
Nofiate200 mg
Incepta Pharmaceuticals Ltd.

Trigent একটি ফাইব্রিক অ্যাসিড ডেরিভেটিভ (ফাইব্রেট) শ্রেণীর ঔষধ, যা ডায়েটের সহায়ক হিসেবে লিপিড (রক্তের চর্বি) সমস্যায় ব্যবহৃত হয়।
স্ট্যাটিন থেরাপির পরও ট্রাইগ্লিসারাইড বেশি থাকলে নির্দিষ্ট উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসক স্ট্যাটিনের সাথে Trigent যুক্ত করতে পারেন, তবে এক্ষেত্রে মাংসপেশির ক্ষতির ঝুঁকি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হয়।
উল্লেখ্য, নিয়ন্ত্রিত গবেষণায় Trigent এককভাবে হৃদরোগজনিত মৃত্যু বা জটিলতা কমায় বলে প্রমাণিত হয়নি।
Trigent একটি ফাইব্রিক অ্যাসিড ডেরিভেটিভ (ফাইব্রেট) শ্রেণীর লিপিড-নিয়ন্ত্রণকারী ঔষধ, যা স্ট্যাটিন, বাইল অ্যাসিড রেজিন বা নায়াসিন থেকে ভিন্ন একটি পৃথক গ্রুপ।
Fenofibrate একটি প্রোড্রাগ, যা দেহে দ্রুত হাইড্রোলাইজড হয়ে সক্রিয় উপাদান ফেনোফাইব্রিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়। ফেনোফাইব্রিক অ্যাসিড PPAR-আলফা (peroxisome proliferator-activated receptor alpha) নামক নিউক্লিয়ার রিসেপ্টর সক্রিয় করে, যার ফলে লাইপোপ্রোটিন লাইপেজ এনজাইমের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় এবং ট্রাইগ্লিসারাইডসমৃদ্ধ কণিকা রক্ত থেকে দ্রুত অপসারিত হয়।
এর ফলে Fenofibrate মোট কোলেস্টেরল, এলডিএল কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড এবং অ্যাপোলিপোপ্রোটিন-বি কমায়, পাশাপাশি এইচডিএল কোলেস্টেরল বাড়ায়। খাবারের সাথে সেবন করলে শোষণ উন্নত হয়, এবং সক্রিয় উপাদানের অর্ধায়ু প্রায় ২০ ঘণ্টা।
বিভিন্ন Trigent ব্র্যান্ড/ফর্মুলেশনের জৈব প্রাপ্যতা ভিন্ন হওয়ায় একটির মাত্রা অন্যটির সাথে সরাসরি বদলানো ঠিক নয়; সবসময় চিকিৎসকের নির্দেশিত নির্দিষ্ট পণ্য ও মাত্রা অনুসরণ করুন।
Trigent খাবারের সাথে সেবন করা উচিত, কারণ এতে শোষণ ভালো হয়। ক্যাপসুল/ট্যাবলেট গোটা গিলে খেতে হবে, চিবানো বা গুঁড়া করা উচিত নয়, যদি না লেবেলে ভিন্ন নির্দেশনা থাকে।
মৃদু থেকে মাঝারি বৃক্কের কার্যক্ষমতা হ্রাসপ্রাপ্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন উপলব্ধ মাত্রা দিয়ে চিকিৎসা শুরু করতে হবে এবং সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। গুরুতর বৃক্ক বিকল রোগী বা ডায়ালাইসিসের রোগীদের ক্ষেত্রে Trigent এড়িয়ে চলতে হবে (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।
সক্রিয় যকৃতরোগে Trigent এড়িয়ে চলুন এবং চিকিৎসাকালে যকৃতের কার্যক্ষমতা নিয়মিত পরীক্ষা করুন।
লিপিডের মাত্রা নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত; সর্বোচ্চ মাত্রায় প্রায় ২ মাস চিকিৎসার পরও পর্যাপ্ত ফল না পাওয়া গেলে চিকিৎসক Trigent বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
Trigent স্ট্যাটিনের সাথে একত্রে ব্যবহার করলে মায়োপ্যাথি ও র্যাবডোমায়োলাইসিসের (গুরুতর মাংসপেশি ক্ষতি) ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই সংমিশ্রণ শুধুমাত্র চিকিৎসকের নিবিড় তত্ত্বাবধানে, উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে হলেই ব্যবহার করা উচিত, এবং মাংসপেশির ব্যথা বা দুর্বলতার লক্ষণ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।
Trigent ওয়ারফারিনজাতীয় অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্টের কার্যকারিতা বাড়িয়ে দিতে পারে, ফলে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ে। Trigent শুরু, মাত্রা পরিবর্তন বা বন্ধ করার সময় অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্টের মাত্রা সমন্বয় ও INR ঘন ঘন পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
সাইক্লোস্পোরিন বা ট্যাক্রোলিমাসের সাথে ব্যবহারে বৃক্কের কার্যক্ষমতা হ্রাসের ঝুঁকি বাড়তে পারে; উভয় ঔষধের সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা ব্যবহার করে বৃক্কের কার্যক্ষমতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
কোলেস্টাইরামিনের মতো রেজিন Trigent-এর শোষণ কমিয়ে দিতে পারে; একসাথে ব্যবহার করলে অন্তত ১ ঘণ্টা আগে বা ৪-৬ ঘণ্টা পরে সেবন করা উচিত।
কলচিসিনের সাথে একত্রে ব্যবহারে মায়োপ্যাথি বা র্যাবডোমায়োলাইসিসের ঝুঁকি বাড়তে পারে, বিশেষত বয়স্ক বা বৃক্ক সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন।
বেশিরভাগ ঔষধের মতোই, Trigent সেবনে কিছু রোগীর ক্ষেত্রে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে, যদিও সবার ক্ষেত্রে তা হয় না।
গর্ভাবস্থা: গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে Trigent-এর নিরাপত্তা নিশ্চিতকারী পর্যাপ্ত তথ্য নেই। সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে স্পষ্টভাবে বেশি মনে হলেই এবং একমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে Trigent ব্যবহার করা উচিত।
স্তন্যদান: Trigent বা এর মেটাবোলাইট মায়ের বুকের দুধে নিঃসৃত হয় কিনা তা জানা নেই; শিশুর ক্ষতির সম্ভাবনা থাকায় বেশিরভাগ পণ্যের লেবেলে স্তন্যদানকারী মায়েদের জন্য এটি প্রতিনির্দেশিত বলে বিবেচনা করা হয়। স্তন্যদান বন্ধ করা হবে নাকি Trigent বন্ধ করা হবে, তা মায়ের জন্য ঔষধের গুরুত্ব বিবেচনা করে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
Trigent মাংসপেশির ক্ষতি করতে পারে, যার মধ্যে বিরলক্ষেত্রে তীব্র বৃক্ক জটিলতাসহ র্যাবডোমায়োলাইসিস অন্তর্ভুক্ত। বয়স্ক রোগী, ডায়াবেটিস, বৃক্ক সমস্যা, হাইপোথাইরয়েডিজম, অথবা স্ট্যাটিন বা কলচিসিনের সাথে একত্রে ব্যবহারে ঝুঁকি বেশি। ব্যাখ্যাতীত মাংসপেশির ব্যথা, কোমলতা বা দুর্বলতা, বিশেষত জ্বর বা অসুস্থতাবোধসহ দেখা দিলে সাথে সাথে চিকিৎসককে জানাতে হবে; সন্দেহ হলে বা ক্রিয়েটিন কাইনেজ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেলে চিকিৎসা বন্ধ করতে হবে।
মাত্রা-নির্ভর যকৃত এনজাইম বৃদ্ধি হতে পারে। নিয়মিত যকৃত কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করা উচিত, এবং এনজাইম মাত্রা স্বাভাবিকের ৩ গুণের বেশি স্থায়ীভাবে থাকলে বা যকৃতের ক্ষতির লক্ষণ দেখা দিলে Trigent বন্ধ করতে হবে।
Trigent পিত্তে কোলেস্টেরল নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়, যা গলস্টোন গঠনের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। গলস্টোন সন্দেহ হলে পিত্তথলি পরীক্ষা করাতে হবে; পাওয়া গেলে Trigent বন্ধ করতে হবে।
সিরাম ক্রিয়েটিনিনের প্রতিবর্তনযোগ্য বৃদ্ধি হতে পারে। বিশেষত পূর্ব-বিদ্যমান বৃক্ক সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে বৃক্কের কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করতে হবে; উল্লেখযোগ্য অবনতি হলে চিকিৎসা স্থগিত রাখতে হবে।
গুরুতর হাইপারট্রাইগ্লিসারিডেমিয়া রোগীদের চিকিৎসাকালে প্যানক্রিয়াটাইটিসের খবর পাওয়া গেছে; ব্যাখ্যাতীত পেটে ব্যথা হলে এই সম্ভাবনা বিবেচনা করতে হবে।
হিমোগ্লোবিন, হেমাটোক্রিট ও শ্বেত রক্তকণিকা সামান্য হ্রাস দেখা যেতে পারে; চিকিৎসার প্রথম বছরে নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করা উচিত।
Trigent-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে সাথে সাথে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা মূলত উপসর্গভিত্তিক ও সহায়ক; Trigent হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে অপসারিত হয় না। বাড়িতে নিজে থেকে অতিরিক্ত মাত্রার চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না।
ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°C এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে সাধারণত মাত্রার নিম্নসীমা থেকে চিকিৎসা শুরু করা উচিত, কারণ এই বয়সে যকৃত, বৃক্ক বা হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা হ্রাস এবং সহ-অসুস্থতা বা অন্যান্য ঔষধ সেবনের সম্ভাবনা বেশি থাকে। বয়স্করা মায়োপ্যাথির ঝুঁকিতেও বেশি থাকেন।
মৃদু থেকে মাঝারি বৃক্ক সমস্যায় সর্বনিম্ন উপলব্ধ মাত্রা ব্যবহার করে নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন; গুরুতর বৃক্ক বিকলতা/ডায়ালাইসিসে Trigent এড়িয়ে চলতে হবে (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।
পদ্ধতিগতভাবে গবেষণা করা হয়নি; সক্রিয় যকৃতরোগে এড়িয়ে চলুন এবং ব্যবহারকালে যকৃত এনজাইম পর্যবেক্ষণ করুন।
১৮ বছরের কম বয়সী রোগীদের ক্ষেত্রে Trigent-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি; শিশুদের ক্ষেত্রে এর ব্যবহার সুপারিশ করা হয় না।
Q: Trigent 200 mg Capsule (Micronized) কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Trigent 200 mg Capsule (Micronized) ডায়েটের পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্কদের উচ্চ কোলেস্টেরল ও উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইড (রক্তের চর্বি) নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়, যখন শুধু ডায়েট দিয়ে পর্যাপ্ত ফল পাওয়া যায় না।
Q: Trigent 200 mg Capsule (Micronized) কীভাবে সেবন করতে হবে?
A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী Trigent 200 mg Capsule (Micronized) সেবন করুন, সাধারণত দিনে একবার খাবারের সাথে, কারণ এতে শোষণ ভালো হয়। নিজে থেকে ব্র্যান্ড বা মাত্রা পরিবর্তন করবেন না, কারণ বিভিন্ন Trigent 200 mg Capsule (Micronized) পণ্য একে অপরের সাথে সরাসরি পরিবর্তনযোগ্য নয়।
Q: কোলেস্টেরলের জন্য Trigent 200 mg Capsule (Micronized)-এর সাথে স্ট্যাটিন একসাথে খাওয়া যায়?
A: কখনো কখনো Trigent 200 mg Capsule (Micronized)-কে স্ট্যাটিনের সাথে একত্রে ব্যবহার করা হয়, তবে এতে মাংসপেশির সমস্যা (মায়োপ্যাথি) এবং বিরল কিন্তু গুরুতর মাংসপেশি ভাঙন (র্যাবডোমায়োলাইসিস)-এর ঝুঁকি বাড়ে। এটি শুধুমাত্র চিকিৎসকের নিবিড় পর্যবেক্ষণে করা উচিত, এবং ব্যাখ্যাতীত মাংসপেশির ব্যথা, কোমলতা বা দুর্বলতা দেখা দিলে সাথে সাথে চিকিৎসককে জানাতে হবে।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Trigent 200 mg Capsule (Micronized) নিরাপদ কি?
A: গর্ভাবস্থায় Trigent 200 mg Capsule (Micronized)-এর নিরাপত্তা সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য নেই, তাই এটি শুধুমাত্র চিকিৎসক উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে স্পষ্টভাবে বেশি মনে করলেই ব্যবহার করা উচিত। স্তন্যদানকালে Trigent 200 mg Capsule (Micronized) সাধারণত সুপারিশ করা হয় না কারণ এটি বুকের দুধে নিঃসৃত হয়ে শিশুকে প্রভাবিত করতে পারে বলে অধিকাংশ লেবেলে একে প্রতিনির্দেশিত হিসেবে গণ্য করা হয়; নিরাপদ বিকল্প নিয়ে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন।
Q: কাদের Trigent 200 mg Capsule (Micronized) সেবন করা উচিত নয়?
A: Trigent 200 mg Capsule (Micronized)-এ পরিচিত অ্যালার্জি থাকলে, গুরুতর বৃক্ক বিকলতা (ডায়ালাইসিস রোগীসহ), সক্রিয় যকৃতরোগ, পূর্ব-বিদ্যমান পিত্তথলির রোগ থাকলে, এবং স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে Trigent 200 mg Capsule (Micronized) সেবন করা উচিত নয়।
Q: Trigent 200 mg Capsule (Micronized) বেশি মাত্রায় সেবন করে ফেললে কী করবেন?
A: আপনি বা অন্য কেউ নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি Trigent 200 mg Capsule (Micronized) সেবন করলে সাথে সাথে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; বাড়িতে নিজে থেকে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।