Product gallery
MRP ২০০.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১৮০.০০/30 gm tube
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Triclean ক্রিম একটি নির্দিষ্ট-মাত্রার ত্রি-সংমিশ্রণ টপিকাল প্রস্তুতি, যা প্রাপ্তবয়স্কদের মুখের মাঝারি থেকে তীব্র মেলাজমার স্বল্পমেয়াদী (সাধারণত সর্বোচ্চ ৮ সপ্তাহ) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, সঙ্গে সঠিক সূর্য সুরক্ষা ও ত্বক পরিচর্যা প্রয়োজন।

প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী শ্রেণীবিভাগ

  • প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার: ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন ও মৃদু ক্লিনজার/ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারসহ, মুখের মাঝারি থেকে তীব্র মেলাজমার স্বল্পমেয়াদী (৮ সপ্তাহ পর্যন্ত) চিকিৎসা।
  • নির্দেশিকা-সমর্থিত সহায়ক ব্যবহার: ধাপে ধাপে ডার্মাটোলজিক মেলাজমা চিকিৎসা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, চিকিৎসার কোর্স শেষে কম মাত্রার রক্ষণাবেক্ষণ থেরাপির আগে বা পরে ব্যবহৃত হতে পারে।
  • অফ-লেবেল ব্যবহার: কখনো কখনো চিকিৎসকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে অন্যান্য স্থানীয় হাইপারপিগমেন্টেশনে (যেমন প্রদাহ-পরবর্তী হাইপারপিগমেন্টেশন) অফ-লেবেল ব্যবহৃত হয়; এটি অনুমোদিত নির্দেশনা নয় এবং শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শেই করা উচিত।

Triclean দীর্ঘমেয়াদী বা রক্ষণাবেক্ষণ থেরাপির জন্য নয়; চিকিৎসা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট কোর্সে সীমাবদ্ধ থাকে, এরপর চিকিৎসক ত্বক পুনর্মূল্যায়ন করেন।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Triclean হলো একটি সংমিশ্রণ টপিকাল ডার্মাটোলজিক প্রস্তুতি শ্রেণির ঔষধ, যা একটি টপিকাল কর্টিকোস্টেরয়েড, একটি ত্বক-বিবর্ণকারী (ডিপিগমেন্টিং) এজেন্ট এবং একটি টপিকাল রেটিনয়েডের নির্দিষ্ট-মাত্রার সংমিশ্রণ, যা মেলাজমা ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

Fluocinolone Acetonide + Hydroquinone + Tretinoin-এ তিনটি উপাদান রয়েছে, যা হাইপারপিগমেন্টেশনের ক্ষেত্রে পরিপূরক প্রক্রিয়ায় কাজ করে:

উপাদানশ্রেণিকার্যপ্রণালী
ফ্লুওসিনোলোন অ্যাসিটোনাইডটপিকাল কর্টিকোস্টেরয়েডকোষের গ্লুকোকর্টিকয়েড রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হয়ে স্থানীয় প্রদাহ ও ট্রেটিনোইন-হাইড্রোকুইনোন জনিত জ্বালা কমায়।
হাইড্রোকুইনোনডিপিগমেন্টিং এজেন্টটাইরোসিনেজ এনজাইম বাধা দিয়ে মেলানিন সংশ্লেষণ কমায় এবং মেলানোসোম ভাঙন ত্বরান্বিত করতে পারে।
ট্রেটিনোইনটপিকাল রেটিনয়েডনিউক্লিয়ার রেটিনয়িক অ্যাসিড রিসেপ্টরে যুক্ত হয়ে এপিডার্মাল কোষ পুনর্নবীকরণ বাড়ায় এবং হাইড্রোকুইনোনের প্রবেশ সহজ করে।

স্বাভাবিক নির্দেশিত ব্যবহারে অক্ষত ত্বক দিয়ে তিনটি উপাদানেরই সিস্টেমিক শোষণ সাধারণত কম, তবে ক্ষতিগ্রস্ত/প্রদাহযুক্ত ত্বকে, বৃহৎ এলাকায় বা অক্লুশনের সাথে ব্যবহার করলে শোষণ বাড়তে পারে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা (মুখের মেলাজমা)

জনগোষ্ঠীপ্রস্তাবিত নিয়ম
প্রাপ্তবয়স্করাতে ঘুমানোর প্রায় ৩০ মিনিট আগে মুখের আক্রান্ত স্থানে দিনে একবার Triclean ক্রিমের পাতলা প্রলেপ লাগান, সর্বোচ্চ ৮ সপ্তাহ পর্যন্ত। চিকিৎসাকালীন মৃদু ক্লিনজার ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন এবং প্রতিদিন সকালে ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন লাগান।
শিশু রোগীপ্রস্তাবিত নয়; নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি (দেখুন শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার)।
বৃক্ক/যকৃত সমস্যানির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি; টপিকাল মুখের ব্যবহার থেকে সিস্টেমিক শোষণ ন্যূনতম, তবে ব্যাপক প্রয়োগে সতর্কতা প্রয়োজন।

৮ সপ্তাহের বেশি চিকিৎসা কেবল চিকিৎসকের সরাসরি তত্ত্বাবধানেই চালিয়ে যাওয়া উচিত, কারণ দীর্ঘায়িত ব্যবহারে কর্টিকোস্টেরয়েড-জনিত ত্বকের পরিবর্তন এবং হাইড্রোকুইনোন-জনিত পিগমেন্টেশন জটিলতার ঝুঁকি বাড়ে (দেখুন সতর্কতা)।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Triclean টপিকালভাবে প্রয়োগ করা হয় এবং সিস্টেমিক শোষণ সীমিত হওয়ায়, উল্লেখযোগ্য ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া বিরল। মূল উদ্বেগ হলো অন্যান্য টপিকাল পণ্যের সাথে সংযোজিত (additive) স্থানীয় প্রভাব:

  • অন্যান্য টপিকাল জ্বালাকর বা এক্সফোলিয়েটিং এজেন্ট (যেমন অন্য রেটিনয়েড, বেনজয়েল পারক্সাইড, আলফা-হাইড্রক্সি বা স্যালিসাইলিক অ্যাসিড প্রস্তুতি, মেডিকেটেড বা ঘষাযুক্ত সাবান, উচ্চ অ্যালকোহলযুক্ত পণ্য): Triclean-এর সাথে একত্রে ব্যবহারে সংযোজিত ত্বক জ্বালা, শুষ্কতা ও খোসা ওঠার ঝুঁকি বাড়তে পারে; চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া একসাথে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
  • একই স্থানে অন্য টপিকাল কর্টিকোস্টেরয়েড বা ডিপিগমেন্টিং এজেন্ট: ত্বক পাতলা হওয়া, জ্বালা বা অসম বিবর্ণতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া একত্রে ব্যবহার করবেন না।
  • ফটোসেনসিটাইজিং ঔষধ বা পণ্য: একসাথে ব্যবহারে ট্রেটিনোইন ও হাইড্রোকুইনোনের কারণে ইতিমধ্যে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত সূর্যালোক সংবেদনশীলতা আরও বাড়তে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

Fluocinolone Acetonide + Hydroquinone + Tretinoin ক্রিম নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত (contraindicated):

  • ফ্লুওসিনোলোন অ্যাসিটোনাইড, হাইড্রোকুইনোন, ট্রেটিনোইন, অন্য রেটিনয়েড বা কর্টিকোস্টেরয়েড, অথবা প্রস্তুতির যেকোনো উপাদানের প্রতি জানা অতিসংবেদনশীলতা (হাইপারসেনসিটিভিটি) থাকলে, যার মধ্যে কিছু প্রস্তুতিতে থাকা সোডিয়াম মেটাবাইসালফাইট (সালফাইট)-এর প্রতি অতিসংবেদনশীলতাও অন্তর্ভুক্ত।

অন্য কোনো পরম প্রতিনির্দেশনা প্রতিষ্ঠিত নেই; ক্ষতিগ্রস্ত/একজিমাযুক্ত ত্বকে ব্যবহার, গর্ভাবস্থা বা শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের মতো বিষয়গুলো পরম প্রতিনির্দেশনার পরিবর্তে সতর্কতা হিসেবে বিবেচিত হয় (দেখুন সতর্কতা, গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে, এবং শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার)।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Triclean-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো প্রয়োগস্থলে স্থানীয় ত্বকের প্রতিক্রিয়া, যা সাধারণত ট্রেটিনোইন ও কর্টিকোস্টেরয়েড উপাদানের সাথে সম্পর্কিত:

  • অতি সাধারণ: লালচেভাব (এরিথেমা), জ্বালাপোড়া/দংশন অনুভূতি, খোসা ওঠা (ডেসকোয়ামেশন), এবং চিকিৎসিত ত্বকের শুষ্কতা।
  • সাধারণ: ত্বক জ্বালা, চুলকানি, ব্রণসদৃশ ফুসকুড়ি এবং মৃদু কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস।
  • কম সাধারণ কিন্তু দীর্ঘায়িত/অতিরিক্ত ব্যবহারে গুরুত্বপূর্ণ: ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়া (অ্যাট্রফি), টেলাঞ্জিয়েক্টাসিয়া (দৃশ্যমান ছোট রক্তনালী), স্ট্রায়ি, এবং দীর্ঘায়িত হাইড্রোকুইনোন ব্যবহারের সাথে সম্পর্কিত রিবাউন্ড হাইপারপিগমেন্টেশন বা এক্সোজেনাস ওক্রোনোসিস (নীলাভ-কালো বিবর্ণতা)।
  • অস্বাভাবিক: আশেপাশের স্বাভাবিক ত্বকের হাইপোপিগমেন্টেশন, ফলিকুলাইটিস, এবং অ্যালার্জিক কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস।

বেশিরভাগ স্থানীয় প্রতিক্রিয়া মৃদু থেকে মাঝারি এবং প্রয়োগের ফ্রিকোয়েন্সি কমালে বা চিকিৎসা সাময়িক বন্ধ রাখলে উন্নত হয়; দীর্ঘস্থায়ী বা তীব্র প্রতিক্রিয়া চিকিৎসককে জানান।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: Triclean-এ ট্রেটিনোইন রয়েছে, যা একটি টপিকাল রেটিনয়েড; রেটিনয়েড শ্রেণির ঔষধ সিস্টেমিকভাবে দিলে ভ্রূণের ত্রুটির ঝুঁকির সাথে সম্পর্কিত, এবং যদিও মুখের টপিকাল ব্যবহার থেকে সিস্টেমিক শোষণ কম, এই ঝুঁকি সম্পূর্ণরূপে বাতিল করা যায়নি। গর্ভাবস্থায় Triclean শুধুমাত্র স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত; অনেক চিকিৎসক গর্ভাবস্থায় এটি সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন। গর্ভবতী হলে বা গর্ভধারণের পরিকল্পনা করলে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তন্যদান: টপিকালভাবে প্রয়োগকৃত ফ্লুওসিনোলোন অ্যাসিটোনাইড, হাইড্রোকুইনোন, বা ট্রেটিনোইন (অথবা তাদের বিপাক পদার্থ) উল্লেখযোগ্য পরিমাণে মায়ের দুধে নির্গত হয় কিনা তা জানা নেই। সতর্কতা হিসেবে, Triclean বুকের অংশে প্রয়োগ এড়িয়ে চলুন এবং স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন; সম্ভাব্য উপকারিতা শিশুর জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই কেবল ব্যবহার করুন।

সতর্কতা

  • সীমিত ব্যবহারকাল: Triclean সাধারণত সর্বোচ্চ ৮ সপ্তাহের স্বল্পমেয়াদী কোর্সের জন্য; দীর্ঘায়িত ক্রমাগত ব্যবহারে কর্টিকোস্টেরয়েড-জনিত ত্বক পাতলা হওয়া/টেলাঞ্জিয়েক্টাসিয়া এবং হাইড্রোকুইনোন-জনিত রিবাউন্ড হাইপারপিগমেন্টেশন বা এক্সোজেনাস ওক্রোনোসিসের ঝুঁকি বাড়ে। চিকিৎসকের পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া নির্দেশিত সময়ের বেশি ব্যবহার করবেন না।
  • ফটোসেনসিটিভিটি: তিনটি উপাদানই ত্বকের সূর্যালোক সংবেদনশীলতা বাড়াতে পারে। চিকিৎসাকালীন কঠোর সূর্য সুরক্ষা (ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন, প্রতিরক্ষামূলক পোশাক, সূর্যালোক এড়ানো) মেনে চলুন এবং সানল্যাম্প/ট্যানিং বেড এড়িয়ে চলুন।
  • চোখ ও মিউকাস মেমব্রেন এড়িয়ে চলুন: চোখ, মুখ, নাকের কোণ এবং মিউকাস মেমব্রেন থেকে দূরে রাখুন; ভুলবশত সংস্পর্শে এলে পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।
  • ক্ষতিগ্রস্ত বা একজিমাযুক্ত ত্বকে নয়: রোদে পোড়া, বাতাসে পোড়া, ফাটা, ছড়ে যাওয়া বা অন্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত/একজিমাযুক্ত ত্বকে প্রয়োগ করবেন না, কারণ শোষণ ও জ্বালা বাড়তে পারে।
  • শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার নয়: শিশু রোগীদের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত নয়; নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
  • সিস্টেমিক কর্টিকোস্টেরয়েড প্রভাব: স্বাভাবিক মুখের ব্যবহারে অসম্ভাব্য হলেও, ব্যাপক প্রয়োগ, দীর্ঘায়িত ব্যবহার বা অক্লুশনের সাথে তাত্ত্বিকভাবে সিস্টেমিক কর্টিকোস্টেরয়েড শোষণ হতে পারে; সিস্টেমিক প্রভাবের লক্ষণ দেখা দিলে বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য: শুধুমাত্র টপিকাল ডার্মাটোলজিক ব্যবহারের জন্য; মুখে খাওয়া, চোখে, যোনিপথে বা নাকে ব্যবহারের জন্য নয়।
  • দাহ্যতা: কিছু প্রস্তুতি দাহ্য হতে পারে; খোলা আগুন থেকে দূরে রাখুন।

মাত্রাধিক্যতা

Triclean-এর অতিরিক্ত বা খুব ঘন ঘন টপিকাল প্রয়োগ উন্নতি ত্বরান্বিত করে না, বরং লক্ষণীয় স্থানীয় জ্বালা, লালচেভাব এবং খোসা ওঠার সম্ভাবনা বাড়ায়; এমন হলে ব্যবহারের ফ্রিকোয়েন্সি কমান বা চিকিৎসা সাময়িক বন্ধ রেখে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

যদি ভুলবশত Triclean ক্রিম গিলে ফেলা হয়, অথবা তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া বা উল্লেখযোগ্য সিস্টেমিক লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন; গিলে ফেলা বা উল্লেখযোগ্য সিস্টেমিক এক্সপোজারের জন্য নিজে থেকে কোনো নির্দিষ্ট ঘরোয়া চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

কক্ষ তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। ব্যবহারের পর টিউব শক্তভাবে বন্ধ রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

  • বয়স্ক রোগী: নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত নেই; অন্যান্য প্রাপ্তবয়স্কদের মতোই একই সতর্কতা মেনে ব্যবহার করুন, ত্বকের ভঙ্গুরতা পর্যবেক্ষণ করুন।
  • বৃক্ক/যকৃত সমস্যা: টপিকাল মুখের প্রয়োগ থেকে সিস্টেমিক শোষণ ন্যূনতম, এবং কোনো আনুষ্ঠানিক মাত্রা সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি; স্বাভাবিক সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।
  • গাঢ় বা সংবেদনশীল ত্বক: সতর্কতার সাথে ও চিকিৎসকের নির্দেশনায় ব্যবহার করুন, কারণ ডিপিগমেন্টিং থেরাপি কখনো কখনো অসম পিগমেন্টেশন সৃষ্টি করতে পারে; জ্বালা বা অপ্রত্যাশিত পিগমেন্ট পরিবর্তন দেখা দিলে বন্ধ করুন।
  • শিশু রোগী: Triclean-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা শিশু রোগীদের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। শিশু বা কিশোরদের ক্ষেত্রে ব্যবহার প্রস্তাবিত নয়; শুধুমাত্র ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের সিদ্ধান্তে বিবেচনা করা যেতে পারে, ঝুঁকি ও উপকারিতা সতর্কভাবে বিবেচনা করে।
  • গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান: দেখুন গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Triclean 30 gm Cream ক্রিম কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Triclean 30 gm Cream ক্রিম মুখের মাঝারি থেকে তীব্র মেলাজমার (কালো দাগ) স্বল্পমেয়াদী চিকিৎসায় (সাধারণত সর্বোচ্চ ৮ সপ্তাহ) ব্যবহৃত হয়। এতে একটি কর্টিকোস্টেরয়েড, একটি ডিপিগমেন্টিং এজেন্ট এবং একটি রেটিনয়েড একত্রে থাকে যা হাইপারপিগমেন্টেড ত্বককে হালকা করে।

Q: Triclean 30 gm Cream কতদিন ব্যবহার করা যায়?

A: Triclean 30 gm Cream সাধারণত সর্বোচ্চ ৮ সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট কোর্সের জন্য ব্যবহার করা হয়। এর চেয়ে বেশি সময় ধরে ক্রমাগত ব্যবহার করলে কর্টিকোস্টেরয়েড উপাদানের কারণে ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়া এবং হাইড্রোকুইনোন উপাদানের কারণে রিবাউন্ড কালচেভাব বা নীলাভ-কালো বিবর্ণতা (ওক্রোনোসিস) হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে, তাই ৮ সপ্তাহের বেশি ব্যবহার কেবল চিকিৎসকের নির্দিষ্ট পরামর্শ থাকলেই চালিয়ে যাওয়া উচিত।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি Triclean 30 gm Cream ব্যবহার করা যায়?

A: Triclean 30 gm Cream-এ ট্রেটিনোইন রয়েছে, যা একটি টপিকাল রেটিনয়েড, এবং রেটিনয়েড শ্রেণির ঔষধের ক্রমবর্ধমান ভ্রূণের জন্য তাত্ত্বিক ঝুঁকি রয়েছে। Triclean 30 gm Cream গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় হলে এবং চিকিৎসক মনে করলে উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি, তখনই ব্যবহার করা উচিত; অনেক চিকিৎসক গর্ভাবস্থায় এটি সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন। স্তন্যদানকালে বুকের অংশে প্রয়োগ এড়িয়ে চলুন এবং ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কারণ এর উপাদান মায়ের দুধে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে যায় কিনা তা সম্পূর্ণরূপে জানা নেই।

Q: Triclean 30 gm Cream-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: Triclean 30 gm Cream-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো প্রয়োগস্থলের স্থানীয় প্রতিক্রিয়া: লালচেভাব, জ্বালাপোড়া বা দংশন অনুভূতি, খোসা ওঠা এবং শুষ্কতা। কিছু মানুষের চুলকানি বা মৃদু জ্বালাও হতে পারে। এই প্রতিক্রিয়াগুলো সাধারণত মৃদু থেকে মাঝারি এবং ত্বক অভ্যস্ত হওয়ার সাথে সাথে প্রায়ই উন্নত হয়; তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসককে জানান।

Q: Triclean 30 gm Cream ব্যবহারের সময় কি সানস্ক্রিন লাগানো প্রয়োজন?

A: হ্যাঁ। Triclean 30 gm Cream-এর তিনটি উপাদানই ত্বককে সূর্যালোকের প্রতি আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে। Triclean 30 gm Cream ব্যবহারের সময় প্রতিদিন সকালে ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন লাগানো, দিনের বেলা পুনরায় লাগানো এবং সূর্যালোকের সংস্পর্শ কমানো উচিত, কারণ সূর্যালোক যে মেলাজমার চিকিৎসা করা হচ্ছে তাও আরও খারাপ করতে পারে।

Q: কাদের Triclean 30 gm Cream ব্যবহার করা উচিত নয়?

A: ফ্লুওসিনোলোন অ্যাসিটোনাইড, হাইড্রোকুইনোন, ট্রেটিনোইন, অন্য কর্টিকোস্টেরয়েড বা রেটিনয়েড, অথবা কিছু প্রস্তুতিতে থাকা সালফাইট প্রিজারভেটিভের প্রতি জানা অ্যালার্জি (অতিসংবেদনশীলতা) থাকলে Triclean 30 gm Cream ব্যবহার করা উচিত নয়। এটি ক্ষতিগ্রস্ত, একজিমাযুক্ত বা রোদে পোড়া ত্বকেও প্রয়োগ করা উচিত নয়, এবং শিশুদের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত নয়।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor