Product gallery
MRP ২.৭৭% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ২.৫৫/piece
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

T-zol একটি সিন্থেটিক নাইট্রোইমিডাজল অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ওষুধ, যা নির্দিষ্ট কিছু পরজীবী ও অ্যানেরোবিক ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • ট্রাইকোমোনিয়াসিসTrichomonas vaginalis দ্বারা সৃষ্ট মূত্র-জননতন্ত্রের সংক্রমণে; পুনরায় সংক্রমণ প্রতিরোধে যৌনসঙ্গীকেও একই সাথে চিকিৎসা দিতে হয়।
  • জিয়ার্ডিয়াসিসGiardia পরজীবীজনিত সংক্রমণে।
  • অন্ত্রের অ্যামিবিয়াসিসEntamoeba histolytica সংক্রমণে।
  • অ্যামিবিক লিভার অ্যাবসেস – সাধারণত অন্ত্রের সিস্ট নির্মূলে অতিরিক্ত ওষুধের সাথে সংমিশ্রণে ব্যবহৃত হয়।
  • ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস – গর্ভবতী নন এমন নারীদের ক্ষেত্রে।

T-zol ভাইরাসজনিত সংক্রমণে কার্যকর নয় এবং সেক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

নাইট্রোইমিডাজল গোত্রের অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ওষুধ (T-zol একটি 5-নাইট্রোইমিডাজল ডেরিভেটিভ)।

ফার্মাকোলজি

Tinidazole অ্যানেরোবিক প্রোটোজোয়া ও সংবেদনশীল অ্যানেরোবিক ব্যাকটেরিয়ার কোষে প্রবেশ করে, যেখানে এর নাইট্রো গ্রুপ কোষের ভেতরের ইলেকট্রন-ট্রান্সপোর্ট প্রোটিন দ্বারা বিজারিত হয়ে বিষাক্ত মধ্যবর্তী পদার্থ তৈরি করে, যা জীবাণুর DNA-কে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং নিউক্লিক অ্যাসিড সংশ্লেষণ বন্ধ করে দিয়ে কোষমৃত্যু ঘটায়।

মুখে সেবনের পর Tinidazole দ্রুত ও প্রায় সম্পূর্ণভাবে শোষিত হয়, প্রায় ২ ঘণ্টার মধ্যে সর্বোচ্চ প্লাজমা ঘনত্বে পৌঁছায় এবং এর অর্ধ-জীবন প্রায় ১২–১৪ ঘণ্টা, যা মেট্রোনিডাজলের চেয়ে দীর্ঘ। এটি লিভারে বিপাকিত হয় এবং মূত্র ও মলের মাধ্যমে নির্গত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

T-zol-এর মাত্রা রোগ অনুযায়ী ভিন্ন হয়। পাকস্থলীর অস্বস্তি কমাতে খাবারের সাথে এটি সেবন করা উচিত।

রোগপ্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রাশিশুদের মাত্রা
ট্রাইকোমোনিয়াসিসএকবারে ২ গ্রাম (যৌনসঙ্গীকেও একই সাথে চিকিৎসা দিতে হবে)৩ বছরের কম বয়সে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়
জিয়ার্ডিয়াসিসএকবারে ২ গ্রাম৩ বছর বা তার বেশি: ৫০ মিগ্রা/কেজি (সর্বোচ্চ ২ গ্রাম) একবারে
অন্ত্রের অ্যামিবিয়াসিসদৈনিক ২ গ্রাম, ৩ দিন৩ বছর বা তার বেশি: দৈনিক ৫০ মিগ্রা/কেজি (সর্বোচ্চ ২ গ্রাম), ৩ দিন
অ্যামিবিক লিভার অ্যাবসেসদৈনিক ২ গ্রাম, ৩–৫ দিন৩ বছর বা তার বেশি: দৈনিক ৫০ মিগ্রা/কেজি (সর্বোচ্চ ২ গ্রাম), ৩–৫ দিন
ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিসদৈনিক ২ গ্রাম, ২ দিন অথবা দৈনিক ১ গ্রাম, ৫ দিনপ্রযোজ্য নয়

সতর্কতা: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী T-zol সঠিকভাবে সেবন করুন; নিজে থেকে বন্ধ করবেন না, মাত্রা বাড়াবেন না, কোনো ডোজ বাদ দেবেন না, এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অন্য কাউকে এই ওষুধ দেবেন না।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

  • অ্যালকোহল: T-zol সেবনকালে ও শেষ মাত্রার পর অন্তত ৩ দিন অ্যালকোহল পান করলে ডিসালফিরামের মতো প্রতিক্রিয়া (মুখ লাল হওয়া, হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি, বমি বমি ভাব) হতে পারে।
  • ডিসালফিরাম: ডিসালফিরাম সেবনরত বা তা বন্ধ করার ২ সপ্তাহের মধ্যে T-zol ব্যবহার নিষিদ্ধ, কারণ এতে মানসিক বিভ্রান্তি ও সাইকোটিক প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে।
  • ওয়ারফারিন: T-zol ওয়ারফারিনের বিপাক ধীর করে দিতে পারে, ফলে রক্ত পাতলাকারী প্রভাব বেড়ে যেতে পারে; INR পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • এনজাইম-প্ররোচক ওষুধ (যেমন ফেনাইটোইন, ফেনোবারবিটাল): এগুলো T-zol-এর কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে।
  • এনজাইম-নিরোধক ওষুধ (যেমন সিমেটিডিন): এগুলো রক্তে T-zol-এর ঘনত্ব বাড়িয়ে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • লিথিয়াম ও সাইক্লোস্পোরিন: T-zol এই ওষুধগুলোর রক্তের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে; একসাথে ব্যবহার করলে পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

প্রতিনির্দেশনা

  • Tinidazole অথবা অন্য কোনো নাইট্রোইমিডাজল জাতীয় ওষুধের (যেমন মেট্রোনিডাজল) প্রতি অতি সংবেদনশীলতা থাকলে।
  • গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে।
  • ডিসালফিরাম সেবনরত অবস্থায় বা তা বন্ধ করার ২ সপ্তাহের মধ্যে, কারণ এতে সাইকোটিক প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

T-zol সেবনে অধিকাংশ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মৃদু ও সাময়িক হয়ে থাকে।

সাধারণ

  • মুখে ধাতব বা তেতো স্বাদ
  • বমি বমি ভাব, বমি, ক্ষুধামান্দ্য, পেটের উপরিভাগে অস্বস্তি
  • মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরা
  • প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হওয়া

বিরল কিন্তু গুরুতর (চিকিৎসকের পরামর্শ নিন)

  • দীর্ঘমেয়াদি বা বারবার সেবনে পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি (হাত-পা অবশ বা ঝিনঝিন করা)
  • খিঁচুনি বা সাময়িক স্নায়বিক সমস্যা (বিরল)
  • রক্তকণিকা সংক্রান্ত সমস্যা (যেমন লিউকোপেনিয়া, বিরল)
  • অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া যেমন ফুসকুড়ি, চুলকানি, বিরল ক্ষেত্রে এনজিওএডিমা

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে T-zol ব্যবহার নিষিদ্ধ। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে শুধুমাত্র চিকিৎসকের মতে সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই ব্যবহার করা উচিত।

স্তন্যদান: T-zol বুকের দুধে নির্গত হয়। চিকিৎসার সময় এবং শেষ মাত্রার পর অন্তত ৩ দিন স্তন্যদান বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়; এ বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

  • অ্যালকোহল: T-zol সেবনকালে ও শেষ মাত্রার পর অন্তত ৩ দিন অ্যালকোহল পরিহার করুন।
  • স্নায়বিক রোগ/খিঁচুনির ইতিহাস: এমন রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন; অস্বাভাবিক স্নায়বিক লক্ষণ দেখা দিলে ওষুধ বন্ধ করুন।
  • রক্তকণিকা সংক্রান্ত সমস্যা: দীর্ঘমেয়াদি বা বারবার কোর্সে CBC পরীক্ষা করে পর্যবেক্ষণ করুন।
  • লিভারের সমস্যা: গুরুতর লিভার সমস্যায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন এবং প্রয়োজনে মাত্রা কমাতে হতে পারে।
  • সতর্কতা: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী T-zol সঠিকভাবে সেবন করুন; নিজে থেকে বন্ধ করবেন না, মাত্রা বাড়াবেন না বা কমাবেন না, কোনো ডোজ বাদ দেবেন না, এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অন্য কাউকে এই ওষুধ দেবেন না। T-zol ভাইরাসজনিত সংক্রমণে কার্যকর নয়। ট্রাইকোমোনিয়াসিসের ক্ষেত্রে পুনরায় সংক্রমণ ঠেকাতে যৌনসঙ্গীকেও একই সাথে চিকিৎসা দিন।

মাত্রাধিক্যতা

T-zol-এর অতিরিক্ত মাত্রার সুনির্দিষ্ট তথ্য সীমিত। অতিরিক্ত মাত্রায় বমি বমি ভাব, বমি ও পেটে অস্বস্তি হতে পারে। এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই।

অতিরিক্ত মাত্রা সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা মূলত উপসর্গ অনুযায়ী সহায়ক হয়ে থাকে।

সংরক্ষণ

৩০°সে তাপমাত্রার নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

T-zol ৩ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে জিয়ার্ডিয়াসিস, অন্ত্রের অ্যামিবিয়াসিস ও অ্যামিবিক লিভার অ্যাবসেসের চিকিৎসায় ওজন অনুসারে (৫০ মিগ্রা/কেজি, সর্বোচ্চ ২ গ্রাম) ব্যবহৃত হয়। ট্রাইকোমোনিয়াসিস ও ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিসে শিশুদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়, এবং ৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে কোনো নির্দেশনায়ই T-zol সুপারিশ করা হয় না।

স্বাভাবিক কিডনি ও লিভার কার্যক্ষমতাসম্পন্ন বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্কদের স্বাভাবিক মাত্রা ব্যবহার করা যায়, তবে সহনশীলতার জন্য পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। ডায়ালাইসিসে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে ডায়ালাইসিসের পর অতিরিক্ত মাত্রা প্রয়োজন হতে পারে।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: T-zol 500 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: T-zol 500 mg Tablet একটি অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ওষুধ, যা ট্রাইকোমোনিয়াসিস, জিয়ার্ডিয়াসিস, অন্ত্রের অ্যামিবিয়াসিস, অ্যামিবিক লিভার অ্যাবসেস ও ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

Q: T-zol 500 mg Tablet সেবনকালে কি অ্যালকোহল পান করা যাবে?

A: না। T-zol 500 mg Tablet সেবনকালে এবং শেষ মাত্রার পর অন্তত ৩ দিন অ্যালকোহল পরিহার করতে হবে, কারণ এতে ডিসালফিরামের মতো প্রতিক্রিয়া (মুখ লাল হওয়া, হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি, বমি বমি ভাব) হতে পারে।

Q: গর্ভাবস্থায় T-zol 500 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে T-zol 500 mg Tablet ব্যবহার নিষিদ্ধ। পরবর্তী ত্রৈমাসিকগুলোতে শুধু চিকিৎসকের মতে প্রয়োজন হলেই ব্যবহার করা যেতে পারে।

Q: ট্রাইকোমোনিয়াসিস হলে কি সঙ্গীরও চিকিৎসা নিতে হবে?

A: হ্যাঁ। পুনরায় সংক্রমণ ঠেকাতে যৌনসঙ্গীকেও একই সাথে T-zol 500 mg Tablet দিয়ে চিকিৎসা দিতে হবে, উপসর্গ না থাকলেও।

Q: একবারের ডোজ মিস হলে বা কোর্স মাঝপথে বন্ধ করলে কী হবে?

A: T-zol 500 mg Tablet প্রায়ই একবারের ডোজ বা স্বল্পমেয়াদি কোর্স হিসেবে দেওয়া হয়; চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট মাত্রা সেবন করুন এবং সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করুন। কোনো মাত্রা মিস হলে নিজে থেকে দ্বিগুণ মাত্রা না নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: অতিরিক্ত মাত্রায় T-zol 500 mg Tablet সেবন করলে কী করব?

A: অতিরিক্ত মাত্রায় বমি বমি ভাব, বমি ও পেটে অস্বস্তি হতে পারে। সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; ঘরে নিজে চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor