Product gallery

Teargen5%

Ophthalmic Solution

Povidone Iodine

MRP ৯০.২৯১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৮১.২৬/10 ml drop
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Teargen একটি বিস্তৃত-বর্ণালী টপিক্যাল অ্যান্টিসেপটিক, যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

  • অস্ত্রোপচার বা ইনজেকশনের আগে ত্বক জীবাণুমুক্তকরণ (প্রি-অপারেটিভ স্কিন প্রিপারেশন)।
  • ছোটখাটো কাটা-ছেঁড়া, ক্ষত ও পোড়া স্থানে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও পরিচর্যা।
  • নির্দিষ্টভাবে গার্গল/মাউথওয়াশ হিসেবে লেবেলকৃত প্রস্তুতিতে মুখ ও গলার সংক্রমণ প্রতিরোধে সাময়িক ব্যবহার।
  • কিছু ক্ষেত্রে (চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী) ভ্যাজাইনাল অ্যান্টিসেপসিসের জন্য জেল ফর্মুলেশন।

Teargen কোনো সিস্টেমিক অ্যান্টিবায়োটিক নয়; এটি শুধুমাত্র প্রয়োগস্থলে জীবাণু ধ্বংস করে।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Teargen টপিক্যাল অ্যান্টিসেপটিক ও জীবাণুনাশক (আয়োডোফোর) শ্রেণির ওষুধ।

ফার্মাকোলজি

Povidone Iodine হলো আয়োডিন ও পভিডোন পলিমারের একটি জটিল যৌগ (আয়োডোফোর), যা ত্বক, মিউকাস মেমব্রেন বা ক্ষতস্থানের সংস্পর্শে এলে ধীরে ধীরে মুক্ত আয়োডিন নিঃসরণ করে। এই মুক্ত আয়োডিন জীবাণুর কোষপ্রাচীর ভেদ করে প্রোটিন, নিউক্লিওটাইড ও ফ্যাটি অ্যাসিডকে জারিত ও আয়োডিনযুক্ত করে, ফলে জীবাণুর প্রোটিন সংশ্লেষণ ও কোষপ্রাচীরের গঠন ব্যাহত হয়ে জীবাণু ধ্বংস হয়।

এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে Povidone Iodine গ্রাম-পজিটিভ ও গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, ভাইরাস, প্রোটোজোয়া এবং ব্যাকটেরিয়াল স্পোরের বিরুদ্ধে কার্যকর।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Teargen-এর মাত্রা ও ব্যবহারবিধি প্রস্তুতির ধরন ও ব্যবহারের স্থান অনুযায়ী ভিন্ন হয়। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট স্থানের জন্য নির্ধারিত ফর্মুলেশনটি ব্যবহার করুন।

নির্দেশনা/ফর্মপ্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ ব্যবহারবিধিমন্তব্য
ছোট কাটা-ছেঁড়া/ত্বক জীবাণুমুক্তকরণ (সলিউশন, অয়েনমেন্ট, স্প্রে)স্থানটি পরিষ্কার করে দিনে ১-৩ বার পাতলা আস্তরণে Teargen প্রয়োগ করুন; শুকিয়ে গেলে জীবাণুমুক্ত ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢেকে রাখা যায়।চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া একটানা ৭ দিনের বেশি ব্যবহার করবেন না।
প্রি-অপারেটিভ/প্রি-ইনজেকশন ত্বক প্রস্তুতি (সলিউশন, স্ক্রাব)প্রক্রিয়ার আগে অস্ত্রোপচার/ইনজেকশন স্থানে Teargen প্রয়োগ করে শুকাতে দিন (সাধারণত ১-২ মিনিট)।স্বাস্থ্যকর্মীদের দ্বারা প্রতিষ্ঠানের নির্দেশিকা অনুযায়ী ব্যবহৃত হয়।
মুখ/গলার অ্যান্টিসেপসিস (১% গার্গল)প্রায় ১০ মিলি (প্রয়োজনে সমপরিমাণ কুসুম গরম পানির সাথে মিশিয়ে) দিয়ে ৩০ সেকেন্ড গার্গল করুন, দিনে সর্বোচ্চ ৪ বার।সর্বোচ্চ ১৪ দিন ব্যবহারযোগ্য; গিলে ফেলবেন না।

Teargen শুধুমাত্র বাহ্যিক/টপিক্যাল বা লেবেলে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখিত মিউকোসাল ব্যবহারের জন্য; এটি কখনো ইনজেকশন বা মুখে খাওয়ার জন্য নয়। বড় খোলা ক্ষত, গভীর ক্ষত বা মারাত্মক পোড়ার ওপর চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার এড়িয়ে চলুন (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন)।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Teargen-এর সাথে উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়াসমূহ:

  • লিথিয়াম: লিথিয়াম থেরাপির সাথে Teargen-এর নিয়মিত/দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ উভয়েই থাইরয়েড কার্যকারিতা প্রভাবিত করতে পারে এবং হাইপোথাইরয়েডিজমের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • অন্যান্য টপিক্যাল অ্যান্টিসেপটিক (যেমন হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, ক্লোরহেক্সিডিন, সিলভার বা মার্কারিযুক্ত প্রস্তুতি): একই স্থানে না ধুয়ে পরপর ব্যবহার করবেন না, কারণ এতে একে অপরের অ্যান্টিসেপটিক কার্যকারিতা নষ্ট হতে পারে বা জ্বালাপোড়া বাড়তে পারে।
  • থাইরয়েড ফাংশন টেস্ট/রেডিওআয়োডিন আপটেক টেস্ট: Teargen রক্তে শোষিত হয়ে থাইরয়েড পরীক্ষার ফলাফল প্রভাবিত করতে পারে; সাম্প্রতিক ব্যবহারের কথা চিকিৎসক/ল্যাবকে জানান।

প্রতিনির্দেশনা

Povidone Iodine নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়:

  • পভিডোন-আয়োডিন, আয়োডিন বা নির্দিষ্ট প্রস্তুতির যেকোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অতি-সংবেদনশীলতা (hypersensitivity) থাকলে।
  • রেডিওঅ্যাকটিভ আয়োডিন থেরাপি বা থাইরয়েড রেডিওআয়োডিন আপটেক স্ক্যানের আগে বা প্রস্তুতিকালে, কারণ Povidone Iodine থাইরয়েডকে আয়োডিন দিয়ে পরিপূর্ণ করে এই পরীক্ষা/চিকিৎসায় বাধা দিতে পারে।

থাইরয়েড রোগ, নবজাতকে ব্যবহার, গর্ভাবস্থা বা বড় ক্ষত/পোড়ায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে (সতর্কতা ও শিশু_ও_বয়স্কদের_ক্ষেত্রে_ব্যবহার অংশ দেখুন)।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Teargen নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবহার করলে সাধারণত ভালোভাবে সহনীয় হয়। সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

  • সাধারণ: প্রয়োগস্থলে সামান্য জ্বালাপোড়া, সাময়িক দাগ পড়া, হালকা চুলকানি।
  • কম সাধারণ: অ্যালার্জিক কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস (লালচেভাব, ফুসকুড়ি, ফোলাভাব)।
  • বিরল কিন্তু গুরুতর: মারাত্মক অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া (অ্যানাফাইল্যাক্সিসসহ); বড় খোলা ক্ষত বা মারাত্মক পোড়ায় দীর্ঘমেয়াদি/ব্যাপক ব্যবহারে সিস্টেমিক আয়োডিন শোষণজনিত মেটাবলিক অ্যাসিডোসিস, কিডনির কার্যকারিতা হ্রাস, বা থাইরয়েড কার্যকারিতার পরিবর্তন।

ফুসকুড়ি, তীব্র লালচেভাব, ফোলাভাব বা অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে Teargen ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: অক্ষত ত্বকের ছোট অংশে মাঝে মাঝে সীমিত ব্যবহারে Teargen-এর সিস্টেমিক শোষণ সাধারণত খুব কম থাকে বলে ঝুঁকি কম বলে মনে করা হয়। তবে নিয়মিত, দীর্ঘমেয়াদি বা ব্যাপক ব্যবহার (যেমন নিয়মিত ভ্যাজাইনাল ডুশ, নিয়মিত গার্গল, বা বড় ক্ষত/পোড়ায় প্রয়োগ) গর্ভাবস্থায় এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ শোষিত আয়োডিন প্লাসেন্টা অতিক্রম করে ভ্রূণের থাইরয়েড কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে। প্রকৃত প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই কেবল চিকিৎসকের পরামর্শে Teargen ব্যবহার করা উচিত।

স্তন্যদান: নিয়মিত বা ব্যাপক ব্যবহারে শোষিত আয়োডিন বুকের দুধে নির্গত হয়ে শিশুর থাইরয়েড কার্যকারিতা প্রভাবিত করতে পারে, বিশেষত স্তনবৃন্তের কাছাকাছি প্রয়োগ করলে। সীমিত স্থানে ব্যবহার করুন, স্তন্যদানের আগে স্তনবৃন্তে প্রয়োগ এড়িয়ে চলুন এবং নিয়মিত/ব্যাপক ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

Teargen শুধুমাত্র বাহ্যিক/টপিক্যাল ব্যবহারের জন্য, অথবা লেবেলে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখিত (যেমন গার্গল, ভ্যাজাইনাল জেল) মিউকোসাল ব্যবহারের জন্য; গিলে ফেলা বা ইনজেকশন দেওয়া যাবে না।

  • চোখের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন; ভুলবশত চোখে গেলে প্রচুর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • জ্বালাপোড়া, লালচেভাব বা অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে, অথবা কয়েক দিনের মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হলে বা খারাপ হলে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • বড় খোলা ক্ষত, গভীর বা ছিদ্রযুক্ত ক্ষত, অথবা মারাত্মক পোড়ায় দীর্ঘমেয়াদি বা বারবার প্রয়োগ এড়িয়ে চলুন, কারণ এতে সিস্টেমিক আয়োডিন শোষণ হতে পারে, যা থাইরয়েড রোগ, কিডনি সমস্যা, গর্ভবতী নারী, নবজাতক ও শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে উদ্বেগজনক।
  • থাইরয়েড রোগের (যেমন গলগণ্ড, হাশিমোটো থাইরয়ডাইটিস, হাইপারথাইরয়ডিজম) ইতিহাস থাকলে সতর্কতার সাথে এবং শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করুন।
  • নবজাতক ও শিশুদের ক্ষেত্রে সিস্টেমিক আয়োডিন শোষণ ও থাইরয়েড দমনের ঝুঁকি বেশি; শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে, সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় স্থানে ও সময়ে ব্যবহার করুন।
  • ভুলবশত গিলে ফেললে দ্রুত চিকিৎসকের সহায়তা নিন (মাত্রাধিক্যতা অংশ দেখুন)।

মাত্রাধিক্যতা

Teargen দুর্ঘটনাক্রমে গিলে ফেললে অথবা বড় ক্ষত/পোড়ায় ব্যাপক বা দীর্ঘমেয়াদি প্রয়োগে অতিরিক্ত সিস্টেমিক আয়োডিন শোষণ ঘটতে পারে। লক্ষণসমূহের মধ্যে থাকতে পারে: বমি বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া, মুখ ও গলার মিউকোসায় জ্বালা/পোড়াভাব, ধাতব স্বাদ, ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা, মেটাবলিক অ্যাসিডোসিস, কিডনির তীব্র ক্ষতি, রক্তসংবহনতন্ত্রের সমস্যা এবং থাইরয়েড কার্যকারিতার ব্যাঘাত।

দুর্ঘটনাক্রমে গিলে ফেললে বা সিস্টেমিক বিষক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা নিকটস্থ হাসপাতাল/পয়জন কন্ট্রোল সেন্টারে যোগাযোগ করুন। নিজে থেকে কোনো নির্দিষ্ট ঘরোয়া চিকিৎসা করবেন না।

সংরক্ষণ

ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°C-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, পাত্রের মুখ শক্তভাবে বন্ধ করে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

নবজাতক ও শিশু: বিশেষত অপরিণত (প্রিম্যাচিউর) নবজাতকদের ক্ষেত্রে সিস্টেমিক আয়োডিন শোষণ ও সাময়িক হাইপোথাইরয়ডিজমের ঝুঁকি বেশি থাকায় Teargen সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে; সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় স্থান ও সময়ে, শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করুন। ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ঘনীভূত পাউডার ফর্মুলেশন সাধারণত সুপারিশ করা হয় না। বড় শিশু ও কিশোরদের ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্কদের মতোই সতর্কতা অনুসরণ করা উচিত।

বয়স্করা: সাধারণ টপিক্যাল ব্যবহারের ক্ষেত্রে আলাদা মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই, তবে ত্বকের অখণ্ডতা ও থাইরয়েড রোগ সংক্রান্ত একই সতর্কতা মেনে চলতে হবে।

কিডনি সমস্যা: শোষিত আয়োডিনের নিঃসরণ কমে যাওয়ায় ব্যাপক বা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার এড়িয়ে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Teargen 5% Ophthalmic Solution কী কাজে ব্যবহার করা হয়?

A: Teargen 5% Ophthalmic Solution একটি টপিক্যাল অ্যান্টিসেপটিক, যা অস্ত্রোপচার বা ইনজেকশনের আগে ত্বক জীবাণুমুক্ত করতে, ছোট কাটা-ছেঁড়া ও ক্ষতের সংক্রমণ প্রতিরোধে এবং নির্দিষ্ট গার্গল/মাউথওয়াশ প্রস্তুতিতে মুখ-গলার সাময়িক অ্যান্টিসেপসিসে ব্যবহৃত হয়। সবসময় নির্দিষ্ট প্রোডাক্টের লেবেল অনুযায়ী ব্যবহার করুন।

Q: গভীর ক্ষত বা মারাত্মক পোড়ায় কি Teargen 5% Ophthalmic Solution ব্যবহার করা যাবে?

A: না। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গভীর ছিদ্রযুক্ত ক্ষত, প্রাণীর কামড় বা মারাত্মক পোড়ায় Teargen 5% Ophthalmic Solution প্রয়োগ করা উচিত নয়, কারণ ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক দিয়ে ব্যাপক আয়োডিন শোষণ হয়ে কিডনি ও থাইরয়েডের ওপর সিস্টেমিক প্রভাব পড়তে পারে।

Q: গর্ভাবস্থায় Teargen 5% Ophthalmic Solution ব্যবহার করা কি নিরাপদ?

A: অক্ষত ত্বকের ছোট অংশে মাঝে মাঝে সীমিত ব্যবহার সাধারণত কম ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হয়, তবে নিয়মিত, দীর্ঘমেয়াদি বা ব্যাপক ব্যবহার (যেমন ভ্যাজাইনাল ডুশ বা বড় ক্ষতে) গর্ভাবস্থায় এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ শোষিত আয়োডিন গর্ভস্থ শিশুর থাইরয়েডকে প্রভাবিত করতে পারে। প্রকৃত প্রয়োজন হলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই Teargen 5% Ophthalmic Solution ব্যবহার করুন।

Q: শিশু ও নবজাতকদের ক্ষেত্রে কি Teargen 5% Ophthalmic Solution ব্যবহার করা যায়?

A: বড় শিশুদের ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্কদের মতোই সতর্কতা মেনে Teargen 5% Ophthalmic Solution ব্যবহার করা যায়। তবে নবজাতক ও ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে এটি শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে এবং সর্বনিম্ন সময় ও স্থানে ব্যবহার করা উচিত, কারণ শিশুরা আয়োডিন সহজে শোষণ করে এবং থাইরয়েড কার্যকারিতার ওপর প্রভাব পড়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ঘনীভূত পাউডার ফর্মুলেশন সাধারণত সুপারিশ করা হয় না।

Q: ভুলবশত Teargen 5% Ophthalmic Solution গিলে ফেললে কী করব?

A: ভুলবশত Teargen 5% Ophthalmic Solution গিলে ফেললে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন অথবা পয়জন কন্ট্রোল সেন্টার/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন, বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে বমি করানোর চেষ্টা করবেন না।

Q: হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড বা ক্লোরহেক্সিডিনের সাথে কি একসাথে Teargen 5% Ophthalmic Solution ব্যবহার করা যায়?

A: হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, ক্লোরহেক্সিডিন বা সিলভার/মার্কারিযুক্ত অ্যান্টিসেপটিকের সাথে একই স্থানে না ধুয়ে পরপর Teargen 5% Ophthalmic Solution ব্যবহার না করাই ভালো, কারণ এতে একে অপরের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে বা জ্বালাপোড়া বাড়তে পারে। পণ্য পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে মাঝে স্থান ধুয়ে শুকিয়ে নিন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor