
Defrol OS50 ml
ACME Laboratories Ltd.
Cholecalciferol [Vitamin D3] নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়: প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের ভিটামিন ডি ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ইত্যাদি।
Cholecalciferol [Vitamin D3] নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
সুনির্দিষ্ট মাত্রা ও চিকিৎসার মেয়াদ বয়স, বর্তমান ভিটামিন ডি অবস্থা এবং অন্তর্নিহিত সমস্যার উপর নির্ভর করে, এবং তা চিকিৎসকের দ্বারা নির্ধারিত হওয়া উচিত।
Cholecalciferol [Vitamin D3]-এর মাত্রা নির্দেশনা, বয়স, বর্তমান ভিটামিন ডি অবস্থা এবং ফর্মুলেশন (দৈনিক কম মাত্রা বনাম বিরতিমূলক উচ্চমাত্রা)-এর উপর নির্ভর করে। নিচে সাধারণ নির্দেশনা দেওয়া হলো; সর্বদা চিকিৎসকের নির্ধারিত মাত্রা অনুসরণ করতে হবে।
| নির্দেশনা/জনগোষ্ঠী | সাধারণ মাত্রা |
|---|---|
| ভিটামিন ডি ঘাটতি (প্রাপ্তবয়স্ক) | সাধারণত সপ্তাহে একবার ৫০,০০০ IU, ৬-৮ সপ্তাহ ধরে (অথবা সমতুল্য দৈনিক উচ্চমাত্রা), এরপর দৈনিক ১,০০০-২,০০০ IU রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা, চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী। |
| রক্ষণাবেক্ষণ/ঘাটতি প্রতিরোধ (প্রাপ্তবয়স্ক) | সাধারণত দৈনিক ৬০০-২,০০০ IU, ঝুঁকির কারণ ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারিত। |
| শিশু (০-১২ মাস) | দৈনিক ৪০০ IU (স্তন্যপান করানো শিশু এবং সীমিত ফর্টিফাইড ফর্মুলা গ্রহণকারীদের জন্য), শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী। |
| শিশু ও কিশোর-কিশোরী (১-১৮ বছর) | দৈনিক ৬০০-১,০০০ IU, অথবা নিশ্চিত ঘাটতির ক্ষেত্রে চিকিৎসক-নির্দেশিত উচ্চতর প্রতিস্থাপন মাত্রা, পরবর্তীতে রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা। |
| পুষ্টিজনিত রিকেটস (শিশু) | চিকিৎসক-নির্দেশিত নির্দিষ্ট মেয়াদে উচ্চতর প্রতিস্থাপন মাত্রা, এরপর রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা। |
| অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ (সহায়ক) | সাধারণত দৈনিক ৮০০-২,০০০ IU, পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণের সাথে, চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী। |
নির্ধারিত মাত্রায় Cholecalciferol [Vitamin D3] সাধারণত ভালোভাবে সহনীয় এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অস্বাভাবিক। বিরূপ প্রতিক্রিয়া মূলত অতিরিক্ত গ্রহণজনিত হাইপারক্যালসেমিয়ার সাথে সম্পর্কিত। প্রতিবেদিত প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:
Cholecalciferol [Vitamin D3] নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।