
Human Albumin20%
International Agencies (Bd.) Limited
Albumin হলো মানব রক্তরস (প্লাজমা) থেকে তৈরি একটি প্রোটিন দ্রবণ, যা শিরাপথে (ইনট্রাভেনাস) রক্তের আয়তন পুনঃস্থাপন এবং রক্তে অ্যালবুমিনের নিম্ন মাত্রা সংশোধনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
Albumin হলো মানব রক্তরস (প্লাজমা) থেকে তৈরি একটি প্রোটিন দ্রবণ, যা শিরাপথে (ইনট্রাভেনাস) রক্তের আয়তন পুনঃস্থাপন এবং রক্তে অ্যালবুমিনের নিম্ন মাত্রা সংশোধনের জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী এর ব্যবহারকে ভাগ করা যায়:
শুধুমাত্র সিরাম অ্যালবুমিনের মাত্রার উপর নির্ভর না করে, রক্তনালীর আয়তন সংক্রান্ত ক্লিনিক্যাল মূল্যায়নের ভিত্তিতে Albumin ব্যবহার করা উচিত।
Albumin-এর মাত্রা ও প্রয়োগের গতি রোগভেদে, রোগীর হিমোডাইনামিক অবস্থা এবং চিকিৎসার প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী চিকিৎসকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে নির্ধারণ করতে হয়।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রার নির্দেশনা |
|---|---|
| হাইপোভোলেমিক শক | প্রাথমিকভাবে ৫% দ্রবণ; হিমোডাইনামিক প্রতিক্রিয়া (রক্তচাপ, প্রস্রাবের পরিমাণ, কেন্দ্রীয় শিরার চাপ) অনুযায়ী মাত্রা সমন্বয় করা হয় |
| বৃহৎ-আয়তন প্যারাসেন্টেসিস (>৫ লিটার অ্যাসাইটিক ফ্লুইড) | ৫ লিটারের বেশি অপসারিত প্রতি লিটার অ্যাসাইটিক ফ্লুইডের জন্য প্রায় ৬-৮ গ্রাম Albumin (২০-২৫% দ্রবণ হিসেবে) |
| স্বতঃস্ফূর্ত ব্যাকটেরিয়াল পেরিটোনাইটিস (সহায়ক) | প্রথম দিনে প্রায় ১.৫ গ্রাম/কেজি, তৃতীয় দিনে ১ গ্রাম/কেজি, অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে একত্রে |
| হাইপোঅ্যালবুমিনেমিয়া (যেমন নেফ্রোটিক সিনড্রোম, অ্যাসাইটিসসহ সিরোসিস) | ২০-২৫% দ্রবণ, সিরাম অ্যালবুমিন ও আয়তন অবস্থা অনুযায়ী মাত্রা ও সেবনের হার পৃথকভাবে নির্ধারিত হয় |
কিডনি/লিভার সমস্যায়: নির্দিষ্ট কোনো মাত্রা সমন্বয় সূত্র প্রতিষ্ঠিত নেই; তবে কিডনি সমস্যা বা অলিগুরিয়া/অ্যানুরিয়া থাকা রোগীদের এবং তরল ধরে রাখার প্রবণতাসহ লিভার সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে তরল অতিরিক্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকায় Albumin সতর্কতার সাথে এবং ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ব্যবহার করা উচিত।
Albumin-এর অধিকাংশ প্রতিক্রিয়া মৃদু এবং ইনফিউশন-সম্পর্কিত। প্রতিবেদিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Albumin ব্যবহার করা উচিত নয়:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।