Product gallery
MRP ৮০.০০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৭৩.৬০/10 gm tube
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

ট্যাবলেট – অনাইকোমাইকোসিস (নখের ছত্রাক সংক্রমণ)

Terbifin ২৫০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট ডার্মাটোফাইট দ্বারা সৃষ্ট হাতের বা পায়ের নখের ছত্রাক সংক্রমণ (অনাইকোমাইকোসিস) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি একটি প্রতিষ্ঠিত ও নিবন্ধিত নির্দেশনা। Terbifin শুরু করার আগে নখের নমুনা পরীক্ষা করে ছত্রাক সংক্রমণ নিশ্চিত করে নেওয়া উচিত, কারণ ওরাল থেরাপি শুধুমাত্র নিশ্চিত ডার্মাটোফাইট সংক্রমণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

ক্রিম/জেল/স্প্রে – টিনিয়া পেডিস, টিনিয়া ক্রুরিস ও টিনিয়া কর্পোরিস

১% Terbifin ক্রিম, জেল ও স্প্রে টিনিয়া পেডিস (পায়ের আঙ্গুলের ফাঁকের ছত্রাক সংক্রমণ), টিনিয়া ক্রুরিস (কুঁচকির ছত্রাক সংক্রমণ) এবং টিনিয়া কর্পোরিস (দাদ) চিকিৎসায় নির্দেশিত, যা সংবেদনশীল ডার্মাটোফাইট দ্বারা সৃষ্ট হয়। এটি Terbifin-এর সাময়িক প্রয়োগযোগ্য ফর্মুলেশনগুলোর জন্য একটি প্রতিষ্ঠিত নির্দেশনা।

ক্রিম/জেল – কিউটেনিয়াস ক্যান্ডিডিয়াসিস ও পিটিরিয়াসিস ভার্সিকলার

বাংলাদেশে বাজারজাতকৃত পণ্যের লেবেল অনুযায়ী, ১% Terbifin ক্রিম/জেল কিউটেনিয়াস ক্যান্ডিডিয়াসিস এবং পিটিরিয়াসিস ভার্সিকলার (ছুলি) চিকিৎসায়ও ব্যবহৃত হয়। এই ব্যবহার নির্দিষ্ট এই দুই ধরনের ছত্রাক/ইস্ট সংক্রমণের ক্ষেত্রে নির্দেশনা-সমর্থিত; সঠিক মাত্রা ও প্রত্যাশিত ফলাফল ডার্মাটোফাইট সংক্রমণের চেয়ে ভিন্ন হতে পারে, তাই একজন যোগ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

থেরাপিউটিক ক্লাস

থেরাপিউটিক শ্রেণি: অ্যান্টিফাঙ্গাল (অ্যালাইলামিন)।

ড্রাগ ক্লাস: অ্যালাইলামিন গোত্রের অ্যান্টিফাঙ্গাল ঔষধ।

উপাদান (কম্পোজিশন): প্রতিটি ফর্মুলেশনে সক্রিয় উপাদান হিসেবে Terbifin থাকে — ট্যাবলেটে প্রতিটিতে Terbifin ২৫০ মি.গ্রা.; ক্রিম/জেলে Terbifin ১% w/w; স্প্রেতে Terbifin ১% w/v।

সংক্ষিপ্ত বিবরণ: Terbifin একটি অ্যালাইলামিন গোত্রের অ্যান্টিফাঙ্গাল ঔষধ, যা নখ ও ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশে Terbifin ২৫০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট (নখের ছত্রাক সংক্রমণের জন্য) এবং ১% ক্রিম, জেল বা স্প্রে (সাধারণ ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণের জন্য) আকারে পাওয়া যায়। Terbifin ছত্রাকের কোষপ্রাচীর তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান তৈরিতে বাধা দিয়ে ছত্রাক কোষ ধ্বংস করে। ট্যাবলেট আকারের Terbifin রক্তপ্রবাহে শোষিত হয় বলে লিভারের ওপর বিরল কিন্তু গুরুতর প্রভাবের কারণে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করতে হয়, অন্যদিকে সাময়িক (টপিক্যাল) ফর্মুলেশনগুলো মূলত ত্বকের ওপর কাজ করে এবং শরীরে খুবই সামান্য পরিমাণে শোষিত হয়। সংক্রমণের ধরন ও তীব্রতা অনুযায়ী সঠিক ফর্মুলেশন, মাত্রা ও চিকিৎসার মেয়াদ নির্ধারণ করতে হয় বলে Terbifin সবসময় একজন যোগ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।

ফার্মাকোলজি

কার্যপ্রণালী (মোড অফ অ্যাকশন): Terbinafine Hydrochloride ছত্রাকের স্কোয়ালিন এপোক্সিডেজ (squalene epoxidase) এনজাইমকে বাধা দেয়, যা এরগোস্টেরল (ছত্রাকের কোষপ্রাচীরের একটি অপরিহার্য উপাদান) তৈরির প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এর ফলে এরগোস্টেরলের ঘাটতি এবং কোষের মধ্যে স্কোয়ালিন জমা হয়, যা কোষপ্রাচীরের ভেদ্যতা বাড়িয়ে ছত্রাক কোষকে ধ্বংস করে। এ কারণে Terbinafine Hydrochloride-কে সাধারণ ডার্মাটোফাইটের বিরুদ্ধে ফাঙ্গিসাইডাল (ছত্রাকনাশক) বলে গণ্য করা হয়।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স: মুখে খাওয়ার পর Terbinafine Hydrochloride-এর ৭০ শতাংশের বেশি শোষিত হয়, তবে লিভারে প্রাথমিক বিপাকের কারণে জৈব-উপলভ্যতা প্রায় ৪০ শতাংশ। এটি ৯৯ শতাংশের বেশি প্লাজমা প্রোটিনের সাথে আবদ্ধ থাকে, একাধিক CYP450 এনজাইম দ্বারা ব্যাপকভাবে বিপাকিত হয় (বিশেষত CYP2D6 এনজাইমকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাধা দেয়), এবং মূলত প্রস্রাবের মাধ্যমে নির্গত হয়। স্থিতিশীল অবস্থায় কার্যকর অর্ধায়ু প্রায় ৩৬ ঘণ্টা, তবে ত্বক ও চর্বি টিস্যু থেকে ধীর গতিতে নির্গমনের কারণে টার্মিনাল অর্ধায়ু অনেক বেশি। Terbinafine Hydrochloride ত্বক, চুল ও নখে জমা হয়, যা ত্বক ও নখের সংক্রমণে এর কার্যকারিতাকে সহায়তা করে।

সাময়িক প্রয়োগে শোষণ: ক্রিম, জেল বা স্প্রে হিসেবে Terbinafine Hydrochloride ত্বকে প্রয়োগ করলে অক্ষত ত্বকের মাধ্যমে সিস্টেমিক (সারা শরীরে) শোষণ খুবই সামান্য হয়, ফলে এটি মূলত প্রয়োগস্থলে কাজ করে এবং ট্যাবলেটের তুলনায় শরীরের অন্যান্য অংশে এক্সপোজার অনেক কম থাকে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Terbifin-এর মাত্রা, সেবনের সংখ্যা ও চিকিৎসার মেয়াদ ওরাল ২৫০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট এবং ১% ক্রিম/জেল/স্প্রে-র মধ্যে যথেষ্ট ভিন্ন হয়, এবং কোন ছত্রাক সংক্রমণের চিকিৎসা করা হচ্ছে তার ওপরও নির্ভর করে। নিচের নিয়মগুলো সাধারণ নির্দেশনা মাত্র; একজন যোগ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীই প্রতিটি রোগীর জন্য Terbifin-এর নির্দিষ্ট মাত্রা নির্ধারণ করবেন — এটি সকলের জন্য একই রকম নয়।

ফর্মুলেশননির্দেশনামাত্রাসেবন/প্রয়োগ সংখ্যাস্বাভাবিক মেয়াদ
ট্যাবলেট (২৫০ মি.গ্রা.)হাতের নখের অনাইকোমাইকোসিস২৫০ মি.গ্রা.দিনে একবার৬ সপ্তাহ
ট্যাবলেট (২৫০ মি.গ্রা.)পায়ের নখের অনাইকোমাইকোসিস২৫০ মি.গ্রা.দিনে একবার১২ সপ্তাহ
ক্রিম/জেল ১%টিনিয়া পেডিস (আঙ্গুলের ফাঁকে)আক্রান্ত স্থানে পাতলা প্রলেপদিনে দুইবার১ সপ্তাহ
ক্রিম/জেল ১%টিনিয়া পেডিস (তালু/পাশে)আক্রান্ত স্থানে পাতলা প্রলেপদিনে দুইবার২ সপ্তাহ
ক্রিম/জেল ১%টিনিয়া ক্রুরিস / টিনিয়া কর্পোরিসআক্রান্ত স্থানে পাতলা প্রলেপদিনে একবার বা দুইবার১–২ সপ্তাহ
ক্রিম/জেল ১%কিউটেনিয়াস ক্যান্ডিডিয়াসিসআক্রান্ত স্থানে পাতলা প্রলেপদিনে দুইবার২ সপ্তাহ
ক্রিম/জেল ১%পিটিরিয়াসিস ভার্সিকলারআক্রান্ত স্থানে পাতলা প্রলেপদিনে একবার বা দুইবার২ সপ্তাহ
স্প্রে ১%টিনিয়া পেডিস / ক্রুরিস / কর্পোরিসআক্রান্ত স্থান ঢেকে স্প্রেদিনে একবার১ সপ্তাহ
স্প্রে ১%পিটিরিয়াসিস ভার্সিকলারআক্রান্ত স্থান ঢেকে স্প্রেদিনে দুইবার১ সপ্তাহ

ট্যাবলেট দিয়ে অনাইকোমাইকোসিস চিকিৎসার ক্ষেত্রে, Terbifin-এর কোর্স শেষ হওয়ার কয়েক মাস পর পুরোপুরি ফলাফল বোঝা যায়, কারণ সুস্থ নখ গজাতে সময় লাগে।

প্রয়োগ পদ্ধতি

  • ট্যাবলেট: Terbifin ট্যাবলেট প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে, খাবারের সাথে বা ছাড়া, এক গ্লাস পানির সাথে পুরোটা গিলে খেতে হবে।
  • ট্যাবলেট: নখ ভালো দেখালেও চিকিৎসকের নির্ধারিত পুরো কোর্স Terbifin সম্পূর্ণ করতে হবে, কারণ সুস্থ নখ গজাতে চিকিৎসা শেষ হওয়ার পরও মাস কয়েক সময় লাগে।
  • ট্যাবলেট: Terbifin শুরুর আগে এবং চিকিৎসাকালে চিকিৎসকের পরামর্শমতো লিভার ফাংশন পরীক্ষা করাতে হবে।
  • ক্রিম/জেল/স্প্রে: Terbifin প্রয়োগের আগে আক্রান্ত ত্বক পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিতে হবে।
  • ক্রিম/জেল/স্প্রে: আক্রান্ত স্থান ও তার চারপাশের কিছুটা সুস্থ ত্বক ঢেকে Terbifin-এর পাতলা প্রলেপ লাগিয়ে (ক্রিম/জেলের ক্ষেত্রে) আলতোভাবে ঘষে দিতে হবে, বা সমানভাবে স্প্রে করতে হবে।
  • ক্রিম/জেল/স্প্রে: চিকিৎসাধীন স্থান হাত না হলে, Terbifin প্রয়োগের পর ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিতে হবে।
  • ক্রিম/জেল/স্প্রে: লক্ষণ আগে ভালো হয়ে গেলেও পুনরায় সংক্রমণ ঠেকাতে নির্ধারিত পুরো মেয়াদ ধরে Terbifin ব্যবহার চালিয়ে যেতে হবে।
  • ক্রিম/জেল/স্প্রে: Terbifin-এর সাময়িক ফর্মুলেশনগুলো শুধুমাত্র ত্বকের বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য; চোখ, মুখ ও অন্যান্য মিউকাস মেমব্রেনের সংস্পর্শ এড়াতে হবে এবং নখ বা মাথার তালুতে ব্যবহার করা যাবে না।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

  • CYP2D6 এনজাইম দ্বারা বিপাকিত ঔষধ (যেমন কিছু অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট, SSRI, বিটা-ব্লকার, ক্লাস 1C অ্যান্টিঅ্যারিদমিক): ওরাল Terbifin লিভারের CYP2D6 এনজাইমকে শক্তিশালীভাবে বাধা দেয়। এই এনজাইম দ্বারা বিপাকিত ঔষধের সাথে Terbifin একসাথে ব্যবহার করলে সেই ঔষধের রক্তমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে, তাই এমন সমন্বয়ে সতর্ক পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন এবং প্রয়োজনে অন্য ঔষধের মাত্রা কমাতে হতে পারে।
  • রিফাম্পিন (Rifampin): রিফাম্পিন Terbifin-এর ক্লিয়ারেন্স প্রায় ১০০% বাড়িয়ে দেয়, ফলে Terbifin-এর রক্তমাত্রা কমে যায় এবং কার্যকারিতা কমতে পারে।
  • সিমেটিডিন (Cimetidine): সিমেটিডিন Terbifin-এর ক্লিয়ারেন্স প্রায় ৩৩% কমিয়ে দেয়, ফলে Terbifin-এর রক্তমাত্রা বেড়ে যায়।
  • ফ্লুকোনাজোল (Fluconazole): ফ্লুকোনাজোল Terbifin-এর বিপাকে বাধা দিয়ে এর রক্তমাত্রা বাড়িয়ে দেয় (সর্বোচ্চ মাত্রা প্রায় ৫২% এবং সামগ্রিক এক্সপোজার প্রায় ৬৯% বৃদ্ধি)।
  • সাইক্লোস্পোরিন (Cyclosporine): Terbifin সাইক্লোস্পোরিনের ক্লিয়ারেন্স প্রায় ১৫% বাড়িয়ে দেয়।
  • ক্যাফেইন (Caffeine): Terbifin ক্যাফেইনের ক্লিয়ারেন্স প্রায় ১৯% কমিয়ে দেয়, ফলে ক্যাফেইনের প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
  • ওয়ারফারিন (Warfarin): Terbifin-এর সাথে ওয়ারফারিন ব্যবহারকারী কিছু রোগীর ক্ষেত্রে প্রোথ্রম্বিন টাইম বাড়া বা কমার বিক্ষিপ্ত রিপোর্ট পাওয়া গেছে; জমাট বাঁধার প্যারামিটার পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • সাময়িক (টপিক্যাল) ফর্মুলেশন: ক্রিম, জেল বা স্প্রে আকারে Terbifin অক্ষত ত্বকের মাধ্যমে খুবই সামান্য পরিমাণে শোষিত হয় বলে ওপরে উল্লিখিত উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়াগুলো মূলত ওরাল ট্যাবলেটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

প্রতিনির্দেশনা

  • Terbinafine Hydrochloride বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি জানা অ্যালার্জি বা অতি সংবেদনশীলতা।
  • দীর্ঘস্থায়ী বা সক্রিয় লিভার রোগ — ওরাল Terbinafine Hydrochloride ট্যাবলেটের ক্ষেত্রে এটি একটি সম্পূর্ণ (অ্যাবসোলিউট) প্রতিনির্দেশনা।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

ট্যাবলেট: মাথাব্যথা, ডায়রিয়া, র‍্যাশ, বদহজম (ডিসপেপসিয়া), বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা, পেট ফাঁপা, চুলকানি এবং স্বাদের পরিবর্তন ও লিভার এনজাইমের সামান্য বৃদ্ধি ওরাল Terbifin-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া।

ক্রিম/জেল/স্প্রে: প্রয়োগস্থলে জ্বালাপোড়া, চুলকানি, লালচে ভাব ও শুষ্কতা টপিক্যাল Terbifin-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া।

গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া – অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

  • ওরাল Terbifin-এর সাথে লিভারের ক্ষতির লক্ষণ (ক্রমাগত বমি বমি ভাব, ক্ষুধামান্দ্য, অস্বাভাবিক দুর্বলতা, বমি, পেটের ডানদিকে ওপরের অংশে ব্যথা, ত্বক বা চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, প্রস্রাব গাঢ় হওয়া, বা মলের রং ফ্যাকাশে হওয়া) — এই হেপাটোটক্সিসিটি ঝুঁকির পূর্ণ বিবরণের জন্য সতর্কতা অংশ দেখুন।
  • ওরাল Terbifin-এর সাথে তীব্র, দীর্ঘস্থায়ী বা স্থায়ী স্বাদ বা ঘ্রাণশক্তির পরিবর্তন।
  • ওরাল Terbifin-এর সাথে তীব্র নিউট্রোপেনিয়া বা অন্যান্য রক্তের সমস্যার লক্ষণ (জ্বর, মুখে ঘা, অস্বাভাবিক কালশিটে বা রক্তক্ষরণ, বারবার সংক্রমণ)।
  • ওরাল Terbifin-এর সাথে স্টিভেন্স-জনসন সিনড্রোম, টক্সিক এপিডার্মাল নেক্রোলাইসিস, ইরাইথেমা মাল্টিফর্ম বা DRESS সিনড্রোমের মতো গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া (ব্যাপক র‍্যাশ, ফোসকা, জ্বর, গ্রন্থি ফুলে যাওয়া)।
  • ওরাল Terbifin-এর সাথে লুপাস ইরাইথেমাটোসাসের নতুন বা বেড়ে যাওয়া লক্ষণ (জয়েন্টে ব্যথা, রোদে-উন্মুক্ত স্থানে র‍্যাশ)।
  • ওরাল Terbifin-এর সাথে থ্রম্বোটিক মাইক্রোঅ্যাঞ্জিওপ্যাথির লক্ষণ (অস্বাভাবিক কালশিটে, রক্তক্ষরণ, তীব্র ক্লান্তি, বিভ্রান্তি) — বিরল।
  • ওরাল Terbifin-এর সাথে নতুন বা বেড়ে যাওয়া মনখারাপ, উদ্বেগ বা বিষণ্নতার লক্ষণ।
  • ওরাল বা টপিক্যাল Terbifin-এর সাথে তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ (মুখ, ঠোঁট, জিহ্বা বা গলা ফুলে যাওয়া; শ্বাসকষ্ট; তীব্র র‍্যাশ)।
  • টপিক্যাল Terbifin-এর সাথে তীব্র বা বেড়ে যাওয়া স্থানীয় জ্বালাপোড়া, ফোসকা বা অ্যালার্জিক কন্ট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস যা কমছে না — ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা

ট্যাবলেট: গর্ভবতী নারীদের মধ্যে ওরাল Terbifin ব্যবহারের বিদ্যমান তথ্য ঝুঁকি নিরূপণের জন্য পর্যাপ্ত নয়। যেহেতু নখের ছত্রাক সংক্রমণ জরুরি অবস্থা নয়, তাই সাধারণত পরামর্শ দেওয়া হয় যে গর্ভাবস্থায় ওরাল Terbifin শুরু না করে সন্তান জন্মের পর চিকিৎসা করা যেতে পারে।

ক্রিম/জেল/স্প্রে: টপিক্যাল Terbifin-এর সিস্টেমিক শোষণ সামান্য হলেও গর্ভাবস্থা-নির্দিষ্ট তথ্য সীমিত। চিকিৎসক সুবিধা ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে না করলে গর্ভাবস্থায় টপিক্যাল Terbifin এড়িয়ে চলা উচিত।

স্তন্যদান

ট্যাবলেট: মুখে খাওয়ার পর Terbifin মায়ের বুকের দুধে প্রবেশ করে। শিশুর ওপর এর প্রভাব সম্পর্কে তথ্য না থাকায় স্তন্যদানকালে ওরাল Terbifin সাধারণত সুপারিশ করা হয় না; চিকিৎসককে স্তন্যদানের উপকারিতা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

ক্রিম/জেল/স্প্রে: টপিক্যাল ব্যবহারেও Terbifin বুকের দুধে নির্গত হয়, তাই পণ্যের লেবেলে স্তন্যদানকালে ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে; চিকিৎসক প্রয়োজনীয় মনে করলেও স্তন/বুকের অংশে Terbifin প্রয়োগ এড়িয়ে চলতে হবে।

সতর্কতা

  • ওরাল Terbifin-এর সাথে হেপাটোটক্সিসিটি (গুরুত্বপূর্ণ — মনোযোগ সহকারে পড়ুন): পূর্ব থেকে লিভারের রোগ না থাকা রোগীদের ক্ষেত্রেও ওরাল Terbifin ব্যবহারে বিরল ক্ষেত্রে লিভার ফেইলিউর হয়েছে, যা কখনো কখনো লিভার প্রতিস্থাপন বা মৃত্যুর কারণ হয়েছে। ওরাল Terbifin শুরুর আগে লিভার ফাংশন পরীক্ষা করা এবং চিকিৎসাকালে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত। লিভারের ক্ষতির জৈব-রাসায়নিক বা ক্লিনিক্যাল প্রমাণ পাওয়া গেলে সাথে সাথে ওরাল Terbifin বন্ধ করতে হবে। রোগীদের বলা উচিত যেন তারা ক্রমাগত বমি বমি ভাব, ক্ষুধামান্দ্য, অস্বাভাবিক দুর্বলতা, বমি, পেটের ডানদিকে ওপরের অংশে ব্যথা, ত্বক বা চোখ হলুদ হওয়া, প্রস্রাব গাঢ় হওয়া, বা মলের রং ফ্যাকাশে হওয়া দেখলে দেরি না করে জানান। দীর্ঘস্থায়ী বা সক্রিয় লিভার রোগে ওরাল Terbifin প্রতিনির্দেশিত।
  • স্বাদ ও ঘ্রাণশক্তির পরিবর্তন: ওরাল Terbifin তীব্র, দীর্ঘস্থায়ী বা এমনকি স্থায়ী স্বাদ পরিবর্তন ঘটাতে পারে, যা কখনো কখনো খাদ্য গ্রহণ কমা, ওজন হ্রাস, উদ্বেগ বা মনখারাপের কারণ হতে পারে; ঘ্রাণশক্তির পরিবর্তন বা হ্রাসও রিপোর্ট করা হয়েছে এবং তাও দীর্ঘস্থায়ী বা স্থায়ী হতে পারে। এমন কোনো লক্ষণ দেখা দিলে Terbifin বন্ধ করতে হবে (পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অংশ দেখুন)।
  • বিষণ্নতার লক্ষণ: ওরাল Terbifin-এর সাথে বিষণ্নতার লক্ষণ রিপোর্ট করা হয়েছে; রোগী ও পরিচর্যাকারীদের নতুন বা বেড়ে যাওয়া মনখারাপ লক্ষ্য রাখা এবং তা দ্রুত জানানো উচিত।
  • তীব্র নিউট্রোপেনিয়া ও রক্তের সমস্যা: ওরাল Terbifin-এর সাথে বিরল কিন্তু গুরুতর শ্বেত রক্তকণিকা হ্রাস (তীব্র নিউট্রোপেনিয়া) ও অন্যান্য রক্তের সমস্যা রিপোর্ট করা হয়েছে; চিকিৎসাকালে অব্যাখ্যাত জ্বর, গলাব্যথা বা সংক্রমণ হলে অবিলম্বে জানাতে হবে।
  • গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া: ওরাল Terbifin-এর সাথে বিরল ক্ষেত্রে স্টিভেন্স-জনসন সিনড্রোম, টক্সিক এপিডার্মাল নেক্রোলাইসিস ও DRESS সিনড্রোমের মতো গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে; ক্রমবর্ধমান র‍্যাশ দেখা দিলে Terbifin বন্ধ করতে হবে।
  • লুপাস ইরাইথেমাটোসাস: ওরাল Terbifin বিরল ক্ষেত্রে কিউটেনিয়াস বা সিস্টেমিক লুপাস ইরাইথেমাটোসাস শুরু করতে পারে বা বাড়িয়ে দিতে পারে; লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসা বন্ধ করতে হবে।
  • থ্রম্বোটিক মাইক্রোঅ্যাঞ্জিওপ্যাথি: ওরাল Terbifin-এর সাথে বিরল, কখনো কখনো প্রাণঘাতী, থ্রম্বোটিক মাইক্রোঅ্যাঞ্জিওপ্যাথির ঘটনা রিপোর্ট করা হয়েছে; এমন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা বন্ধ করতে হবে।
  • শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যবহার (টপিক্যাল ফর্ম): Terbifin ক্রিম, জেল ও স্প্রে শুধুমাত্র ত্বকের বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য। চোখ, মুখ ও অন্যান্য মিউকাস মেমব্রেনের সংস্পর্শ এড়াতে হবে এবং যোনিপথে, নখে বা মাথার তালুতে ব্যবহার করা যাবে না।
  • অতি সংবেদনশীলতা: তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ (মুখ/গলা ফুলে যাওয়া, তীব্র র‍্যাশ, শ্বাসকষ্ট) দেখা দিলে Terbifin বন্ধ করে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মাত্রাধিক্যতা

ওরাল Terbifin-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের অভিজ্ঞতা সংক্রান্ত তথ্য সীমিত। ৫ গ্রাম পর্যন্ত (স্বাভাবিক দৈনিক থেরাপিউটিক মাত্রার প্রায় ২০ গুণ) মাত্রা সেবনেও কোনো গুরুতর প্রতিক্রিয়া ছাড়াই সহ্য হয়েছে বলে জানা গেছে; অতিরিক্ত মাত্রার পর রিপোর্ট করা লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা, মাথা ঘোরা, র‍্যাশ, ঘনঘন প্রস্রাব ও মাথাব্যথা। এর বাইরে নির্দিষ্ট বিষাক্ত মাত্রার সীমা প্রতিষ্ঠিত নয়।

Terbifin-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে, চিকিৎসক বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের নির্দিষ্ট নির্দেশনা ছাড়া বমি করানোর চেষ্টা করবেন না। অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসাসেবা বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন এবং প্রয়োজনে দেখানোর জন্য Terbifin-এর প্যাকেট বা কৌটা সাথে নিয়ে যান। টপিক্যাল Terbifin পণ্য দুর্ঘটনাক্রমে খেয়ে ফেললেও তা জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন এমন পরিস্থিতি হিসেবে বিবেচনা করে দ্রুত পেশাদার পরামর্শ নিতে হবে।

সংরক্ষণ

ট্যাবলেট: Terbifin ট্যাবলেট ২৫°সে-এর নিচে, আলো থেকে সুরক্ষিত রেখে, ভালোভাবে বন্ধ পাত্রে সংরক্ষণ করতে হবে।

ক্রিম/জেল/স্প্রে: Terbifin-এর টপিক্যাল পণ্যসমূহ সাধারণত ২০–২৫°সে নিয়ন্ত্রিত কক্ষ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হবে।

যেকোনো Terbifin পণ্য শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন এবং প্রস্তুতকারকভেদে সামান্য ভিন্নতা থাকতে পারে বলে নির্দিষ্ট পণ্যের লেবেলে দেওয়া সংরক্ষণ নির্দেশনা যাচাই করে নিন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু

ট্যাবলেট: নখের ছত্রাক সংক্রমণের চিকিৎসায় শিশুদের ক্ষেত্রে ওরাল Terbifin-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি; নির্দিষ্ট চিকিৎসাগত কারণ ছাড়া শিশুদের এই নির্দেশনায় সাধারণত ওরাল Terbifin ট্যাবলেট দেওয়া হয় না।

ক্রিম/জেল/স্প্রে: পণ্যের লেবেল অনুযায়ী টপিক্যাল Terbifin প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১২ বছর ও তার বেশি বয়সী শিশুদের ব্যবহারের জন্য নির্দেশিত। ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র চিকিৎসকের নির্দেশনায় টপিক্যাল Terbifin ব্যবহার করা উচিত।

বয়স্ক রোগী

৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী রোগীদের ক্ষেত্রে Terbifin-এর ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা সীমিত। রক্তমাত্রায় বয়সজনিত উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন পাওয়া যায়নি, তবে বয়স্ক রোগীদের প্রায়ই লিভার, কিডনি বা হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা কম থাকে বলে ওরাল Terbifin সতর্কতার সাথে, সাধারণত মাত্রা পরিসরের নিম্নসীমা থেকে শুরু করে এবং সহ-বিদ্যমান রোগ ও অন্যান্য ঔষধের প্রতি লক্ষ্য রেখে ব্যবহার করা উচিত।

কিডনি সমস্যায়

ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ৫০ মিলি/মিনিট বা তার কম এমন রোগীদের ক্ষেত্রে ওরাল Terbifin পর্যাপ্তভাবে পরীক্ষিত নয়; এই রোগীদের ক্ষেত্রে Terbifin-এর ক্লিয়ারেন্স প্রায় অর্ধেক কমে যায়, তাই উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যায় ওরাল Terbifin সতর্কতার সাথে ও ঘনিষ্ঠ চিকিৎসকীয় তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত। টপিক্যাল Terbifin-এর সিস্টেমিক শোষণ সামান্য হওয়ায় সাধারণত কিডনি সমস্যার কারণে এর ব্যবহারে বিশেষ বিধিনিষেধ নেই, তবে চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ীই ব্যবহার করা উচিত।

লিভার সমস্যায়

দীর্ঘস্থায়ী বা সক্রিয় লিভার রোগে ওরাল Terbifin প্রতিনির্দেশিত; সিরোসিসের রোগীদের ক্ষেত্রে Terbifin-এর ক্লিয়ারেন্স প্রায় অর্ধেক কমে যায়। বিস্তারিত জানতে সতর্কতা অংশের হেপাটোটক্সিসিটি অংশ দেখুন। টপিক্যাল Terbifin-এর শোষণ সামান্য হওয়ায় লিভার রোগে এর ব্যবহারে সাধারণত সিস্টেমিক বিধিনিষেধ নেই, তবে উল্লেখযোগ্য লিভার রোগে আক্রান্ত রোগীদের টপিক্যাল ফর্মসহ যেকোনো Terbifin ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করা উচিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Terbifin 10 gm Cream কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Terbifin 10 gm Cream একটি অ্যান্টিফাঙ্গাল ঔষধ, যা নখ ও ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। Terbifin 10 gm Cream-এর ২৫০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট নখের ছত্রাক সংক্রমণ (অনাইকোমাইকোসিস) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, আর Terbifin 10 gm Cream-এর ১% ক্রিম, জেল ও স্প্রে টিনিয়া পেডিস (পায়ের ছত্রাক সংক্রমণ), টিনিয়া ক্রুরিস (কুঁচকির ছত্রাক সংক্রমণ), টিনিয়া কর্পোরিস (দাদ), কিউটেনিয়াস ক্যান্ডিডিয়াসিস ও পিটিরিয়াসিস ভার্সিকলার (ছুলি)-এর মতো ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

Q: Terbifin 10 gm Cream-এর চিকিৎসা সাধারণত কতদিন চলে?

A: ট্যাবলেট আকারে Terbifin 10 gm Cream সাধারণত হাতের নখের সংক্রমণে দিনে একবার করে ৬ সপ্তাহ এবং পায়ের নখের সংক্রমণে ১২ সপ্তাহ ধরে সেবন করতে হয়। ক্রিম, জেল বা স্প্রে আকারে Terbifin 10 gm Cream সাধারণত নির্দিষ্ট ত্বকের সংক্রমণ অনুযায়ী ১ থেকে ২ সপ্তাহ ব্যবহার করতে হয়। প্রতিটি রোগীর জন্য সঠিক মেয়াদ চিকিৎসকই নির্ধারণ করবেন।

Q: লক্ষণ কমে গেলে কি Terbifin 10 gm Cream বন্ধ করে দেওয়া যায়?

A: না। লক্ষণ আগে ভালো হয়ে গেলেও চিকিৎসকের নির্ধারিত পুরো কোর্স Terbifin 10 gm Cream সেবন/প্রয়োগ করা উচিত, কারণ নির্ধারিত মেয়াদের আগে Terbifin 10 gm Cream বন্ধ করলে ছত্রাক সংক্রমণ আবার ফিরে আসতে পারে।

Q: Terbifin 10 gm Cream কি অন্য ঔষধের সাথে মিথষ্ক্রিয়া করে?

A: হ্যাঁ, বিশেষত ট্যাবলেট আকারে। ওরাল Terbifin 10 gm Cream লিভারের CYP2D6 এনজাইমকে বাধা দেয় এবং এই এনজাইম দ্বারা বিপাকিত কিছু অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ও বিটা-ব্লকারের রক্তমাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। রিফাম্পিন Terbifin 10 gm Cream-এর মাত্রা কমিয়ে দেয়, আর সিমেটিডিন এর মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। Terbifin 10 gm Cream শুরুর আগে আপনার ব্যবহৃত সব ঔষধের কথা চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।

Q: গর্ভাবস্থায় Terbifin 10 gm Cream কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থায় সাধারণত Terbifin 10 gm Cream সুপারিশ করা হয় না। নখের ছত্রাক সংক্রমণ জরুরি অবস্থা নয় বলে সাধারণত গর্ভাবস্থার পর পর্যন্ত ওরাল Terbifin 10 gm Cream স্থগিত রাখা হয়। চিকিৎসক সুবিধা ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে না করলে গর্ভাবস্থায় টপিক্যাল Terbifin 10 gm Cream-ও এড়িয়ে চলা উচিত।

Q: শিশুরা কি Terbifin 10 gm Cream ব্যবহার করতে পারে?

A: নখের ছত্রাক সংক্রমণে শিশুদের ক্ষেত্রে ওরাল Terbifin 10 gm Cream ট্যাবলেটের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। সাধারণ ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণে ১২ বছর ও তার বেশি বয়সী শিশুরা Terbifin 10 gm Cream-এর ক্রিম, জেল ও স্প্রে ব্যবহার করতে পারে; ১২ বছরের কম বয়সে চিকিৎসকের নির্দেশনায় ব্যবহার করতে হবে।

Q: Terbifin 10 gm Cream-এর সবচেয়ে গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: ওরাল Terbifin 10 gm Cream ট্যাবলেটে বিরল কিন্তু গুরুতর লিভারের ক্ষতির ঝুঁকি থাকে, যে কারণে চিকিৎসার আগে ও চলাকালে লিভার ফাংশন পরীক্ষা করা হয়। ওরাল Terbifin 10 gm Cream তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী স্বাদ বা ঘ্রাণের পরিবর্তন, রক্তকণিকা কমে যাওয়া এবং বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়াও ঘটাতে পারে। Terbifin 10 gm Cream সেবনকারী কারো লিভার সমস্যার লক্ষণ, তীব্র র‍্যাশ বা অস্বাভাবিক কালশিটে/রক্তক্ষরণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Q: Terbifin 10 gm Cream কি স্বাদের পরিবর্তন ঘটায়?

A: হ্যাঁ। ওরাল Terbifin 10 gm Cream স্বাদের পরিবর্তন ঘটাতে পারে যা তীব্র এবং কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী বা এমনকি স্থায়ীও হতে পারে বলে স্বীকৃত; ঘ্রাণশক্তির পরিবর্তন বা হ্রাসও হতে পারে। ওরাল Terbifin 10 gm Cream সেবনকালে এমনটি হলে দ্রুত চিকিৎসককে জানানো উচিত।

Q: টপিক্যাল Terbifin 10 gm Cream কীভাবে প্রয়োগ করব?

A: আক্রান্ত ত্বক পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিন, এরপর পণ্যের লেবেল বা চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী আক্রান্ত স্থান ও তার চারপাশের কিছুটা ত্বক ঢেকে Terbifin 10 gm Cream ক্রিম বা জেলের পাতলা প্রলেপ লাগান (বা সমানভাবে স্প্রে করুন)। Terbifin 10 gm Cream প্রয়োগের পর হাত ধুয়ে নিন এবং চোখ ও মিউকাস মেমব্রেনের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor