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি বৃদ্ধির প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই। গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তন্যদান: সেফুরক্সিম অল্প পরিমাণে বুকের দুধে নির্গত হয়। স্তন্যদানকালে Roxicil সতর্কতার সাথে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত, শিশুর মধ্যে ডায়রিয়া বা মুখের ছত্রাক সংক্রমণের লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

সতর্কতা

অতিসংবেদনশীলতা: সেফালোস্পোরিন গ্রুপের ঔষধে গুরুতর ও কদাচিৎ প্রাণঘাতী অ্যানাফাইল্যাক্টিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে; এমন লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে Roxicil বন্ধ করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। পেনিসিলিন এলার্জির ইতিহাস থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন (প্রতিনির্দেশনা দ্রষ্টব্য)।

সি.ডিফিসাইল-জনিত ডায়রিয়া: প্রায় সব অ্যান্টিবায়োটিকের মতো Roxicilও হালকা ডায়রিয়া থেকে শুরু করে গুরুতর কোলাইটিস পর্যন্ত সৃষ্টি করতে পারে। চিকিৎসাকালে বা পরে ডায়রিয়া হলে চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন।

সুপারইনফেকশন: দীর্ঘমেয়াদী Roxicil ব্যবহারে অসংবেদনশীল জীবাণু বা ছত্রাকের অতিরিক্ত বৃদ্ধি ঘটতে পারে।

শোষণ ও খাবার: খাবারের সাথে সেবন করলে Roxicil-এর শোষণ বৃদ্ধি পায়; বিশেষ করে বেশি মাত্রায় খাবারের সাথে সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয়।

কিডনি সমস্যা: উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যায় Roxicil-এর মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন।

অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সতর্কতা: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণ মাত্রায় Roxicil সেবন করুন; নিজে থেকে বন্ধ করবেন না, মাত্রা বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, বা অন্য কাউকে দেবেন না, কারণ ভুল ব্যবহার অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে পারে।

ল্যাবরেটরি প্রভাব: কিছু গ্লুকোজ ও কুম্বস পরীক্ষায় ভুল ফলাফল দিতে পারে (মিথষ্ক্রিয়া অংশ দ্রষ্টব্য)।

মাত্রাধিক্যতা

Roxicil-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনে মস্তিষ্কের উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং বিশেষত কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে খিঁচুনি হতে পারে। এর নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক (antidote) নেই। Roxicil-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। গুরুতর ক্ষেত্রে হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে রক্তে এর মাত্রা কমানো যেতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বাড়িতে নিজে থেকে অতিরিক্ত মাত্রার চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

Roxicil ট্যাবলেট ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। রিকনস্টিটিউটেড সাসপেনশন ব্যবহার করলে তা ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন এবং লেবেলে উল্লেখিত সময়ের (সাধারণত ১০ দিন) পরে অবশিষ্ট অংশ ফেলে দিন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে: ৩ মাস বা তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ইনডিকেশনের জন্য Roxicil ব্যবহারের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত; ওজন অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারণ করতে হয় (সাধারণত ২০-৩০ মি.গ্রা./কেজি/দিন, দুই ভাগে বিভক্ত)। ৩ মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ট্যাবলেট গিলতে অক্ষম শিশুদের জন্য সাসপেনশন ফর্ম ব্যবহার করা উচিত।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে: তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় বয়স্কদের ক্ষেত্রে সার্বিক নিরাপত্তা বা কার্যকারিতায় উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা যায়নি, তবে বয়স্কদের কিডনি কার্যক্ষমতা কম থাকার আশঙ্কায় মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে। Roxicil ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Roxicil 750 mg/vial IM/IV Injection কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Roxicil 750 mg/vial IM/IV Injection একটি অ্যান্টিবায়োটিক যা গলা ব্যথা, কানের সংক্রমণ, সাইনুসাইটিস, ব্রংকাইটিস, ত্বকের সংক্রমণ, ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন, জটিলতাহীন গনোরিয়া এবং প্রাথমিক পর্যায়ের লাইম ডিজিজের মতো সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

Q: Roxicil 750 mg/vial IM/IV Injection কীভাবে সেবন করতে হয়?

A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সাধারণত দিনে দুইবার Roxicil 750 mg/vial IM/IV Injection সেবন করুন। ট্যাবলেট পানি দিয়ে পুরোটা গিলে খান, ভেঙে বা চিবিয়ে খাবেন না। খাবারের সাথে সেবন করলে শোষণ ভালো হয়। উপসর্গ কমে গেলেও পুরো কোর্স সম্পন্ন করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ, বৃদ্ধি, বাদ বা অন্য কাউকে দেবেন না।

Q: পেনিসিলিনে এলার্জি থাকলে কি Roxicil 750 mg/vial IM/IV Injection নেওয়া যাবে?

A: পেনিসিলিন বা অন্য বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিকে তীব্র এলার্জির ইতিহাস থাকলে ক্রস-রিয়্যাকশনের ঝুঁকির কারণে Roxicil 750 mg/vial IM/IV Injection এড়িয়ে চলা উচিত। শুরু করার আগে চিকিৎসককে আপনার এলার্জির ইতিহাস জানান।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Roxicil 750 mg/vial IM/IV Injection কি নিরাপদ?

A: শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে গর্ভাবস্থায় Roxicil 750 mg/vial IM/IV Injection ব্যবহার করা যেতে পারে; স্তন্যদানকালেও সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ এটি অল্প পরিমাণে বুকের দুধে যায়। ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: Roxicil 750 mg/vial IM/IV Injection-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: Roxicil 750 mg/vial IM/IV Injection-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, বমি, পেটে অস্বস্তি, মাথাব্যথা এবং যোনিতে চুলকানি। তীব্র এলার্জি প্রতিক্রিয়া, তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, বা অস্বাভাবিক র‍্যাশ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: ডোজ মিস হলে বা বেশি সেবন করলে কী করব?

A: Roxicil 750 mg/vial IM/IV Injection-এর কোনো ডোজ মিস হলে মনে পড়ার সাথে সাথে সেবন করুন, তবে পরবর্তী ডোজের সময় কাছাকাছি হলে মিসড ডোজ বাদ দিন এবং দ্বিগুণ মাত্রা নেবেন না। অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor