
Xeloda500 mg
Radiant Pharmaceuticals Ltd.
প্রতিষ্ঠিত ও অনুমোদিত ব্যবহার মেটাস্ট্যাটিক স্তন ক্যান্সার : প্যাক্লিট্যাক্সেল ও অ্যানথ্রাসাইক্লিনযুক্ত কেমোথেরাপির প্রতি প্রতিরোধী রোগীদের ক্ষেত্রে, অথবা আরও অ্যানথ্রাসাইক্লিন চিকিৎসা উপযুক্ত না হলে ইত্যাদি।
Capecitabine একটি সাইটোটক্সিক কেমোথেরাপি ওষুধ এবং এটি শুধুমাত্র অভিজ্ঞ অনকোলজিস্ট বা ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত।
শরীরের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল অনুযায়ী ১২৫০ mg/m² মাত্রায় দিনে দুইবার (সকাল ও সন্ধ্যা) মুখে সেবন, ১৪ দিন ধরে, এরপর ৭ দিনের বিরতি — মোট ২১ দিনের চক্র হিসেবে, রোগের অগ্রগতি বা অসহনীয় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া না হওয়া পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়া হয়।
২১ দিনের চক্রের ১ম থেকে ১৪তম দিন পর্যন্ত Capecitabine ১২৫০ mg/m² দিনে দুইবার, একই চক্রের ১ম দিনে শিরাপথে ডোসিট্যাক্সেল ৭৫ mg/m² প্রয়োগের সাথে সংযুক্তভাবে।
১২৫০ mg/m² দিনে দুইবার, ১৪ দিন, পরে ৭ দিনের বিরতি — ২১ দিনের চক্র হিসেবে, মোট ৮টি চক্র (২৪ সপ্তাহ)।
১২৫০ mg/m² দিনে দুইবার, ১৪ দিন, পরে ৭ দিনের বিরতি — ২১ দিনের চক্র হিসেবে, একক অথবা অনকোলজিস্ট নির্দেশিত অন্যান্য কেমোথেরাপির সাথে সংযুক্তভাবে।
| নির্দেশনা | মাত্রা | সময়সূচি |
|---|---|---|
| মেটাস্ট্যাটিক স্তন ক্যান্সার (একক) | ১২৫০ mg/m² দিনে দুইবার | ২১ দিনের চক্রের ১-১৪ দিন |
| মেটাস্ট্যাটিক স্তন ক্যান্সার (ডোসিট্যাক্সেলসহ) | ১২৫০ mg/m² দিনে দুইবার | ২১ দিনের চক্রের ১-১৪ দিন |
| সহায়ক কোলন ক্যান্সার (Dukes' C) | ১২৫০ mg/m² দিনে দুইবার | ২১ দিনের চক্র, ৮টি চক্র |
| মেটাস্ট্যাটিক কোলোরেক্টাল ক্যান্সার | ১২৫০ mg/m² দিনে দুইবার | ২১ দিনের চক্রের ১-১৪ দিন |
মৃদু কিডনি সমস্যায় (ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ৫১-৮০ mL/min) মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। মাঝারি মাত্রার কিডনি সমস্যায় (ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ৩০-৫০ mL/min) মাত্রা কমিয়ে স্বাভাবিক মাত্রার ৭৫%-এ আনার পরামর্শ দেওয়া হয়। গুরুতর কিডনি সমস্যায় (ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ৩০ mL/min-এর কম) Capecitabine ব্যবহার নিষিদ্ধ।
যকৃতে মেটাস্ট্যাসিসজনিত মৃদু থেকে মাঝারি যকৃত কার্যক্ষমতা হ্রাসের ক্ষেত্রে নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন; গুরুতর যকৃত সমস্যায় Capecitabine-এর ব্যবহার নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য নেই।
রক্তকণিকা, পরিপাকতন্ত্র, ত্বক (যেমন হ্যান্ড-ফুট সিনড্রোম) বা অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে চিকিৎসকের নির্দেশে মাত্রা পরিবর্তন বা সাময়িক বন্ধ রাখা প্রয়োজন হতে পারে।
তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, জ্বর, সংক্রমণের লক্ষণ, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ/কালশিটে দাগ, বা গুরুতর হ্যান্ড-ফুট উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।